• ই-পেপার

গাড়িতে হর্ন ব্যবহার নিয়ে বিআরটিএ’র নতুন নির্দেশনা

১১ ব্যাংক ও এক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি

ক্ষুদ্র উদ্যোগে ২৮০০ কোটি টাকার ঋণ গ্যারান্টি দিচ্ছে পিকেএসএফ

নিজস্ব প্রতিবেদক
ক্ষুদ্র উদ্যোগে ২৮০০ কোটি টাকার ঋণ গ্যারান্টি দিচ্ছে পিকেএসএফ
ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশে স্বল্প আয়ের মানুষদের উদ্যোক্তায় রূপান্তর ও প্রান্তিক পর্যায়ে অর্থায়ন সহজ করতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। সংস্থাটির বাস্তবায়নাধীন ‘ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিম (সিইএস)’-এর আওতায় ১১টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পৃথক ১২টি ক্রেডিট গ্যারান্টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এ চুক্তির ফলে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পিকেএসএফের বিভিন্ন সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোগ অর্থায়ন কার্যক্রমে মোট ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকার গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ বিতরণ করতে পারবে।

রাজধানীর আগারগাঁওস্থ পিকেএসএফ ভবন-১-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। পিকেএসএফের পক্ষে প্রতিষ্ঠানের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহম্মদ হাসান খালেদ এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা উপব্যবস্থাপনা পরিচালকেরা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি স্বাক্ষরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন, ঢাকা ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক এবং দ্য ইউএই-বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট কম্পানি লিমিটেড (ইউবিকো)।

অনুষ্ঠানে পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের বলেন, ‘দেশের স্বল্প আয়ের মানুষদের উদ্যোক্তায় রূপান্তরের যে উদ্যোগ পিকেএসএফ গ্রহণ করেছে, তার সফল বাস্তবায়নে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পৃক্ত করতেই এ স্কিম চালু করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, এ কাঠামোর আওতায় ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থাগুলো তা সরাসরি প্রান্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের মাঝে বিতরণ করবে। আর ব্যাংক ঋণের প্রয়োজনীয় গ্যারান্টি বা জামানত দেবে পিকেএসএফ। একই সঙ্গে ঋণের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পিকেএসএফ নিবিড় তদারকি বজায় রাখবে।

তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, ব্যাংকিং খাতের অর্থকে সরাসরি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিয়ে দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায়সঙ্গত প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এই স্কিম কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে সিইএস’র কার্যক্রম শুরু হয়। বাস্তবায়নের প্রথম বছরে ১০টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক কোম্পানির চুক্তি হয়, যার মধ্যে ৬টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক কোম্পানি ইতোমধ্যে পিকেএসএফের ২৬টি সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে মোট ১ হাজার ৮২ কোটি টাকা বিতরণ করেছে।

৯ জেলায় বন্যার শঙ্কা, প্লাবিত হতে পারে নিম্নাঞ্চল

নিজস্ব প্রতিবেদক
৯ জেলায় বন্যার শঙ্কা, প্লাবিত হতে পারে নিম্নাঞ্চল
ছবি : রয়টার্স

আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় দেশের ৯ জেলায় বন্যার শঙ্কার কথা জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। এ ছাড়া কিছু এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে বলা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বন্যা সতর্কবার্তায় এসব তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।

এতে বলা হয়েছে, আগামী ২৪-৪৮ ঘণ্টায় তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার, সুরমা-কুশিয়ারা, সারিগোয়াইন, যাদুকাটা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এ কারণে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। এ ছাড়া সোমেশ্বরী অববাহিকাভুক্ত নেত্রকোনা এবং আত্রাই অববাহিকাভুক্ত নওগাঁ জেলায় বন্যার শঙ্কা রয়েছে।

বন্যা তথ্য কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, নওগাঁ, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, বান্দরবান, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে।

বন্যা তথ্য কেন্দ্রের পর্যবেক্ষণাধীন স্টেশনসমূহের মধ্যে তিনটি নদীর চারটি স্টেশনের পানি বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। সেগুলো হলো কুশিয়ারা নদী ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) ও মারকুলি (সুনামগঞ্জ), সুরমা নদী ছাতক (সুনামগঞ্জ) ও সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) স্টেশন।

আবহাওয়া সংস্থাসমূহের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টায় দেশের অভ্যন্তরে চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির ১ বছর

শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে : ডা. জুবাইদা রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে : ডা. জুবাইদা রহমান
সংগৃহীত ছবি

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর পূর্তিতে নিহত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মীদের স্মরণে গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি আহত ও স্বজনহারাদের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আজ এমন একটা দিন, যেদিন আমাদের দেশ ও জাতি গভীরভাবে শোকাহত, মর্মাহত। শোককে শক্তিতে পরিণত করে আপনারা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন, জাতি তা কোনো দিন ভুলবে না।’

তিনি বলেন, ‘ভয়াবহ এই দুর্ঘটনা পুরো জাতিকে শোকাহত করেছে। তবে শোককে শক্তিতে পরিণত করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে এবং আহতদের সাহস ও দৃঢ়তা থেকে নতুন প্রজন্মকে শিক্ষা নিতে হবে।’

সোমবার (২১ জুলাই) ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি আয়োজিত ‘মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি শ্রদ্ধাঞ্জলি ও স্মরণসভা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘প্রথমেই আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি মাইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারানো আমাদের ভাই-বোন ও ছোট্ট বন্ধুদের। মহান আল্লাহ তায়ালা তাদের সবাইকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।’

এ সময় তিনি নিহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরিয়ান, মরিয়ম, ওয়াকিয়া, রাইসা, মনিব, বোরহানউদ্দিন, বাপ্পি, শারিয়া আক্তার, নুসরাত জাহান আনিকা, সাইমা আক্তার, হুমায়ুন নূর, ফাতেমা, মোহাম্মদ জুনায়েদ হাসান, সাদ শাফিয়াউদ্দিন, তাসনিম আফরোজ, মাহিদ হাসান, আব্দুল্লাহ শামিম, তাহিয়া আশরাফ, নাজিয়া, মাহতাব রহমান, শায়ান ইউসুফ, তারিফ ফারহান, মোহাম্মদ আফনান ফয়াজ, শামিউল করিম, আব্দুল মুসাব্বির মাহমুদ, চান্দ মারমা, সাহিল ফারাবি, আরিয়ান মাহিয়া, তাসলিম, তাসনিয়া হক ও তানভীর আহমেদের নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

তিনি আরো স্মরণ করেন রজনী ইসলাম, লামিয়া আক্তার, আফসানা প্রিয়া, কো-অর্ডিনেটর মেহরিন চৌধুরী, সিনিয়র শিক্ষক মাসুকা বেগম, সিনিয়র শিক্ষক মাহফুজা খাতুন এবং কর্মচারী মাসুমা বেগমকে।

ভয়াবহ স্মৃতি কাটিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর স্বাভাবিক জীবনে ফেরার লড়াইকে অনুপ্রেরণার উৎস উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পরও আপনারা যেভাবে সাহস ও সংকল্প নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন, তা আমাদের সবার জন্য প্রেরণা। সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সাহসিকতার সঙ্গে ভয়কে জয় করার যে দৃষ্টান্ত আপনারা স্থাপন করেছেন, দেশ ও জাতি তার জন্য কৃতজ্ঞ।’

সংকটময় মুহূর্তে চিকিৎসাসেবা ও সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সেবামূলক সংস্থা, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব), জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এবং বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানান ডা. জুবাইদা রহমান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নিহতদের স্মৃতিচারণা করে বলেন, ‘নিহত তাসনিয়ার বাবার বক্তব্য শুনে চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি। এক বছর আগের সেই দিনে শিক্ষিকা মেহরিন চৌধুরী নিজের জীবনের পরোয়া না করে সন্তানের মতো শিক্ষার্থীদের প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আহত শিক্ষার্থীদের ফলোআপ চিকিৎসা চলছে এবং প্রয়োজন হলে তাদের আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকার সব ধরনের সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও সে সময় থেকে শুরু করে নিয়মিত তাদের খোঁজখবর রাখছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত, সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার এবং বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন। এ ছাড়া চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রদূতগণসহ চিকিৎসাকর্মী, আহত শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং নিহতদের অভিভাবকেরা স্মরণসভায় অংশ নেন। এর আগে আহত ও নিহতদের পরিবারের সদস্য এবং কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূতেরা বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য, গত বছর ২১ জুলাই দুপুর ১টার দিকে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনের ওপর আছড়ে পড়ে। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় বিমানের পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলামসহ ২৮ জন শিক্ষার্থী, ৩ জন শিক্ষক, ৩ জন অভিভাবক ও ১ জন কর্মচারীসহ সর্বমোট ৩৬ জন প্রাণ হারান।

৩০ জুলাই সারা দেশে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
৩০ জুলাই সারা দেশে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা
সংগৃহীত ছবি

সারা দেশে আগামী ৩০ জুলাই সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরে সংগঠনটির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করে সংগঠনটি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কমিশন বৃদ্ধির দাবিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দাবি আদায় না হলে ২৩ আগস্ট থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হবে।

এ সময় বর্তমান কমিশন বাড়িয়ে ন্যূনতম ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা করার দাবি জানান সংগঠনের নেতারা। তবে এর পাশাপাশি সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলবে।

তারা আরো বলেন, ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর সিএনজি ফিলিং স্টেশনের কমিশন নির্ধারিত হয়েছিল প্রতি ঘনমিটারে ৮ টাকা। গত ১১ বছরে অস্বাভাবিক মূল্যস্ফীতি, ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি, যন্ত্রাংশের উচ্চমূল্য এবং ব্যাংক গ্যারান্টি ও ইজারা ফি বাড়ায় এই ব্যবসায় চরম সংকট তৈরি হয়েছে।