• ই-পেপার

একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (১১ জুলাই)

কবি আল মাহমুদের ৯১তম জন্মদিন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
কবি আল মাহমুদের ৯১তম জন্মদিন আজ
সংগৃহীত ছবি

‘ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ/দুপুর বেলার অক্ত/বৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায়?/বরকতের রক্ত।’ বাংলা কবিতার ইতিহাসে এ পঙিক্তগুলো যেমন অমর, তেমনই এর স্রষ্টা কবি আল মাহমুদও বাংলা সাহিত্যের অন্যতম উজ্জ্বল নাম। বহুমাত্রিক ও স্বতন্ত্র কাব্যভাষায় তিনি বাংলা কবিতাকে নিয়ে গেছেন নতুন উচ্চতায়। কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্পকার, শিশুসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হিসেবে তিনি রেখে গেছেন অনন্য অবদান। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের এই কবির ৯১তম জন্মবার্ষিকী আজ শনিবার, ১১ জুলাই।

এ উপলক্ষে কবির জন্মভূমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন দিনব্যাপী স্মরণোত্সবের আয়োজন করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উত্সবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ। আজ শনিবার আলোচনাসভা, কবিতা পাঠ, স্মৃতিচারণা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং সাহিত্যবিষয়ক বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এ স্মরণোৎসব।
আল মাহমুদের প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মৌড়াইল এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। ষাটের দশকে ‘লোক লোকান্তর’ ও ‘কালের কলস’ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে তিনি বাংলা কবিতায় নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন। ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত ‘সোনালি কাবিন’ তাঁকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সারির কবিদের কাতারে প্রতিষ্ঠা করে। ভাটি বাংলার নদী, চরাঞ্চলের জীবন, গ্রামীণ প্রেম-বিরহ, লোকজ সংস্কৃতি ও আঞ্চলিক ভাষার সৃজনশীল ব্যবহারে তাঁর কবিতা পেয়েছে স্বতন্ত্র শিল্পরূপ।

কাব্যচর্চার পাশাপাশি কথাসাহিত্যেও তিনি ছিলেন সমান সফল। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘পানকৌড়ির রক্ত’, ‘কবি ও কোলাহল’ এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘কাবিলের বোন’।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আল মাহমুদ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদকসহ বহু সম্মাননায় ভূষিত হন। ২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। 

ডিএনসির উত্তরা সার্কেলের মাদক গায়েব নিয়ে তদন্ত শুরু

পরিদর্শক জিল্লুরকে প্রধান কার্যালয়ে সংযুক্ত

মোবারক আজাদ
ডিএনসির উত্তরা সার্কেলের মাদক গায়েব নিয়ে তদন্ত শুরু
সংগৃহীত ছবি

মাদক উদ্ধার অভিযানে জব্দ করা ইয়াবা, হেরোইন ও নগদ অর্থের প্রকৃত পরিমাণ মামলায় উল্লেখ না করার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। একই সঙ্গে অভিযোগ ওঠা ঢাকা মেট্রোর উত্তরা সার্কেলের পরিদর্শক দেওয়ান মোহাম্মদ জিল্লুর রহমানকে প্রধান কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। ডিএনসির পৃথক দুটি অফিস আদেশ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, জনৈক আবুল খায়ের অভিযোগ করেন, নারায়ণগঞ্জের সানারপাড় এলাকায় তিনটি অভিযানের তথ্য তিনি উত্তরা সার্কেলের পরিদর্শক দেওয়ান মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান এবং বিমানবন্দর সার্কেলের সহকারী উপপরিদর্শক মোহাম্মদ রোকুনুজ্জামানকে দিয়েছিলেন।

ওই তথ্যের ভিত্তিতে প্রথম অভিযানে এক হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা, দ্বিতীয় অভিযানে ৪০০ গ্রাম হেরোইন এবং তৃতীয় অভিযানে ২০ হাজার পিস ইয়াবা ও দুই লাখ ৯৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়; কিন্তু সংশ্লিষ্ট মামলাগুলো দায়েরের সময় উদ্ধার করা আলামত ও নগদ অর্থের প্রকৃত পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি। এ ছাড়া তথ্যদাতা হিসেবে চুক্তি অনুযায়ী তিনি সোর্সমানিও পাননি। 

আবুল খায়ের বলেন, ‘পশ্চিম সানারপাড়ে এক অভিযানে ৫৪ হাজাার ৫০০ টাকা উদ্ধার দেখিয়ে বাকি দুই লাখের বেশি টাকা মেরে দিছে জিল্লুর রহমান। এ ছাড়া ইয়াবা, হেরোইন গায়েবসহ টাকার বিনিময়ে নিরীহ মানুষকে আসামি করা এবং অপরাধীকে ছাড় দেওয়াসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আশা করি তদন্তে সব তথ্য উঠে আসবে।’ তবে সোর্স হিসেবে কাজ করে বর্তমানে জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় আছেন বলে জানান খায়ের।

উদ্ধারকৃত মাদক ও নগদ অর্থ গায়েবের অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে ডিএনসি চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে পরিচালক (নিরোধ শিক্ষা, গবেষণা ও প্রকাশনা) রাজীব আহসানকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন অতিরিক্ত পরিচালক এ কে এম শওকত ইসলাম, উপপরিচালক (অপারেশনস) মুকুল জ্যোতি চাকমা এবং সদস্যসচিব হিসেবে সহকারী পরিচালক (অপারেশনস) ফয়সাল মাহমুদ। কমিটিকে সরেজমিন তদন্ত করে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পৃথক আরেক অফিস আদেশে পরিদর্শক দেওয়ান মোহাম্মদ জিল্লুর রহমানকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত ডিএনসির প্রধান কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। 

একই আদেশে উত্তরা সার্কেলের দাপ্তরিক কার্যক্রম ও অভিযান পরিচালনার স্বার্থে তেজগাঁও সার্কেলের পরিদর্শক তমিজ উদ্দিন মৃধাকে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে উত্তরা সার্কেলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমানকে মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। 

এদিকে তদন্ত কমিটির সদস্য ডিএনসির উপপরিচালক (অপারেশনস) মুকুল জ্যোতি চাকমা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তদন্ত কমিটিতে আমি কাগজে-কলমে থাকলেও অন্য কাজে যুক্ত থাকায় কাজ করতে পারিনি। তবে কমিটিতে থাকা অন্য সদস্যরা কাজ করছেন। আমি যত দূর জানি তদন্ত চলমান।’ 

জানতে চাইলে ডিএনসির মহাপরিচালক হাসান মারুফ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এখনো তদন্ত কমিটির সময় শেষ হয়নি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলমান। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে।’

এ ছাড়া সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরার একাধিক অবৈধ বারের বৈধতা দিয়ে মোটা অঙ্কের মাসোহারা নিয়ে বারগুলোকে অসাধু উকিল ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে দেওয়ান মোহাম্মদ জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে। কিছু অসাধু আইনজীবীর সহায়তায় আদালত থেকে বিভ্রান্তিকর বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে আদেশ সংগ্রহ করা হয়, যা পরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মাধ্যমে বৈধতার রূপ পাইয়ে দেওয়া হতো বলে জানান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এর আগে ২০১৭ সালের ১০ ডিসেম্বর দেওয়ান মোহাম্মদ জিল্লুর রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া প্রতিবেদনেও মাদকসংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা (ছয়জন) প্রত্যেকেই মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাঁরা বিভিন্ন উপায়ে অর্থ আদায় করেছেন। তখন তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন—ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক দেওয়ান মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান ও তাঁর সহকর্মী এসআই জুলহাস আহমেদ, এএসআই সানাউল্লাহ এবং সিপাহি আনোয়ার হোসেন, জিয়াউল হক ও আমজাদ। সে সময় তদন্ত প্রতিবেদনে অন্তত চারটি মাদকের ঘটনায় টাকা আদায়ের সম্পৃক্ততা পান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। 

সকালের মধ্যেই ঝড় হতে পারে দেশের যেসব অঞ্চলে

নিজস্ব প্রতিবেদক
সকালের মধ্যেই ঝড় হতে পারে দেশের যেসব অঞ্চলে

দেশজুড়ে দাপটে রয়েছে আষাঢ়ের বৃষ্টি। ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণে ইতোমধ্যে দেশের কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় শনিবার (১১ জুলাই) সকালের মধ্যেই দেশের ১৪ জেলার উপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত ৯টা থেকে শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, দিনাজপুর, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর উপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণপূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে আগামী ৫ দিনও দেশজুড়ে দাপটে থাকতে পারে বৃষ্টি। সেই সঙ্গে এই সময়ে দেশের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন, উত্তরপশ্চিম মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বিরাজমান সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে বর্তমানে লঘুচাপ আকারে মধ্য উত্তরপ্রদেশ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি ক্রমশ দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বর্তমানে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। পাশাপাশি মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশের অক্ষ ভারতের পাঞ্জাব, হরিয়ানা, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। আর এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এছাড়া মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় বিরাজমান আছে।

এই অবস্থায় শনি ও রোববার (১১-১২ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে এই দু’দিনে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। তবে এই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এই আবহাওয়াবিদ আরও জানিয়েছেন, আগামী সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে এই সময়েও দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া এই সময়েও সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এদিকে আগামী মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল ও খুলনা বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি এদিনও দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। তবে এদিন সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

অন্যদিকে আগামী বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে এই সময়েও দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে। তবে এদিন সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সাতক্ষীরায় দেশের সর্বোচ্চ ২২৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি এই সময়ে যশোরে ১৯৯ মিলিমিটার ছাড়াও চট্টগ্রামে ১১৯, চুয়াডাঙ্গায় ১৭৫, খুলনায় ১৩০, বান্দরবানে ১০৫, কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ৯৩৩, বরিশালে ৯১, নোয়াখালীর হাতিয়ায় ৮২ মিলিমিটারসহ দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় বর্ধিত ৫ দিনে দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

জুলাই গণ-অভুত্থানের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্রের ট্রেলার প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুলাই গণ-অভুত্থানের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্রের ট্রেলার প্রকাশ

জুলাই নিয়ে চট্টগ্রামের একদল তরুণের উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে পূর্ণদৈর্ঘ্য তথ্যচিত্র জুলাই ডায়েরিজ। গত বৃহস্পতিবার গণঅর্থায়নে নির্মিত এই ছবির ট্রেলার প্রকাশিত হয়েছে। ছবিটি অচিরেই মুক্তি দেওয়া হবে বলে জানা যায়। 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া কিছু তরুণের উদ্যোগে নির্মিত হলেও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বহু তরুণ-তরুণী ক্যামেরার সামনে পেছনে ভূমিকা রেখেছেন। ‘বোধ সংযোগ’ নামক সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্মের অধীনে নির্মিত ছবিটির নির্বাহী প্রযোজক ছিলেন সাইদুল ইসলাম ও পরিচালক ছিলেন লিখন দত্ত। কোনো একক প্রযোজনার বাইরে গিয়ে গণঅর্থায়নে এই ছবি তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। 
এ প্রসঙ্গে লিখন দত্ত বলেন, ‘ছবির অর্থায়নের সঙ্গে নির্মাণে হস্তক্ষেপেরও একটা বিষয় চলে আসে। যেহেতু এটি রাজনৈতিক ছবি এবং আমরা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা দলের বাইরে গিয়ে জনতার বয়ান তুলে ধরতে চেয়েছি, তাই গণঅর্থায়নের পথ বেছে নিই।’

জুলাই মাসের ২০ তারিখ নাগাদ ছবিটি প্রদর্শনী করার পরিকল্পনা রয়েছে সংশ্লিষ্টদের। ছবি প্রদর্শনীর পরিকল্পনা নিয়ে সাইদুল ইসলাম জানান, ‘এই ছবির অর্থায়ন কোনো একক ব্যক্তির পয়সায় হয়নি। প্রদর্শনীতেও সেই ধারা অক্ষুণ্ণ রাখতে চাই। আমরা আগ্রহীদের যোগাযোগ করতে বলেছি। চাই জুলাই জুড়ে সারা দেশে এই ছবি দেখানো হোক।’