• ই-পেপার

সোনারগাঁওয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে পরিবেশবিষয়ক কর্মসূচি

গলাচিপায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্য সচেতনতায় আলোচনাসভা

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
গলাচিপায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্য সচেতনতায় আলোচনাসভা
ছবি : কালের কণ্ঠ

বন্যা-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ, স্বাস্থ্যঝুঁকি ও নিরাপদ জীবনযাপন সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে বসুন্ধরা শুভসংঘ গলাচিপা  উপজেলা শাখার উদ্যোগে ‘বন্যা-পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা’ শীর্ষক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) গলাচিপা উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে এ আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়।

বসুন্ধরা শুভসংঘ গলাচিপা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব মো. তরিকুল ইসলাম মুন্নার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘের জেলা সমন্বয়ক ও কালের কণ্ঠ পত্রিকার গলাচিপা উপজেলা প্রতিনিধি মো. সাইমুন রহমান এলিট।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ গলাচিপা উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মাও. মো. শফিকুল ইসলাম, সিনিয়র সদস্য প্রভাষক মো. হুমায়ুন কবির, নাগরিক টিভির গলাচিপা উপজেলা প্রতিনিধি মো. হুজ্জাতুল ইসলাম, সদস্য মো. হামিদুল ইসলাম, উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলমগীর হোসাইন, সহকারী শিক্ষিকা গৌরীরানী পাল, রেসমা আক্তার ও স্থানীয় এম এ মান্নাসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও শুভসংঘের সদস্যরা।

আলোচনাসভায় বক্তারা বলেন, বন্যার পর সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি থাকে ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েড, চর্মরোগ, সাপের কামড়সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার। তাই সবাইকে অবশ্যই বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে, খাবার ভালোভাবে ঢেকে রাখতে হবে, সাবান দিয়ে নিয়মিত হাত ধুতে হবে এবং পানি ফুটিয়ে বা বিশুদ্ধ করে পান করতে হবে।

বক্তারা আরো বলেন, বন্যায় জমে থাকা বা দূষিত পানিতে অপ্রয়োজনে চলাফেরা না করা, শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া, মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং অসুস্থতা দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর সচেতনতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই অনেক রোগব্যাধি প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সবাইকে এ বিষয়ে সচেতন হয়ে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

সভা শেষে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে ভবিষ্যতেও জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বসুন্ধরা শুভসংঘের নেতৃবৃন্দ।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় অর্ধশত পরিবারের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় অর্ধশত পরিবারের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ
ছবি: কালের কণ্ঠ

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বন্যার পানি নেমে গেলেও অনেক মানুষের দুর্ভোগ এখনো কাটেনি। অনেক পরিবারের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, নষ্ট হয়েছে খাদ্যসংগ্রহ, বন্ধ হয়ে গেছে জীবিকার পথ। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন একাকী, প্রবীণ ও নিম্নআয়ের মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে বন্যাকবলিত আরো প্রায় অর্ধশত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘ বান্দরবান জেলা শাখা।

বুধবার (১৫ জুলাই) বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিক্রিছড়ামুখ তঞ্চঙ্গ্যা পাড়া, কোলক্ষ্য হেডম্যান পাড়া ও বিক্রিছড়া এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে একাকী ও অসহায় প্রবীণ মংচাখয় মারমাকে দেওয়া হয় নগদ আর্থিক সহায়তা।

৭৬ বছর বয়সী মংচাখয় মারমা দীর্ঘদিন ধরে একাই বসবাস করছেন। তার দেখাশোনার মতো কোনো নিকটাত্মীয় নেই। সাম্প্রতিক বন্যায় তার বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি জীবিকার অবলম্বনও নষ্ট হয়ে যায়। খবর পেয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা তার বাড়িতে গিয়ে খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ তুলে দেন। সংগঠনের সদস্যদের এই উপস্থিতি প্রবীণ মানুষটির জন্য ছিল দুর্যোগের সময় এক বড় ধরনের মানসিক সাহসও।

স্থানীয়দের ভাষ্য, পাহাড়ি এলাকার অনেক পরিবার এখনো স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেনি। দুর্গম হওয়ায় অনেক স্থানে সহায়তা পৌঁছাতে সময় লাগছে। বিশেষ করে প্রবীণ, দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষের সংকট আরো প্রকট হয়ে উঠেছে। এসব বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘ মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

ত্রাণসামগ্রীর প্রতিটি প্যাকেটে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, সয়াবিন তেল, লবণ এবং একটি ফ্যামিলি প্যাক বিস্কুট দেওয়া হয়, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো অন্তত কয়েক দিনের খাদ্যসংকট মোকাবিলা করতে পারে।

বিক্রিছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বসন্ত কুমার চাকমা বলেন, বন্যার কারণে দুর্গম এলাকার মানুষের দুর্ভোগ অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে অসহায় ও প্রবীণ মানুষদের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। বসুন্ধরা শুভসংঘের এই মানবিক উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার এবং সমাজের অন্যদের জন্যও একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

বসুন্ধরা শুভসংঘ পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল সমন্বয়ক ও বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি উয়ই সিং মার্মা বলেন, মানুষের দুঃসময়ে পাশে থাকাই বসুন্ধরা শুভসংঘের অঙ্গীকার। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করার লক্ষ্যেই আমরা এই ত্রাণসামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছি। বিশেষ করে পরিবারহীন ও অসহায় প্রবীণ মংচাখয় মারমার মতো মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও দুর্গম এলাকার অসহায় ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এর আগে একই মানবিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে বসুন্ধরা শুভসংঘ  বান্দরবান জেলা শাখা  বন্যাকবলিত এলাকায় ৬০টি পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছিল। ধারাবাহিক সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এবার আরও প্রায় অর্ধশত পরিবারের কাছে খাদ্যসহায়তা পৌঁছে দেওয়া হলো।

ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল সমন্বয়ক ও বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি উয়ই সিং মার্মা, জেলা শাখার সদস্য ওয়াইমং মারমা, সুলতানুল আরেফিন, মহিউদ্দিন হোসেন, উবাসাইং মারমা, কোহই খুমীসহ সংগঠনের শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

ত্রাণসামগ্রী ও সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীরা বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাদের আশা, দুর্গত মানুষের পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত সমাজের বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন একইভাবে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেবে।

অনলাইন জুয়া ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে লালমনিরহাটে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা

মো. নাঈম রহমান, লালমনিরহাট
অনলাইন জুয়া ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে লালমনিরহাটে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা

বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমনিরহাট সরকারি কলেজ শাখার উদ্যোগে ‘অনলাইন জুয়া ও মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক আলোচনা সভা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত সভায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনলাইন জুয়া ও মাদকের ভয়াবহতা, সামাজিক ও ব্যক্তিগত ক্ষতিকর প্রভাব এবং এ থেকে দূরে থাকার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বক্তারা বলেন, মাদক ও অনলাইন জুয়ার মতো সামাজিকব্যাধি তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এ বিষয়ে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট সরকারি কলেজ শাখার উপদেষ্টা সহকারী অধ্যাপক মুন্নী বেগম এবং সহকারী অধ্যাপক কংকর চন্দ্র বর্মণ। তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে সচেতনতামূলক বক্তব্য প্রদান করেন এবং একটি সুন্দর, মাদকমুক্ত ও নৈতিক সমাজ গঠনে তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

লালমনিরহাট সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি মো. সৌরভ ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোছা. তাসনিম জাহানের সঞ্চালনায় 
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমনিরহাট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. নাঈম রহমান, কলেজ শাখার সহ-সভাপতি হরপদ রায় ও নিশান মিয়া, প্রচার সম্পাদক মো. সেকেন্দার আলী, কর্ম ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক প্রকাশ রায়, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. আজিজুল ইসলাম, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক সাগর রায়, ক্রীড়া সম্পাদক দীপক কুমার, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. তৌফিক ইসলাম এবং সদস্যবৃন্দ নাইম, নয়ন, জুয়েল, রাফি, নাজমুল, নাইম, জাকির, মো. মোরসেদ, নয়ন চন্দ্র, মিদুল, রতন, রাম কৃষ্ণ, তাসনিম, সম্পা, মিতালি, রাজ্জাক, আবু বক্কর ও শংকর।

আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত সবাই অনলাইন জুয়া ও মাদক থেকে নিজেদের এবং সমাজকে দূরে রাখতে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কুড়িগ্রামে গুণী শিক্ষক খন্দকার খায়রুল আনমকে বসুন্ধরা শুভসংঘের সম্মাননা

রোকনুজ্জামান মানু
কুড়িগ্রামে গুণী শিক্ষক খন্দকার খায়রুল আনমকে বসুন্ধরা শুভসংঘের সম্মাননা
ছবি: কালের কণ্ঠ

বসুন্ধরা শুভসংঘ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার উদ্যোগে গুণী শিক্ষক ও সমাজসেবক খন্দকার খায়রুল আনমকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়েছে। গত রবিবার (১২ জুলাই) কুড়িগ্রাম কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের হলরুমে জেলা শাখার নবগঠিত কমিটির আয়োজনে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি রোকনুজ্জামান মানুর সঞ্চালনায় বক্তব‌্য রা‌খেন, বসুন্ধরা শুভসংঘ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার নবনির্বাচিত সভাপতি ও কুড়িগ্রাম কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হারুন অর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার রাশেদুল আনম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, খন্দকার খায়রুল আনম দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে নেতৃত্ব দিয়ে জেলার মানুষের কাছে একজন অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। তার অবদান নতুন প্রজন্মকে সমাজসেবামূলক কাজে আরো উদ্বুদ্ধ করবে।

খন্দকার খায়রুল আনম ১৯৫৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি কুড়িগ্রাম শহরে জন্মগ্রহণ করেন। বাবার চাকরির সুবাদে লালমনিরহাট ও সৈয়দপুরে তার বেড়ে ওঠা এবং পড়াশোনা। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি স্কাউট আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। ১৯৬৭ সালে করাচিতে অনুষ্ঠিত চতুর্থ পাকিস্তান জাতীয় জাম্বুরিতে অংশ নেন এবং পরবর্তীতে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। কর্মজীবনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অসংখ্য পুরস্কার ও পদক লাভ করেছেন। রাষ্ট্রপতির কাছ থেকেও সম্মাননা গ্রহণ করেছেন।

দীর্ঘদিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা শেষে প্রধান শিক্ষক হিসেবে ২০১০ সালে অবসর নেন। ২০১০ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত তিনি বসুন্ধরা শুভসংঘ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি উপদেষ্টা পরিষদের এক নম্বর সদস্য। পাশাপাশি তিনি সুজনের জেলা সভাপতি, প্রবীণ হিতৈষী সংঘের জেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক এবং ‘স্বজন’-এর সমন্বয়কারীসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

এদিকে, গত ১১ জুলাই বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কুড়িগ্রাম জেলা শাখার এক বছর মেয়াদি নতুন কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে নবগঠিত কমিটির সদস্যদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

ক‌মি‌টিতে উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন খন্দকার খায়রুল আনম, ডা. আমিনুল ইসলাম, আব্দুল খালেক ও প্রতিমা চৌধুরী।

নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন হারুন অর রশীদ এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন খন্দকার রাশেদুল আনম। এ ছাড়া সহ-সভাপতি মোহায়মিনুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও রুবামা খাতুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিলন মিয়া, ফরহাদ মিয়া, প্রভাতী রায় ও খাদিজা পারভীন, সাংগঠনিক সম্পাদক খাদিজা আক্তার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত হোসেন রাসেল, অর্থ সম্পাদক আব্দুল কাদের, দপ্তর সম্পাদক আরফিনা আক্তার, ইভেন্ট সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, কর্ম ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন প্রামানিক, প্রচার সম্পাদক রুবাইয়া ইসলাম, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক হেমলতা রায়, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক সামিউল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক সামাউন ইসলাম (সামি), তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হুদা রিয়াদ, নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক বৃষ্টি রাণী সরকার, শিক্ষা ও পাঠ্যচক্র বিষয়ক সম্পাদক রাকিব আল রিয়াদ, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক মাহিয়া বিনতে মৌ, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শাকিল হোসাইন এবং সমাজকল্যাণ সম্পাদক হয়েছেন খোকন মণ্ডল।

কমিটিতে কার্যকরী সদস্য হিসেবে রয়েছেন মিফতাহ উল ইসলাম, ইব্রাহিম হক, ফুয়াদ মাহি, সাজ্জাদুল ইসলাম, আল ইমরান, জোবায়ের ইসলাম, শিহাব ইবনে সামস, সাবিনা আক্তার, সুরুজ ইসলাম ও শাহিদুল ইসলাম।

এ সময় নতুন কমিটির সদস্যরা সমাজের মানুষের পাশে থেকে মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সোনারগাঁওয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে পরিবেশবিষয়ক কর্মসূচি | কালের কণ্ঠ