ইউলিয়ান নাগেলসমানের উত্তরসূরি হয়েছেন ইয়ুর্গেন ক্লপ। তাতে প্রথমবারের মতো কোনো জাতীয় দলের দায়িত্ব পাওয়ায় নমনীয় থাকার কথা ছিল তার। তবে জার্মানির কোচ হয়েই পদত্যাগের হুংকার দিয়ে রেখেছেন তিনি।
সেটিও প্রথম কোচ হওয়ার প্রথম সংবাদ সম্মেলনে। প্রথম দেখায় কেন এমন হুংকার দিয়েছেন ক্লপ তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি। জার্মান কোচের মতে, নিজের সমালোচনা সহ্য করতে রাজি। তবে কোনোভাবে যদি ব্যক্তিগত জীবন ও পরিবারকে নিয়ে বাজে কোনো মন্তব্য করা হয় তাহলে দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন বলে জানান তিনি।
জার্মানির সঙ্গে ৪ বছরের চুক্তি হয়েছে ক্লপের। অর্থাৎ, ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ৪ বারের বিশ্বকাপজয়ীদের ডাগআউটে থাকছেন তিনি। নিজ দেশের জাতীয় দলের দায়িত্ব পেয়ে সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তিনি। জার্মানির দায়িত্ব শেষে আর কখনো কোচিং করাবেন না বলে নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিতে চান ৫৯ বছর বয়সী কোচ। তিনি বলেছেন, ‘জাতীয় দলের পর ইয়ুর্গেন ক্লপের আর কোনো ক্যারিয়ার থাকবে না। এটি তাই আমার কোচিং জীবনের চূড়ান্ত অধ্যায়। ক্যারিয়ারের শীর্ষবিন্দু। দলের জন্য সবটুকু উজাড় করে দেব।’
এরপরেই আকার-ইঙ্গিতে সাংবাদিকদের সতর্ক করলেন ক্লপ। লিভারপুলের হয়ে প্রায় সর্বজয়ী কোচ বলেছেন, ‘ডিএফবি যদি বলে আমি ব্যর্থ, চলে যাব। আমার কাজের সমালোচনা করুন, আমি মাথা পেতে নেব। কিন্তু যদি বাজে ব্যবহার করেন, আমার পরিবারকে শান্তিতে থাকতে না দেন, তবে আমি এক মুহূর্তও থাকব না।’
টমাস টুখেল-নাগেলসমানের সঙ্গে সাংবাদিকরা কেমন ব্যবহার করেছেন সেটা স্মরণ করে দিয়েছেন ক্লপ। তিনি বলেছেন, ‘জানি এমন অনেক দেশ আছে যেখানে জাতীয় দলের কোচদের সঙ্গে আরও খারাপ ব্যবহার করা হয়। মনে রাখবেন, এই দায়িত্ব নিজের জন্য নিচ্ছি না, আপনাদের জন্য নিচ্ছি। নাগেলসমান ও টমাস টুখেলের সঙ্গে আপনারা কেমন আচরণ করেছেন তা জেনেও এই চাকরিটা গ্রহণ করেছি আমি। কারণ, এই কাজকে আমি ভালোবাসি। তবে প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় চাকরি ছেড়ে দেওয়ার জন্য আমি প্রস্তুত।’




