• ই-পেপার

অব্যাহত থাকবে বৃষ্টিপাত, বাড়বে রাতের তাপমাত্রা

যেসব জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত

অনলাইন ডেস্ক
যেসব জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত
ফাইল ছবি

দেশের ৭ জেলার ওপর দিয়ে রবিবার সকাল ৯টার মধ্যে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাত ৯টা থেকে রবিবার (২৬ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

ধর্মকে ব্যবহার করে ভোটের রাজনীতি থেকে সরে আসতে হবে : আইনমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ধর্মকে ব্যবহার করে ভোটের রাজনীতি থেকে সরে আসতে হবে : আইনমন্ত্রী

ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি বা ভোটের রাজনীতি থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন, সুশাসন ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার রাজনীতিই হওয়া উচিত সবার অঙ্গীকার।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, সুশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রত্যেক নাগরিক যেন নিজ নিজ ধর্ম নির্বিঘ্নে পালন করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, একজন মানুষের রক্তের রং যেমন ধর্মভেদে পরিবর্তিত হয় না, তেমনি নাগরিক অধিকারও ধর্মের ভিত্তিতে ভিন্ন হতে পারে না। সবাইকে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন ও সম্মান করতে পারলেই সাম্প্রদায়িক বিভাজন ও বৈষম্য দূর করা সম্ভব।

দুর্গাপূজাসহ কোনো ধর্মীয় উৎসব পালনের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা চাওয়ার প্রয়োজন হওয়া উচিত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রতিটি নাগরিক নিজেকে স্বাভাবিকভাবেই নিরাপদ মনে করবেন এবং নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারবেন।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, সুশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রত্যেক নাগরিক যেন নিজ নিজ ধর্ম নির্বিঘ্নে পালন করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি বিভাজনের অনুভূতি সৃষ্টি করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের পরিচয় প্রথমত বাংলাদেশি। ধর্মীয় পরিচয় ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয় হলেও নাগরিক পরিচয় ও অধিকার সবার জন্য সমান।

তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো দুর্বৃত্ত কারও বাড়িঘর, উপাসনালয় বা পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার সাহস না পায়। সবার জন্য নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের দখলকৃত জমির প্রসঙ্গ তুলে আইনমন্ত্রী বলেন, মন্দিরের জমি পুনরুদ্ধারে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। কোনো ভূমিদস্যু, দুর্বৃত্ত বা মাফিয়া চক্রকে মন্দিরের সম্পত্তি স্থায়ীভাবে দখলে থাকতে দেওয়া হবে না।

কোস্ট গার্ডের জরুরি নম্বরে কল, যাত্রীবাহী লঞ্চে মুমূর্ষু রোগীকে চিকিৎসা সহায়তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
কোস্ট গার্ডের জরুরি নম্বরে কল, যাত্রীবাহী লঞ্চে মুমূর্ষু রোগীকে চিকিৎসা সহায়তা
ছবি : কালের কণ্ঠ

যাত্রীবাহী লঞ্চে হঠাৎ এক ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের জরুরি সেবার নম্বরে (১৬১১১) কল পান কোস্ট গার্ড সদস্যরা। খবর পেয়ে দ্রুত অভিযান চালিয়ে ষাটনল সংলগ্ন মেঘনা নদীতে মাঝলঞ্চে মুমূর্ষু রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দিয়েছে বাহিনীর একটি বিশেষ মেডিক্যাল টিম। পরবর্তীতে তাকে নিরাপদে হাসপাতালে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়।

শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ২টার দিকে চাঁদপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে যাত্রীবাহী লঞ্চ ‘এমভি রফ রফ-৭’। এক নারী তার অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার দিকে আসছিলেন। বেলা ৩টার দিকে লঞ্চটি ষাটনল সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে ওই রোগীর শারীরিক অবস্থার আশঙ্কাজনক অবনতি ঘটে। পরিস্থিতি সংকটাপন্ন দেখে লঞ্চের এক সহযাত্রী তাৎক্ষণিকভাবে কোস্ট গার্ডের জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ কল করে দ্রুত সহায়তা চান।

ফোন পেয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয় কোস্ট গার্ড স্টেশন পাগলা। সেখান থেকে একটি চৌকস মেডিক্যাল টিম দ্রুত গতিসম্পন্ন বোট নিয়ে মাঝনদীতে ওই লঞ্চে গিয়ে পৌঁছায়। মেডিকেল টিম লঞ্চে উঠে রোগীকে প্রাথমিক ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান করে তার অবস্থা স্থিতিশীল আনে।

পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সময়ক্ষেপণ না করে কোস্ট গার্ডের নিজস্ব বোটে করে রোগীকে দ্রুত সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় গাড়িতে করে রোগীকে রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, ‘জনসেবা ও যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে সহায়তা দিতে কোস্ট গার্ড সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। জনগণের সুবিধার্থে এ ধরনের মানবিক ও জরুরি সেবা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

মাহদী আমিন

বিশ্ববিদ্যালয়-শিল্প-প্রবাসী সমন্বয়ে ত্রিপক্ষীয় ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা হবে

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ববিদ্যালয়-শিল্প-প্রবাসী সমন্বয়ে ত্রিপক্ষীয় ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা হবে

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্প-কারখানা এবং প্রবাসীদের মেধা ও অভিজ্ঞতাকে এক ছাতার নিচে এনে একটি শক্তিশালী ত্রিপক্ষীয় ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর নভোথিয়েটারে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট-২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, ‘দেশে প্রচুর শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় থাকা সত্ত্বেও শিল্পের সঙ্গে শিক্ষার প্রয়োজনীয় মেলবন্ধনের অভাব রয়েছে। সরকার এই দূরত্ব ঘুচিয়ে তরুণদের মেধা বিকাশ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে শিল্প খাত ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্বের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় ও নামি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোতে বহু বাংলাদেশি শিক্ষক, প্রকৌশলী ও গবেষক সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। প্রবাসীদের এই মেধা ও অভিজ্ঞতাকে দেশের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রায় যুক্ত করতে সরকার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছে।’

গবেষণা ও শিক্ষার মানোন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই মানসম্মত আধুনিক ল্যাবরেটরি ও গবেষণার পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। এ বাস্তবতায় এবারের বাজেটে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা খাতে রেকর্ড পরিমাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ কেবল ভবন নির্মাণে নয়, বরং উন্নত ল্যাব স্থাপন ও গবেষণাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে ব্যয় হবে।’

এ ছাড়া যুক্তরাজ্যসহ উন্নত দেশের আদলে ভবিষ্যতে বিশেষায়িত ‘গবেষণা কেন্দ্র’ গড়ে তোলার মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। শিক্ষাব্যবস্থাকে তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি প্রয়োগমুখী করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ইন্টার্নশিপ, সামার স্কুল, ভিজিটিং লেকচার এবং শিল্প বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে দক্ষ করে তুলতে হবে।