• ই-পেপার

সারা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের এমডি আনোয়ার হোসেন মিন্টু আর নেই

ইবিএলের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন আনিস আহমেদ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ইবিএলের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন আনিস আহমেদ
সংগৃহীত ছবি

ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি (ইবিএল)-এর পরিচালনা পর্ষদ আনিস আহমেদকে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করেছে। তার নিয়োগ ২৭ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে।

চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার আগে তিনি পরিচালনা পর্ষদের এক্সিকিউটিভ কমিটির (ইসি) সদস্য এবং এর আগে রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির (আরএমসি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আনিস আহমেদ সিঙ্গাপুরভিত্তিক বহুজাতিক শিল্পগোষ্ঠী এমজিএইচ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও গ্রুপ সিইও। ২৬টি দেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী এ প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসার পরিধিতে রয়েছে শীর্ষস্থানীয় ফাস্ট ফ্যাশন, ই-কমার্স, অটোমোটিভ ও ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ডের সাপ্লাই চেইন সল্যুশন, প্রাইভেট কনটেইনার টার্মিনাল, ২০২৬ সালে যাত্রা শুরু করতে যাওয়া বাংলাদেশের প্রথম বিদেশি যৌথ উদ্যোগে এয়ারলাইন, গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের ডিস্ট্রিবিউটরশিপ, লজিস্টিকস, খাদ্য ও পানীয়ের রিটেইল ব্যবসা এবং আর্থিক সেবাখাত।

তিনি বুটস্ট্র্যাপড স্টার্টআপ ‘ওভাই’ (রাইড-শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম), ‘ওয়াদাআ.ইনসিউর’ (ইনসুরটেক) এবং আবাসন অ্যাগ্রিগেশন প্ল্যাটফর্ম ‘যাত্রা’র প্রতিষ্ঠাতা। গত এক দশক ধরে তিনি বাংলাদেশে উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা উদ্যোগকে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করে আসছেন।

চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আনিস আহমেদ বলেন, ‘আজ ইবিএল ব্যাংকিংয়ের এক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে, যেখানে পরিচালনা পর্ষদ নারীনেতৃত্বাধীন জ্যেষ্ঠ নেতৃত্বের বিকাশ, ডিজিটাল রূপান্তর এবং ব্যাংকের শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে গ্রাহকদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে ওঠার লক্ষ্যে সক্রিয়ভাবে কাজ করবে।’

সামাজিক উদ্যোগেও ভূমিকা রাখছেন আনিস আহমেদ। তার উদ্যোগে জুলাই বিপ্লবের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অংশ হিসেবে সুহানা এবং আনিস আহমেদ ফাউন্ডেশন (সাআফ)-এর মাধ্যমে ২৬৮ জন জুলাই মুক্তিযোদ্ধাকে তাৎক্ষণিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালে সাআফের সিগনেচার প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির আওতায় ১০ হাজার সুবিধাবঞ্চিত মেধাবী শিক্ষার্থী উপকৃত হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) প্রতিষ্ঠিত ফাউন্ডেশনের ৩১ শয্যার শিশু হেমাটোলজি ওয়ার্ড শিশুদের মৃত্যুহার কমানো এবং সম্পূর্ণ রোগমুক্তির হার বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ইবিএলের প্রত্যাশা, আনিস আহমেদের বিস্তৃত আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা ও কৌশলগত নেতৃত্ব ব্যাংকটিকে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরও সুদৃঢ় করতে এবং গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার ও সমাজের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ক্রাউন সিমেন্ট প্রিয় প্রবাসী ক্যাম্পেইন

বিশ্বজুড়ে যারা বাড়িয়েছেন দেশের মান, তাঁদের জানাই সম্মান

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্বজুড়ে যারা বাড়িয়েছেন দেশের মান, তাঁদের জানাই সম্মান
সংগৃহীত ছবি

প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিনিয়ত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন নিজের পরিবার এবং দেশের অগ্রগতির জন্য। সেই সঙ্গে প্রবাসীদের মনে একটি স্বপ্ন থাকে দেশে প্রিয়জনের জন্য নিরাপদ বাড়ি নির্মাণের। হাজার হাজার মাইল দূরে থাকা প্রবাসীদের ত্যাগের কথা ভেবে ২৫ বছর ধরে রপ্তানিতে শীর্ষে থাকা ক্রাউন সিমেন্ট নিয়ে এলো প্রিয় প্রবাসী ক্যাম্পেইন। মূলত প্রবাসীদের দেশের মাটিতে নিজের বাড়ি নির্মাণের স্বপ্নপূরণে তাঁদের পাশে থাকার লক্ষ্যেই এই বিশেষ আয়োজন।

এই ক্যাম্পেইনের বিশেষ দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে- সিমেন্ট ক্রয়ে আকর্ষণীয় ক্যাশব্যাক, দেশব্যাপী সিমেন্ট ডেলিভারি ফ্রি, নির্মাণ কাজে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ, ঢাকা এয়ারপোর্টে অভ্যর্থনা ও আপ্যায়ন এবং ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে বাড়িতে যাওয়া- আসায় ট্রান্সপোর্টে বিশেষ ছাড়। প্রবাসী ভাই-বোনেরা দূরদেশে থাকেলও, তাঁদের স্বপ্নের বাড়ি গড়তে ক্রাউন সিমেন্ট পাশে থাকবে ঠিক পরিবারের মতো। এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিতে প্রবাসীদের গুগল প্লে স্টোর (Google Play Store) থেকে ‘Crown Cement’ অ্যাপটি ডাউনলোড করে প্রিয় প্রবাসী অপশনে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। ক্যাম্পেইনের বিস্তারিত সকল তথ্য অ্যাপেই পাওয়া যাবে।

এই ক্যাম্পেইনের প্রচারের অংশ হিসেবে একটি বিজ্ঞাপন নির্মাণ করা হয়েছে। যেখানে মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা রাশেদ সীমান্ত। সম্প্রতি এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক এমওইউ সাইনিং সিরিমনিতে উপস্থিত ছিলেন ক্রাউন সিমেন্ট গ্রুপের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (CFO) মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ এফসিএ, ক্রাউন সিমেন্টের জিএম (ব্র্যান্ড ও মার্কেটিং) নোমান আশরাফী রহমান, ক্রাউন সিমেন্টের এজিএম ফজলুর রহমান সুমন (ব্র্যান্ড) এবং বিজ্ঞাপনী সংস্থা অ্যাডপেরিয়েন্স লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও আশরাফুল আলম সুজন।

এই বিষয়ে রাশেদ সীমান্ত বলেন, ‘ক্রাউন সিমেন্টকে ধন্যবাদ, এই চমৎকার উদ্যোগটি গ্রহণ করার জন্য। আমি এই ক্যাম্পেইনের অংশ হতে পেরে খুবই আনন্দিত। আমার দৃষ্টিতে প্রবাসী মানেই একেকজন যোদ্ধা। যাঁরা প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে যাচ্ছেন নিজের পরিবার এবং দেশকে ভালো রাখার জন্য। সেই বীরদের জন্য কিছু করতে পারা সত্যিই সৌভাগ্যের।

সর্বোপরি ক্রাউন সিমেন্টকে আবারও ধন্যবাদ ‘রেমিট্যান্স বীরদের’ জন্য এই দারুণ উদ্যোগটি গ্রহণ করার জন্য।

উল্লেখ্য, ‘ক্রাউন সিমেন্ট প্রিয় প্রবাসী’ ক্যাম্পেইনটির কমিউনিকেশন ও স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে যুক্ত রয়েছে বিজ্ঞাপনী সংস্থা অ্যাডপেরিয়েন্স লিমিটেড।

সুপার ষ্টার গ্রুপের বার্ষিক বিজনেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সুপার ষ্টার গ্রুপের বার্ষিক বিজনেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
সংগৃহীত ছবি

উৎসবমুখর পরিবেশে সুপার ষ্টার গ্রুপের বার্ষিক বিজনেস কনফারেন্স ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৩ জুলাই ঢাকা সংলগ্ন সুবর্ণগ্রাম অ্যামিউজমেন্ট পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টে এ বার্ষিক বিজনেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।

দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সেলস টিমের সদস্যদের কাজের প্রতি আরও অনুপ্রাণিত ও উৎসাহিত করতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। হেড অফিসের কর্মকর্তা ও সারা দেশ থেকে আগত বিক্রয় প্রতিনিধি মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার কর্মী এই সম্মেলনে অংশ নেন।

এর আগে, গত ২২ জুলাই সারা দেশ থেকে আগত সেলস টিমের সদস্যরা সুপার ষ্টার গ্রুপের প্রধান কার্যালয় ‘এসএসজি সেন্টার’-এ আগমন করেন। প্রধান কার্যালয়ে তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয় এবং তারা অফিস পরিদর্শন করেন।

পরদিন অর্থাৎ ২৩ জুলাই সকালে সবাই একত্রিত হন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত সুবর্ণগ্রাম অ্যামিউজমেন্ট পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টে। দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুপার ষ্টার গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. জালাল উদ্দিন, ম্যানেজিং ডিরেক্টর হারুন অর রশিদ, ভাইস চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিন, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) শেখ সাদি আবদুল মজিদ ও মো. মাহবুবুর রহমান, অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর তোফায়েল আহমেদ, বিজনেস হেডগণ, সেলস ডিরেক্টররা এবং মার্কেটিং বিভাগের ডিজিএম-সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেলস টিমের সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও বিগত বছরের অর্জনের প্রশংসা করেন এবং আগামী দিনে নতুন উদ্যমে কাজ করার দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। ব্যবসায়িক আলোচনার পাশাপাশি দিনটি পূর্ণ ছিল আনন্দ ও বিনোদনে।

ব্যবসায়িক আলোচনার পাশাপাশি দিনটি পূর্ণ ছিল আনন্দ ও বিনোদনে। শাওন মজুমদার-এর নিখুঁত ও আকর্ষণীয় সঞ্চালনায় পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল নাচ, গান ও র‍্যাফেল ড্র-এর মতো নানামুখী আয়োজন। অনুষ্ঠানের অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ ছিল জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ঐশীর মাতিয়ে তোলা মিউজিক্যাল পারফর্ম্যান্স, যা উপস্থিত সবাইকে এক অনন্য আনন্দে ভাসিয়ে দেয়।

দিনব্যাপী নানা আনন্দ-উৎসব, অনুপ্রেরণাদায়ক বার্তা এবং সুস্বাদু খাবারের আয়োজনের পর সেলস টিমের সকল সদস্যরা নতুন উদ্যম, আত্মবিশ্বাস ও মুখের হাসি নিয়ে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যান। এই কনফারেন্সের মাধ্যমে সুপার ষ্টার গ্রুপ তাদের ভবিষ্যৎ পথচলাকে আরো সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।

বাংলাদেশে পুষ্টি উন্নয়নে নতুন দিগন্ত : নেসলে ও বিসিএসআইআরের যৌথ উদ্যোগ

বাংলাদেশে পুষ্টি উন্নয়নে নতুন দিগন্ত : নেসলে ও বিসিএসআইআরের যৌথ উদ্যোগ
সংগৃহীত ছবি

নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি ২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত FICCI এফডিআই সম্মেলন ২০২৬-এ বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) সঙ্গে তাদের যৌথ উদ্যোগের উদ্ভাবন তুলে ধরে।

এই অংশীদারত্ব বাংলাদেশের পুষ্টি উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ মানবসম্পদ গঠনে দুই প্রতিষ্ঠানের যৌথ অঙ্গীকারের প্রতিফলন। এই সহযোগিতার মাধ্যমে পুষ্টিগ্রো+ (PUSHTIGROW+) নামে একটি সিরিয়ালভিত্তিক মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট পুষ্টি সমাধান তৈরি করা হয়েছে, যা ৫ বছর ও তদূর্ধ্ব শিশুদের জন্য উপযোগী।

নেসলে বাংলাদেশ ও বিসিএসআইআরের যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি এই পুষ্টি সমাধান দৈনন্দিন ঘরে রান্না করা খাবারে সহজেই মিশিয়ে খাওয়া যায়। এতে রয়েছে প্রোবায়োটিক, আয়রন, জিংক এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন, যা শিশুদের পুষ্টি ঘাটতি পূরণে সহায়তা করবে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথি নেসলে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করেন এবং এই উদ্ভাবনী পুষ্টি সমাধানের প্রশংসা করেন।

বিসিএসআইআরের চেয়ারম্যান ডা. সামিনা আহমেদ বলেন, ‘বিসিএসআইআরের বৈজ্ঞানিক দক্ষতা এবং নেসলের বৈশ্বিক পুষ্টিবিষয়ক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের উন্নয়ন সক্ষমতাকে আরো শক্তিশালী করেছি। এমন সহযোগিতা বেসরকারি ও সরকারি খাতের অংশীদারত্বের মাধ্যমে আমাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে।’

এই যৌথ উদ্যোগ সম্পর্কে নেসলে বাংলাদেশ পিএলসির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীপাল আবেউইক্রেমা বলেন, ‘বিসিএসআইআরের সঙ্গে আমাদের যৌথ উদ্যোগের ফসল হলো পুষ্টিগ্রো+ যা দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় পুষ্টির সাশ্রয়ী সমাধান এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ঘাটতি মোকাবেলার ক্ষেত্রে আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।’

তিনি আরো বলেন, ‘টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

বাংলাদেশ যখন অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে, তখন নেসলে বাংলাদেশ জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে বিজ্ঞানভিত্তিক ও উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এসব উদ্যোগ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, মানবসম্পদ বিকাশ এবং দেশের মানুষের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক মূল্য সৃষ্টি করতে সহায়তা করবে।