• ই-পেপার

ছয় দিন পর আবার শুরু সংসদ অধিবেশন

প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার
সম্প্রতি মালয়েশিয়া সফর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করতে আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের পর বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য আবারো খুলে দেওয়া হয়েছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। গতকাল সোমবার (৬ জুলাই) থেকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট সার্কিট হাউজে এ কথা জানান তিনি। আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে বিনা খরচে কর্মী পাঠানো শুরু হবে বলে আশা করছে সরকার।

প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, খুব দ্রুতই মধ্যপ্রাচ্য, জাপান, মরিশাসের শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে।

তবে এবার মালয়েশিয়া নয়, বাংলাদেশই রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন করবে। তাই সিন্ডিকেট ও দুর্নীতি এড়াতে সরকার ও এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরেও দেশটির শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। দুই দেশের সরকারের আলোচনার মাধ্যমে আইনি জটিলতা দ্রুত কাটিয়ে শ্রমবাজার আবারও চালুর ঘোষণা এলো। 

সরকারি অফিসগুলোতে শূন্য পদ ৫ লাখ ২২ হাজার : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
সরকারি অফিসগুলোতে শূন্য পদ ৫ লাখ ২২ হাজার : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

গত ২০২৫ সাল পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী সরকারি অফিসগুলোতে ১৯ লাখ ৮৬ হাজার ২৭২টি অনুমোদিত পদ এবং ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২টি শূন্য পদ আছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। এসব শূন্য পদ পূরণে সরকার ইতোমধ্যে ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে বলেও তিনি জানান।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সাবিকুন্নাহারের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, ২০২৫ সাল পর্যন্ত হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী সরকারি অফিসসমূহে অনুমোদিত পদ রয়েছে ১৯ লাখ ৮৬ হাজার ২৭২টি এবং শূন্য পদ রয়েছে ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২টি। শূন্য পদ পূরণে সরকার ইতোমধ্যে ৬ মাস, ১ বছর এবং ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, কর্মপরিকল্পনায় বর্ণিত ‘স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ’-এর বিষয়ে অন্যান্য মন্ত্রণালয়/বিভাগের নিয়োগের সর্বশেষ অবস্থা এবং শূন্য পদে নিয়োগের তথ্য এবং নিয়োগের অধিযাচন প্রেরণের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হতে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া দ্রুততম সময়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগের বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য সব মন্ত্রণালয়/বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে।

স্কুল ফিডিংয়ের অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের

নিজস্ব প্রতিবেদক
স্কুল ফিডিংয়ের অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। ছবি : সংগৃহীত

স্কুল ফিডিং কর্মসূচির অনিয়মের অভিযোগের দ্রুত তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দৈনিক কালের কণ্ঠে প্রকাশিত ‘স্কুল ফিডিংয়ে চরম বিশৃঙ্খলা’ শীর্ষক সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেছেন।

প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে অভিযোগগুলোর দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তদন্ত প্রতিবেদন জরুরি ভিত্তিতে মন্ত্রণালয়ে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত খাদ্য নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম, অবহেলা বা দুর্নীতি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা ঠিকাদারের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ, মানসম্মত ও নির্ধারিত পরিমাণ খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।’

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অভিভাবকদের সমন্বয়ে ৫ সদস্যবিশিষ্ট গার্ডিয়ান কমিটির মাধ্যমে নিয়মিত তদারকি, আকস্মিক পরিদর্শন, অভিযোগ পাওয়া মাত্র তাৎক্ষণিক তদন্ত এবং অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ।’

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, দেশের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাস্তবায়িত স্কুল ফিডিং কর্মসূচির মান ও কার্যকারিতা বজায় রাখতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে তা দ্রুত তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

প্রয়োজন অনুযায়ী বিচারপতি-বিচারক নিয়োগ দেবে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রয়োজন অনুযায়ী বিচারপতি-বিচারক নিয়োগ দেবে সরকার
সংগৃহীত ছবি

মামলাজট কমাতে দেশের উচ্চ আদালত এবং অধস্তন আদালতে প্রয়োজনীয়সংখ্যক বিচারপতি ও বিচারক নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২০তম দিনে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মাহফুজা হান্নানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অধিবেশনের এই পর্যায়ে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

সংসদ সদস্য মাহফুজা হান্নান তার প্রশ্নে জানতে চান, `দেশের উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালতের মামলাজট কমাতে নতুন করে বিচারক নিয়োগের মাধ্যমে দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা?’  

জবাবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আাপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতিসহ ৫ জন এবং হাইকোর্ট বিভাগে ১০১ জন বিচারপতি কর্মরত আছেন। উচ্চ আদালতে বিচারাধীন মামলা নিষ্পত্তির জন্য সরকার সংবিধানের আলোকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিচারক নিয়োগের লক্ষ্যে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।’ 

মন্ত্রী জানান, দেশের অধস্তন আদালতগুলোয় বর্তমানে ২ হাজার ৬২০ জন বিচারকের পদ রয়েছে এবং ওই পদগুলোর বিপরীতে ১ হাজার ৯৬৪ জন বিচারক কর্মরত আছেন। অধস্তন আদালতগুলোর শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন কর্তৃক ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার মাধ্যমে ১৫০ জন সিভিল জজ নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ছাড়া ১৯তম বিজেএস পরীক্ষার মাধ্যমে ১৫০ জন এবং ২০তম বিজেএস পরীক্ষার মাধ্যমে ২০০ জন সিভিল জজ নিয়োগের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন বরাবর চাহিদাপত্র প্রেরণ করা হয়েছে। উক্ত চাহিদাপত্র অনুযায়ী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন কাজ করছে।