• ই-পেপার

জাতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ স্পেনের হাভিয়ের কাবরেরা

হার দিয়ে মৌসুম শেষ করল বার্সেলোনা

ক্রীড়া ডেস্ক
হার দিয়ে মৌসুম শেষ করল বার্সেলোনা
ছবি : রয়টার্স

লা লিগা শিরোপা জয় নিশ্চিত করেই শেষ ম্যাচে মাঠে নেমেছিল বার্সেলোনা। তবে মৌসুমের শেষটা সুখকর হলো না কাতালানদের জন্য। ভ্যালেন্সিয়ার কাছে ৩-১ গোলে হেরে মৌসুম শেষ করেছে বার্সেলোনা।

তবে হারলেও আলোচনায় ছিলেন রবার্ট লেভানদোস্কি। বার্সার হয়ে নিজের বিদায়ি ম্যাচে গোল করেছেন এই পোলিশ স্ট্রাইকার।

মেস্তায়া স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ভ্যালেন্সিয়া। প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোল পায়নি স্বাগতিকরা। অন্যদিকে কর্নার থেকে লেভানদোস্কির হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোলের দেখা পান এই তারকা ফরোয়ার্ড। ৬১ মিনিটে ফেরান তোরেসের শট দিক পরিবর্তন করে জালে জড়িয়ে দেন লেভানদোস্কি।

কিন্তু গোল হজমের পরই যেন ঘুরে দাঁড়ায় ভ্যালেন্সিয়া। মাত্র পাঁচ মিনিট পর দূরপাল্লার শটে সমতা ফেরান হাভি গেরা। এরপর ৭১ মিনিটে লুইস রিওহার গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।

শেষ দিকে সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল বার্সা। তবে আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টেনসেনের হেডলাইন থেকে দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক স্টোলে দিমিত্রিয়েভস্কি। যোগ করা সময়ে গুইদো রদ্রিগেজ আরো একটি গোল করে ভ্যালেন্সিয়ার জয় নিশ্চিত করেন।

এই জয়ের মাধ্যমে ১১ ম্যাচ পর বার্সেলোনার বিপক্ষে জয় পেল ভ্যালেন্সিয়া। যদিও ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় জায়গা নিশ্চিত করতে পারেনি তারা।

অন্যদিকে বিদায়ী ম্যাচে গোল করে ব্যক্তিগত এক রেকর্ডও গড়েছেন লেভানদোস্কি। লা লিগায় একক কোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এবারই প্রথম ১০ গোলের মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি।

অধিনায়কের বিদায়ি ম্যাচ জয়ে রাঙাল রিয়াল মাদ্রিদ

ক্রীড়া ডেস্ক
অধিনায়কের বিদায়ি ম্যাচ জয়ে রাঙাল রিয়াল মাদ্রিদ
ছবি : রয়টার্স

আবেগ, বিদায় আর গোলের রোমাঞ্চে ভরা এক রাতে জয় দিয়েই মৌসুম শেষ করল রিয়াল মাদ্রিদ। অ্যাথলেটিক ক্লাবকে ৪-২ গোলে হারিয়ে সান্ত্বনার হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়ে লস ব্লাঙ্কোরা।

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচটি ছিল একাধিক বিদায়ের উপলক্ষ। কোচ আলভারো আরবেলোয়া আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, আগামী মৌসুমে আর রিয়ালের দায়িত্বে থাকছেন না। একই সঙ্গে ক্লাব ক্যারিয়ারের ইতি টানেন অধিনায়ক দানি কারভাহাল ও ডেভিড আলাবাও।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে রিয়াল। ১১ মিনিটে কারভাহালের অসাধারণ পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন গনসালো গার্সিয়া।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জুড বেলিংহাম। তবে বিরতির ঠিক আগে গোল শোধ করে ম্যাচে ফেরে অ্যাথলেটিক ক্লাব। ইনাকি উইলিয়ামসের ক্রস থেকে দারুণ ফিনিশে গোল করেন গোরকা গুরুজেতা।

দ্বিতীয়ার্ধে আবারও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় রিয়াল। ৫১ মিনিটে গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এই গোলের মাধ্যমে চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তার গোল অবদান দাঁড়ায় ৪৯টিতে।

শেষ দিকে ব্যবধান আরো বাড়ান ব্রাহিম দিয়াজ। যদিও যোগ করা সময়ে আরেকটি গোল শোধ করে অ্যাথলেটিক।

ম্যাচের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত আসে আলাবা ও কারভাহালের বদলি হওয়ার সময়। পুরো স্টেডিয়াম দাঁড়িয়ে করতালি দেয় দুই তারকাকে। এমনকি দুই দলের খেলোয়াড়রাও কারভাহালকে ‘গার্ড অব অনার’ দেন।

হতাশার মৌসুম হলেও অন্তত শেষ ম্যাচে জয় দিয়ে বিদায় নিল রিয়াল মাদ্রিদ। আর আবেগঘন এই রাত দীর্ঘদিন মনে রাখবেন বার্নাব্যুর সমর্থকেরা।

নারী চ্যাম্পিয়নস লিগ

গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা

ক্রীড়া ডেস্ক
গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা
নারী চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জিতেছে বার্সেলোনা। ছবি : রয়টার্স

ইউরোপিয়ান নারী ফুটবলে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব আরো একবার প্রমাণ করল বার্সেলোরা নারী দল। উয়েফা নারী চ্যাম্পিয়নস লিগ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অলিম্পিক লিওঁকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করে ইতিহাস গড়েছে কাতালানরা।

ফাইনালের শুরুটা ছিল বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। প্রথমার্ধে দুই দলই সমানতালে লড়াই করলেও গোলের দেখা পায়নি কেউ। তবে বিরতির পর যেন রূপ বদলে যায় বার্সেলোনার।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেয় স্প্যানিশ জায়ান্টরা। ৫৫ মিনিটে স্লোভেনিয়ান ফরোয়ার্ড ইভা পাহোরের গোলে এগিয়ে যায় বার্সা। গোলটি পুরো স্টেডিয়ামকে উচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে দেয়।

এরপর ৬৯ মিনিটে আবারও জালের দেখা পান পাহোর। নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করার পাশাপাশি দলকে নিরাপদ অবস্থানে নিয়ে যান তিনি।

তবে বার্সেলোনার গোল উৎসব তখনো শেষ হয়নি। ম্যাচের ৯০ মিনিটে গোল করেন সালমা পারালুয়েলো। আর যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে আরো একটি গোল করে নিজেরও জোড়া গোল পূর্ণ করেন এই স্প্যানিশ তারকা।

৪-০ গোলের বিশাল জয়ে ইউরোপজুড়ে আবারও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণা দিল বার্সেলোনা।

এই শিরোপার মাধ্যমে ইতিহাসে চতুর্থবারের মতো নারী চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতল কাতালান ক্লাবটি। সর্বশেষ ২০২৪ সালে ইউরোপ সেরা হয়েছিল তারা। দুই বছর পর আবারও ইউরোপের মুকুট উঠল বার্সেলোনার হাতে।

একই টেস্টে লাল ও গোলাপি বল ব্যবহারের পরিকল্পনা আইসিসির

ক্রীড়া ডেস্ক
একই টেস্টে লাল ও গোলাপি বল ব্যবহারের পরিকল্পনা আইসিসির

লাল বল এবং সাদা পোশাক—টেস্ট ক্রিকেটকে পরিচিত করে দেওয়ার জন্য আর বিশেষ কিছু বলার প্রয়োজন নেই। তবে টেস্ট ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বাড়াতে যুক্ত হয়েছে গোলাপি বল, খেলা হচ্ছে দিবা-রাত্রির। 

ক্রিকেটের এই বনেদি সংস্করণে আরো কিছু রদবদল আনতে যাচ্ছে আইসিসি। বৈরী আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে টেস্টে দিনের বেলায় লাল বলের সঙ্গে গোলাপি বল ব্যবহার করার কথা ভাবছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। পাশাপাশি খেলার নিয়মে কিছু সংযোজন ও সংশোধনের কথা ভাবছে তারা।

ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশ কয়েকটি পরিবর্তনের মধ্যে একটি হচ্ছে পানি পানের বিরতির সময় প্রধান কোচকে মাঠে প্রবেশের অনুমতি। 

বর্তমানে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পানি পানের বিরতির সময় প্রধান কোচ মাঠে প্রবেশ করতে পারেন। ওয়ানডে ক্রিকেটেও এমন নিয়ম চালু করার কথা ভাবছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বর্তমানে দ্বাদশ কিংবা অতিরিক্ত ক্রিকেটার মাঠে যেতে পারেন। সেটার জন্যও শর্ত পূরণ করতে হয়।

আইসিসির বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, মাঠে পানি নিয়ে যাওয়া যেকোনো খেলোয়াড়কে অবশ্যই ক্রিকেটীয় পোশাক বা নির্ধারিত কিট পরে থাকতে হবে। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে প্রধান কোচকেও দলের জার্সি পরতে হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। 

টি-টোয়েন্টিতে ইনিংস বিরতির সময় কমানোর কথাও ভাবা হচ্ছে। বর্তমান নিয়মে প্রথম ইনিংস শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হতে মাঝে ২০ মিনিটের বিরতি দেওয়া হয়। প্রস্তাবিত নিয়মে সেটা ১৫ মিনিট করার কথা ভাবছে আইসিসি। এমনটা হলে দলগুলো পরিকল্পনা সাজানোর জন্য ৫ মিনিট কম সময় পাবে। টেস্টে প্রথাগতভাবে লাল বল দিয়ে খেলা হয়ে থাকে। দিবা-রাত্রির টেস্ট হলে গোলাপি বল দিয়ে খেলা হয়। 

জানা গেছে, আবহাওয়ার কারণে খেলা ব্যাহত হলে কিংবা ফ্লাডলাইটের নিচে খেলার প্রয়োজন হলে তখন উভয় দলের সম্মতিতে গোলাপি বল ব্যবহার করা যেতে পারে। লাল বলের ক্রিকেটের মধ্যে কিভাবে গোলাপি বলের ব্যবহার করা হবে, সেটা এখনো পরিষ্কার নয়। সিরিজ শুরুর আগে দুই দলের পক্ষ থেকে সম্মতি নেওয়ার ভিত্তিতে সেটা কার্যকর করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

ম্যাচ চলাকালীন বোলারদের অ্যাকশন অবৈধ কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য মাঠের আম্পায়ারদের হক-আই ডেটা ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হতে পারে। অন্য নিয়মগুলোর মতো এটাও এখনো স্পষ্ট নয়। সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে আইসিসি বদ্ধপরিকর। 

গত বৃহস্পতিবার আইসিসির প্রধান নির্বাহীদের কমিটির সভায় ভার্চুয়ালি বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন আইসিসির ক্রিকেট কমিটির প্রধান সৌরভ গাঙ্গুলী। 

ক্রিকবাজ জানিয়েছে, আগামী ১ অক্টোবর থেকে নিয়মগুলো কার্যকর করা হতে পারে। এর আগে ৩০ ও ৩১ মে ভারতের আহমেদাবাদে হতে চলায় আইসিসি সভায় বিষয়গুলো চূড়ান্ত করা হবে।

জাতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ স্পেনের হাভিয়ের কাবরেরা | কালের কণ্ঠ