• ই-পেপার

বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা প্রস্তুতি ম্যাচ পরিত্যক্ত

শিউলির মাকে জয় উৎসর্গ বাংলাদেশ দলের

ক্রীড়া ডেস্ক
শিউলির মাকে জয় উৎসর্গ বাংলাদেশ দলের
মা হারানো শিউলি আজিমকে সান্ত্বনা দেন সতীর্থরা। ছবি: মীর ফরিদ, গোয়া থেকে

বাস্তবতা হলো নির্মম এক আয়না। এটি কারো ইচ্ছেমতো চলে না। শিউলি আজিম যেন পারলেন না। মায়ের শেষ বিদায়ে যেমন পাশে থাকতে পারলেন না। ১৮ কোটি জনসংখ্যার প্রত্যাশার ভার যে তার কাঁধে। 

তাই গতকাল মায়ের মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর বুকে শোকের পাথর চেপে বাংলাদেশ দলের সঙ্গেই গোয়াতে থেকে গেলেন শিউলি। জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে যে আজ ছিল সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনাল। ডিফেন্ডারের ত্যাগ বিফলে যেতে দেননি তার সতীর্থরা।

আরো পড়ুন
যোগ করা সময়ে সাগরিকার গোল, নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

যোগ করা সময়ে সাগরিকার গোল, নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

 

শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ ২-১ গোলে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের ফাইনালে ওঠেছেন মারিয়া মান্দা-ঋতুপর্ণা চাকমারা। ফাইনালে ওঠার ম্যাচে অবশ্য মাঠে নামার সুযোগ হয়নি শিউলির। বেঞ্চে বসে জয় উদযাপন করেছেন তিনি।

এমন আনন্দের মুহূর্তে শিউলির মাকে ভুলে যাননি বাংলাদেশের ফুটবলাররা। তাই তো ম্যাচ শেষে সতীর্থর মাকে জয় উৎসর্গ করেছেন ঋতুপর্ণা-আফঈদা খন্দকাররা। অলিম্পিক গোল ও দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরা হওয়া ঋতুপর্ণা ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘এই ম্যাচটি আমরা আমাদের টিমমেট শিউলি দিদির মাকে উৎসর্গ করেছি। পাশাপাশি দেশের সব মানুষকে এটি উৎসর্গ করছি।’ 

সেমিফাইনালের শুরুতেই অবশ্য পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। ২২ মিনিটে কর্নার থেকে এগিয়ে যায় নেপাল। বিরতিতে যাওয়ার আগে অলিম্পিক গোলে  (কর্নার কিক থেকে সরাসরি গোল) দলকে সমতায় ফেরান ঋতুপর্ণা। পরে যোগ করা সময়ে মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে বিজয়োল্লাস করে বাংলাদেশ।

দল বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ, তবু তিনি গোল্ডেন বুট জয়ী

সাহিদ রহমান অরিন
দল বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ, তবু তিনি গোল্ডেন বুট জয়ী
ওলেগ সালেঙ্কো। ছবি : এএফপি

‘আমি স্বপ্ন দেখেছি অনেকগুলো গোল করতে যাচ্ছি, আমরা ক্যামেরুনকে বিধ্বস্ত করতে যাচ্ছি’—ঘুম থেকে জাগা পেয়েই সতীর্থদের বলেছিলেন ওলেগ সালেঙ্কো। কিন্তু সালেঙ্কোর কথাটিকে সতীর্থ দিমিত্রি রাদচেঙ্কোর পাগলের প্রলাপ মনে হয়েছিল। 

এমনটা মনে হওয়াই স্বাভাবিক। বিশ্বকাপের মতো মহাযজ্ঞে জালের দেখা পাওয়াই ফরোয়ার্ডদের কাছে অনেক সময় কঠিন হয়ে ওঠে। সেখানে এক ম্যাচে অনেকবার লক্ষ্যভেদ করা আক্ষরিক অর্থেই অকল্পনীয় ব্যাপার।

কিন্তু সেই সময়ের ২৪ বছর বয়সী টগবগে যুবক সালেঙ্কো যেন অসাধ্য সাধন করতে চেয়েছিলেন এবং তাতে তিনি সফলও হয়েছিলেন। 

যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ১৯৯৪ বিশ্বকাপে ক্যামেরুনের বিপক্ষে একটি-দুটি কিংবা শুধু হ্যাটট্রিক নয়; একাই পাঁচ গোল করেছিলেন সালেঙ্কো, যা এখনো বিশ্বকাপের এক ম্যাচে কোনো খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। 

Record
১৯৯৪ বিশ্বকাপে ক্যামেরুনের বিপক্ষে একাই পাঁচ গোল করেন রাশিয়ার ওলেগ সালেঙ্কো। ছবি: সংগৃহীত

সালেঙ্কোর একক নৈপুণ্যে সেদিন তার দল রাশিয়া ৬-১ গোলে বিধ্বস্ত করে ক্যামেরুনকে। কিন্তু ব্রাজিল ও সুইডেনের কাছে প্রথম দুই ম্যাচে হারায় রাশিয়া বিদায় নিতে হয় গ্রুপ পর্ব থেকেই। 

সুইডেনের বিপক্ষেও একটি গোল করেন সালেঙ্কো। সব মিলিয়ে ছয় গোল করে বুলগেরিয়ার হ্রিস্টো স্টইচকভের সঙ্গে যৌথভাবে সেই আসরে গোল্ডেন বুট জেতেন। স্টইচকভ তার দেশ বুলগেরিয়াকে তুলেছিলেন বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে, যা দেশটির ফুটবল ইতিহাসে সর্বোচ্চ সাফল্য। কিন্তু সালেঙ্কো বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়েও গোল্ডেন বুট জেতা একমাত্র ফুটবলার।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, ১৯৯৪ বিশ্বকাপে করা ওই ৬ গোলই আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে সালেঙ্কোর সর্বমোট গোল। চোটের কারণে এই স্ট্রাইকারের ক্যারিয়ার খুব বেশি লম্বা হয়নি। মাত্র ৩১ বছর বয়সে অবসর নিতে বাধ্য হন।

সালেঙ্কোর জন্ম সোভিয়েত ইউনিয়নের লেনিনগ্রাদে, বর্তমানে যে শহর সেন্ট পিটার্সবার্গ নামে পরিচিত। তার বাবা রাশিয়ান হলেও মা ইউক্রেনীয়। 
আন্তর্জাতিক ফুটবলে সালেঙ্কোর অভিষেক হয়েছিল ইউক্রেনের হয়ে; মায়ের দেশের জার্সিতে খেলেছেন ওই একটিমাত্র ম্যাচ। এরপর রাশিয়া দলে যোগ দিয়ে খেলেন ৮ ম্যাচ। 

বর্তমানে ৫৬ বছর বয়সী সালেঙ্কো থাকেন ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে। তার ছেলে রোমান সালেঙ্কোও পেশাদার ফুটবলার। খেলেন ইউক্রেনের ক্লাব জরিয়া লুহানস্কে। 

তবে সালেঙ্কো ধীরে ধীরে নিজেকে পেশাদার ফুটবল থেকে গুটিয়ে নেন। মাঝে মাঝে স্থানীয় ফুটবল কার্যক্রমে তাকে দেখা গেলেও ব্যক্তিগত ব্যবসা আর দাতব্য কাজে বেশি সময় ব্যয় করেন। 

আক্ষেপ নিয়ে সালেঙ্কো মাঝে মাঝে হয়তো দীর্ঘশ্বাস ফেলেন। ইস! শরীরটা যদি বেঈমানি না করত, তাহলে নিজেকে নিশ্চয় সেরা স্ট্রাইকারদের কাতারে দেখতেন। তবে বিশ্বকাপের এক ম্যাচেই পাঁচ গোল তাকে যে পরিচিতি এনে দিয়েছে, সেটাই বা কম কী?

২০২৬ বিশ্বকাপে নজর কাড়তে পারেন সাত আফ্রিকান খেলোয়াড়

ক্রীড়া ডেস্ক
২০২৬ বিশ্বকাপে নজর কাড়তে পারেন সাত আফ্রিকান খেলোয়াড়

আসন্ন  ৪৮ দলের ফিফা বিশ্বকাপে রেকর্ড দশ আফ্রিকান দেশ অংশ নেবে। যেখানে বহু তারকা খেলোয়াড় শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছেন। 

কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছানো প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল মরক্কো। তিন দেশে আয়োজিত বিশ্বকাপে প্রথম অংশ নিচ্ছে কেপ ভার্দে এবং ১৯৭৪ সালের পর প্রথমবারের বিশ্বকাপে ফিরেছে ডিআর কঙ্গো।

বিবিসি স্পোর্টস ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত  যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডায় নজর রাখার মতো আফ্রিকার সাতজন খেলোয়াড়কে বেছে নিয়েছে।

আন্তোয়ান সেমেনিয়ো 

লন্ডনে জন্মগ্রহণকারী ঘানা জাতীয় দলের খেলোয়াড় আন্তোয়ান সেমেনিয়ো। ঘানার এই ফরোয়ার্ড গেল মাসে চেলসির বিপক্ষে এফএ কাপের ফাইনালে অসাধারণ নৈপুণ্যই জয়সূচক গোল করে শিরোপা জিতাতে সাহায্য করে ম্যানসিটিকে। তবে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জেতাতে ব্যর্থ এই স্ট্রাইকার।

আরো পড়ুন
চোট কাটিয়ে পুরোপুরি ফিটের পথে আর্জেন্টাইন তারকারা

চোট কাটিয়ে পুরোপুরি ফিটের পথে আর্জেন্টাইন তারকারা

 

ইয়ান ডিওমান্ডে 

২০১৪ সালের পর আবার বিশ্বকাপে ফিরেছে ‘দ্য এলিফ্যান্টস’ খ্যাত আইভরি কোস্ট। দিদিয়ে দ্রগবার পর ইয়ান ডিওমান্ডেকে আইভরি কোস্ট সেরা তারকা মনে করা হচ্ছে। তিনি জার্মান বুন্দেসলিগার ক্লাব লিপজিগে নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন ইতিমধ্যে। 

১২ গোল ও আট অ্যাসিস্টে লাইপজিগ তৃতীয় স্থান অর্জন করে চ্যাম্পিয়ন্স লীগে আবার ফিরে আসে। ২০২৪/২৫ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছিল ক্লাবটি। মৌসুমে দারুণ খেলায় ১৯ বছর বয়সী এই প্রতিভাবনা ‘রুকি অফ দ্য সিজন’ পুরস্কার জিতে নেন।

রনওয়েন উইলিয়ামস

দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১০ সালে আয়োজকের পর এবার আবার বিশ্বকাপে অংশ নেবে। অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ও অধিনায়ক রনওয়েন উইলিয়ামসে ভর করে নক আউটের স্বপ্ন বুনছে দলটি। যিনি আফ্রিকা নেশনস কাপে কোয়ার্টার-ফাইনালে কেপ ভার্দের বিপক্ষে পেনাল্টি শুটআউটে চারটি স্পট কিক ঠেকিয়ে পরিচিতি লাভ করেন।

আরো পড়ুন
কানসাসে প্রথম পরীক্ষামূলক একাদশ নিয়ে অনুশীলন স্কালোনির

কানসাসে প্রথম পরীক্ষামূলক একাদশ নিয়ে অনুশীলন স্কালোনির

 

রোবার্তো ‘পিকো’ লোপেস  

কেপ ভার্দ ফুটবল দলের রক্ষণভাগের এক অনড় প্রাচীর রোবার্তো ‘পিকো’ লোপেস। তার ফুটবল ক্যারিয়ারের গল্পটি যেমন রোমাঞ্চকর, তেমনি রূপকথার মতো অবিশ্বাস্য। দলের বাছাই পর্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এই ডিফেন্ডার।

ডাবলিনে জন্ম নেওয়া এবং আয়ারল্যান্ডের ঘরোয়া ক্লাব শারমক রোভার্সের এই ৩৩ বছর বয়সী ডিফেন্ডারকে ২০১৯ সালে প্রথমবার জাতীয় দলে খেলার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তৎকালীন কেপ ভার্দ কোচ তাকে লিংকডইন প্ল্যাটফর্মে মেসেজ পাঠান। মেসেজটি পর্তুগিজ ভাষায় হওয়ায় লোপেস প্রথমে এটিকে স্প্যাম মনে করে প্রায় নয় মাস অবহেলা করেছিলেন। পরবর্তীতে গুগল ট্রান্সলেটের সাহায্যে অনুবাদ করে তিনি কেপ ভার্দিয়ান বাবার সূত্রে দেশটির হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নেন।

লোপেসের নেতৃত্বে সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ব ফুটবলে এক অভাবনীয় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে কেপ ভার্দ।

২০২৩ আফ্রিকা নেশনস কাপে দুর্দান্ত খেলে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছায়। আফ্রিকান অঞ্চলের ‘গ্রুপ ডি’ থেকে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে। বাছাই পর্বে আফ্রিকার অন্যতম ফুটবল পরাশক্তি ক্যামেরুনকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করে সরাসরি মূল পর্বে কোয়ালিফাই করে।

আরো পড়ুন
শিউলির মাকে জয় উৎসর্গ বাংলাদেশ দলের

শিউলির মাকে জয় উৎসর্গ বাংলাদেশ দলের

 

ব্রাহিম দিয়াজ 

আফ্রিকা নেশনস কাপে ২০২৫ সালে সেরা খেলোয়াড় ছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের উইঙ্গার মরক্কোর তারকা ব্রাহিম দিয়াজ। পুরো টুর্নামেন্টে ৫টি গোল করে তিনি আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা (গোল্ডেন বুট) হন এবং মরক্কোকে ফাইনালে তুলতে মূল ভূমিকা রাখেন। তবে ফাইনালের অতিরিক্ত সময়ে সেনেগালের কাছে হেরে রানার্স-আপ হয় মরক্কো। ব্রাহিম দিয়াস ইউরোপের শীর্ষ ৩টি ভিন্ন লিগ জেতা অন্যতম তরুণ খেলোয়াড়। তিনি ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে প্রিমিয়ার লিগ, এসি মিলানের হয়ে সিরি আ এবং রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে লা লিগা ও উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জয় করেছেন।

ইসমাইলা সার 

সেনেগালের একজন অত্যন্ত প্রতিভাবান ও দ্রুতগতির পেশাদার ফুটবলার ইসমাইলা সার। তিনি বর্তমানে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ক্রিস্টাল প্যালেস এবং সেনেগাল জাতীয় দলের হয়ে ফরোয়ার্ড বা উইঙ্গার হিসেবে খেলেন।

সেনেগালের হয়ে ২০২১ সালের ঐতিহাসিক আফ্রিকান নেশনস কাপ জয়ে দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের আসরেও তিনি সেনেগালকে ফাইনালে তুলতে বড় অবদান রাখেন। আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপ স্কোয়াডেও সেনেগাল দলের আক্রমণভাগের অন্যতম প্রধান অস্ত্র তিনি।

আরো পড়ুন
প্রস্তুতি ম্যাচে হাইতির কাছে বিধ্বস্ত নিউজিল্যান্ড

প্রস্তুতি ম্যাচে হাইতির কাছে বিধ্বস্ত নিউজিল্যান্ড

 

ওমর মারমুশ

মিসর জাতীয় দলের তারকা উইঙ্গার ওমর মারমুশ। তিনি বর্তমানে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের জায়ান্ট ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলেন। গতি, দুর্দান্ত ড্রিবলিং এবং গোল করার ক্ষমতার জন্য মারমুশকে বর্তমান ফুটবলবিশ্বের অন্যতম সম্ভাবনাময় আফ্রিকান ফরোয়ার্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মোহাম্মদ সালাহর পাশাপাশি তিনি মিসরের আক্রমণভাগের অন্যতম প্রধান শক্তি।

ফ্রেঞ্চ ওপেন

সাবালেঙ্কাকে বিদায় করে রুশ তরুণীর চমক

ক্রীড়া ডেস্ক
সাবালেঙ্কাকে বিদায় করে রুশ তরুণীর চমক
সর্বশেষ ফ্রেঞ্চ ওপেনে রানার্স-আপ হলেও এবার কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায় সাবালেঙ্কার। ছবি : এক্স থেকে

নামের পাশে চারটি গ্র্যান্ড স্লাম থাকলেও ফ্রেঞ্চ ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হওয়া হয়নি আরিনা সাবালেঙ্কার। সর্বশেষবার ফাইনালে উঠলেও কোকো গফের কাছে হারতে হয়েছে নারী এককের শীর্ষ বাছাইকে।

নিশ্চয়ই এবার সেই আক্ষেপ ঘোচানোর লক্ষ্যে নেমেছিলেন সাবালেঙ্কা। চতুর্থ রাউন্ডে দুই বারের গ্র্যান্ড স্লামজয়ী নাওমি ওসাকাকে হারিয়ে রোলাঁ গ্যারোতে ছুটছিলেনও দুর্দান্ত গতিতে। কিন্তু আজ বেলারুশ তারকার দৌড় থামিয়ে দিলেন ডায়ানা শ্নাইডার। যিনি কিনা এবারই প্রথমবারের মতো কোনো গ্র্যান্ড স্লামের সেমিফাইনালে উঠলেন।

 

পরিসংখ্যানের হিসেবে তাই সাবালেঙ্গার বিদায়কে অঘটনই বলা যায়। রোঁলা গারোর কোয়ার্টার ফাইনালে ৬-৩, ৫-৭ ও ০-৬ গেমে হেরেছেন তিনি। অথচ ২২ বছর বয়সী ডায়ানার বিপক্ষে প্রথম সেট জিতে শুরুটা দারুণ করেছিলেন সাবালেঙ্কা। ফিরতি সেটে লড়াই করলেও শেষ সেটে রাশিয়ান তরুণীর সামনে দাঁড়াতেই পারেননি তিনি। 

সাবালেঙ্কাকে বিদায় করে সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছেন পোল্যান্ডের মায়া শোয়ালিনস্কা। অন্য সেমিফাইনালে লড়বেন মিরা আন্দ্রিভা ও মার্তা কস্ত্যুক। চারজনই প্রথমবারে মতো কোনো গ্র্যান্ড স্লামের শেষ চারে উঠেছেন। ফ্রেঞ্চ ওপেন তাই নতুন রানিই পেতে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা প্রস্তুতি ম্যাচ পরিত্যক্ত | কালের কণ্ঠ