• ই-পেপার

যুক্তরাজ্যে বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ নারী দলের বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা

ফ্রান্সে নতুন ইইউ আশ্রয়নীতি কার্যকর

তানভীর আহমেদ তোহা, ফ্রান্স
ফ্রান্সে নতুন ইইউ আশ্রয়নীতি কার্যকর
সংগৃহীত ছবি

ফ্রান্সে শুক্রবার (১২ জুন) থেকে কার্যকর হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নতুন মাইগ্রেশন ও অ্যাসাইলাম প্যাক্ট। এর ফলে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য সীমান্তে বাধ্যতামূলক যাচাই, দ্রুত প্রত্যাবাসন, ডাবলিন নীতির সংশোধন এবং বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহসহ অভিবাসন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ইইউর বহিঃসীমান্তে আশ্রয় আবেদনকারী অনিয়মিত অভিবাসীদের সর্বোচ্চ সাত দিনের বাধ্যতামূলক ‘ফিল্টারিং’ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এ সময় তাদের পরিচয়, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা হবে। ফিল্টারিং চলাকালে আবেদনকারীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফরাসি ভূখণ্ডে প্রবেশকারী হিসেবে গণ্য করা হবে না।

যাচাই শেষে আবেদনকারীকে সাধারণ আশ্রয় প্রক্রিয়া অথবা সীমান্তভিত্তিক বিশেষ আশ্রয় প্রক্রিয়ায় পাঠানো হবে। সীমান্ত প্রক্রিয়ার আওতায় পড়লে তাকে সর্বোচ্চ ১২ সপ্তাহ সীমান্তসংলগ্ন কেন্দ্রে অবস্থান করতে হবে এবং সেখানেই তার আবেদন নিষ্পত্তি করা হবে।

ফ্রান্সের পরিকল্পনা অনুযায়ী আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য ৬১৫টি স্থান প্রস্তুত রাখার কথা থাকলেও বর্তমানে রয়েছে প্রায় ৩০০টি। এর মধ্যে ১৫৭টি স্থান রোয়াসি শার্ল দ্য গল বিমানবন্দরে। ফরাসি অভিবাসন ও ইন্টিগ্রেশন দপ্তরের (ওএফআইআই) মহাপরিচালক দিদিয়ে লেসচি জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে বিমানবন্দরসংলগ্ন হোটেল ব্যবহার করা হবে।

নতুন বিধান অনুযায়ী, যেসব দেশের নাগরিকদের আশ্রয় আবেদন অনুমোদনের হার ইইউতে ২০ শতাংশ বা তার কম, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি এবং কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত করার সন্দেহভাজনদের সীমান্ত আশ্রয় প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হতে পারে।

এছাড়া ফ্রান্সের অভ্যন্তরে অনিয়মিত অবস্থায় শনাক্ত কিছু ব্যক্তিকেও ফিল্টারিংয়ের আওতায় আনা হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পুলিশের অভিযানে আটক কোনো অনিয়মিত অভিবাসী আশ্রয় চাইলে তাকেও একই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে।

নতুন প্যাক্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো, সীমান্তে আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে আপিল বিচার শেষ হওয়ার আগেই দেশত্যাগের নির্দেশ কার্যকর করা যেতে পারে। বর্তমানে আপিল চলাকালে বহিষ্কার কার্যক্রম সাধারণত স্থগিত থাকে।

ডাবলিন বিধিতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি অন্য একটি ইইউ দেশে আগে আশ্রয় আবেদন করে থাকলে সেই দেশই তার আবেদন পরীক্ষা করবে। এ ক্ষেত্রে দায়িত্ব বহনের সময়সীমা ১২ মাস থেকে বাড়িয়ে ২০ মাস করা হয়েছে।

ইউরোড্যাক ডেটাবেজে তথ্য সংরক্ষণের পরিধিও বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে অনিয়মিতভাবে প্রবেশকারী সব ব্যক্তির তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। আঙুলের ছাপের পাশাপাশি মুখের বায়োমেট্রিক তথ্যও সংগ্রহ করা হবে। ছয় বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুরাও এ ব্যবস্থার আওতায় থাকবে।

সামাজিক সহায়তা সুবিধার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এসেছে। ডাবলিন প্রক্রিয়ার আওতাভুক্ত আবেদনকারীরা আগের মতো সুবিধা পাবেন না। তবে পুনরায় বা বিলম্বিত আশ্রয় আবেদনকারীদের জন্য সীমিত সহায়তা চালু রাখা হবে।

তবে ‘নিরাপদ তৃতীয় দেশে’ আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়াকরণ এবং ইউরোপের বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ স্থাপনের মতো কিছু বিতর্কিত প্রস্তাব ফ্রান্স বাস্তবায়ন করবে না বলে জানিয়েছে।

দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চিকিৎসাধীন বাংলাদেশি নারীর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চিকিৎসাধীন বাংলাদেশি নারীর মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

ভারতের দক্ষিণ দিল্লির মালভিয়া নগরে একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চিকিৎসাধীন আরো এক বাংলাদেশি নারীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল (১০ জুন) বুধবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে। স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার দিন ভয়াবহ ওই অগ্নিকাণ্ডে ওই বাংলাদেশি নারীর শরীরের বিভিন্ন অংশ গুরুতর অগ্নিদগ্ধ হয়েছিল। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে তিনি হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

দক্ষিণ দিল্লির ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ডিসিপি) অনন্ত মিত্তাল এক বিবৃতিতে বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো একজন মারা গেছেন। এর ফলে এই দুর্ঘটনায় মোট নিহতের সংখ্যা এখন ২৩ জন। আজ মারা যাওয়া ব্যক্তি একজন বাংলাদেশি নারী।’

উল্লেখ্য, গত ৪ জুন হাউজ রানী এলাকার ‘ফ্লরিশ স্টেজ বেড অ্যান্ড ব্রেকফাস্ট’ নামের একটি হোটেলে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনের তীব্রতায় ঘটনাস্থলেই ও পরবর্তীতে ২১ জনের মৃত্যু হয় এবং বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। 

এর আগে গত সপ্তাহে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক নাইজেরিয়ান নাগরিকের মৃত্যুর পর নিহতের সংখ্যা ২২-এ পৌঁছেছিল। এবার চিকিৎসাধীন বাংলাদেশি নারীর মৃত্যুর মাধ্যমে এই অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির সংখ্যা আরো বাড়ল।

একই ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের সাঙ্গীশ্বর গ্রামের নুরুল আমিন। একই ঘটনায় তার পরিবারের আরো চার সদস্য গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ঢাকা-প্যারিস সরাসরি ফ্লাইট চালুর দাবি

জেনেভায় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর কাছে ফ্রান্স বিএনপির স্মারকলিপি

ফ্রান্স থেকে তানভীর আহমদ তোহা
জেনেভায় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর কাছে ফ্রান্স বিএনপির স্মারকলিপি
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা-প্যারিস সরাসরি বিমান চলাচল চালুসহ প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে ১৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে ফ্রান্স বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিতব্য ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে (আইএলও) অংশ নিতে মন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শনিবার (৬ জুন) রাতে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। 

এর আগে জেনেভা বিমানবন্দরে পৌঁছালে ফ্রান্স বিএনপির নেতারা ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে মন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান।

পরে স্থানীয় একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা ফ্রান্সসহ ইউরোপে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও প্রত্যাশার বিষয় তুলে ধরেন। এসময় তারা ঢাকা-প্যারিস সরাসরি ফ্লাইট চালুর দাবিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রবাসীদের পক্ষে একটি লিখিত স্মারকলিপি মন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। স্মারকলিপিতে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর পাশাপাশি প্রবাসী কল্যাণ, কনস্যুলার সেবা সহজীকরণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান সংশ্লিষ্ট মোট ১৮টি দাবি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

প্রতিনিধি দলের নেতারা বলেন, ফ্রান্সে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা-প্যারিস সরাসরি ফ্লাইট চালুর দাবি জানিয়ে আসছেন। সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালু হলে যাত্রীদের ভোগান্তি কমার পাশাপাশি সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে এবং বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক আরো জোরদার হবে।

স্মারকলিপি গ্রহণের পর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী প্রবাসীদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে এবং উত্থাপিত বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা করা হবে।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) উদ্যোগে আয়োজিত ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে বিশ্বের ১৮৭টি দেশের সরকার, মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। সম্মেলনে প্রায় পাঁচ হাজার প্রতিনিধি উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। শ্রম অধিকার, কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা এবং বৈশ্বিক শ্রমবাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এ সম্মেলনে আলোচনা হবে।

সৌজন্য সাক্ষাৎ ও স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্স বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মাহবুবুল আলম রাঙ্গা, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুর রহমান, বিএনপি নেতা মো. লুৎফর রহমান চৌধুরী, বিয়ানীবাজার পৌর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম রাসেল, বিএনপি নেতা আব্দুল হাকিম, ফ্রান্স যুবদলের সহসভাপতি আবু বকর, ফ্রান্স স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এম আলী চৌধুরী, প্যারিস মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জুয়েল আহমেদ, মুন্সীগঞ্জ শহর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা আল-আমিন, বিএনপি নেতা কামরুল ইসলামসহ ফ্রান্স বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

কানাডায় বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট মালিক হত্যায় ৩ ব্রিটিশ দোষী সাব্যস্ত

অনলাইন ডেস্ক
কানাডায় বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট মালিক হত্যায় ৩ ব্রিটিশ দোষী সাব্যস্ত
নিহত রেস্টুরেন্ট মালিক শরিফ রহমান। ছবি : সংগৃহীত

কানাডার ওভেন সাউন্ড শহরে বকেয়া বিল নিয়ে বিরোধের জেরে বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট মালিক শরিফ রহমান (৪৪) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিন ব্রিটিশ নাগরিক নিজেদের দোষ স্বীকার করেছেন।

শুক্রবার (৫ জুন) কানাডার একটি আদালতে ২৫ বছর বয়সী রবার্ট ইভান্স জুনিয়র অনিচ্ছাকৃত নরহত্যার অপরাধ স্বীকার করেন। আগামী মাসে তার সাজা ঘোষণা করা হবে। বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

একই সঙ্গে তার বাবা রবার্ট বাসবি ইভান্স (৪৯) ও চাচা ব্যারি ইভান্স (৫৬) এই অপরাধের সহযোগী হিসেবে নিজেদের দোষ স্বীকার করেছেন। ইতিমধ্যে কারাভোগের মেয়াদ বিবেচনা করে আদালত তাদের মুক্তি দিয়েছেন এবং কানাডিয়ান বর্ডার এজেন্সি তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে।

গণমাধ্যমটির তথ্য মতে, ঘটনাটি ঘটে ২০২৩ সালে টরন্টো থেকে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ওভেন সাউন্ড শহরে। সেখানে একটি কারি হাউসে (কারি রেস্তোরাঁ) ১৫০ কানাডিয়ান ডলারের একটি বকেয়া বিল নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ইভান্স পরিবারের সঙ্গে শরিফ রহমানের হাতাহাতি হয়। পরবর্তী সময়ে রেস্তোরাঁর বাইরে রাস্তায় শরিফ রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন এক কর্মী।

ঘটনার এক সপ্তাহ পর ওন্টারিওর লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এক সন্তানের জনক শরিফ রহমান।

বিবিসি জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তরা দ্রুত দেশ ত্যাগ করেন। ঘটনার এক বছরেরও বেশি সময় পর গত বছর স্কটল্যান্ডের এডিনবরা ও ডালকিথ থেকে স্কটল্যান্ড পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। অভিযুক্তরা মূলত ম্যানচেস্টারের বাসিন্দা। তারা পর্যটন ভিসায় কানাডায় গিয়েছিলেন।

গত বছরের অক্টোবরে এডিনবরা শেরিফ কোর্টে শুনানির সময় তিন অভিযুক্তই কানাডার বিচারব্যবস্থার মুখোমুখি হতে নিজেদের সম্মতিতে কানাডায় প্রত্যর্পণের চুক্তি মেনে নেন।

মাত্র ২২ হাজার মানুষের ছোট শহর ওভেন সাউন্ডে শরিফ রহমান একজন অত্যন্ত সুপরিচিত ও সজ্জন ব্যক্তি ছিলেন। শহরের মেয়র ইয়ান বডি শরিফ রহমানকে স্মরণ করে বলেন, ‘তিনি ছিলেন অত্যন্ত শান্ত, ভদ্র এবং একজন অসাধারণ মানুষ, যাকে সবাই পছন্দ করত। তাই এই ঘটনাটি পুরো শহরের জন্য একটি বড় ধাক্কা ছিল। অবশেষে আদালত এই মামলার রায় দেওয়ায় শহরবাসী স্বস্তি পেয়েছেন। আমরা আশা করি, মানুষ তার দয়ালু মনোভাব ও উষ্ণতার স্মৃতি মনে রাখবে।’