• ই-পেপার

কার্টুন দেখে আইপিএল মাতানো বৈভবকে নিয়ে মুগ্ধ কুক-ভন

বিশ্বকাপে পেনাল্টি শুটআউটের আদ্যোপান্ত

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে পেনাল্টি শুটআউটের আদ্যোপান্ত
১৯৯৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে রবার্তো ব্যাজিওর পেনাল্টি মিস কাঁদিয়েছিল ইতালিকে। ছবি : রয়টার্স

ক্রীড়াঙ্গনে পেনাল্টি শুটআউট মানেই চরম উত্তেজনা, বুক ধড়ফড়ানি আর শেষ মুহূর্তের স্নায়ুযুদ্ধ। ১৯৭৮ বিশ্বকাপে প্রথম টাইব্রেকার নিয়ম চালু হলেও মাঠের লড়াইয়ে এর দেখা মেলে ১৯৮২ সালে। এর পর থেকে বিশ্বমঞ্চে ফুটবলারদের ভাগ্য নির্ধারণে বড় এক নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে এই পেনাল্টি শুটআউট। 

আসন্ন মেগা আসরকে সামনে রেখে একনজরে দেখে নেওয়া যাক বিশ্বকাপের টাইব্রেকার ইতিহাসের কিছু অবিশ্বাস্য ও রোমাঞ্চকর পরিসংখ্যান—

৩৫টি শুটআউটের রোমাঞ্চকর ইতিহাস

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত মোট ৩৫টি ম্যাচ গড়িয়েছে পেনাল্টি শুটআউটে। যার সূচনা হয়েছিল ১৯৮২ সালের ৮ জুন, জার্মানি ও ফ্রান্সের মধ্যকার সেই বিখ্যাত সেমিফাইনাল দিয়ে। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা ৩-৩ গোলে ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে ফ্রান্সকে ৫-৪ ব্যবধানে বিদায় করে ফাইনালে উঠেছিল তৎকালীন পশ্চিম জার্মানি।

ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি শুটআউট দেখার রেকর্ডটি একদম টাটকা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৫টি ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়ায়, যার মধ্যে ছিল আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের মধ্যকার মহাকাব্যিক ফাইনালটিও। এর আগে ১৯৯০, ২০০৬, ২০১৪ এবং ২০১৮ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৪টি করে ম্যাচ শুটআউটে গড়িয়েছিল। মজার ব্যাপার হলো, ১৯৭৮ সালে নিয়ম চালুর পর কেবল ওই বিশ্বকাপেই কোনো ম্যাচ টাইব্রেকারে যায়নি!

সফলতার চূড়ায় জার্মানি-ক্রোয়েশিয়া, ট্র্যাজেডির নায়ক স্পেন

বিশ্বকাপের টাইব্রেকারে সবচেয়ে ‘ভীতিকর’ এবং অপরাজেয় দুটি দল হলো জার্মানি ও ক্রোয়েশিয়া। দুই দলই এখন পর্যন্ত ৪টি করে শুটআউটে অংশ নিয়ে প্রতিটিতেই জয়ের শতভাগ রেকর্ড ধরে রেখেছে। জার্মানি তাদের চার জয় পায় ১৯৮২, ১৯৮৬, ১৯৯০ এবং ২০০৬ সালে। অন্যদিকে, ক্রোয়েশিয়া ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে ব্যাক-টু-ব্যাক দুটি করে শুটআউট জিতে এই এলিট ক্লাবে জায়গা করে নেয়।

সবচেয়ে বেশি ৭ বার শুটআউটের মুখোমুখি হয়ে ৬ বারই জিতে রেকর্ড গড়েছে আলবিসেলেস্তেরা। ২০০৬ সালে জার্মানির কাছে হার ছাড়া প্রতিটি টাইব্রেকারেই শেষ হাসি হেসেছে আর্জেন্টিনা।

বিপরীতে, পেনাল্টি শুটআউট মানেই স্পেনের জন্য এক দুঃস্বপ্ন। ৫ বার টাইব্রেকারের মুখোমুখি হয়ে ৪ বারই হেরেছে তারা। ২০২২ বিশ্বকাপে মরক্কোর কাছে স্প্যানিশদের ৩-০ ব্যবধানের হারটি ছিল সবচেয়ে লজ্জাজনক, যেখানে একটি শটও জালে জড়াতে পারেনি তারা। এ ছাড়া ইংল্যান্ড, ইতালি, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডস—এই চার পরাশক্তিই সর্বোচ্চ ৩টি করে শুটআউট হেরে ট্র্যাজেডির শিকার হয়েছে।

দীর্ঘতম ও সংক্ষিপ্ততম শুটআউট

বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘতম শুটআউটে শট নেওয়া হয়েছে ১২টি করে। এমনটি ঘটেছে মাত্র দুইবার—১৯৮২ সালে জার্মানি বনাম ফ্রান্স এবং ১৯৯৪ সালে সুইডেন বনাম রোমানিয়া ম্যাচে। দুই ম্যাচেই টাইব্রেকারের ফল আসে ৫-৪ ব্যবধানে।

অন্যদিকে, সবচেয়ে কম ৭টি শটেই ফয়সালা হওয়া শুটআউট রয়েছে ৩টি। ১৯৮৬ সালে মেক্সিকোর বিপক্ষে জার্মানি, ২০০৬ সালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ইউক্রেন এবং ২০২২ সালে স্পেনের বিপক্ষে মরক্কো। শেষ দুটি ম্যাচে সুইজারল্যান্ড ও স্পেন তাদের নেওয়া ৩টি শটের একটিও গোল করতে পারেনি!

গোলপোস্টের নিচে যারাই ত্রাতা

টাইব্রেকারে গোলরক্ষকদের বীরত্ব সবসময়ই আলাদা মাত্রা যোগ করে। বিশ্বকাপের এক শুটআউটে সর্বোচ্চ ৩টি পেনাল্টি সেভ করার কীর্তি আছে তিনজনের। ২০০৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পর্তুগালের রিকার্ডো প্রথম এই কীর্তি গড়েন। এরপর ২০১৮ সালে ডেনমার্কের বিপক্ষে ক্রোয়েশিয়ার দানিয়েল সুবাসিচ এবং ২০২২ সালে জাপানের বিপক্ষে একই দেশের ডমিনিক লিভাকোভিচ ৩টি করে শট ঠেকিয়ে দেন।

আবার শুটআউটে একটি গোলও হজম না করার অনন্য রেকর্ড রয়েছে দুজনের। ২০০৬ সালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ইউক্রেনের ওলেক্সান্দর শভকোভস্কি এবং ২০২২ সালে স্পেনের বিপক্ষে মরক্কোর ইয়াসিন বুনু নিজেদের জাল অক্ষত রেখে দলকে জিতিয়েছিলেন।

খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত রেকর্ড

বিশ্বকাপের ইতিহাসে মাত্র তিনজন ফুটবলার তিনটি ভিন্ন ভিন্ন পেনাল্টি শুটআউটে শট নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন—রবার্তো ব্যাজিও, লিওনেল মেসি এবং লুকা মদরিচ। এর মধ্যে মেসি ও মদরিচ তাদের নেওয়া ৩টি শটেই গোল করেছেন এবং দলও জিতেছে। অন্যদিকে, ১৯৯৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে ব্যাজিওর সেই বিখ্যাত পেনাল্টি মিস ইতালিকে কাঁদিয়েছিল।

এ ছাড়া ক্রোয়েশিয়ার ইভান রাকিতিচ একমাত্র খেলোয়াড়, যিনি ২০১৮ বিশ্বকাপে ডেনমার্ক ও রাশিয়া—দুই ম্যাচেই দলের হয়ে জয়সূচক শেষ পেনাল্টিটি স্কোর করেছিলেন।

মনস্তাত্ত্বিক খেলা ও গোল করার কৌশল

পরিসংখ্যান বলছে, টাইব্রেকারে অষ্টম পেনাল্টি শটটি নেওয়া খেলোয়াড়দের ওপর সবচেয়ে বেশি চাপ থাকে। এই পজিশনে গোল করার হার মাত্র ৫৯.৪ শতাংশ। প্রথম তিনটি শটের ক্ষেত্রে সাফল্যের হার ৭১ শতাংশের ওপরে থাকলেও, চতুর্থ ও পঞ্চম শটে তা কমে দাঁড়ায় ৬৪ শতাংশে।

ঐতিহাসিক তথ্য বলছে, গোলপোস্টের ওপরের এক-তৃতীয়াংশ বা টপ কর্নার লক্ষ্য করে নেওয়া ৩৯টি শটের একটিও গোলরক্ষকরা ঠেকাতে পারেননি! অর্থাৎ, ওপরের দিকে নিখুঁত শট নিলে গোল হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ। তবে এতে বল পোস্টের ওপর দিয়ে চলে যাওয়ার আকাশচুম্বী ঝুঁকিও থাকে, যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ ১৯৯৪ ফাইনালে ব্যাজিওর সেই হৃদয়ভঙ্গ করা শট।

বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় ইয়ামাল, হালান্ড-এমবাপ্পের কত

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় ইয়ামাল, হালান্ড-এমবাপ্পের কত

বিশ্বকাপের আগে বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া গবেষণা কেন্দ্রের (সিআইইএস) স্বীকৃতি পেলেন স্প্যানিশ তারকা লামিনে ইয়ামাল। 

সিআইইএস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, লামিনে ইয়ামালের বর্তমান বাজার মূল্য ৩৪৩ মিলিয়ন ইউরো। 

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আর্লিং হালান্ডের বর্তমান বাজার মূল্য ২৫৫ মিলিয়ন ইউরো। কিছুদিন আগেও বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় হিসেবে থাকা কিলিয়ান এমবাপ্পের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ২০১ মিলিয়ন ইউরো। 

এছাড়াও এবারের বিশ্বকাপে দামি খেলোয়াড় হিসেবে বিশেষ নজর থাকবে রিয়াল তারকা যুড বেলিংহাম, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং বায়ার্ন মিউনিখের ফরাসি উইঙ্গার মাইকেল ওলিসের দিকে।

মিডফিল্ডার হিসেবে বিশেষ নজর থাকবে পিএসজির পর্তুগিজ তারকা ভিতিনিয়া ও জোয়াও নেভেসের দিকে।

বিশ্বকাপের ১২ গ্রুপ নিয়ে অপ্টার ভবিষ্যদ্বাণী, কারা এগিয়ে?

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের ১২ গ্রুপ নিয়ে অপ্টার ভবিষ্যদ্বাণী, কারা এগিয়ে?
সংগৃহীত ছবি

আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা। ১১ জুন পর্দা উঠছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফিফা বিশ্বকাপের। প্রথমবারের মতো ৪৮ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফুটবলের মহাযজ্ঞ, যার আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো।

বিশ্বকাপ শুরুর আগে প্রতিটি গ্রুপের সম্ভাবনা নিয়ে বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে অপ্টা সুপারকম্পিউটার। তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ইউরো ২০২৪ চ্যাম্পিয়ন স্পেনই এবারের বিশ্বকাপ জয়ের সবচেয়ে বড় দাবিদার।

অপ্টার হিসাবে, বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, ২০২২ সালের রানার্সআপ ফ্রান্স এবং ইউরো ফাইনালিস্ট ইংল্যান্ডও শিরোপার দৌড়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

এবারের বিশ্বকাপে ১২টি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে ৪৮টি দল। প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল সরাসরি নকআউট পর্বে উঠবে। এ ছাড়া সেরা আটটি তৃতীয় স্থানধারী দলও জায়গা পাবে নতুন সংযোজিত শেষ ৩২ পর্বে।

গ্রুপ ‘এ’-তে রয়েছে স্বাগতিক মেক্সিকো, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া ও চেকিয়া। অপ্টার মতে, এখান থেকে সরাসরি নকআউটে যাবে মেক্রিকো ও দক্ষিণ কোরিয়া।  গ্রুপ ‘বি’-তে স্বাগতিক কানাডার প্রতিপক্ষ বসনিয়া-হার্জেগোভিনা, কাতার ও সুইজারল্যান্ড। তবে এখন থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ধরা হয়েছে স্বাগতিক কানাডাকে।

ব্রাজিল রয়েছে গ্রুপ ‘সি’-তে, যেখানে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ড। অপ্টার মতে এই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হবে ব্রাজিল। আর পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় হবে মরক্কো। অন্যদিকে গ্রুপ ‘ডি’-তে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আছে প্যারাগুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও তুরস্ক। এই গ্রুপে যুক্তরাষ্ট্র গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলেও তুরস্ক বাদ পড়বে বলে মত অপ্টার।

গ্রুপ ‘ই’-তে চমক দেখাবে কুরাসাও। জার্মানির সঙ্গে তারাও সরাসরি যাবে নকআউটে। 

গ্রুপ ‘এফ’ থেকে নেদারল্যান্ডস ও জাপান যাবে পরের পর্বে। 

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা খেলবে গ্রুপ ‘জে’-তে। তাদের প্রতিপক্ষ আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান। আর ইংল্যান্ড রয়েছে গ্রুপ ‘এল’-এ, যেখানে তাদের সঙ্গে আছে ক্রোয়েশিয়া, ঘানা ও পানামা।

এবারের বিশ্বকাপের আরেকটি বড় আকর্ষণ হতে পারেন দুই কিংবদন্তি ফুটবলার লিওনেল মেসি ও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। সবকিছু ঠিক থাকলে তারা দুজনই রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপে অংশ নেবেন।

অপ্টা সুপারকম্পিউটারের বিশ্লেষণে স্পেনকে সবচেয়ে এগিয়ে রাখা হলেও বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে চমকের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই ১১ জুন মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হওয়া এই মহাযজ্ঞে চোখ থাকবে পুরো ফুটবল বিশ্বের।

রুটের অমরত্বের পথে যাত্রা, লর্ডসে ১৫০তম টেস্ট

ক্রীড়া ডেস্ক
রুটের অমরত্বের পথে যাত্রা, লর্ডসে ১৫০তম টেস্ট

ক্রিকেটের ‘মক্কা’ খ্যাত লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড ইতিহাসের আরেকটি মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে। ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ক্রোথর্প ট্রফির প্রথম ম্যাচ দিয়ে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে লর্ডসের ১৫০তম টেস্ট।

১৮৮৪ সালে প্রথম টেস্ট আয়োজনের পর বিশ্বের আর কোনো ভেন্যুতে এত বেশি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি। এখন পর্যন্ত লর্ডসে ইংল্যান্ড খেলেছে ১৪৬টি টেস্ট। এর মধ্যে জয় ৬০টি, হার ৩৫টি এবং ড্র হয়েছে ৫১টি।

অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের জন্য লর্ডস সুখকর স্মৃতির ভেন্যু নয়। ১৯৩১ সালের পর থেকে এই মাঠে ১৯টি টেস্ট খেলে কিউইরা জিতেছে মাত্র একবার। ১৯৯৯ সালে সর্বশেষ জয় পাওয়ার পর লর্ডসে তাদের সাফল্যের দেখা মেলেনি।

এই ম্যাচে ব্যক্তিগত মাইলফলকের সামনেও রয়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক বেন স্টোকস। টেস্ট ক্রিকেটে ২৫০ উইকেট পূরণ করতে তার প্রয়োজন আর মাত্র পাঁচ উইকেট। ১২০ টেস্টে বর্তমানে তার উইকেট সংখ্যা ২৪৫।

শুধু টেস্ট নয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করতেও স্টোকসের দরকার আর পাঁচ উইকেট। ফলে লর্ডসের ঐতিহাসিক ম্যাচটি তার জন্যও বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

এদিকে ইংল্যান্ডের তারকা ব্যাটার জো রুটও রয়েছেন রেকর্ডের খুব কাছে। টেস্ট ক্রিকেটে ১৪ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করতে তার প্রয়োজন মাত্র ৫৭ রান।

বর্তমানে ১৬৩ টেস্টে রুটের সংগ্রহ ১৩,৯৪৩ রান। টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক শচিন টেন্ডুলকারের ১৫,৯২১ রানের রেকর্ড ভাঙার দৌড়েও রয়েছেন তিনি।

লর্ডসে রুটের পরিসংখ্যানও ঈর্ষণীয়। এই মাঠে ২৩ টেস্টে তিনি করেছেন ২,১৬৬ রান, যার মধ্যে রয়েছে আটটি সেঞ্চুরি ও সাতটি ফিফটি।

ঐতিহাসিক ১৫০তম টেস্টে তাই শুধু ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড দ্বৈরথ নয়, ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখ থাকবে রুট ও স্টোকসের সম্ভাব্য নতুন মাইলফলকের দিকেও।