• ই-পেপার

জুলাই অভ্যুত্থানের ভিত্তি ছিল বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন : পানিসম্পদমন্ত্রী

বাংলাদেশ-চীন সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ-চীন সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত

জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাংলাদেশ-চীন সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের প্রথম বৈঠক কমিটির অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন সভাপতি ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

কমিটির সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম, এমপি; মো. হাসান রাজীব প্রধান, এমপি; জহরত আদিব চৌধুরী, এমপি; মাহমুদা হাবীবা, এমপি; মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, এমপি; মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ, এমপি এবং মো. আবুল হাসনাত, এমপি অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয় এবং সদস্যদের পরিচিতি ও প্রাথমিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

কমিটির সদস্যরা চীন-বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীনের গুরুত্ব নিয়ে পর্যালোচনা করেন।

বৈঠকে চীন-বাংলাদেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারি, সংসদীয় প্রতিনিধিদলের দ্বিপক্ষীয় সফর বিনিময় এবং বাণিজ্য ঘাটতি নিরসনে অধিকতর বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে সার্বিক আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

যে দুই কারণে আটকে আছে পে স্কেল

অনলাইন ডেস্ক
যে দুই কারণে আটকে আছে পে স্কেল
সংগৃহীত ছবি

অর্থনৈতিক চাপ, রাজস্ব ঘাটতি এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সতর্ক অবস্থানের কারণে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ পাঁচ ঘণ্টার সচিব কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত আসেনি। পে স্কেল বাস্তবায়ন এখনো কাগজেই আটকে আছে। জুলাইয়ে গেজেট প্রকাশের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু মাস শেষ হতে চললেও গেজেট আসেনি। ফলে নতুন পে স্কেলের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী। সঙ্গে আছেন প্রায় ৯ লাখ পেনশনভোগী। আমলাতান্ত্রিক ও আইনি জট কেটে সচিব কমিটির সুপারিশ সমন্বয় করা সম্ভব হলে দ্রুতই আসতে পারে বড় ঘোষণা।

অর্থনীতিবিদ ও সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, মূলত দুই প্রধান চ্যালেঞ্জের কারণে নতুন পে স্কেলের চূড়ান্ত অনুমোদন পিছিয়ে যাচ্ছে—

১. ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ইতোমধ্যে সাড়ে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ প্রায় ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা এবং পেনশনসহ মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। নবম পে স্কেল পুরোপুরি কার্যকর করতে বাড়তি আরো ৪৪ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন, যা দেশের বর্তমান রাজস্ব ঘাটতির মাঝে বড় চ্যালেঞ্জ।

২. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সতর্ক করে জানিয়েছে, একসঙ্গে অতিরিক্ত অর্থ বাজারে এলে নগদ প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়ে মূল্যস্ফীতি আরো উসকে যেতে পারে। এ ছাড়া রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলে সরকারের ঋণের বোঝা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়বে।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ঢাকা সফররত আইএমএফ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে নতুন পে স্কেলের আর্থিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়। ওই বৈঠকে সংস্থাটি বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণের সিদ্ধান্ত আরো দুই বছর স্থগিত রাখার পরামর্শ দেয়। তাদের যুক্তি, বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে সরকারের রাজস্ব ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে, যা বাজেট ঘাটতি ও মূল্যস্ফীতির ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী অক্টোবরে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার আগেই গেজেট প্রকাশ করে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু করতে চায় সরকার।

অর্থ মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, প্রস্তাবটি এখন আর্থিক ও প্রশাসনিক বিশ্লেষণের শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সচিব পর্যায়ের কমিটির সুপারিশ চূড়ান্ত হলে অর্থ বিভাগের মাধ্যমে তা মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর শুরু হবে আইনি প্রক্রিয়া। প্রয়োজনীয় ভেটিং শেষে প্রকাশ করা হবে গেজেট। গেজেটের আগে নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী অর্থ ছাড় কিংবা বেতন পরিশোধের সুযোগ নেই। সচিব পর্যায়ের কমিটি ইতোমধ্যে বেসামরিক প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রস্তুত পৃথক সুপারিশ পর্যালোচনা করেছে। সেগুলোকে একটি সমন্বিত কাঠামোর মধ্যে আনার কাজও হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় পাঠানোর উপযোগী পর্যায়ে এলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অনুমোদনের ওপর নির্ভর করছে।

সূত্র জানায়, সরকার নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে চায় না। তবে একসঙ্গে বড় আর্থিক চাপ এড়াতে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

এদিকে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি, নির্দিষ্ট গ্রেডে অগ্রাধিকার সুবিধা এবং আর্থিক চাপ কমানোর মতো কয়েকটি বিকল্প পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে অর্থ বিভাগ।

উল্লেখ্য, বর্তমান অষ্টম জাতীয় পে স্কেল কার্যকর হয় ২০১৫ সালে। এক দশকের বেশি সময় ধরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামোয় বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন হয়নি। এ সময় জীবনযাত্রার ব্যয়, বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন বেতন কাঠামোর দাবি দীর্ঘদিন ধরে জোরালো হয়ে উঠেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সরকারের অধীনে কর্মরত প্রায় ১৫ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং কয়েক লাখ পেনশনভোগী নতুন পে স্কেলের আওতায় আসবেন। মূল বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতা বৃদ্ধির সম্ভাবনাও রয়েছে। এর ফলে সরকারের পেনশন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে।

বর্তমানে বাংলাদেশ আইএমএফের ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। একই সঙ্গে নতুন প্রায় ৬.৫ বিলিয়ন ডলারের আরেকটি ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলছে। আইএমএফের আশঙ্কা, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়িত হলে সরকারের বার্ষিক রাজস্ব ব্যয় বড় আকারে বৃদ্ধি পাবে। এতে বাজেট ঘাটতি বাড়ার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির ওপরও চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

কোনো কোনো অর্থনীতিবিদ ধারণা করছেন, নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয় অন্তত ৮২ হাজার কোটি টাকা বাড়তে পারে। বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি পেনশন, উৎসব ভাতা, বাড়িভাড়া ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা বৃদ্ধির কারণে প্রকৃত ব্যয়ের পরিমাণ আরো বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সংসদ ভবনে আগুন, তদন্তে কমিটি গঠনের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সংসদ ভবনে আগুন, তদন্তে কমিটি গঠনের নির্দেশ

জাতীয় সংসদ ভবনের মূল ভবনে অবস্থিত গণপূর্ত বিভাগ-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেল আনুমানিক ৩টা ১৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনেন। অগ্নিকাণ্ডের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

আগুন লাগার প্রকৃত কারণ উদঘাটন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
 

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের একটি ফেক ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। একটি নির্দিষ্ট দল-মতের লোকদের ফেসবুক পেজ ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে এই ফেক ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। শুধুমাত্র দু-একটি স্থির ছবি দিয়ে ভিডিও তৈরি করে এ প্রচারণা শুরু করা হয়েছে।

বিএনপি নেতাকর্মীরা মনে করছেন, সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের নৈতিক স্খলনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় এবার তার পাল্টা হিসেবে ফরহাদ হোসেন আজাদকে টার্গেট করা হয়েছে। গত ২০ জুলাই ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে একটি কক্ষে এক তরুণীর সঙ্গে এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়। এর প্রেক্ষিতে এরই মধ্যে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

বিএনপি নেতাকর্মীরা বলছেন, ওই ঘটনায় ইমেজ সংকটে পড়া জামায়াতের নেতা-কর্মীরা এবার বিএনপির নেতা ফরহাদ হোসেন আজাদকে টার্গেট করেছেন। আজাদের বিরুদ্ধে প্রচারিত ভিডিওতে একজন নারীর ছবি দেখা গেলেও তার মুখমণ্ডল দেখা যায় না। স্থানীয় ফ্যাক্ট চেকের মাধ্যমেও ওই ভিডিওর সত্যতা পাওয়া যায়নি।

পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতা ইসমাইল হোসেন বলেন, ফরহাদ হোসেন আজাদ ছাত্রদলের সোনালী অতীত। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতার রাজনীতিকে কলঙ্কিত করতেই একটি চিহ্নিত মহল উঠেপড়ে লেগেছে।

এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ কালের কণ্ঠকে বলেন, রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এগুলো মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। কয়দিন আগে জামায়াতকে নিয়ে আমি বক্তব্য দিয়েছিলাম। এই জন্য ওরা এ ধরনের নোরাংমি শুরু করেছে।

তিনি বলেন, ছবিটি সম্পূর্ণ ভুয়া। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে এ ধরনের অপপ্রচার।

ভাইরাল পোস্টে ব্যবহৃত ছবিটি পর্যালোচনায় দেখা যায়, এটি একটি কোলাজধর্মী ছবি। এতে একটি আপত্তিকর দৃশ্যের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর পৃথক একটি প্রতিকৃতি সংযুক্ত করা হয়েছে। ছবিটির বিভিন্ন অংশে আলো-ছায়া, মুখাবয়ব, শরীরের অনুপাত এবং ডিজিটাল সম্পাদনার কিছু অসামঞ্জস্য লক্ষ্য করা যায়। তবে কেবল দৃশ্যগত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়। এ ধরনের ছবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বা উন্নত সম্পাদনা প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা সম্ভব বলে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করছেন।

সম্প্রতি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, জনপ্রতিনিধি এবং জনপরিচিত ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে ভুয়া ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং জনমত প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের ডিজিটাল কারসাজি ক্রমশ বাড়ছে।

তথ্য-প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের পরামর্শ, কোনো ভাইরাল ছবি বা ভিডিওকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য, নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং প্রয়োজন হলে ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা উচিত। যাচাইহীন তথ্য প্রচার ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সব ক্ষেত্রেই নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।