ভোরের আলো ফোটার আগেই যে শহরের ঘুম ভাঙে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ঝাড়ুর শব্দে, সেই ঢাকা দিনশেষে তলিয়ে যায় হাজার হাজার টন বর্জ্যের স্তূপে। বুড়িগঙ্গার তীরে গড়ে ওঠা চারশত বছরের প্রাচীন এই মেগাসিটি আজ এক অদ্ভুত বৈপরীত্যের শিকার। একদিকে সুউচ্চ অট্টালিকা, মেট্রোরেলের আধুনিকতা আর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি; অন্যদিকে যত্রতত্র ছড়িয়ে থাকা প্লাস্টিক, পচা উচ্ছিষ্ট আর ভাগাড়ের তীব্র দুর্গন্ধ। ঢাকা যেন এক জীবন্ত ডাস্টবিন, যার ফুসফুস আজ বর্জ্যের বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত। কিন্তু অতি সম্প্রতি এই চেনা ও হতাশাজনক দৃশ্যপটের খোলনলচে বদলে দেওয়ার মতো এক ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণের সূচনা হয়েছে। বর্জ্য, যা এতকাল ছিল মহানগরের অভিশাপ ও গলার কাঁটা, তা-ই এখন রূপান্তরিত হতে যাচ্ছে আলো আর শক্তির এক নতুন উৎসে।
রবিবার সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকার আমিনবাজার এবং মাতুয়াইলে দুটি আধুনিক বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ (Waste-to-Energy) উৎপাদন প্রকল্প দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার সুনির্দিষ্ট ও কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সময়োপযোগী নির্দেশনা কেবল দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ঘোষণা নয়, বরং এটি পরিবেশ সুরক্ষায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনায় এক যুগান্তকারী ও বৈপ্লবিক পদক্ষেপ।
একটি পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে ঢাকার বর্জ্য সংকটের ভয়াবহতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মিলিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় সাত থেকে আট হাজার টন বর্জ্য উৎপাদিত হয়। এই বিপুল পরিমাণ বর্জ্যের একটি বড় অংশই প্রচলিত ও সনাতন পদ্ধতিতে খোলা ট্রাকে করে আমিনবাজার এবং মাতুয়াইলের ল্যান্ডফিলে (বর্জ্য ফেলার স্থান) নিয়ে ফেলা হয়। বছরের পর বছর ধরে জমতে থাকা এই বর্জ্যের পাহাড় এখন ধারণক্ষমতার একেবারে শেষপ্রান্তে।
খোলা আকাশের নিচে পড়ে থাকা এই বর্জ্য শুধু যে দৃশ্য দূষণ ঘটাচ্ছে তা নয়, বরং এর ভেতরের বিষাক্ত 'লিচেট' বা তরল বর্জ্য চুয়ে চুয়ে মাটির নিচে প্রবেশ করছে। ফলে ভূগর্ভস্থ পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। বর্ষাকালে এই বিষাক্ত পানি চারপাশের জলাশয় ও নদীতে মিশে গিয়ে মৎস্যসম্পদ এবং জলজ ইকোসিস্টেমকে ধ্বংস করছে। একই সাথে, বর্জ্যের পচন প্রক্রিয়া থেকে অনবরত নির্গত হচ্ছে মিথেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের মতো গ্রিনহাউস গ্যাস, যা ঢাকার বাতাসকে ক্রমান্বয়ে বিষাক্ত করে তুলছে এবং বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনে নেতিবাচক ভূমিকা রাখছে। এমন এক দমবন্ধ পরিস্থিতিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকীকরণ কোনো বিলাসিতা নয়, বরং বাঁচার লড়াই। আর সেই লড়াইয়ের মোক্ষম হাতিয়ার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ‘বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ’ প্রযুক্তি।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আমিনবাজারে যে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে, তা ঢাকার পরিবেশগত মানচিত্র বদলে দিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে চীনের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান ‘সিএমইসি গ্রুপ’ (CMEC Group)। চীনের এই প্রযুক্তিগত ও আর্থিক অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই প্রকল্পে প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার টন বর্জ্য ব্যবহার করা হবে। সেই বর্জ্য পুড়িয়ে বা প্রক্রিয়াজাত করে উৎপাদন করা হবে ৪২.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এটি কোনো সাময়িক উদ্যোগ নয়; সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৮ সালের আগস্টের মধ্যেই এই কেন্দ্রটি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করবে। সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক দিক হলো, আগামী ২৫ বছর এখান থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে।
আমিনবাজারের এই প্রকল্পটির মাধ্যমে উত্তর ঢাকার একটি বিশাল অংশের বর্জ্য প্রতিদিনের নিয়মে উধাও হয়ে যাবে। যে বর্জ্যকে নাগরিক সমাজ দীর্ঘকাল ধরে বোঝা মনে করত, তা থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ রাতের ঢাকাকে আলোকিত করবে, সচল রাখবে কলকারখানার চাকা। এটি একই সাথে বর্জ্য নিষ্কাশন এবং জ্বালানি সংকটের এক অনন্য দ্বিমুখী সমাধান।
ঢাকার অপর প্রান্তে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মাতুয়াইলে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আরো একটি বিশাল এবং পরিবেশবান্ধব প্রকল্প। দক্ষিণ কোরিয়ার স্বনামধন্য 'বিঅ্যান্ডএফ' (B&F) কোম্পানি এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার পরিবেশবান্ধব ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সুনাম বিশ্বজুড়ে, আর সেই প্রযুক্তির ছোঁয়া এবার লাগতে যাচ্ছে ঢাকার বুকে।
মাতুয়াইলের এই প্রকল্পের কর্মপদ্ধতি ও লক্ষ্য অত্যন্ত দূরদর্শী। এখানে প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার টন বর্জ্য ব্যবহার করা হবে। তবে এই প্রকল্পের মূল চমক হলো সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি মিথেন গ্যাস আহরণ। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বছরে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার টন মিথেন গ্যাস উৎপাদন করা হবে। আমরা জানি, মিথেন একটি অত্যন্ত শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস, যা কার্বন ডাই-অক্সাইডের চেয়েও বহুগুণ বেশি তাপ ধরে রাখতে পারে। মাতুয়াইলের ল্যান্ডফিল থেকে যে মিথেন বাতাসে মিশে পরিবেশের ক্ষতি করত, তা-ই এখন সিলিন্ডারবন্দি হয়ে বা পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত হবে এবং তা থেকে বছরে প্রায় ৮১,০০০ মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ মিলবে। এটি পরিবেশ বিজ্ঞানের ভাষায় একটি ‘উইন-উইন’ বা দ্বিমুখী সাফল্যের সমীকরণ। একদিকে বায়ুমণ্ডলে মিথেন গ্যাসের নিঃসরণ কমছে, অন্যদিকে উৎপাদিত হচ্ছে ক্লিন এনার্জি বা পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ।
বাংলাদেশে অনেক ভালো উদ্যোগই অতীতে আমলাতান্ত্রিক লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের অভাবে ফাইলবন্দি হয়ে থেকেছে। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শিতা প্রশংসার দাবিদার। তিনি শুধু প্রকল্প নেওয়ার নির্দেশ দিয়েই ক্ষান্ত হননি, বরং এটি দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার, বিদ্যুৎ এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি জরুরি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছেন।
বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত জটিল এবং বহুমাত্রিক। বর্জ্য সরবরাহ করবে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন), সেই বর্জ্য থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ কিনবে এবং গ্রিডে যোগ করবে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়, আর পুরো প্রক্রিয়ায় পরিবেশের কোনো ক্ষতি হচ্ছে কি না তা তদারকি করবে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। এই তিন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে যদি নিখুঁত সমন্বয় না থাকে, তবে প্রকল্প আলোর মুখ দেখা অসম্ভব। প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর যে গুরুত্বারোপ করেছেন, তা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে চাঙ্গা করবে এবং কাজের গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
আজকের এই ঐতিহাসিক বৈঠকে নীতিনির্ধারক ও প্রশাসনের শীর্ষ ব্যক্তিদের উপস্থিতিই প্রমাণ করে সরকার এই বিষয়টিকে কতটা অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের উপস্থিতি মাঠপর্যায়ে সিটি করপোরেশনের কাজের তদারকি জোরদার করবে।
অন্যদিকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান এবং মো. আবদুস সালামের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে যেন প্রতিদিনের বর্জ্য সরবরাহে কোনো বিঘ্ন না ঘটে। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনের উপস্থিতি নির্দেশ করে যে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই প্রকল্পের অগ্রগতি সরাসরি ও সার্বক্ষণিকভাবে মনিটর করা হচ্ছে।
ঢাকার এই দুটি প্রকল্পকে কেবল একটি শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ফ্রেমে বেঁধে দেখলে ভুল হবে। সামগ্রিক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং পরিবেশগত প্রেক্ষাপটে এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। বাংলাদেশ বর্তমানে এলডিসি (LDC) বা স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে শামিল হওয়ার পথে রয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ 'স্মার্ট বাংলাদেশ' গড়ার লক্ষ্য নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু টেকসই উন্নয়ন বা 'সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট' ছাড়া এই অগ্রগতি অর্থহীন।
তা ছাড়া, অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও এটি অত্যন্ত লাভজনক। প্রতি বছর জ্বালানি তেল ও কয়লা আমদানি করতে বাংলাদেশকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করতে হয়। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন সফল হলে নিজস্ব সস্তা উৎসের ব্যবহার বাড়বে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাবে। একই সাথে, এই বিশাল প্রকল্পগুলোকে কেন্দ্র করে তৈরি হবে হাজার হাজার গ্রিন জব বা পরিবেশবান্ধব কর্মসংস্থান, যা দেশের বেকারত্ব দূরীকরণে সহায়ক হবে।
যেকোনো বড় উদ্যোগেরই কিছু নিজস্ব চ্যালেঞ্জ থাকে। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো বর্জ্যের গুণগত মান ও এর উৎস পৃথকীকরণ (Source Segregation)। বাংলাদেশের বর্জ্যে সাধারণত আর্দ্রতা বা পানির পরিমাণ অনেক বেশি থাকে এবং উন্নত দেশের মতো এখানে কাচ, প্লাস্টিক, কাগজ ও পচনশীল বর্জ্য আলাদা করে ফেলা হয় না। সব একসাথে মিশে থাকে। ফলে এই মিশ্র বর্জ্য থেকে পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা প্রযুক্তিগতভাবে কিছুটা কঠিন।
এখানেই প্রয়োজন আমাদের নাগরিক সচেতনতা। শুধু সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকলে একটি শহর কখনো পরিচ্ছন্ন হতে পারে না। নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হবে ঘর থেকেই বর্জ্য পৃথকীকরণের অভ্যাস শুরু করা। পচনশীল রান্নাঘরের বর্জ্য এবং অপচনশীল প্লাস্টিক বা কাচ যদি আমরা আলাদা পাত্রে রাখি, তবে সিটি করপোরেশনের পক্ষে তা সংগ্রহ করে সরাসরি বিদ্যুৎকেন্দ্রে পাঠানো সহজ হবে।
পাশাপাশি, প্রকল্প দুটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থাৎ ২০২৮ সালের মধ্যে শেষ হয়, তার জন্য কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা বজায় রাখতে হবে। কোনো ধরনের দুর্নীতি বা গাফিলতি যেন এই মহৎ উদ্যোগকে ব্যাহত করতে না পারে, সেদিকে সংবাদমাধ্যম এবং সচেতন নাগরিক সমাজকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
পরিশেষে বলাতে, বর্জ্য কোনো ফেলনা বস্তু নয়, বর্জ্য এক বিশাল সম্পদ—এই ধারণার বাস্তব রূপায়ণ দেখার অপেক্ষায় রয়েছে কোটি ঢাকাবাসী। আমিনবাজারের ৪২.৫ মেগাওয়াট আর মাতুয়াইলের ৮১,০০০ মেগাওয়াট-ঘণ্টার বিদ্যুৎ কেবল গ্রিডের সংখ্যা বাড়াবে না, এটি বাড়াবে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস। যে ঢাকা একসময় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিশ্বের অন্যতম দূষিত বা বাসঅযোগ্য শহর হিসেবে শিরোনাম হতো, সেই ঢাকাই আগামী দিনে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব মেগাসিটি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে—১২ জুলাইয়ের এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আমাদের সেই স্বপ্নই দেখায়।
প্রধানমন্ত্রীর এই দৃঢ় ও সাহসী নির্দেশনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঢাকা পরিণত হোক এক সবুজ, নির্মল ও গতিশীল নগরীতে। বর্জ্যের অন্ধকার কেটে গিয়ে চারপাশের বাতাস হোক সুবাসিত, আর সেই বর্জ্যের শক্তিতেই আলোকিত হোক আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি। টেকসই উন্নয়নের এই নতুন দিগন্তে বাংলাদেশের যাত্রা হোক অনিরুদ্ধ।
লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট, রাজনৈতিক বিশ্লেষক
ই-মেইল : [email protected]




