• ই-পেপার

জবিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

ভোলায় বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
ভোলায় বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ
ছবি : কালের কণ্ঠ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা এবং দেশব্যাপী সবুজায়ন কর্মসূচিকে আরো বেগবান করার লক্ষ্যে ভোলায় শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করেছে বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘ।

বুধবার (৮ জুলাই) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির আওতায় দ্বীপজেলা ভোলার শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ করা যায়।

বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা জেলা শাখার সভাপতি মো. শাফায়াত হোসেন (সিয়াম)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. তোতা মিয়া। আরো উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ জেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি মীর আবিদ হোসেন রাফি, সাধারণ সম্পাদক ইসরাত জাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয় দত্ত, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাব্বির, দপ্তর সম্পাদক নুর ফাতেমা ও অন্য সদস্যরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তোতা মিয়া বলেন, ‘বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের প্রতি সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদনে বিরূপ প্রভাব, নিরাপদ পানির সংকট এবং জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি আমাদের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।’

তিনি আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়তে প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যার দায়িত্ব নিতে হবে। তবেই দেশব্যাপী একটি সবুজ বিপ্লব গড়ে তোলা সম্ভব।

সভাপতির বক্তব্যে মো. শাফায়াত হোসেন সিয়াম বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার ভিত্তিও তৈরি করে। বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের এ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা শুধু গাছের চারা বিতরণ করছি না, বরং পরিবেশ রক্ষায় একটি সামাজিক আন্দোলনকে এগিয়ে নিচ্ছি।’

চারা গ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উল্লেখ করে আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তারা বলেন, প্রাপ্ত চারাগুলো নিজ নিজ বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও খালি জায়গায় রোপণ করবেন এবং সেগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা করবেন।

মশার প্রজনন ধ্বংসে বসুন্ধরা শুভসংঘ দিনাজপুর সরকারি কলেজের অভিযান

অনলাইন ডেস্ক
মশার প্রজনন ধ্বংসে বসুন্ধরা শুভসংঘ দিনাজপুর সরকারি কলেজের অভিযান

ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ দিনাজপুর সরকারি কলেজ শাখা। 

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দিনাজপুর সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংস করেন। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা আবর্জনা অপসারণ, ঝোপঝাড় পরিষ্কার, আগাছা পরিষ্কার এবং পানি জমে থাকার উপযোগী স্থানগুলো পরিদর্শন করে তা পরিষ্কার করা হয়।

মাঠ, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন কোণা এবং আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

এ সময় সংগঠনের সদস্যরা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

তারা বলেন, নিজের বাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে চিকনগুনিয়া ও ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। পাশাপাশি নিয়মিত পানি জমে থাকা স্থান পরিষ্কার করা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, ডাবের খোসা ও অন্যান্য পাত্রে পানি জমতে না দেওয়া এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হয়।

ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক ও বসুন্ধরা শুভসংঘ দিনাজপুর সরকারি কলেজ শাখার উপদেষ্টা সাব্বির রহমান বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতা শুধু ব্যক্তিগত অভ্যাস নয়, এটি সামাজিক দায়িত্বও। ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়ার মতো রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীরা যদি নিজ নিজ পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার অভ্যাস গড়ে তোলে, তাহলে এ ধরনের রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। বসুন্ধরা শুভসংঘের এমন জনসচেতনতামূলক উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের সামাজিক দায়িত্ববোধ ও স্বেচ্ছাসেবী মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন বসুন্ধরা শুভসংঘ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াছির আরাফাত রাফি।

তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া  বর্তমানে দেশের অন্যতম জনস্বাস্থ্য সমস্যা। রোগ প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; বরং সামাজিক সচেতনতা এবং সম্মিলিত অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। তরুণ শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে আমরা একটি সচেতন, দায়িত্বশীল ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে চাই। সমাজের প্রতিটি মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে এলে ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধ আরও কার্যকর হবে।’

দিনাজপুর সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি অরূপ কুমার রায় বলেন, ‘বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। পরিচ্ছন্নতা অভিযান, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জনস্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা তৈরির মতো উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

পরিচ্ছন্নতা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক ও বসুন্ধরা শুভসংঘ দিনাজপুর সরকারি কলেজ শাখার উপদেষ্টা সাব্বির রহমান,বসুন্ধরা শুভসংঘ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াছির আরাফাত রাফি, কলেজ শাখার সভাপতি অরূপ কুমার রায়, সহসভাপতি শাহরিয়ার কবির, প্রদীপা রাণী, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ও নাইমুর রহমান দুর্জয়, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রিফাত, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আতিকুল ইসলাম আতিক, অনন্যা অনু ও আসাদুন নাহার মুক্তা, তথ্য সম্পাদক মো. মোনাইম হাসান নিয়ন, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক সেলিম আরিফ, সাহিত্যবিষয়ক সম্পাদক পাওয়েল চন্দ্র দেব শর্মা, মানবকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক অঞ্জলি সরকার, সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধানসহ কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যরা।

কর্মসূচির শেষে অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ বাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ গড়ে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জামালগঞ্জে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
জামালগঞ্জে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা
ছবি: কালের কণ্ঠ

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ এবং বাল্যবিবাহ রোধে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) বসুন্ধরা শুভসংঘ জামালগঞ্জ উপজেলা শাখার উদ্যোগে স্থানীয় ই-কমার্স অ্যান্ড ডিজিটাল কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে এ সভার আয়োজন করা হয়।

বসুন্ধরা শুভসংঘ জামালগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মো. শাহীন আলমের সভাপতিত্বে এবং ক্রীড়া সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামানের সঞ্চালনায় আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের উপজেলা শাখার উপদেষ্টা ও জামালগঞ্জ প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুল আহাদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুল আহাদ বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন, বাল্যবিবাহ ও অন্যান্য সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার জরুরি। পরিবার থেকেই সন্তানদের মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বসুন্ধরা শুভসংঘের বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের প্রশংসা করে ভবিষ্যতেও সংগঠনের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মারজানা ইসলাম শিবনা এবং সুশীলন এনজিওর উপজেলা সমন্বয়কারী রহমত আরা শারমিন।

মারজানা ইসলাম শিবনা বলেন, নারী ও শিশু দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্র, পরিবার ও সমাজ—সবার দায়িত্ব। তিনি বলেন, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, যৌন হয়রানি, বাল্যবিবাহ, পারিবারিক সহিংসতা এবং অনলাইন হয়রানির মতো অপরাধ নারী ও শিশুদের স্বাভাবিক জীবন ও ভবিষ্যৎকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এসব প্রতিরোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

রহমত আরা শারমিন বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন একটি গুরুতর সামাজিক সমস্যা। নিরাপদ ও মানবিক সমাজ গঠনে পরিবার থেকেই সন্তানদের নৈতিক শিক্ষা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে হবে। তিনি বাল্যবিবাহ, যৌতুক, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং অনলাইন হয়রানি প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা গ্রহণের আহ্বান জানান।

এ সময় আরো বক্তব্য দেন ফতেহপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সঞ্জিবন রায়, জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সাবেক মহিলা সদস্য খালেদা আক্তার এবং বসুন্ধরা শুভসংঘের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মহিদুল ইসলাম।

বক্তারা বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, সামাজিক অপরাধ এবং পারিবারিক মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। কন্যাশিশুর নিরাপত্তা ও সুশিক্ষা নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার পাশাপাশি নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা নারী ও শিশু নির্যাতনমুক্ত, বাল্যবিবাহবিহীন ও সচেতন সমাজ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ জামালগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহীনা আক্তার ও মো. রবিউল আউয়াল, নারীবিষয়ক সম্পাদক মোছা. সাবিনা আক্তার, কর্ম ও পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক কলি আক্তার, সহসাহিত্য ও সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক মৌসুমী তালুকদার, নারী ও শিশুবিষয়ক সম্পাদক জান্নাত আক্তার, আপ্যায়নবিষয়ক সম্পাদক মো. আশিক নুর, কার্যকরী সদস্য অসিম তালুকদার, পুঁজা রানী দাসসহ সংগঠনের অন্য সদস্যরা।

কাঁঠালিয়ায় বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
কাঁঠালিয়ায় বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ
ছবি : কালের কণ্ঠ

‘সবুজে সুন্দর আগামী’ প্রতিপাদ্যে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলদ ও বনজ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) উপজেলা সদর ইউনিয়নের উত্তর আউরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশে এ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর হাতে দুটি করে ফলদ ও বনজ গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা ও আশপাশে চারা রোপণ এবং পরিচর্যার অঙ্গীকার করে।

বসুন্ধরা শুভসংঘের কাঠালিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি সাংবাদিক সাকিবুজ্জামান সবুরের সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক তৈমুর হোসেন অপুর সঞ্চালনায় বিতরণ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান রিপন।

অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ফাতেমা ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দ্য-হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ, পিস অ্যাম্বাসাডর নেটওয়ার্ক বরিশাল অঞ্চলের কো-অডিনেটর ও সাংবাদিক ফারুক হোসেন খান, উপসহকারী কৃষি অফিসার অদিতি রানী, মো.আমিরুল ইসলাম মুরাদ ও সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম, সাংবাদিক মো.শাহ জামাল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সাবেক আহবায়ক হাসিব ভুট্রো, শিক্ষক হালিমা আক্তার, মাসুমা আক্তার, শিক্ষার্থী তাসমিয়া জাহান আদিবা ও তাসনিম আক্তার। 

বক্তারা বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে গাছ আমাদের রক্ষা করে। গাছ আমাদের অক্সিজেন সরবরাহ করে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছের বিকল্প নেই। জলবায়ু পরির্বতনের ভয়াবহ প্রভাব থেকে পরিবেশকে রক্ষা করতে অধিক পরিমাণ গাছ লাগাতে হবে। সেই যাত্রা হিসেবে শিশুদের হাতে গাছের তুলে দেওয়া হলো। এই শিশুরাই আগামী দিনের অভিভাবক হয়ে পরিবেশ রক্ষা করবে। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে এ উদ্যোগ সফল করতে হবে।’

পরে প্রধান অতিথি স্কুল আঙিনায় কাঁঠাল ও নিমের চারা রোপণ করেন।