• ই-পেপার

গৌরীপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন

নবীনগরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে মাদকবিরোধী কর্মসূচিতে ফুটবল বিতরণ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
নবীনগরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে মাদকবিরোধী কর্মসূচিতে ফুটবল বিতরণ
ছবি : কালের কণ্ঠ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ‘খেলার মাঠে, মাদককে না বলুন’ শীর্ষক কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে কিশোর-যুবকদের মধ্যে ফুটবল বিতরণ করা হয়।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা এবং ফুটবল বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে নবীনগর তিতাস ফুটবল একাডেমির খেলোয়াড় ও সদস্যরা অংশ নেন।

আয়োজকদের ভাষ্য, মাদক, ইন্টারনেট আসক্তি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে কিশোর-যুবকদের দূরে রেখে খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ বিনোদন, ক্রীড়াচর্চা, সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও বসুন্ধরা শুভসংঘ নবীনগর উপজেলা শাখার উপদেষ্টা কাজী মো. ওয়াজেদ উল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন নবীনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন শান্তি। সভাপতিত্ব করেন ‘মাদকমুক্ত নবীনগর চাই’ সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক আবু কাউসার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দৈনিক কালের কণ্ঠ–এর নবীনগর প্রতিনিধি এবং বসুন্ধরা শুভসংঘ নবীনগর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মো. মাজেদুল ইসলাম।

মোহাম্মদ হোসেন শান্তি বলেন, খেলাধুলা সুস্থ বিনোদন ও প্রতিভা বিকাশের অন্যতম মাধ্যম। এর মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে দলগত চেতনা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও শৃঙ্খলাবোধ গড়ে ওঠে এবং তারা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে থাকতে পারে।

বসুন্ধরা শুভসংঘের নবীনগর উপজেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি শিক্ষক বাবুল আহমেদ সরকার বলেন, কিশোরদের সুস্থ বিকাশে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। মাদক প্রতিরোধ এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে বসুন্ধরা শুভসংঘ ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী মো. ওয়াজেদ উল্লাহ বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর জীবনের কারণে অনেক শিশু-কিশোর খেলাধুলা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। তাদের মাঠমুখী করতে এবং সুস্থ জীবনধারায় অভ্যস্ত করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবীনগর তিতাস ফুটবল একাডেমির কোচ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. মাহবুবুর রহমান, বসুন্ধরা শুভসংঘের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিক্ষক মো. মনিরুল ইসলাম, দৈনিক যুগান্তর–এর সাংবাদিক শাফিউল আলম, সংগঠনের সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীরা।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা নবীনগর তিতাস ফুটবল একাডেমির খেলোয়াড়দের হাতে ফুটবল তুলে দেন। এ সময় খেলোয়াড় ও কোচ বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আদমদীঘিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি
আদমদীঘিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প
সংগৃহীত ছবি

বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বগুড়ার আদমদীঘিতে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা সদরে খাড়ির ব্রিজ সংলগ্ন বেডো অফিসে আয়োজিত এই ক্যাম্পে অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত ১৫৬ জন রোগীকে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। চিকিৎসা প্রদান করেন অর্থোপেডিকস ডাক্তার জাবেদ আল মাসুদ এবং চর্ম ও যৌন বিষয়ক ডাক্তার এস এম তাহা।

শুক্রবার (১০ জুলাই)  সকালে বসুন্ধরা শুভসংঘের আদমদীঘি শাখারসহ সভাপতি আহসান হাবীব তুহিন এই ক্যাম্পের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। উদ্বোধনের পর থেকেই মানুষ অর্থোপেডিকস, চর্ম ও যৌন বিষয়ক চিকিৎসাসেবা নিতে ক্যাম্পে ভিড় লক্ষ করা যায় বিভিন্ন বয়সের মানুষের। 

বসুন্ধরা শুভসংঘের আদমদীঘি শাখার উপদেষ্টা ও কালের কণ্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম জেন্টু বলেন, ‘সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও বসুন্ধরা শুভসংঘ এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।’

স্থানীয় বাসিন্দা লিমা, জেসমিন ও লাভলী বেগম আয়োজনের প্রশংসা করে জানান, বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা পেয়ে তারা অনেক উপকৃত হয়েছেন এবং এ ধরনের উদ্যোগ নিয়মিত চালু রাখার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, বসুন্ধরা শুভসংঘ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও মানবিক সহায়তাসহ নানা সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

হাকিমপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
হাকিমপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সংগৃহীত ছবি

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এবং তত্ত্বাবধানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। উপজেলা শাখার উদ্যোগে উপজেলার ৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ করা হয়।

উপজেলার সাতকুরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নওপাড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বিশোপাড়া দ্বিমুখী  উচ্চ বিদ্যালয়, ডাঙ্গাপাড়া বালিকা উচ্চ  বিদ্যালয়, পাউসগাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পাউসগাড়া ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসা, মংলা আদর্শ ও মডেল স্কুলে স্বেচ্ছাশ্রমে বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা এ কর্মসূচি পালন করেন। 

হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জর্জ মিত্র চাকমা বলেন, ‘হাকিমপুর উপজেলাকে সবুজে রূপান্তরিত এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ করা হয়।  আমাদের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।’

বৃক্ষরোপণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকসহ শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। বসুন্ধরা শুভসংঘের স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তারা। বসুন্ধরা শুভসংঘ হাকিমপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক  নাহিদ হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কেয়া মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক তামিম আহমেদ, অর্থ সম্পাদক তাহমিনা তিশা, কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক পলাশ ইসলাম প্রমুখ এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যদের নিয়ে ময়মনসিংহে  বর্ষা বন্দনা

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যদের নিয়ে ময়মনসিংহে  বর্ষা বন্দনা
সংগৃহীত ছবি

বাইরে টিপটিপ বৃষ্টি। আকাশজুড়ে ধূসর মেঘ। চারপাশে বর্ষার স্নিগ্ধ আবহ। এমন এক সন্ধ্যায় গান, কবিতা, আবৃত্তি আর নৃত্যের মেলবন্ধনে তৈরি হলো ভিন্ন রকম এক সাংস্কৃতিক আসর। শুধু বিনোদন নয়, শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে সম্প্রীতি, মানবিক মূল্যবোধ ও সৃজনশীল চর্চার বার্তা ছড়িয়ে দিতে এই আয়োজন করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ ময়মনসিংহ জেলা শাখা।

‘বর্ষার সুরে মুখর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা’ শীর্ষক এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ মোহন কলেজের সহযোগী অধ্যাপক জেড. এইচ. এম. জুয়েলের বাসভবনে। বর্ষার আবহকে ঘিরে সাজানো পুরো অনুষ্ঠানে অংশ নেন শিক্ষক, সংস্কৃতিপ্রেমী, শুভসংঘের সদস্য এবং বিভিন্ন বয়সী তরুণ-তরুণীরা।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পরিবেশিত হয় হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের কালজয়ী গান ‘আকাশ এত মেঘলা, যেও নাকো একলা।’ বাইরে মেঘলা আকাশ আর ভেতরে সেই গানের আবহ মিলেমিশে সৃষ্টি করে অন্য রকম এক অনুভূতি। এরপর একে একে আবৃত্তি, সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনায় প্রাণ ফিরে পায় পুরো আয়োজন।

সন্ধ্যার বিশেষ অতিথি ছিলেন আনন্দ মোহন কলেজের সহযোগী অধ্যাপক জেড. এইচ. এম. জুয়েল এবং ঈশ্বরগঞ্জ সরকারি কলেজের প্রভাষক দিয়া হক। অতিথি শিল্পী হিসেবে নৃত্য পরিবেশন করেন সানজিদা জাহান সারা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ ময়মনসিংহ জেলা শাখার উপদেষ্টা নিজাম উদ্দিন সৌরভ, কিফায়াত আজাদ অর্পা ও খাদিজা ফেরদৌসী জেনি। সভাপতিত্ব করেন জেলা শাখার সভাপতি নাফিউল হাসান মুবিন। আরো উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি মোহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত, সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ নাঈম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্বচ্ছ দে ও নাবিলা কামাল ছোঁয়া, সহসাংগঠনিক সম্পাদক নাবিলা আক্তার, প্রচার সম্পাদক আনিতুর রহমান সাদী, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক শাহ আলম জীবন এবং কার্যনির্বাহী সদস্য দেবশ্রী রাণী সরকার, ঋতু রায়, দিগন্ত ভট্টাচার্য ও অসীমা ইসলাম।

সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেন গিটারিস্ট, গায়ক-গায়িকা ও আবৃত্তিশিল্পীরা। তাদের প্রাণবন্ত পরিবেশনায় দর্শক-শ্রোতারা মুগ্ধ হন। বর্ষার স্নিগ্ধ আবহে অনুষ্ঠানটি পরিবেশিত হয়।

আবৃত্তি পর্বে নাবিলা কামাল ছোঁয়া, ইয়াসিন আরাফাত, মেহরিন জামান ও আফসানা তাসনিম শিশির তাঁদের পরিবেশনায় দর্শকদের মুগ্ধ করেন। নাবিলা কামাল ছোঁয়া আবৃত্তি করেন ভবানী প্রসাদ মজুমদারের বহুল পরিচিত কবিতা ‘বাংলাটা ঠিক আসে না।’ আফসানা তাসনিম শিশির আবৃত্তি করেন ‘আমি অন্তঃপুরের মেয়ে।’ মোহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত কণ্ঠে তুলে ধরেন রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ‘আধখানা বেলা’। অন্যদিকে মেহরিন জামান প্রেমের আবহে আবৃত্তি করেন— ‘এই যে অসংখ্য মানুষ ফেলে আমি চলে আসি তোমার কাছে, অজস্র পথ রেখে চলে আসি তোমার পথে, তুমি কি বুঝতে পারো?’

অতিথি দিয়া হক বর্ষার আবহের সঙ্গে মিল রেখে আবৃত্তি করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা— এমন দিনে তারে বলা যায়,
এমন ঘনঘোর বরিষায়।
এমন দিনে মন খোলা যায়...

এই আবৃত্তির সময় মুহূর্তেই অনুষ্ঠানস্থলে নেমে আসে আবেগঘন নীরবতা। সানজিদা জাহান সারা সৃজা ঘোষের ‘বছর চারেক পর’ কবিতা আবৃত্তি করে দর্শকদের মুগ্ধ করেন। পরে রবীন্দ্রসংগীত ‘আমার মল্লিকা বনে’-এর সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করে তিনি অনুষ্ঠানে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে সহযোগী অধ্যাপক জেড. এইচ. এম. জুয়েল বলেন, ‘যে সমাজে সংস্কৃতির চর্চা হয়, সে সমাজে মানবিক মূল্যবোধ, সৌন্দর্যবোধ ও ইতিবাচক চিন্তার বিকাশ ঘটে। তরুণদের শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, সাহিত্য, সংগীত, আবৃত্তি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডেও যুক্ত হতে হবে। বসুন্ধরা শুভসংঘের এমন উদ্যোগ তরুণদের সুস্থ সাংস্কৃতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

প্রভাষক দিয়া হক বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিকল্প নেই। এমন আয়োজন আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, নান্দনিক বোধ তৈরি করে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি গড়ে তুলতে সহায়তা করে।’

উপদেষ্টা নিজাম উদ্দিন সৌরভ বলেন, ‘সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে সংস্কৃতি একটি শক্তিশালী মাধ্যম। বসুন্ধরা শুভসংঘ সমাজসেবার পাশাপাশি তরুণদের সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিক বিকাশেও নিয়মিত কাজ করছে।’

সভাপতির বক্তব্যে নাফিউল হাসান মুবিন বলেন, ‘বসুন্ধরা শুভসংঘ শুধু সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেই নয়, সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার প্রসারেও সমান গুরুত্ব দেয়। বর্ষার এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সৃজনশীলতার এক সুন্দর বন্ধনে যুক্ত হয়েছি।’

আয়োজকদের ভাষ্য, এটি কেবল একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়; বরং নতুন প্রজন্মকে শিল্প-সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে আরো গভীরভাবে যুক্ত করার একটি প্রয়াস। বর্ষার সুর, কবিতার আবেগ, নৃত্যের ছন্দ আর তরুণদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ মিলিয়ে সন্ধ্যাটি হয়ে উঠেছে স্মরণীয় এক সাংস্কৃতিক আয়োজন।