• ই-পেপার

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি বোর্ড দখলের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

হাঁটু ও কোমর প্রতিস্থাপন : আধুনিক চিকিৎসায় নতুন জীবন

অধ্যাপক ডা. আমজাদ হোসেন
হাঁটু ও কোমর প্রতিস্থাপন : আধুনিক চিকিৎসায় নতুন জীবন
সংগৃহীত ছবি

হাঁটু প্রতিস্থাপন কী?
হাঁটুর ক্ষতিগ্রস্ত বা ক্ষয়ে যাওয়া হাড় ও কার্টিলেজ (নরম হাড়) অপসারণ করে সেখানে ধাতু, টাইটানিয়াম বা বিশেষ বায়োকম্প্যাটিবল উপাদান দিয়ে তৈরি কৃত্রিম ইমপ্ল্যান্ট বা জয়েন্ট বসিয়ে দেওয়াকে হাঁটু প্রতিস্থাপন বা নীল রিপ্লেসমেন্ট বলা হয়। এর ফলে হাঁটুর স্বাভাবিক নড়াচড়া, ভার বহনের ক্ষমতা এবং ব্যথামুক্ত জীবন ফিরে আসে।

কোমর (হিপ) প্রতিস্থাপন কী?
কোমরের জয়েন্টের ক্ষতিগ্রস্ত বল ও সকেট অপসারণ করে সেখানে কৃত্রিম ধাতব, সিরামিক বা উচ্চমানের প্লাস্টিকের জয়েন্ট প্রতিস্থাপন করাকে কোমর প্রতিস্থাপন বা হিপ রিপ্লেসমেন্ট বলা হয়। এতে তীব্র ব্যথা কমে যায় এবং রোগী আবার স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারেন।

কখন এবং কাদের জন্য এই সার্জারি?
নিচের সমস্যাগুলো দেখা দিলে হাঁটু বা কোমর প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হতে পারে—

তীব্র অস্টিওআর্থ্রাইটিস
রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস
আঘাতজনিত জয়েন্ট ক্ষতি
হাড়ের টিউমার
হাড়ে রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যাওয়া
জন্মগত জয়েন্টের ত্রুটি
দীর্ঘদিনের অসহনীয় ব্যথা
ওষুধ, ফিজিওথেরাপি বা ইনজেকশনেও উপকার না পাওয়া
হাঁটাচলা, সিঁড়ি ওঠানামা বা দৈনন্দিন কাজ করতে না পারা
হাঁটু বেঁকে যাওয়া বা কোমরের জয়েন্ট বিকৃত হয়ে যাওয়া

যাদের জন্য প্রযোজ্য :
সাধারণত ৫০–৭০ বছর বয়সীদের মধ্যে এই অপারেশনের হার বেশি হলেও, প্রয়োজন হলে কম বয়সেও এই অস্ত্রোপচার করা যায়।

কী দিয়ে তৈরি?
আধুনিক ইমপ্ল্যান্টগুলো শরীরের সঙ্গে সহজে খাপ খাইয়ে নিতে পারে এমন বায়োকম্প্যাটিবল উপাদান দিয়ে তৈরি হয়। এগুলোতে ব্যবহৃত হয়—
ক্যোবাল্ট-ক্রোমিয়াম অ্যালয়
টাইটানিয়াম অ্যালয়
সিরামিক
মেডিকেল গ্রেড আল্ট্রা-হাই-মলিকুলার-ওয়েট পলিইথিলিন ইত্যাদি।

এসব উপাদান দীর্ঘদিন টেকসই থাকে এবং জয়েন্টকে স্বাভাবিকভাবে নড়াচড়া করতে সাহায্য করে।

অপারেশনের সুবিধা :
এটা বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক পদ্ধতির চিকিৎসা যাতে অপারেশন করে আধুনিক ডিভাইস বসিয়ে দেওয়া হয়। অপারেশনের পর যেসব লাভ হয় তা হলো—

দীর্ঘদিনের ব্যথা থেকে স্থায়ী মুক্তিলাভ 
স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করার সক্ষমতা ফিরে আসে
লাঠি বা অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন কমে যায়
হাঁটু বা কোমরের স্বাভাবিক আকৃতি ও ভারসাম্য ফিরে আসে
দৈনন্দিন কাজ সহজ হয়
জীবনযাত্রার মান ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায় ইত্যাদি।

আধুনিক ইমপ্ল্যান্ট সঠিক যত্নে সাধারণত ১৫–২৫ বছর বা তারও বেশি সময় কার্যকর থাকতে পারে।

অপারেশনের পর করণীয় :
নিয়মিত ফিজিওথেরাপি
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম
ওজন নিয়ন্ত্রণ
সংক্রমণ প্রতিরোধে সতর্কতা
নিয়মিত ফলো-আপ

বাংলাদেশে বাস্তবতা :
বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন অর্থোপেডিক সার্জনগন বিশ্বমানের প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক মানের ইমপ্ল্যান্ট ব্যবহার করে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে হাঁটু ও কোমর প্রতিস্থাপন করছেন। উন্নত বিশ্বের তুলনায় এ দেশে চিকিৎসার খরচ তুলনামূলক কম হলেও হাসপাতাল, সার্জনের অভিজ্ঞতা, ইমপ্ল্যান্টের ব্র্যান্ড (আমেরিকান, ইউরোপীয় বা অন্যান্য) এবং রোগীর শারীরিক অবস্থার ওপর সার্বিক খরচ নির্ভর করে।

লেখক : চিফ কনসালটেন্ট , অর্থোপেডিক ও অর্থোপ্লাস্টি সেন্টারের প্রধান, ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল

ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৪০ ছাড়াল, নতুন ভর্তি ৪৩৯

অনলাইন ডেস্ক
ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৪০ ছাড়াল, নতুন ভর্তি ৪৩৯
সংগৃহীত ছবি

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর এ রোগে ৪০ জনের মৃত্যু হলো। শনিবার (২৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৩৯ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়াদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৮৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৭৫ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭৭ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৪৬ জন, খুলনা বিভাগে ৪১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৬ জন, রংপুর বিভাগে ৩০ জন এবং সিলেট বিভাগে একজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ৬৪০ জন। এর মধ্যে ৬১ দশমিক ৪ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশ নারী রয়েছেন। ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১১ হাজার ৪৯৭ জন।

হামের উপসর্গে আরো ৬ প্রাণহানি, মোট মৃত্যু ৮১৬

অনলাইন ডেস্ক
হামের উপসর্গে আরো ৬ প্রাণহানি, মোট মৃত্যু ৮১৬
ছবি: কালের কণ্ঠ

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরো ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি বেড়ে ৮১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি। তবে হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর নতুন করে হাম ও উপসর্গের রোগী ৬৯১ জন জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৭৮ জনের শরীরে। এ নিয়ে মোট হাম আক্রান্ত ১৫ হাজার ২৭২ জন। আর হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে ৬১৩ জনের শরীরে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২২ হাজার ৭৬৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৫৩৫ জন।

জ্বর হলে ওষুধ সেবনে সতর্কতা, যেসব পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

বাসস
জ্বর হলে ওষুধ সেবনে সতর্কতা, যেসব পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের
সংগৃহীত ছবি

দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ায় সাধারণ জ্বর ও ডেঙ্গু জ্বরের পার্থক্য বুঝে সতর্কতার সঙ্গে ওষুধ সেবনের পরামর্শ দিয়েছেন মেডিসিন ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। তাদের মতে, শরীরে সাধারণ জ্বর হলে শুধু প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ সেবন করা উচিত। জ্বরের সঙ্গে মাথা ব্যথা, সমস্ত শরীর ব্যথা, গিরায় গিরায় ব্যথা এবং গায়ে রেশ দেখা দিলে তা ডেঙ্গু জ্বর হওয়ার লক্ষণ।

এই ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ না খাওয়া পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ডেঙ্গু ইস্যুতে উদ্বিগ্ন না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্টরা বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের প্রধান চাবিকাঠি হলো সতর্কতা ও জনসচেতনতা। এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ, মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত থাকা এবং ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই হলো ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

রাজধানী ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ৫৯টি ওয়ার্ডকে ইতোমধ্যে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এমন পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের ২৩ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ২০ জন। চলতি বছরে এ যাবৎ মোট ১০ হাজার ৯১১ জন ডেঙ্গুরোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

ডেঙ্গু চিকিৎসার বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হাসান হাফিজুর রহমান বাসস’কে বলেন, জ্বর হলে শুধু প্যারাসিটামল ওষুধ সেবন করতে হবে। জ্বরের সঙ্গে মাথা ব্যথা, সমস্ত শরীর ব্যথা, গিরায় গিরায় ব্যথা, গায়ে রেশ দেখা দিলে ডেঙ্গু জ্বর হওয়ার লক্ষণ। এই ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে কোনো ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকতে হবে।

তিনি বলেন, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসাব্যবস্থা নেওয়া নিরাপদ। নিজেরা ওষুধের দোকান থেকে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ব্যতীত কোনো ওষুধ ক্রয় করে খাবেন না। শিশুদের জ্বর হলে ডাবের পানি, শরবতসহ বেশি বেশি পানি পান করাবেন। এছাড়া বাইরে বের হলে শিশুদের ফুলপ্যান্ট ও ফুলহাতা শার্ট, পায়ে মোজা পরানোর পরামর্শ দেন তিনি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, বর্তমানে একসঙ্গে একাধিক ভাইরাস বাড়ছে— করোনা, ডেঙ্গু, ডায়রিয়া ইত্যাদি। সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে পড়ছে যে কোনটা কোন রোগ। এজন্য ভয়ের কিছু নেই, সচেতনতা জরুরি। লক্ষণ দেখা দিলেই পরীক্ষা ও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন এ বিষয়ে বাসস’কে বলেন, প্রতি বছরই ডেঙ্গু হচ্ছে, ভাবছি আগামী বছর হবে না। একটা সাময়িক ব্যবস্থা করে সন্তুষ্ট থাকছি। সিটি কর্পোরেশনের এত কম জনবল দিয়ে ডেঙ্গু মোকাবিলা করা যাবে না। সিটি কর্পোরেশনের লোকজন শুধু কীটনাশক প্রয়োগ করছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারকে মূল উদ্যোগ নিতে হবে।

বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ বিসিএস হেলথ ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এডিস মশা সাধারণ মশার তুলনায় কিছুটা ভিন্ন স্বভাবের। এটি গ্রামাঞ্চলের তুলনায় শহরাঞ্চলে বেশি বসবাস করতে পছন্দ করে। এর অন্যতম কারণ হলো প্রজননের জন্য এডিস মশা অল্প গভীর ও স্বচ্ছ পানিকে বেছে নেয়। কাদা বা ময়লাযুক্ত পানিতে এটি ডিম পাড়ে না। ফলে ফুলের টব, ছাদ বা বারান্দায় রাখা পাত্র, টায়ার কিংবা অন্যান্য ছোট পাত্রে জমে থাকা পরিষ্কার পানি এডিস মশার আদর্শ প্রজননস্থল হয়ে ওঠে।

তিনি বলেন, এডিস মশার একটি নির্দিষ্ট জৈবিক ছন্দ রয়েছে। সূর্যোদয়ের পরের প্রথম দুই ঘণ্টা এবং সূর্যাস্তের আগের দুই থেকে তিন ঘণ্টা এদের সবচেয়ে সক্রিয় সময়। এ সময়ই এডিস মশার কামড়ানোর প্রবণতা সবচেয়ে বেশি থাকে। তাই এই সময়ে বিশেষ সতর্ক থাকা উচিত এবং প্রয়োজনে মশা প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

আইইডিসিআরের পরিচালক ডা. কাজী আহমেদ জাকী বলেন, ডেনভ-৩ সেরোটাইপের কারণে রোগীদের মধ্যে দ্রুত ডেঙ্গু শক সিনড্রোমের মতো জটিলতা দেখা দেওয়ার প্রবণতাও বাড়ছে। এতে রোগীর অবস্থা দ্রুত খারাপ হতে পারে। 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা। জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিতে হবে। পাশাপাশি বাসাবাড়ির আশপাশে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।