• ই-পেপার

রাজিবপুরে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

জাবিপ্রবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক আলোচনা সভা

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
জাবিপ্রবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক আলোচনা সভা
ছবি: কালের কণ্ঠ

জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবিপ্রবি) ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক এক সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এস এম ইউসুফ আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আতিকুর রহমান এবং জাবিপ্রবি ছাত্রদলের সদস্য সচিব যীনাত মিয়া আজিজুল।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হুমায়ুন কবীর এবং সঞ্চালনা করেন মো. শাহ নেওয়াজ আহমেদ আকাশ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সামাজিক উদ্যোগও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমে থাকতে না দেওয়া, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

আলোচনা সভায় বক্তারা শিক্ষার্থীসহ সবাইকে নিজ নিজ পরিবার, প্রতিবেশী ও সমাজে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত সবাই ডেঙ্গুমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

গঙ্গাচড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
গঙ্গাচড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
ছবি: কালের কণ্ঠ

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের তিস্তাতীরবর্তী বুড়িডাঙ্গী এলাকায় অবস্থিত বসুন্ধরা শুভসংঘ স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ গঙ্গাচড়া উপজেলা শাখা। পড়াশোনায় শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শিশুদের হাতে খাতা, পেনসিল ও রাবার তুলে দেওয়া হয়। উপহার পেয়ে শিক্ষার্থীদের মুখে ফুটে ওঠে আনন্দের হাসি।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বসুন্ধরা শুভসংঘের স্বেচ্ছাসেবকেরা শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষা উপকরণ তুলে দেন। উপকরণ পেয়ে শিক্ষার্থীরা জানায়, বছরের শুরুতে নতুন বই ও স্কুলব্যাগ পাওয়ার পর আবারও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ পেয়ে তারা খুবই আনন্দিত। এসব সহায়তা তাদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসতে এবং আরো মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করতে উৎসাহ জোগাচ্ছে।

শিক্ষার্থী মোস্তাফিজার রহমান বলে, বিভিন্ন সময় আমাদের খাতা, পেনসিলসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ দেওয়া হয়। এতে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ আরো বেড়েছে। আমরা নিয়মিত স্কুলে আসতে উৎসাহ পাই।

অভিভাবকেরা বসুন্ধরা শুভসংঘের এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, চরাঞ্চলের অনেক পরিবারের পক্ষে সন্তানদের জন্য নিয়মিত শিক্ষা উপকরণ কেনা সম্ভব হয় না। এ ধরনের সহযোগিতা শিশুদের বিদ্যালয়মুখী রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম শিশুদের মানসিক বিকাশেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক স্বপ্না বেগম বলেন, শিক্ষাই মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তিস্তার চরাঞ্চলের শিশুরাও এখন শিক্ষার গুরুত্ব বুঝতে শিখছে। তারা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসে এবং আগ্রহ নিয়ে লেখাপড়া করে। বসুন্ধরা শুভসংঘের ধারাবাহিক সহযোগিতা শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করছে এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ আরো প্রাণবন্ত করে তুলছে।

বসুন্ধরা শুভসংঘ গঙ্গাচড়া উপজেলা শাখার সভাপতি আসাদুজ্জামান বলেন, তিস্তার চরাঞ্চলের অনেক শিশু সামাজিক ও অর্থনৈতিক নানা সংকটের কারণে লেখাপড়া থেকে ঝরে পড়ে। তাদের মূলধারার শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত রাখতেই বসুন্ধরা শুভসংঘ স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এখানে পাঠদানের পাশাপাশি শিশুদের আনন্দের সঙ্গে শেখার পরিবেশ গড়ে তুলতে বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। শিক্ষা উপকরণ বিতরণ সেই ধারাবাহিক উদ্যোগেরই একটি অংশ।

তিনি আরো বলেন, শিশুদের মুখের হাসিই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। ভবিষ্যতেও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে বসুন্ধরা শুভসংঘ গঙ্গাচড়া উপজেলা শাখা বিভিন্ন মানবিক ও শিক্ষাবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা শুভসংঘ গঙ্গাচড়া উপজেলা শাখার সভাপতি আসাদুজ্জামান, সহসভাপতি রায়হান কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক আকাশ মিয়া, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, বসুন্ধরা শুভসংঘের স্বেচ্ছাসেবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বান্দরবানে বন্যার্তদের সহায়তায় বসুন্ধরা শুভসংঘ

সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা, আলীকদম (বান্দরবান)
বান্দরবানে বন্যার্তদের সহায়তায় বসুন্ধরা শুভসংঘ
সংগৃহীত ছবি

চারদিকে শুধু পানি। কোথাও বুকসমান, কোথাও গলা ছুঁই ছুঁই। প্রবল স্রোতে ডুবে গেছে পাহাড়ি জনপদের চলাচলের পথ। কোনো কোনো ঘরের চাল পর্যন্ত উঠে এসেছে বন্যার পানি। কয়েক দিন ধরে পানিবন্দি মানুষের অনেকের ঘরে নেই পর্যাপ্ত খাবার, বন্ধ হয়ে গেছে কাজকর্ম। এমন দুর্যোগের মধ্যেই দুর্গম পাহাড়ি পথ পেরিয়ে বন্যার্ত মানুষের জন্য জরুরি খাদ্যসহায়তা নিয়ে পৌঁছেছেন বসুন্ধরা শুভসংঘের স্বেচ্ছাসেবকেরা।

সোমবার (১৩ জুলাই) বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার ৩ নম্বর নয়াপাড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দুর্গম মেরিংচর পাড়ায় বন্যাদুর্গত বেশকিছু  পরিবারের মাঝে জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করে বসুন্ধরা শুভসংঘ আলীকদম উপজেলা শাখা।

যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া এই পাহাড়ি এলাকায় স্বেচ্ছাসেবকেরা নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, ভোজ্যতেল ও লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে তুলে দেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে মেরিংচর পাড়াসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। অধিকাংশ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। ফলে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও নিত্যপণ্য সংগ্রহ করা অনেক পরিবারের পক্ষেই অসম্ভব হয়ে ওঠে। বিশেষ করে দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েন।

ত্রাণ পেয়ে স্বস্তির কথা জানান উপকারভোগীরা। এক বন্যার্ত ব্যক্তি বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে আমরা পানিবন্দি। কাজকর্ম বন্ধ, আয়-রোজগার নেই। বন্যায় ফসলও নষ্ট হয়ে গেছে। এমন কঠিন সময়ে বসুন্ধরা শুভসংঘ আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এই সহায়তা আমাদের জন্য অনেক বড় আশীর্বাদ।’

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া সহজ কাজ নয়। কিন্তু স্বেচ্ছাসেবকেরা ঝুঁকি নিয়েই মানুষের দোরগোড়ায় খাদ্যসহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন। তাদের মতে, সংকটের এই সময়ে এমন মানবিক উদ্যোগ বন্যাকবলিত মানুষের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।

ত্রাণ বিতরণকালে বসুন্ধরা শুভসংঘ আলীকদম উপজেলা শাখার সভাপতি এস. এম. জিয়াউদ্দিন জুয়েল বলেন, ‘মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোই বসুন্ধরা শুভসংঘের মূল লক্ষ্য। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে এটি আমাদের ক্ষুদ্র প্রয়াস। যত দিন প্রয়োজন হবে, তত দিন আমরা অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করব। সমাজের বিত্তবান ও সক্ষম ব্যক্তিদেরও মানবিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।’

ত্রাণ বিতরণে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শাখার উপদেষ্টা নুরুছাফা ভূঁইয়া বাবু, সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা, সদস্য আরাফাতুল ইসলাম, সেথং ম্রো, মেনচং ম্রোসহ সংগঠনের অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবক।

খাদ্যসহায়তা বিতরণের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকেরা বন্যাকবলিত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং নিরাপদ পানি ব্যবহার, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও বন্যাকালীন বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সচেতনতামূলক পরামর্শ দেন।

স্থানীয়দের আশা, সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান মানুষও যদি এগিয়ে আসেন, তাহলে দুর্গম পাহাড়ি এলাকার বন্যাকবলিত পরিবারগুলো দ্রুত এই সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবে। আর এমন মানবিক উদ্যোগই দুর্যোগের সময় মানুষের মনে আস্থা ও সাহস জোগায়।

‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে বেতাগীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের আলোচনাসভা

বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে বেতাগীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের আলোচনাসভা
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, মানবতাবাদ, সাম্যচেতনা ও অসাম্প্রদায়িক দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার প্রত্যয়ে বরগুনার বেতাগীতে আলোচনাসভার আয়োজন করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ।

শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে বেতাগী প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ আলোচনাসভায় বক্তারা বলেন, নজরুল শুধু বিদ্রোহের কবি নন; তিনি সাম্য, মানবতা, প্রেম ও সম্প্রীতির এক অনন্য প্রতীক। তাঁর আদর্শ ও সাহিত্যচর্চা বর্তমান সমাজেও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেতাগী প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও বসুন্ধরা শুভসংঘ বেতাগী উপজেলা শাখার সভাপতি আলহাজ কামাল হোসেন খান। সঞ্চালনা করেন বসুন্ধরা শুভসংঘের উপদেষ্টা ও কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি স্বপন কুমার ঢালী। এতে শিক্ষক, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

আলোচনায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম, সংগীত, সাম্যবাদী দর্শন, অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেতাগী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম পান্না বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের কাছে নজরুলের আদর্শ ও সাহিত্য পৌঁছে দিতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণদের মধ্যে সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চা বাড়াতে নিয়মিত এমন উদ্যোগ প্রয়োজন।’

বিশেষ অতিথি বিবিচিনি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. জাকির হোসাইন বলেন, ‘কাজী নজরুল ইসলাম শুধু বিদ্রোহের কবি নন, তিনি মানবতা, সাম্য, প্রেম ও সম্প্রীতিরও কবি। তাঁর সাহিত্য আজও অন্যায়, বৈষম্য ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে মানুষকে সোচ্চার হতে অনুপ্রাণিত করে।’

বিশেষ অতিথি অধ্যাপক মো. সেকান্দার আলী মৃধা বলেন, ‘সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে মানবিক, প্রগতিশীল ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। বসুন্ধরা শুভসংঘ সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে নিয়মিত সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে।’

এ ছাড়া বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নেছার উদ্দিন খান, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জলিল খন্দকার এবং বিবিচিনি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. রিয়াজ সিকদার।

আলোচনা শেষে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা আবৃত্তি ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন। তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানে প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সমাপনী বক্তব্যে আলহাজ কামাল হোসেন খান বলেন, ‘জাতীয় কবির আদর্শ ও চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক আয়োজন অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ‘শুভ কাজে সবার পাশে’—এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে বসুন্ধরা শুভসংঘ সমাজে ইতিবাচক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। সাংস্কৃতিক চর্চার বিস্তারের মাধ্যমে সম্প্রীতি, মানবিকতা ও দেশপ্রেম জাগ্রত করার আহ্বানও জানান তিনি।’

সবশেষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।