• ই-পেপার

জুলাই গণ-অভুত্থানের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্রের ট্রেলার প্রকাশ

সকালের মধ্যেই ঝড় হতে পারে দেশের যেসব অঞ্চলে

নিজস্ব প্রতিবেদক
সকালের মধ্যেই ঝড় হতে পারে দেশের যেসব অঞ্চলে

দেশজুড়ে দাপটে রয়েছে আষাঢ়ের বৃষ্টি। ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণে ইতোমধ্যে দেশের কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় শনিবার (১১ জুলাই) সকালের মধ্যেই দেশের ১৪ জেলার উপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত ৯টা থেকে শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, দিনাজপুর, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর উপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণপূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে আগামী ৫ দিনও দেশজুড়ে দাপটে থাকতে পারে বৃষ্টি। সেই সঙ্গে এই সময়ে দেশের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন, উত্তরপশ্চিম মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বিরাজমান সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে বর্তমানে লঘুচাপ আকারে মধ্য উত্তরপ্রদেশ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি ক্রমশ দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বর্তমানে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। পাশাপাশি মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশের অক্ষ ভারতের পাঞ্জাব, হরিয়ানা, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। আর এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এছাড়া মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় বিরাজমান আছে।

এই অবস্থায় শনি ও রোববার (১১-১২ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে এই দু’দিনে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। তবে এই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এই আবহাওয়াবিদ আরও জানিয়েছেন, আগামী সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে এই সময়েও দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া এই সময়েও সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এদিকে আগামী মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল ও খুলনা বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি এদিনও দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। তবে এদিন সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

অন্যদিকে আগামী বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে এই সময়েও দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে। তবে এদিন সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সাতক্ষীরায় দেশের সর্বোচ্চ ২২৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি এই সময়ে যশোরে ১৯৯ মিলিমিটার ছাড়াও চট্টগ্রামে ১১৯, চুয়াডাঙ্গায় ১৭৫, খুলনায় ১৩০, বান্দরবানে ১০৫, কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ৯৩৩, বরিশালে ৯১, নোয়াখালীর হাতিয়ায় ৮২ মিলিমিটারসহ দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় বর্ধিত ৫ দিনে দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বাংলাদেশ-মালদ্বীপ বন্দি বিনিময় চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে : হাইকমিশন

বাসস
বাংলাদেশ-মালদ্বীপ বন্দি বিনিময় চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে : হাইকমিশন

বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বন্দি বিনিময় চুক্তিটি বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এই চুক্তিটি বাস্তবায়িত হলে মালদ্বীপের বিভিন্ন কারাগারে আটক বাংলাদেশি বন্দিরা মানবিক বিবেচনায় নিজ দেশে ফিরে বাকি সাজা ভোগের সুযোগ পাবেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) মালদ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

হাইকমিশন জানিয়েছে, উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চুক্তিটি দ্রুত কার্যকর করতে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর চুক্তিটি শিগগিরই সই ও কার্যকর হবে। এর ফলে দুই দেশের আইনি ও মানবিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্তের সূচনা হবে, যা বন্দিদের মানসিক উন্নয়ন ও সামাজিক পুনর্বাসনে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

এদিকে, মালদ্বীপে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের কল্যাণ, অধিকার ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্প্রতি বাংলাদেশ হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সে দেশের মাফুশি কারাগার পরিদর্শন করে। পরিদর্শনকালে কারাগারে আটক ৪৪ জন বাংলাদেশি বন্দির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের সার্বিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

হাইকমিশন জানায়, বর্তমানে মাফুশি কারাগারে আটক বাংলাদেশি বন্দিদের মধ্যে ৩৪ জন বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ডপ্রাপ্ত এবং ১০ জন বিচারাধীন রয়েছেন।

পরিদর্শনের সময় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা প্রত্যেক বন্দির সঙ্গে পৃথকভাবে কথা বলেন এবং তাদের চিকিৎসাসেবা, খাদ্য, পোশাক, আবাসন ও সামগ্রিক কারা-পরিবেশের খোঁজ নেন।

পরবর্তীতে মালদ্বীপের কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এক বৈঠকে বন্দিদের বিভিন্ন সমস্যা ও অভিযোগের বিষয়গুলো তুলে ধরে তাদের প্রাপ্য সুবিধাসমূহ দ্রুত নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়।

পরিদর্শন শেষে হাইকমিশনার ড. নাজমুল ইসলাম বলেন, বিদেশের মাটিতে অবস্থানরত প্রতিটি বাংলাদেশি নাগরিকের মানবিক মর্যাদা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্বের অংশ। প্রবাসে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের কল্যাণ, সুরক্ষা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার অত্যন্ত আন্তরিক।

তিনি আরো বলেন, বন্দি বিনিময় চুক্তিটি বাস্তবায়িত হলে বন্দিরা নিজ দেশে থেকে সাজা ভোগ পারবেন, যা প্রবাসে আটক নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান
সংগৃহীত ছবি

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করার বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলতে দেশের গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ।

শুক্রবার (১০ জুলাই) গণমাধ্যমে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়য়ের পক্ষ থেকে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি এই অনুরোধ করেছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের সকল গণমাধ্যম তথা প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন সংবাদ মাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানানো যাচ্ছে যে, গত ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, কোনো আদালতের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক অপরাধীর কোনো ধরনের বক্তব্য, সাক্ষাৎকার, অডিও-ভিডিও ভাষণ গণমাধ্যমে প্রচারের ব্যাপারে আইনগত নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

এমতাবস্থায়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে এবং আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান জানিয়ে পলাতক শেখ হাসিনার কোনো প্রকার ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য সরাসরি কিংবা ধারণকৃত অবস্থায় কোনো গণমাধ্যমে (টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক মাধ্যম) প্রচার বা প্রকাশ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে। সরকার প্রত্যাশা করে, দেশের সকল গণমাধ্যম, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং নাগরিকবৃন্দ প্রচলিত আইন ও আদালতের নির্দেশনার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন এবং তা প্রতিপালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও নেতাকর্মীদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও নেতাকর্মীদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

সারা দেশে ভারি বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রায় সারা দিনই তিনি বন্যাকবলিত ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং সিভিল সার্জনদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রুমন জানান, আজ দিনভর প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মন্ত্রী, সচিব এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেন। তিনি উদ্ধার, ত্রাণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরো সমন্বিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে উদ্ধার, পুনর্বাসন, চিকিৎসাসহ সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় শনিবার (১১ জুলাই) তিনি, ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হবেন।

অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, দেশের কয়েকটি এলাকায় ইতিমধ্যে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে পরিস্থিতি এখনো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

বন্যাদুর্গত এলাকায় মানবিক সহায়তার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ করে নারী ও শিশু এবং গর্ভবতী নারীদের প্রতি বিশেষ যত্নশীল থাকার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি এই দুর্যোগকালীন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যেন কোনো অসাধু চক্র চুরি-ডাকাতি বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।

বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা শুরু থেকেই বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে মিলে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছেন।