• ই-পেপার

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা আবেদনকারীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ হোংবো।

রবিবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে এই সাক্ষাৎ হয়েছে। 

সাক্ষাতের শুরুতে আইএলও মহাপরিচালক জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের নির্বাচিত হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের সভাপতিত্বের সময় আইএলওর সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে। 

আলোচনায় বাংলাদেশের শ্রমখাতের সাম্প্রতিক অগ্রগতি, শিশুশ্রম পরিস্থিতি, শ্রম আইন ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

উপদেষ্টা বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিতকরণে আইএলওর অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন। একই সঙ্গে শ্রমখাতের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে আইএলওর কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

আইএলও মহাপরিচালক বাংলাদেশের শ্রমখাতে সাম্প্রতিক অগ্রগতি এবং শিশুশ্রম হ্রাসে সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি ভবিষ্যতেও এ খাতে আইএলওর সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন।

চূড়ান্ত অনুমোদনের পথে নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো

অনলাইন ডেস্ক
চূড়ান্ত অনুমোদনের পথে নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো
সংগৃহীত ছবি

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। নতুন পে স্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হিসেবে বিবেচিত হলেও চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের আগে সচিব কমিটির পর্যালোচনা এবং মন্ত্রিসভার অনুমোদন এখনো বাকি রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে গেজেট জারি হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পরই গেজেট প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হতে কিছুটা সময় লাগলেও নতুন বেতন কাঠামোর কার্যকারিতা ১ জুলাই ২০২৬ থেকেই গণনা করা হবে।

বৈঠক-সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পে স্কেল নিয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে সচিব কমিটি কারিগরি বিষয়গুলো পর্যালোচনা করবে। এরপর তাদের সুপারিশ চলতি মাসের শেষ দিকে অথবা আগস্টের প্রথম সপ্তাহে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।

ওই বৈঠকে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের রূপরেখাসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর প্রস্তাবটি আইনি ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। পরে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন মিললে আনুষ্ঠানিকভাবে গেজেট প্রকাশ করা হবে।

২০২৫ সালে গঠিত জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়।

তবে বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও বাজেটের চাপ বিবেচনায় সরকার একটি সংশোধিত খসড়া চূড়ান্ত করার কাজ করছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে গঠিত ১০ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা কমিটি কমিশনের সুপারিশগুলো খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত মতামত প্রস্তুত করছে।

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ সামরিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং’ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ সামরিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং’ শুরু

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক আর্মি কমান্ডের যৌথ উদ্যোগে ১৩ দিনব্যাপী ‘টাইগার লাইটনিং-২০২৬’ শুরু হয়েছে। রবিবার (১৯ জুলাই) সিলেটের জালালাবাদ সেনানিবাসে প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডে এর উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষে জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, এই যৌথ প্রশিক্ষণ সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত অংশীদারিকে আরো শক্তিশালী করবে। এটি শুধু একটি সামরিক প্রশিক্ষণ নয়, বরং দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রতি যৌথ অঙ্গীকারের প্রতীক।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান বলেন, ‘টাইগার লাইটনিং’ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সামরিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এ ধরনের যৌথ অনুশীলনের মাধ্যমে উভয় দেশের সেনাবাহিনীর আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, পারস্পরিক সমন্বয় জোরদার এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারি আরো সুদৃঢ় হবে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশেষায়িত ফরমেশন প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই মহড়া আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত চলবে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি প্যাসিফিক ও ওরেগন ন্যাশনাল গার্ড থেকে ৯১ জন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড ও বিভিন্ন ফরমেশন থেকে ৯৩ জন সদস্য অংশগ্রহণ করছেন।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ দমন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং মানবিক সহায়তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় এ যৌথ মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, যৌথ আভিযানিক সক্ষমতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি আরো জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের চিফ রিপোর্টারদের সঙ্গে ডিআরইউর মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিভিন্ন গণমাধ্যমের চিফ রিপোর্টারদের সঙ্গে ডিআরইউর মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত

দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন গণমাধ্যমের চিফ রিপোর্টারদের সঙ্গে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-এর মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন গণমাধ্যমের চিফ রিপোর্টাররা অংশগ্রহণ করেন। তারা সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন, কল্যাণমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, আধুনিক প্রশিক্ষণ, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-কে আরো শক্তিশালী, আধুনিক ও স্বাবলম্বী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছেন। 

তারা বলেন, সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় ডিআরইউকে আরো কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে সময়ের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং প্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতায় দক্ষ জনবল গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে ডিআরইউর শফিকুল কবির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময়সভায় তারা এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।

মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে আমার দেশ-এর এম আবদুল্লাহ সাংবাদিকদের সরকারি নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু, ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ, পরীক্ষাভিত্তিক নিবন্ধন, এন্ট্রি-লেভেলে ৩৫ হাজার টাকা বেতন এবং সাংবাদিকদের জন্য শক্তিশালী কল্যাণব্যবস্থা গড়ে তুলতে ডিআরইউকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। 

ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস-এর সিদ্দিক ইসলাম আন্তর্জাতিক মানের সাংবাদিক গড়ে তুলতে এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সংবাদ-এর প্রধান প্রতিবেদক সালাম জুবায়ের বলেন, ডিআরইউ তার ঐতিহ্য ধরে রেখে আরো শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ইত্তেফাক-এর শামসুদ্দিন আহমেদ নতুন সাংবাদিক তৈরিতে সুশৃঙ্খল প্রশিক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান। ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক ও সমকাল-এর মসিউর রহমান খান বলেন, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে ডিআরইউকে পরিচালনা করার আহ্বান জানান।

ডেইলি স্টারের পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের ওপর হামলা-মামলার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে কার্যকর আলোচনার পাশাপাশি এআইভিত্তিক প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন। সংগ্রাম-এর নাসির উদ্দিন শোয়েব বলেন, জাতীয় প্রেস ক্লাব যদি সাংবাদিকদের সেকেন্ড হোম হয়, তাহলে ডিআরইউ আমাদের ফার্স্ট হোম। তিনি ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ দুই বছর করার প্রস্তাব দেন।
বাসস-এর দিদারুল আলম বলেন, তরুণ সাংবাদিকদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের আহ্বান জানান। বাসস (ইংরেজি)-এর রাজিব হোসেন ডিআরইউর অরাজনৈতিক ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।

মানবজমিন-এর লুৎফর রহমান বলেন, সংবাদের গুণগত মান উন্নয়নে ধারাবাহিক ও বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। কালের কণ্ঠের শরিফুল আলম সুমন প্রতি বছর এ ধরনের মতবিনিময়সভা আয়োজনের প্রস্তাব দেন। আজকের পত্রিকার শহীদুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের জন্য সপ্তাহে দুই দিন ছুটি কার্যকরে ভূমিকা রাখার দাবি জানান। 

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (টিবিএস)-এর আবুল কাশেম সাংবাদিকদের মর্যাদা রক্ষায় ডিআরইউকে আরো বলিষ্ঠ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। তিনি সরকার থেকে অনুদান আনার ব্যাপারে জোর দেন।
সময়ের আলোর মামুন হোসেন সদস্যদের মধ্যে ফেলোশিপ চালু করাসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন। রাইজিংবিডির নইমুদ্দিন প্রিন্ট, অনলাইন ও টেলিভিশন সাংবাদিকদের জন্য অভিন্ন ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।  

এ ছাড়া বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম-এর ইসমাইল হোসেন ডিআরইউর কার্যক্রমের মাল্টিমিডিয়া প্রচার বাড়ানোর, আমাদের সময়ের সাজ্জাদ মাহমুদ খান ভুয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের, দেশ রূপান্তরের উৎপল রায় ডিআরইউ প্রাঙ্গণে ব্যাংকের বুথ স্থাপনের এবং টাইমস অব বাংলাদেশের সাইফুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে ভুয়া সাংবাদিকদের প্রবেশ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে আবু সালেহ আকন বলেন, সাংবাদিকদের অধিকার আদায়, পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সংগঠনের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে ডিআরইউ অতীতের মতো ভবিষ্যতেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতা নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। পেশাগত অনিশ্চয়তা, নিরাপত্তাহীনতা, নিম্ন বেতন, হামলা-মামলা এবং সামাজিক নিরাপত্তার অভাব সাংবাদিকদের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। এসব সমস্যা সমাধানে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে ডিআরইউ নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে।

সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, বর্তমান কমিটি শুধুমাত্র সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। তিনি জানান, ডিআরইউ প্রাঙ্গণে আধুনিক মসজিদ কমপ্লেক্স, সদস্যদের জন্য হেলথ কর্নার, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এবং সংগঠনের স্থায়ী আয়ের উৎস তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সদস্যদের সন্তানদের জন্যও দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। তাই এআই, ডেটা জার্নালিজম, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টিং ও ডিজিটাল নিরাপত্তাসহ সময়োপযোগী বিষয়ে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে নিয়মিত প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সভায় ডিআরইউর তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক জানান, শিগগিরই ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট চালু করা হবে। সেখানে সদস্যদের পাশাপাশি তাদের সন্তানদের জন্যও ইংরেজি ভাষা, অ্যাবাকাস, চীনা ভাষা, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অন্যান্য দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে।

মতবিনিময়সভায় ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির সহসভাপতি মেহ্দী আজাদ মাসুম, যুগ্ম সম্পাদক মো. জাফর ইকবাল, অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জসিম, দপ্তর সম্পাদক রাশিম মোল্লা, নারীবিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস পান্না, ক্রীড়া সম্পাদক ওমর ফারুক রুবেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মনোয়ার হোসেন, আপ্যায়ন সম্পাদক আমিনুল হক ভূঁইয়া, কল্যাণ সম্পাদক রফিক মৃধা, কার্যনির্বাহী সদস্য মাহফুজ সাদি, আল-আমিন আজাদ, মোহাম্মদ নঈমুদ্দীন, সুমন চৌধুরীসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।