• ই-পেপার

উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণে ক্রমাগত আপসে ঢাকার বাসযোগ্যতা ফিরবে না : আইপিডি

ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে সজাগ থাকতে হবে : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে সজাগ থাকতে হবে : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে সজাগ থাকার তাগিদ দিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোনোভাবেই বিনষ্টের সুযোগ দেওয়া যাবে না। দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান– সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। সম্প্রীতির পরিবেশ যেকোনো মূল্যে ধরে রাখতে হবে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে নগরের মেন্দিবাগের জালালাবাদ গ্যাস অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট জেলার দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক মেয়রের দায়িত্ব পালনকালীন সময়ের স্মৃতিচারণ করে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সিটি নির্বাচনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সমর্থন কখনো ভুলব না। বিশেষ করে নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ সিলেটের সম্প্রীতির অনন্য নজির হয়ে থাকবে।

সিলেটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র চার মাস হয়েছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের প্রভাবও দেশের ওপর পড়ছে।

নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, সেখানে আটটি মন্দির ও চারটি শ্মশানঘাটের সংস্কারকাজ চলছে। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসব কাজ শেষ হওয়ার আশা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি জয়ন্তিয়া রাজবাড়িকে জাদুঘরে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান।

সিলেট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপিকা শ্যাম পুরকায়স্থ চয়নের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রঞ্জন চন্দ্র ঘোষের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর, সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা, উপদেষ্টা জয়ন্ত সেন দীপু, সহ-সভাপতি ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার, মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রাণতোষ আচার্য্য শিবুসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক-২০২৫

উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসঙ্গে হাতে হাত রেখে চলবে : পরিবেশমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসঙ্গে হাতে হাত রেখে চলবে : পরিবেশমন্ত্রী
'দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক-২০২৫' অনুষ্ঠানে পদক প্রাপ্তদের সঙ্গে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসঙ্গে হাতে হাত রেখে চলবে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে উন্নয়ন হবে প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থানে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং মানব কল্যাণ হবে একই পথের সহযাত্রী।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে ব্র্যাক ব্যাংক এবং তরুপল্লব আয়োজিত ‘দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক-২০২৫’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় পদকপ্রাপ্তদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেন পরিবেশমন্ত্রী।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকৃতি সংরক্ষণ এখন আর কোনো বিকল্প নয়; এটি আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। আজকের সম্মাননাপ্রাপ্তরা প্রমাণ করেছেন, একজন মানুষের নিষ্ঠা ও উদ্যোগও পরিবেশে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে এবং অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে পারে। প্রকৃতি রক্ষার এই প্রচেষ্টা সমাজজুড়ে ছড়িয়ে দিতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নির্দেশনায় এবং সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আমরা ‘ন্যাশনাল গ্রিন মিশন’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছি। এর আওতায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ নেবে।”

পদকপ্রাপ্তদের ‘সবুজ ভবিষ্যতের নির্মাতা’ ও ‘নীরব পরিবেশযোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, ‘তাদের এই নিষ্ঠা ও উদ্যোগ সমাজজুড়ে পরিবেশ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এবং অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’ 

উল্লেখ্য, এবার দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক-২০২৫-এ ভূষিত হয়েছেন—জীববৈচিত্র্য গবেষণায় অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুজ্জামান (নিসর্গ পুরস্কার), টেকসই কৃষি চর্চায় ‘প্রাণবৈচিত্র্য খামার’ (জীববৈচিত্র্য পুরস্কার), তৃণমূল পর্যায়ে বৃক্ষরোপণে মো. বাদশা মিয়া (বৃক্ষসখা সম্মাননা), ডিজিটাল মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টিতে উম্মে কুলসুম পপি (সবুজ সারথী সম্মাননা), প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভিদ গণনায় সুমাইয়া মারিয়ম (নবীন নিসর্গী সম্মাননা) এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অধ্যাপক ড. কাজী আহসান হাবিব (পরিবেশ কীর্তিমান সম্মাননা)। 

অনুষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক, ব্র্যাক ব্যাংক ও তরুপল্লবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, পরিবেশবিদ, গবেষক এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন

ওআইসির নারী সম্মেলনে যোগ দিতে পাকিস্তান গেলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
ওআইসির নারী সম্মেলনে যোগ দিতে পাকিস্তান গেলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
ছবি : কালের কণ্ঠ

অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনের (ওআইসি) নারীবিষয়ক সম্মেলনে অংশ নিতে পাকিস্তানের ইসলামাবাদ গেলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি এই সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ওআইসিভুক্ত দেশের এই সম্মেলনের উদ্দেশে রওনা হন। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শায়রুল কবির খান জানান, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ওআইসিভুক্ত ৫৭টি দেশের নারীদের ক্ষমতায়ন, অধিকার সুরক্ষা এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিয়ে এই নবম নারীবিষয়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রতিনিধিরা নারীর উন্নয়ন, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা, নেতৃত্বে নারীর অংশগ্রহণ এবং টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মধ্যে মতবিনিময় করবেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন দেশের নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও সাফল্যের চিত্র সম্মেলনে তুলে ধরবেন।

জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং প্রত্যেক নাগরিকের জন্য সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১১ জুলাই) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শুক্রবার (১০ জুলাই) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, জনমিতিক সম্ভাবনাকে টেকসই উন্নয়নের শক্তিতে রূপান্তর, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের শক্তিশালীকরণ এবং নারী ও যুবসমাজের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, “আমাদের উন্নয়ন-অভিযাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হলো তরুণদের সম্ভাবনাকে জাতীয় অগ্রগতির চালিকাশক্তিতে পরিণত করা। সে লক্ষ্যে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবার পরিকল্পনাকে সমন্বিত করে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আমি দেশবাসী, বিশেষ করে নবীন প্রজন্মকে দিবসটির চেতনা ধারণ ও বাস্তবায়নে সক্রিয় অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানাই। এ বছরের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ আমাদের জাতীয় উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।”

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এমন একটি প্রজন্মের ওপর, যারা হবে শিক্ষিত, দক্ষ, প্রযুক্তিবান্ধব, সুস্থ, মানবিক ও উদ্ভাবনী। তরুণদের স্বপ্ন ও সম্ভাবনার বিকাশে রাষ্ট্রকে এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে তারা মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণ করবে, কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা লাভ করবে এবং নিজেদের ইচ্ছা, সক্ষমতা ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও সুখী পরিবার গড়ে তুলতে পারবে।

আজকের তরুণরাই তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির প্রধান শক্তি জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ, যেখানে প্রত্যেক তরুণ-তরুণী যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশীয় ও বৈশ্বিক শ্রমবাজারে নিজেদের সক্ষমতার স্বাক্ষর রাখবে এবং জাতীয় উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

‘আমরা বিশ্বাস করি, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিশ্চিত হলে তরুণরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারবে এবং দায়িত্বশীল পরিবার গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তেও সচেতন ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে,’ যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান জানান, একটি উন্নত জাতি গঠনের পূর্বশর্ত হলো সুস্থ জনগোষ্ঠী। সেই লক্ষ্য অর্জনে সরকার সবার জন্য সহজলভ্য, মানসম্মত ও জবাবদিহিমূলক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। একই সঙ্গে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে আরো কার্যকর করা, প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। এ সমন্বিত প্রচেষ্টাই ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভিত্তি সুদৃঢ় করবে।

‘তবে বাল্যবিবাহ, কিশোরী মাতৃত্ব এবং অপুষ্টির মতো চ্যালেঞ্জ এখনো আমাদের তরুণ প্রজন্মের বিকাশ ও অগ্রযাত্রার পথে বড় বাধা হয়ে রয়েছে। এসব সমস্যা শুধু একজন কিশোরী বা একটি পরিবারের নয়; এগুলোর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষার ধারাবাহিকতা, নারীর ক্ষমতায়ন, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং জাতীয় উৎপাদনশীলতার ওপর। এ কারণে সরকার বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, কিশোর-কিশোরীদের জন্য মানসম্মত যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, পুষ্টি উন্নয়ন এবং জীবনদক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ও সেবা জোরদারে সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বাণীতে বলেন, ‘আমার দৃঢ় বিশ্বাস, প্রত্যেক তরুণ-তরুণী যদি সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে বেড়ে ওঠার সমান সুযোগ পায়, তবে তারাই আগামী দিনের সম্ভাবনাময়, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হবে। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আসুন, আমরা সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে প্রত্যেক তরুণের আশা, আকাঙ্ক্ষা ও সম্ভাবনা বাস্তবে বিকশিত হবে এবং একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও মানবিক ভবিষ্যৎ নির্মাণে তারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। আমি বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি।’