• ই-পেপার

‘আমাকে রীতিমতো অন্তর্বাস খুলে দেখাতে হয়েছে’, ক্ষুব্ধ অভিনেত্রী

‘জঘন্য কাজে আমার গান ব্যবহার করবেন না’, ট্রাম্প প্রশাসনকে আরিয়ানা গ্রান্ডে

বিনোদন ডেস্ক
‘জঘন্য কাজে আমার গান ব্যবহার করবেন না’, ট্রাম্প প্রশাসনকে আরিয়ানা গ্রান্ডে
সংগৃহীত ছবি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের একটি প্রচারমূলক ভিডিওতে নিজের জনপ্রিয় গান ব্যবহার করায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিশ্বখ্যাত পপ তারকা আরিয়ানা গ্রান্ডে। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় অনুরোধ করেছেন, ভবিষ্যতে এমন কাজে যেন তাঁর কোনো গান ব্যবহার না করা হয়।

সম্প্রতি হোয়াইট হাউসের অফিশিয়াল টিকটক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ভিডিওটিতে অভিবাসনবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ফেডারেল কর্মকর্তাদের বিভিন্ন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার এবং হাতকড়া পরানোর দৃশ্য দেখানো হয়। ওই ভিডিওর পটভূমিতে ব্যবহার করা হয় আরিয়ানা গ্রান্ডের জনপ্রিয় গান ‘বাই’।

ভিডিওটি প্রকাশের পরই বিষয়টি নজরে আসে গ্র্যামি বিজয়ী এই শিল্পীর। এরপর বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হোয়াইট হাউসের ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরেই নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

আরিয়ানা লেখেন, ‘এই বর্বর, অমানবিক ও জঘন্য কাজের সঙ্গে আমার গান আর কখনো ব্যবহার করবেন না।’

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী শিল্পীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, ভিডিওটি থেকে তাঁর গান সরিয়ে নেওয়ার জন্য আরিয়ানার টিম দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছে।

অন্যদিকে, আরিয়ানার মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছে হোয়াইট হাউসও। প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র অ্যাবিগেল জ্যাকসন বলেন, ‘নিরীহ নাগরিকদের ক্ষতিগ্রস্ত করা অপরাধীদের কর্মকাণ্ডই প্রকৃতপক্ষে অমানবিক ও জঘন্য।’

ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির সমালোচনায় আরিয়ানা গ্রান্ডে অবশ্য নতুন নন। এর আগেও তিনি সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন ইস্যুতে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন। 

গত বছর এক পোস্টে ট্রাম্পকে ভোট দেওয়া ব্যক্তিদের উদ্দেশে তিনি জানতে চেয়েছিলেন, তাঁর পুনর্নির্বাচনের পর তাদের জীবনে কী ধরনের পরিবর্তন এসেছে।

উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারি নীতি ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড প্রচারের জন্য জনপ্রিয় গান ব্যবহার করে ভিডিও প্রকাশের কৌশল ট্রাম্প প্রশাসন নিয়মিতই অনুসরণ করে। তবে এই ঘটনায় আরিয়ানা গ্রান্ডের প্রকাশ্য আপত্তি নতুন করে বিষয়টিকে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

৮৮ বছর বয়সে মারা গেলেন বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্পী ডেভিড হকনি

অনলাইন ডেস্ক
৮৮ বছর বয়সে মারা গেলেন বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্পী ডেভিড হকনি
ছবিঃ রয়টার্স

ব্রিটেনের কিংবদন্তি চিত্রশিল্পী ডেভিড হকনি মারা গেছেন। গত ১১ জুন ২০২৬ তারিখে নিজ বাসভবনে  তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। আর মাত্র এক মাস পরেই তিনি ৮৯তম জন্মদিনে পা দিতেন।

শুক্রবার (১২জুন) দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।  

১৯৩৭ সালে ইংল্যান্ডের ব্র্যাডফোর্ডে জন্ম নেওয়া হকনি ২০শ ও ২১শ শতকের অন্যতম প্রভাবশালী সমকালীন শিল্পী হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। ১৯৬০-এর দশকে পপ আর্ট আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা হিসেবে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন। বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়ার সুইমিং পুল, উজ্জ্বল রোদ ও আধুনিক জীবনযাত্রাকে কেন্দ্র করে আঁকা তাঁর চিত্রকর্মগুলো বৈশ্বিক শিল্পাঙ্গনে ব্যাপক সমাদৃত হয়। তাঁর বিখ্যাত কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ‘আ বিগার স্প্ল্যাশ’ এবং ‘পোর্ট্রেট অফ অ্যান আর্টিস্ট (পুল উইথ টু ফিগারস)’।


ছয় দশকেরও বেশি সময়ের দীর্ঘ কর্মজীবনে হকনি নিজেকে শুধু প্রথাগত চিত্রকলায় সীমাবদ্ধ রাখেননি। ফটোকোলাজ, ডিজিটাল আর্ট, আইপ্যাডে আঁকা ছবি এবং থ্রিডি প্রযুক্তির ব্যবহারে তিনি শিল্পের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিলেন। শিল্পের নতুন মাধ্যম ও প্রযুক্তি নিয়ে তাঁর এই নিরন্তর পরীক্ষা-নিরীক্ষা তাঁকে সমকালীন শিল্পের অন্যতম প্রধান উদ্ভাবক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

হকনির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার । এক শোকবার্তায় তিনি বলেন:

‘হকনির উজ্জ্বল ও সহজেই চেনা যায় এমন অনন্য শিল্পকর্ম বহু প্রজন্মের শিল্পীকে অনুপ্রাণিত করেছে।’

লন্ডনের ‘টেট ব্রিটেন’ এর পরিচালক অ্যালেক্স ফারকুহারসন তাঁকে একজন ‘অসাধারণ সৃজনশীল ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন শিল্পী’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন:

‘ডেভিড হকনি আমাদের দেখিয়েছেন কীভাবে চারপাশের পৃথিবীকে সম্পূর্ণ নতুন চোখে দেখতে হয়।’

২০১৮ সালে হকনির ১৯৭২ সালের মাস্টারপিস ‘পোর্ট্রেট অফ অ্যান আর্টিস্ট (পুল উইথ টু ফিগারস)’ নিউইয়র্কের এক নিলামে ৯০.৩ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়েছিল। সে সময় জীবিত কোনো শিল্পীর শিল্পকর্ম বিক্রির ক্ষেত্রে এটি ছিল একটি বিশ্বরেকর্ড।

উল্লেখ্য,শিল্পবিশ্বের কাছে ডেভিড হকনি শুধু একজন চিত্রশিল্পী ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন আধুনিক শিল্পের ভাষা ও দৃষ্টিভঙ্গিকে বদলে দেওয়া এক যুগান্তকারী স্রষ্টা। তাঁর রেখে যাওয়া কালজয়ী শিল্পকর্ম আগামী প্রজন্মের কাছে চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

ডিসেম্বরে মুক্তি পাবে ‘সুড়ঙ্গ ২’

বিনোদন ডেস্ক
ডিসেম্বরে মুক্তি পাবে ‘সুড়ঙ্গ ২’
সংগৃহীত ছবি

দুই বছর আগে সিনেমাপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল আফরান নিশো অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘সুড়ঙ্গ’। বক্স অফিসে দারুণ সাফল্যের পাশাপাশি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও জিতে নেয় ছবিটি। 

সেই সফলতার ধারাবাহিকতায় অবশেষে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলো বহুল প্রতীক্ষিত সিক্যুয়াল ‘সুড়ঙ্গ ২’-এর। নতুন গল্প, বড় ক্যানভাস এবং ভিন্ন নির্মাণশৈলী নিয়ে এবার দর্শকদের সামনে হাজির হতে যাচ্ছে এই সিনেমা।

শুক্রবার বিকেলে প্রায় দেড় মিনিটের একটি ভিডিও প্রকাশ করে ‘সুড়ঙ্গ ২’-এর নির্মাণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট। দীর্ঘদিন ধরে সিনেমাটি নিয়ে নানা গুঞ্জন থাকলেও এবার সেটি আনুষ্ঠানিক রূপ পেল। 

একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, আগামী ডিসেম্বরে ছবিটি মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে।

নির্মাতা ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রথম সিনেমার গল্প যেখানে শেষ হয়েছিল, সেখান থেকেই শুরু হবে নতুন অধ্যায়। তবে এবার কাহিনির বিস্তৃতি হবে আরো বড় পরিসরে। আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত নির্মাণশৈলী এবং আন্তর্জাতিক মানের উপস্থাপনার মাধ্যমে দর্শকদের জন্য নতুন ধরনের সিনেম্যাটিক অভিজ্ঞতা তৈরি করার লক্ষ্য রয়েছে টিমটির।

এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহেন্দ্র সনি বলেন, ‘সুড়ঙ্গ ২’ শুধু একটি সফল ফ্র্যাঞ্চাইজির ধারাবাহিকতা নয়, এটি এমন একটি গল্প বলার প্রয়াস, যা বর্তমান সময়ের দর্শকের প্রত্যাশা এবং বাংলা সিনেমার ভবিষ্যৎ ভাবনাকে প্রতিফলিত করবে।’

নির্মাতা রায়হান রাফীর মতে, নতুন ছবিটি শুধু আগের গল্পের সম্প্রসারণ নয়, বরং তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র জগতকে আরো বিস্তৃত করবে। মানুষের অন্তর্গত অন্ধকার, আকাঙ্ক্ষা, ভালোবাসা এবং বেঁচে থাকার সংগ্রামকে এবার আরও বৃহৎ পরিসরে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘দর্শকদের কাছে আমার অনুরোধ, ‘সুড়ঙ্গ ২’-কে শুধু সিক্যুয়াল হিসেবে না দেখে একটি নতুন সিনেম্যাটিক অভিজ্ঞতা হিসেবে গ্রহণ করুন। কারণ এবার আমরা শুধু একটি গল্প বলছি না, বরং আরো গভীর ও বিস্তৃত এক যাত্রা নির্মাণ করছি।’

প্রথম ‘সুড়ঙ্গ’-এর মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয়েছিল আফরান নিশোর। সেই সিনেমার জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেন। ফলে নতুন কিস্তি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত এই অভিনেতা।

নিশো বলেন, ‘সুড়ঙ্গ’ আমার প্রথম সিনেমা, তাই এটি সবসময়ই আমার কাছে বিশেষ। ‘মাসুদ’ চরিত্রটি আমার অভিনয়জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। দর্শকরা যেভাবে চরিত্রটিকে গ্রহণ করেছেন, তা আমার জন্য বড় প্রাপ্তি। এবার নতুন গল্প, নতুন চ্যালেঞ্জ আর নতুন কিছু চমক নিয়ে ফিরছি।’

প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, বর্তমানে ছবিটির প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। খুব শিগগিরই অন্যান্য অভিনয়শিল্পী, কলাকুশলী এবং শুটিংয়ের সময়সূচিসহ আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে। 

সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে চলতি বছরের ডিসেম্বরে বড় পর্দায় দর্শকদের সামনে হাজির হবে ‘সুড়ঙ্গ ২’।
 

এক সিনেমাতেই ইতিহাস, জাতীয় পুরস্কারের দিন মারা যান পরিচালক

বিনোদন ডেস্ক
এক সিনেমাতেই ইতিহাস, জাতীয় পুরস্কারের দিন মারা যান পরিচালক
সংগৃহীত ছবি

চলচ্চিত্রজীবন ছিল মাত্র একটি সিনেমার, কিন্তু সেই এক ছবিই এনে দিয়েছিল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে নিজের সেই সাফল্যের সাক্ষী হতে পারেননি ভারতীয় নির্মাতা অবতার কৃষ্ণ কৌল। 

কারণ, যে দিন তাঁর সিনেমার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষিত হয়, সেদিনই অন্যের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজের প্রাণ হারান তিনি।

মাত্র ৩৪ বছর বয়সেই থেমে যায় অবতার কৃষ্ণ কৌলের জীবনযাত্রা। তবে তাঁর নির্মিত একমাত্র চলচ্চিত্র ‘২৭ ডাউন’ আজও ভারতীয় সমান্তরাল ধারার সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত হয়।

রমেশ বক্সীর উপন্যাস ‘অথরা সুরজ কে পৌধে’ অবলম্বনে নির্মিত ‘২৭ ডাউন’-এর গল্প আবর্তিত হয়েছে এক রেলকর্মীর জীবন, তার প্রেম, ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং জীবনের নানা টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। ১৯৭৪ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন রাখী গুলজার ও এম কে রায়না।

ছবিটির সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া ও ভুবনেশ্বর মিশ্র। আর নির্মাণ পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন কিংবদন্তি নির্মাতা সত্যজিৎ রায়ের সহযোগী বংশী চন্দ্রগুপ্ত। মুক্তির পর ছবিটি সমালোচক ও দর্শকদের প্রশংসা কুড়ানোর পাশাপাশি দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে। একটি ‘বেস্ট ফিচার ফিল্ম ইন হিন্দি’ এবং অন্যটি ‘বেস্ট সিনেমাটোগ্রাফি’ বিভাগে।

শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হয় ‘২৭ ডাউন’। ছবিটি লোকার্নো চলচ্চিত্র উৎসবে ‘ইক্যুমেনিক্যাল অ্যাওয়ার্ড’ এবং ম্যানহেইম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘ডুলাক পুরস্কার’ লাভ করে।

কিন্তু এই সাফল্যের মধ্যেই নেমে আসে মর্মান্তিক পরিণতি। ২০ জুলাই ১৯৭৪ সালে মুম্বাইয়ের জল্কেশ্বরে এক তরুণী পানিতে ডুবে যাচ্ছিলেন। তাকে বাঁচানোর জন্য এক মুহূর্ত দেরি না করে পানিতে ঝাঁপ দেন অবতার কৃষ্ণ কৌল। কিন্তু সেই উদ্ধার অভিযানে মেয়েটিকে বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবনই উৎসর্গ করেন তিনি।

আক্ষেপের বিষয় হলো, যে দিন তাঁর সিনেমার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের ঘোষণা আসে, সেদিনই ঘটে এই দুর্ঘটনা। ফলে জীবনের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি নিজের চোখে দেখা হয়নি এই প্রতিভাবান নির্মাতার।

আজও ‘২৭ ডাউন’ অবতার কৃষ্ণ কৌলের প্রথম এবং শেষ সিনেমা হিসেবেই স্মরণীয়। মাত্র একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেও তিনি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে নিজের জন্য একটি স্থায়ী জায়গা তৈরি করে গেছেন।