• ই-পেপার

পে স্কেল অবশ্যই কার্যকর করা হবে : অর্থমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা যেকোনো সময় টাকা তুলতে পারবেন : গভর্নর

অনলাইন ডেস্ক
ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা যেকোনো সময় টাকা তুলতে পারবেন : গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু টুলস আছে, যা আমরা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে প্রয়োগ করব। আমানতকারীদের কোনো অসুবিধা হবে না, তারা যেকোনো সময় টাকা তুলতে পারবেন।

তিনি বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকের জন্য ইমার্জেন্সি লিকুইডিটি সাপোর্ট (জরুরি তারল্য সহায়তা), যা দেওয়ার প্রয়োজন, তা আমরা দেব।’

শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ব্যাংকিং খাত নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

গভর্নর বলেন, ‘ঈদের আগে ইসলামী ব্যাংকের তৎকালীন চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেন। যেহেতু একটি সিস্টেমিক ব্যাংকে ন্যূনতম পাঁচজন সদস্য ছাড়া বোর্ড চলে না, তাই আমাদের তাৎক্ষণিকভাবে একজনকে নিয়োগ দিতে হয়েছে।’

ইসলামী ব্যাংকে অবৈধ হস্তক্ষেপের অভিযোগ নাকচ করে গভর্নর বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকে আমরা এসে একটি বোর্ড পাই, যা অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক গঠিত। পাঁচজনের এই বোর্ডের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ থাকায় তাকে ১৬ মার্চ পরিবর্তন করা হয়। এর বাইরে আমাদের কোনো কার্যক্রম ছিল না। আমরা কোনো বোনাস, বদলি বা পদোন্নতির জন্য কোনো হস্তক্ষেপ করিনি।’

ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘জুলাই ২০২৪-এ ইসলামী ব্যাংকের এডিআর (ঋণ-আমানত অনুপাত) ছিল ৯৩, যা বর্তমানে ৯৭-৯৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আমাদের নির্ধারিত সীমা হলো ৯২। আমরা ম্যানেজমেন্টকে এটি কমাতে বলেছি।’

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, ‘আমি এমন অবস্থায় গভর্নর হিসেবে কাজ শুরু করেছি, যখন দেখতে পাই ব্যাংকিং সেক্টরে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ টাকা চুরি হয়ে গেছে। ৩৫ শতাংশ থেকে ৩৬ শতাংশ এনপিএল (খেলাপি ঋণ) নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয়। শুরু থেকে আমাদের চেষ্টা ছিল সেক্টরটাকে প্রথমে স্থিতিশীল করা এবং তারপর ক্যাপিটালাইজ করা।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ডিপোজিট চুরি হয়ে গেছে। এইরকম একটি ব্যাংকিং সিস্টেমকে স্থিতিশীল করতে সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে।’

গভর্নর বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছিল, এই সরকার আসার পর সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর দেখলাম সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেছেন এবং মনোনীত এমডি দায়িত্ব নিতে অপরাগতা প্রকাশ করেছেন। নতুন এমডি নিয়োগের জন্য ২৫ মার্চ পর্যন্ত আবেদনের সময় দিয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়।’

তিনি যোগ করেন, ‘বিভিন্ন সংস্থা থেকে রিপোর্ট সংগ্রহ এবং ৬ ও ১০ মে ইন্টারভিউ নেওয়ার পর ১২ বা ১৩ মে এমডি নির্বাচন করা হয়। মাননীয় অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের প্রক্রিয়া শেষ করে মে মাসের শেষে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।’

তিনি জানান, বর্তমানে বোর্ডের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে এবং গত মঙ্গলবার বা বুধবার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান প্রথম সভা করেছেন।

বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের সিবিএস (কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার) সমন্বয়ের অভাবের কথা, যা নিয়ে বর্তমানে কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

এনবিএফআই নিয়ে সুখবর দিয়ে গভর্নর বলেন, ‘আগামী এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যে কয়েকটি এনবিএফআই (আর্থিক প্রতিষ্ঠান) নিয়ে যে সমস্যা রয়েছে, তার সমাধান প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। ১২ বছর ধরে যেসব আমানতকারী টাকা পাচ্ছিলেন না, আমাদের কার্যক্রমের ফলে তারা তাদের টাকা ফেরত পাবেন।’

ইসলামী ব্যাংকে সরকার অবৈধ হস্তক্ষেপ করেনি : গভর্নর

অনলাইন ডেস্ক
ইসলামী ব্যাংকে সরকার অবৈধ হস্তক্ষেপ করেনি : গভর্নর

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে সম্প্রতি চেয়ারম্যান ও এমডির পদায়ন ইস্যুতে আন্দোলন ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেছেন, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে সরকার কোনো অবৈধ হস্তক্ষেপ করেনি।

তিনি বলেন, আমরা ইসলামী ব্যাংককে সাপোর্ট দিতে চাই। ব্যাংকটিতে স্থিতিশীলতা ফেরাতে দ্রুত বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানী ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

দেশের ব্যাংক খাতের একটি বড় অংশ সংকটে রয়েছে মন্তব্য করে গভর্নর বলেন, কিছু ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বেরিয়ে গেছে। এক-তৃতীয়াংশ ডিপোজিট চুরি হয়ে গেছে। একটি ব্যাংকিং সিস্টেমকে স্থিতিশীল করতে সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে।

তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংকসহ কয়েকটি দুর্বল ব্যাংককে স্থিতিশীল করতে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে। দীর্ঘদিন যেসব আমানতকারী টাকা ফেরত পাচ্ছিলেন না, তারা এখন ধীরে ধীরে টাকা পেতে শুরু করেছেন।

ইসলামী ব্যাংকের এমডি নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিষয়ে গভর্নর বলেন, গত ২৫ মার্চ আবেদন গ্রহণের শেষ তারিখ ছিল। এরপর বিভিন্ন সংস্থার রিপোর্ট সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই ও সাক্ষাৎকার শেষে মে মাসে নতুন এমডি নির্বাচন করা হয়। পরে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কমিটি এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন শেষে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

তিনি জানান, একই সময়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড গঠনেও কিছুটা সময় লেগেছে। নতুন চেয়ারম্যান দায়িত্ব নেওয়ার পর সম্প্রতি প্রথম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মোস্তাকুর রহমান বলেন, পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার (সিবিএস) সমন্বয়ের কাজ এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ এ নিয়ে কাজ করছে এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই কার্যক্রমে অগ্রগতি দৃশ্যমান হবে।

ইসলামী ব্যাংকে সরকারের অবৈধ হস্তক্ষেপের অভিযোগ নাকচ করে তিনি বলেন, আমরা কাউকে ঋণ দিতে বলি না, বদলি বা পদোন্নতির জন্যও কোনো নির্দেশ দিই না। এ ধরনের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

গভর্নর আরো বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত পাঁচ সদস্যের বোর্ডের একজন সদস্যের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তাকে গত ১৬ মার্চ পরিবর্তন করা হয়। এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর কোনো হস্তক্ষেপ ছিল না।

ঈদের আগে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদত্যাগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন গভর্নর। তিনি বলেন, এটি একটি সিস্টেমিক ব্যাংক। তাই বোর্ডে ন্যূনতম সদস্যসংখ্যা নিশ্চিত করতে আমাদের দ্রুত নতুন নিয়োগ দিতে হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে কিছু টুলস আছে। প্রয়োজন হলে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সেগুলো প্রয়োগ করা হবে। আমানতকারীদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তারা যে কোনো সময় টাকা তুলতে পারবেন।

গভর্নর জানান, জুলাই ২০২৪-এ ইসলামী ব্যাংকের এডি রেশিও ছিল প্রায় ৯৩ শতাংশ। কিন্তু মার্চে তা বেড়ে ৯৭-৯৮ শতাংশে পৌঁছায়, যা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকটিকে এ হার কমাতে নির্দেশ দিয়েছে।

তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সামনে বড় কোনো সমস্যা হবে বলে মনে করি না। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা ও বোর্ড এ বিষয়ে সজাগ আছে। প্রয়োজনীয় ইমার্জেন্সি লিকুইডিটি সাপোর্টও বাংলাদেশ ব্যাংক দেবে।

এনবিআর চেয়ারম্যান

কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে
সংগৃহীত ছবি

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কালো টাকা বৈধ করার ব্যবস্থা নেই বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। তিনি বলেন, এ বিষয়ে জনমনে ভুল-বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে।

এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, কালো টাকা সাদা করা নয় বরং সম্পত্তি লেনদেনে প্রকৃত মূল্য ঘোষণার মাধ্যমে কর-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের একটি প্রস্তাব করা হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে (২০২৬-২৭) অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, গত অর্থবছরে জমি বিক্রেতাদের জন্য একটি বিশেষ বিধান করা হয়েছিল। অনেক ক্ষেত্রে জমি প্রকৃত মূল্যে বিক্রি হলেও কম দামে নিবন্ধন করা হয়। এতে বিক্রেতারা প্রকৃত বিক্রয়মূল্যের অতিরিক্ত অর্থের উৎস ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জটিলতায় পড়েন। এ অবস্থায় ব্যাংকিং চ্যানেলে লেনদেনের প্রমাণ এবং বায়নানামা উপস্থাপন করতে পারলে তারা নিয়মিত হারে মূলধনী মুনাফার ওপর কর পরিশোধ করে সেই অর্থ বৈধ করার সুযোগ পান।

সংবাদ সম্মেলনে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, অর্থ প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান প্রমুখ।

কত টাকা ব্যাংকে থাকলে দিতে হবে না কর

অনলাইন ডেস্ক
কত টাকা ব্যাংকে থাকলে দিতে হবে না কর

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংকে জমা রাখা টাকার ওপর আবগারি শুল্ক মওকুফের সীমা বাড়াচ্ছে সরকার। এর ফলে আগামী অর্থবছর থেকে যাদের ব্যাংক হিসাবে চার লাখ টাকা পর্যন্ত জমা থাকবে, তাদের কোনো আবগারি শুল্ক দিতে হবে না।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট প্রস্তাবে ক্ষুদ্র আমানতকারীদের স্বস্তি দিতে এই সুবিধা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বর্তমানে ব্যাংক হিসাবে যদি তিন লাখ টাকা থাকে, তাহলে বছরে একবার আবগারি শুল্ক দিতে হয়। এবার এই সীমা বাড়িয়ে চার লাখ টাকা করা হয়েছে।

ব্যাংক হিসাবে আমানতের স্থিতি নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করলে বছরে একবারই আবগারি শুল্ক দিতে হবে। এ ছাড়া একটি ঋণ হিসাবের বিপরীতে শুধু একবারই আবগারি শুল্ক কাটা হবে।

এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র আমানতকারীদের স্বস্তি দিতে শুল্ক অব্যাহতির সীমা বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া ব্যাংকিং ব্যবস্থায় একটি ঋণ হিসাবের বিপরীতে একাধিক ডিল বা অ্যাকাউন্ট খোলা হলে প্রতিটির বিপরীতে আবগারি শুল্ক কাটা হয়। এখন একবারই কাটা হবে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। সামগ্রিক বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।

বাজেটের বিশাল এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।