• ই-পেপার

ক্যান্সার আক্রান্ত সন্তান নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জুলাই শহীদের মায়ের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা

নেপালের জাতীয় পরিকল্পনা কমিশনের ভাইস-চেয়ারম্যান গুনাকর ভট্টের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কাঠমাণ্ডুতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমান। আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) গুনাকর ভট্টের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করা এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের লক্ষ্যে গঠনমূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উভয় পক্ষ স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সংযোগ বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ জোরদারসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

এ ছাড়া, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং উভয় দেশের অভিন্ন সমৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক অন্যান্য ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার বিভিন্ন উপায় ও সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষা‌তে বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি থেকে সুষ্ঠু উত্তরণ নিশ্চিত করতে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-নেপাল দ্বিপাক্ষিক অংশীদারি আরো গভীরতর করা এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক সহযোগিতা এগিয়ে নিতে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
 

স্বাস্থ্য খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
স্বাস্থ্য খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্বাস্থ্য খাতের টেকসই উন্নয়ন এবং নাগরিকদের জন্য সাশ্রয়ী ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর হোটেল আমারিতে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে উদ্যোক্তা উন্নয়নের পথ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায়) ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, উদ্যোক্তা, চিকিৎসক ও নীতিনির্ধারকরা অংশ নেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে শুধু বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি করাই যথেষ্ট নয়। বিদ্যমান সম্পদের কার্যকর ব্যবহার এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির মাধ্যমে জনগণের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব। এ ধরনের যৌথ আলোচনা ও নীতিগত সংলাপ ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।’

তিনি স্বাস্থ্য খাতের জন্য একটি কার্যকর ও দূরদর্শী পরামর্শমূলক জোট গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘দেশে দক্ষ উদ্যোক্তা, আধুনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বেসরকারি হাসপাতাল এবং শক্তিশালী ওষুধ শিল্প রয়েছে। তবে এসব সক্ষমতাকে জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থার সঙ্গে আরো সমন্বিতভাবে যুক্ত করতে হবে।’

অর্থমন্ত্রী জানান, এবারের বাজেটে ওষুধশিল্পের কাঁচামাল উৎপাদন বা এপিআই খাতের উন্নয়নে বিশেষ সহায়তা এবং পৃথক শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশে মেডিক্যাল যন্ত্রপাতি উৎপাদনে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে উল্লেখযোগ্য প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে চিকিৎসা ব্যয়ের বড় একটি অংশ জনগণকে নিজস্ব অর্থ থেকে বহন করতে হয়, যা বিশ্বের অন্যতম উচ্চ হার। এই ব্যয় কমিয়ে আনতে এবং সবার জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য।

স্বাস্থ্যসেবাকে প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার এখন প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রায় এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন অবকাঠামো নির্মাণের পরিবর্তে বিদ্যমান বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতাকে কাজে লাগানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, উপযুক্ত নীতিসহায়তা ও সুযোগ পেলে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা বিশ্বমানের সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন দর্শনের কেন্দ্রবিন্দুতেই রয়েছে বেসরকারি খাতের নেতৃত্বাধীন প্রবৃদ্ধি। তাই স্বাস্থ্য খাতেও উদ্ভাবন, বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তাবৃত্তিকে উৎসাহিত করা হবে।

অর্থমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘সরকারের নীতিগত সহায়তা, দক্ষ উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্য খাতে একটি ইতিবাচক ও যুগান্তকারী পরিবর্তন সম্ভব হবে। এর ফলে জনগণের দোরগোড়ায় আরো সহজে ও সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া যাবে।’

প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার
সম্প্রতি মালয়েশিয়া সফর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করতে আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের পর বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য আবারও খুলে দেওয়া হয়েছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। গতকাল সোমবার (৬ জুলাই) থেকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট সার্কিট হাউসে এ কথা জানান তিনি। আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে বিনা খরচে কর্মী পাঠানো শুরু হবে বলে আশা করছে সরকার।

প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, খুব দ্রুত মধ্যপ্রাচ্য, জাপান, মরিশাসের শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে।

তবে এবার মালয়েশিয়া নয়, বাংলাদেশই রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন করবে। তাই সিন্ডিকেট ও দুর্নীতি এড়াতে সরকার ও এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরেও দেশটির শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। দুই দেশের সরকারের আলোচনার মাধ্যমে আইনি জটিলতা দ্রুত কাটিয়ে শ্রমবাজার আবারও চালুর ঘোষণা এলো।

সরকারি অফিসগুলোতে শূন্য পদ ৫ লাখ ২২ হাজার : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
সরকারি অফিসগুলোতে শূন্য পদ ৫ লাখ ২২ হাজার : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

গত ২০২৫ সাল পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী সরকারি অফিসগুলোতে ১৯ লাখ ৮৬ হাজার ২৭২টি অনুমোদিত পদ এবং ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২টি শূন্য পদ আছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। এসব শূন্য পদ পূরণে সরকার ইতোমধ্যে ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে বলেও তিনি জানান।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সাবিকুন্নাহারের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, ২০২৫ সাল পর্যন্ত হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী সরকারি অফিসসমূহে অনুমোদিত পদ রয়েছে ১৯ লাখ ৮৬ হাজার ২৭২টি এবং শূন্য পদ রয়েছে ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২টি। শূন্য পদ পূরণে সরকার ইতোমধ্যে ৬ মাস, ১ বছর এবং ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, কর্মপরিকল্পনায় বর্ণিত ‘স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ’-এর বিষয়ে অন্যান্য মন্ত্রণালয়/বিভাগের নিয়োগের সর্বশেষ অবস্থা এবং শূন্য পদে নিয়োগের তথ্য এবং নিয়োগের অধিযাচন প্রেরণের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হতে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া দ্রুততম সময়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগের বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য সব মন্ত্রণালয়/বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে।