• ই-পেপার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘শফিক ডাকাত’ গ্রেপ্তার, এলাকায় স্বস্তি

শেরপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মনি পুলিশের জালে

শেরপুর প্রতিনিধি
শেরপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মনি পুলিশের জালে
প্রতীকী ছবি

নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শেরপুর জেলা শাখার সাবেক সভাপতি জুনায়েদ নুরানী মনিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নাশকতার মামলায় সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালতের নির্দেশে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

শেরপুর সদর থানার ওসি মো. সোহেল রানা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জুনায়েদ নুরানী মনির গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, নাশকতার মামলার আসামি হিসেবে রবিবার রাতে শহরের নবীনগর এলাকা থেকে জুনায়েদ নুরানী মনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারকের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পারিবারিক দ্বন্দ্বে চাচাতো ভাইয়ের হামলা, প্রাণ গেল যুবকের

শেরপুর প্রতিনিধি
পারিবারিক দ্বন্দ্বে চাচাতো ভাইয়ের হামলা, প্রাণ গেল যুবকের
প্রতীকী ছবি

পারিবারিক বিরোধের জের ধরে চাচাতো ও জেঠাতো ভাইদের মধ্যে সংঘর্ষে আমিন আলী (৩৪) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো ৫ জন আহত হয়েছে। শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার ভেলুয়া ইউনিয়নের ডাকরাপাড়া গ্রামে ১৩ জুলাই সোমবার দুপুরে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহত আমিন আলী ওই গ্রামের ফরহাদ আলীর ছেলে। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ধারাল দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবারের লোকজনের অভিযোগ।

নিহতের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমিন আলী গ্রামের বাড়িতে থাকতেন না। স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে ঢাকায় থাকতেন ও প্রাইভেট কার চালাতেন। রবিবার তিনি ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে গ্রামের বাড়িতে আসেন। কিন্তু পারিবারিক বিরোধে ভাইয়ের সঙ্গে চাচাতো ভাইদের ঝগড়ায় আমিন আলীও জড়িয়ে পড়েন।

এর জেরে রবিবার রাতেও আমিন আলী ও তার ভাইকে মারধর করা হয়। রাতে সেই ঝগড়া থামলেও সকালে আবার ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে মেহেদী, অলক, শহিদুল ও ফারুকসহ ৬-৭ জন তাদের ওপর হামলা করে কয়েকজনকে আহত করে। এসময় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মারা যান আমিন আলী।

এ ব্যাপারে শ্রীবরদী থানার ওসি মোহাম্মদ নুরুল আলম বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলমান ছিল। সোমবার কথা-কাটাকাটির জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এসময় আমিন নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। তবে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

কুতুবদিয়া চ্যানেলে ট্রলারডুবি, চার মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ একজন

অনলাইন ডেস্ক
কুতুবদিয়া চ্যানেলে ট্রলারডুবি, চার মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ একজন
সংগৃহীত ছবি

বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া চ্যানেলে ১২ জেলেকে নিয়ে মাছ ধরার একটি ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় রাত ১০টা পর্যন্ত চার জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, সাতজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের বাসিন্দা নাছির উদ্দীন নামে একজন জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কুতুবদিয়া দ্বীপসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া ট্রলারটি ছিল কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের অমজাখালী এলাকার নুরুল আবছারের মালিকানাধীন ‘এফবি ফকিরা মসজিদ’।

নিহত জেলেরা হলেন- কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের অমজাখালীর বাসিন্দা মো. সাগর, মো. করিম, মো. আইয়ুব মনির এবং একই উপজেলার আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের হায়দারপাড়ার বাসিন্দা কামাল হোসেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সকালে অমজাখালী ঘাট থেকে ১২ জন জেলেকে নিয়ে ট্রলারটি মাছ ধরার উদ্দেশে গভীর সাগরে যায়। সোমবার ভোরে হঠাৎ সাগর উত্তাল হয়ে উঠলে প্রচণ্ড ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি ডুবে যায়। দুর্ঘটনার সময় সাত জেলে সাঁতরে ও একটি মাছ ধরার ট্রলারে উঠে প্রাণে রক্ষা পান। পরে চার জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও নাছির উদ্দীন নামে একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

কুতুবদিয়া উপজেলা মৎস্য ফেডারেশনের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ট্রলার ডুবির ঘটনায় উদ্ধার হওয়া সাত জেলের মধ্যে তিন জন ইতোমধ্যে কুতুবদিয়ায় ফিরে এসেছেন। অপর চার জন উদ্ধারকারী ট্রলারে অবস্থান করে নিখোঁজ জেলেকে উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি আরো বলেন, বৈরী আবহাওয়া ও উত্তাল সাগরের কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে। তারপরও স্থানীয় জেলে ও উদ্ধারকারী ট্রলারগুলো সম্ভাব্য এলাকায় তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুতুবদিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ওমর ফারুক বলেন, ট্রলার ডুবির ঘটনায় চার জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ জেলে নাছির উদ্দীনের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

বরিশাল যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহরে ইটের টুকরা নিক্ষেপ, তদন্তে পুলিশ

মাদারীপুর প্রতিনিধি
বরিশাল যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহরে ইটের টুকরা নিক্ষেপ, তদন্তে পুলিশ
ছবি: কালের কণ্ঠ

বরিশাল সফরে যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহরে পাথর নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার সাধুর ব্রিজ এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীর পূর্ব ঘোষিত বরিশালের এই সফরকে ঘিরে সোমবার সকাল থেকেই মহাসড়কের দুই পাশে বিএনপির নেতাকর্মীরা দাঁড়িয়ে থেকে অভ্যর্থনা জানাতে ভিড় করেন। সকাল সাড়ে ৮টার পরে গাড়িবহরটি সাধুর ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বহন করা বাসটি যাওয়ার পরে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের একটি জিপ গাড়ির সামনের অংশে একটি ইটের টুকরো এসে পড়ে। এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা নাকি কোনো দুর্বৃত্তদের কাজ তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এ বিষয়ে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, বহরের একটি গাড়ির সামনে ইটের টুকরা পড়েছে। সেটি অন্য কোনো গাড়ির টায়ার থেকে ছিটকে এসেছে, নাকি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে নিক্ষেপ করেছে, তা বিশ্লেষণ করে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সোমবার সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে বাসে করে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হন। সকাল ১০টার কিছু আগে তিনি গৌরনদীর বাটাজোরে পৌঁছান। দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি সড়কপথে ঢাকা ফেরার উদ্দেশ্যে বরিশাল ত্যাগ করেন।