• ই-পেপার

ভারত-বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বের সব লক্ষ্য অর্জন সম্ভব : দীনেশ ত্রিবেদী

উত্থাপিত বাজেট সম্পূর্ণ ‘ক্রিয়েটিভ’: মির্জা ফখরুল

বাসস
উত্থাপিত বাজেট সম্পূর্ণ ‘ক্রিয়েটিভ’: মির্জা ফখরুল

২০২৬- ২৭ সালের প্রস্তাবিত বাজেটকে উৎপাদন, বিনিয়োগ ও ব্যবসা বান্ধব একটি ‘ক্রিয়েটিভ’ বাজেট হিসেবে অভিহিত করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, সব শ্রেণির মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করে এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে এটি একটি ক্রিয়েটিভ বাজেট।

বৃহস্পতিবার রাতে সংসদ ভবনের নিজের চেম্বারে বাজেটের ওপর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বিএনপির মহাসচিব এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এ বাজেট মূলত উৎপাদন বান্ধব, বিনিয়োগবান্ধব এবং ব্যবসাবান্ধব। এ বাজেটে যে ছাড়গুলো দেওয়া হয়েছে, যে রেয়াত দেওয়া হয়েছে, আমরা এর আগে এত বড় ছাড় দেখতে পাইনি। 

শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে বরাদ্দের দিক তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এর ফলে অর্থনীতি অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে সচল হবে এবং আমরা আশা করি যে, খুব দ্রুত বাংলাদেশের অর্থনীতি আবার ঘুরে দাঁড়াবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে তার চিন্তা-ভাবনাগুলোকে নিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাহেব অর্থ মন্ত্রণালয়ের সকলের সহযোগিতা নিয়ে এই বাজেট প্রণয়ন করেছেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন বসে বিকেল তিনটায়। অর্থমন্ত্রী এই অধিবেশনে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেট উপস্থাপন করেন। স্পিকার রবিবার বিকাল তিনটা পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করেন।

দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনে দেশের অর্থনীতির ভঙ্গুর অবস্থার কথা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের পরে মাঝখানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তারা ঠিক সেভাবে দেশকে একটা ট্র্যাকের মধ্যে ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয়েছে। যার ফলে একটা ভঙ্গুর অর্থনীতি, একটা অগোছালো প্রশাসন এবং অর্থনীতির চরম দুরবস্থার মধ্যে দিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে এবং দায়িত্ব এসে পড়েছে বিএনপি সরকারের উপরে।

তিনি বলেন, সেই ধারাবাহিকতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট পেশ করেছেন। এই বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে দেশের অর্থনীতিকে পুনরায় গঠনে সরকার কতটা আন্তরিক। একই সঙ্গে সরকার অর্থনীতিতে গতি ফিরিয়ে আনতে চায়। এর সবচেয়ে বড় দিক হচ্ছে, সম্পূর্ণ একটা ক্রিয়েটিভ বাজেট বলব আমি এটাকে। এর মধ্যে কতগুলো পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, যে পদক্ষেপগুলো আমরা কেউ চিন্তাও করতে পারি না।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এখানে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে, এটা একটা বিশাল ব্যাপার এবং এতে আগামী অর্থবছরে প্রায় ৪১ লাখ পরিবার প্রধান মহিলাদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হবে। সেখানে ফ্যামিলি কার্ডে খরচ হবে ১ লাখ তিনশ’ ৩৮ কোটি টাকা। এই বরাদ্দ এই অর্থবছরে। পরে সেটা বাড়তে থাকবে।’

‘একইভাবে কৃষক কার্ড করা হয়েছে, প্রতি কৃষক পাবেন আড়াই হাজার টাকা করে। মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয়ে প্রতিমাসে সম্মানী প্রদান করা হবে, খাল- খননের মধ্য দিয়ে কৃষিতে সেচের ব্যবস্থা, পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা, মৎস্য চাষ এই ধরনের উদ্যোগগুলোকে উৎসাহিত করা হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সবচেয়ে বড় আমার কাছে যে জিনিসটা সেটা হলো, দেশীয় উৎপাদনের ক্ষেত্রে যারা বিভিন্ন খাতে উৎপাদন করতে যাবেন, বিনিয়োগ করতে যাবেন তাদেরকে যে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে এটা আগে কখনো দেওয়া হয়নি এবং সমস্ত কর রেয়াত দেওয়া হয়েছে এবং অন্য সব রকমের সুবিধা প্রদান করা হয়েছে এবং যেখানে যেগুলো আমাদের দেশীয় উৎপাদন হয়, সেগুলোকে প্রটেকশন দেওয়ার জন্য বিদেশ থেকে আমদানি করার ব্যাপারে কর আরোপ করা হয়েছে অর্থাৎ প্রটেকশন পুরোপুরিভাবে দেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, কৃষির ক্ষেত্রেও সেটা করা হয়েছে এবং আমাদের ক্রিয়েটিভ ইকোনমি যেটাকে বলছে এটা অত্যন্ত নতুন ধরনের একটা চিন্তাভাবনা। স্পোর্টস ইকোনমিতে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের মাসিক সম্মানী প্রদান করা হচ্ছে, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস আয়োজন করা হবে এবং ইন্টার স্কুল খেলা আবার চালু করা হচ্ছে।

‘একই সঙ্গে ১২ থেকে ১৪ বছরের ক্রীড়া শিক্ষার্থীদেরকে বৃত্তি প্রদান করা হবে এবং ৬৪ জেলায় ৬৪ ভিলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। এগুলো সম্পূর্ণ নতুন চিন্তা এবং একই সঙ্গে সংস্কৃতির ক্ষেত্রে সংস্কৃতিকে পুরোপুরিভাবে একটা ইকোনমির মধ্যে নিয়ে আসার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। একটি গ্রাম একটি পণ্য উদ্যোগের আওতায় মৃৎশিল্প, বুনন শিল্প শীতল পাটি সৎরঞ্জিসহ সব ধরনের ক্রিয়েটিভ পণ্য চিহ্নিত করে সেগুলোকে বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা করা হবে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘লোক সংস্কৃতি, হস্তশিল্পের আন্তর্জাতিক বাজার প্রসারের চেষ্টা করা হবে। রাজধানীর পূর্বাঞ্চলে ১৬০ একর জায়গার উপর বিশ্বমানের ‘ক্রিয়েটিভ হাব’ স্থাপন করা হবে। এই জিনিসগুলো হচ্ছে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের চিন্তাভাবনা। এগুলা আমাদের অর্থনীতিকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

এসএসই খাতের বিকাশে শর্তে ঋণ বিতরণ, প্রবাসী কার্ড প্রদান, হাইটেক পার্ক প্রভৃতি খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, গ্রামীণ সড়ক সংরক্ষণে নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এভাবে প্রতিটি ক্ষেত্রে দেখবেন যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আপনার বিনিয়োগ বৃদ্ধির ব্যাপারটা এখানে প্রধান হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করতে আইনের সংস্কার ও সহজীকরণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর ফলে যারা বিদেশ থেকে বিনিয়োগ করতে আসবেন তারাও উপকৃত হবেন, যারা দেশে বিনিয়োগ করবেন তারা উপকৃত হবেন।

শিক্ষাখাতে জিডিপির  ২ শতাংশ বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ১ দশমিক ১ এ উন্নীত করার এই দুই খাতে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করেন মির্জা ফখরুল।

রাজস্ব আয় বৃদ্ধির জন্য কর প্রদানে হয়রানি রোধের কথা উল্লেখ করে অর্থনীতির সাবেক অধ্যাপক মির্জা ফখরুল বলেন, আইনের নিয়ন্ত্রণের কারণে ব্যবসায়ীরা এখানে ব্যবসা করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতো না, সেগুলোকে তুলে দেয়া হয়েছে। এখন ব্যবসায়ীরা স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবসা করতে পারবেন। তারা নিজেরা কর দিতে পারবেন, রিটার্ন দিতে পারবেন সহজভাবে। আমার কাছে মনে হয়েছে এগুলোকে বেশি বাজেটে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

‘করনীতি ও কর ব্যবস্থাপনাকে পৃথক্‌করণ করা হয়েছে। করদাতাদের পরিধিটাকে অনেক বৃদ্ধি করা হচ্ছে। কাস্টমসের পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন হবে, স্বয়ংক্রিয় কর মাধ্যমে উৎস কর যাচাইয়ের সময় কমিয়ে আনা হবে, জনবান্ধব কর প্রশাসন গঠনের মাধ্যমে করের আওতা বৃদ্ধি করা হবে, রপ্তানি সম্ভাবনাময় সকল খাতকে কাস্টমস বন্ডের আওতায় শুল্ক মুক্ত ভাবে কাঁচামাল উপকরণ আমদানি সুবিধা প্রদান করা হবে। এই উদ্যোগগুলো এই বাজেটের সবচেয়ে মূল বিষয়। আমি মনে করি যে এই বাজেট নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটা যুগান্তকারী বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে।’

বাজেটে মূল্যস্ফীতি রোধে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে মূল্যস্ফীতি এমনিতেই কমে আসবে।’

নতুন পে স্কেল জুলাই থেকেই কার্যকর, কার বেতন কত?

অনলাইন ডেস্ক
নতুন পে স্কেল জুলাই থেকেই কার্যকর, কার বেতন কত?

দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো (পে স্কেল) ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১ জুলাই থেকে এই পে-স্কেল কার্যকর হবে। তবে এটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। বরাদ্দ বাড়বে ৯৬ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে এ খাতের বরাদ্দ নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি তিনি।

বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মচারীরা বিগত প্রায় ১১ বছর ধরে একই বেতন কাঠামোতে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। ইতোমধ্যে মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো আগামী ১ জুলাই (২০২৬) হতে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করার ঘোষণা দিচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল—এর মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও অবকাঠামোগত বৈষম্য কমিয়ে সমতাভিত্তিক সুষম উন্নয়নে বহুমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো তথা পে স্কেল আগামী মাস থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে।

এ ছাড়া সব পর্যায়ে দ্বিগুণ থেকে আড়াইগুণের মতো মূল বেতন বাড়ানো হয়েছে নতুন বেতন কাঠামোতে। এর ফলে সর্বনিম্ন গ্রেডে বাড়িভাড়াসহ মূল বেতনের সঙ্গে সব ভাতা যোগ করে দাঁড়াবে ৪১ হাজার ৯০৮ টাকা।

গ্রেড ১ : ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

গ্রেড ২ : ৬৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা।

গ্রেড ৩ : ৫৬ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা।

গ্রেড ৪ : ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা।

গ্রেড ৫ : ৪৩ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮৬ হাজার টাকা।

গ্রেড ৬ : ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭১ হাজার টাকা।

গ্রেড ৭ : ২৯ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৮ হাজার টাকা।

গ্রেড ৮ : ২৩ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৭ হাজার ২০০ টাকা।

গ্রেড ৯ : ২২ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৫ হাজার ১০০ টাকা।

গ্রেড ১০ : ১৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩২ হাজার টাকা।

গ্রেড ১১ : ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা।

গ্রেড ১২ : ১১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৪ হাজার ৩০০ টাকা।

গ্রেড ১৩ : ১১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৪ হাজার টাকা।

গ্রেড ১৪ : ১০ হাজার ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা।

গ্রেড ১৫ : ৯ হাজার ৭০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২২ হাজার ৮০০ টাকা।

গ্রেড ১৬ : ৯ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১ হাজার ৯০০ টাকা।

গ্রেড ১৭ : ৯ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১ হাজার ৪০০ টাকা।

গ্রেড ১৮ : ৮ হাজার ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১ হাজার টাকা।

গ্রেড ১৯ : ৮ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার ৫০০ টাকা।

গ্রেড ২০ : ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা।

আন্তর্জাতিক শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস আজ

অনলাইন ডেস্ক
আন্তর্জাতিক শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস আজ
প্রতীকী ছবি

আন্তর্জাতি শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস আজ (১২ জুন)। দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য, ‘শিশুশ্রমকে লাল কার্ড : শিশুদের জন্য ন্যায্যতা, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ কাজ’। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি নানা আনুষ্ঠানিকতায় পালিত হয়ে থাকে।  

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ৮ জুন প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের তথ্যমতে, বিশ্বজুড়ে বর্তমানে প্রায় ১৩ কোটি ৮০ লাখ অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুশ্রমের সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে প্রায় ৫ কোটি ৪০ লাখ শিশু ঝুঁকিপূর্ণ কাজের সঙ্গে যুক্ত।

বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এ বছরের প্রতিপাদ্য, ‘শিশুশ্রমকে না বলি, শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করি’।

সড়কপথে ঢাকায় আসছেন দীনেশ ত্রিবেদী

অনলাইন ডেস্ক
সড়কপথে ঢাকায় আসছেন দীনেশ ত্রিবেদী
দীনেশ ত্রিবেদী

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আজ শুক্রবার সড়কপথ দিয়ে ঢাকায় পৌঁছাবেন। কলকাতা থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত হয়ে তিনি ঢাকায় আসবেন বলে জানা গেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় বেনাপোল সীমান্তে পৌঁছাবেন। তার সঙ্গে থাকবেন স্ত্রী মিনাল ত্রিবেদী। তার আগমন উপলক্ষে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রোটোকল ব্যবস্থা ইতিমধ্যে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশে দীনেশ ত্রিবেদীর আগমনের আগেই দুই দেশের টানাপোড়েন কাটিয়ে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্কের বার্তা দেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার কলকাতায় নেতাজি ভবন পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত এই নতুন হাইকমিশনার। বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত যেমন অভিন্ন, তেমনি স্বপ্নও অভিন্ন—তাই ভালোবাসা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আমার একমাত্র অগ্রাধিকার হলো বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের সম্পর্ক। আমরা সবাই ভাই-বোন। আমি আগেই বলেছি, আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য সীমান্ত নয়, স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নও অভিন্ন। (বাংলায় তিনি বলেন) একই আকাশ, একই বাতাস, একই যন্ত্রণা। তাই আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। প্রয়োজন শুধু ভালোবাসা ও পারস্পরিক আন্তরিকতা। তাহলেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।’

গত ৫ জুন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে লেটার্স অব ক্রিডেনশিয়ালস (পত্রাধিকার) গ্রহণ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব পালনের আইনি ও কূটনৈতিক অনুমোদন লাভ করেন। এপ্রিল মাসে নিয়োগ ঘোষণার পর থেকে তিনি প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং এখন ঢাকায় এসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির কাছে ক্রিডেনশিয়ালস উপস্থাপন করে আনুষ্ঠানিকভাবে মিশন শুরু করবেন।