• ই-পেপার

অর্থমন্ত্রীর বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন আজ

ভারত-বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বের সব লক্ষ্য অর্জন সম্ভব : দীনেশ ত্রিবেদী

অনলাইন ডেস্ক
ভারত-বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বের সব লক্ষ্য অর্জন সম্ভব : দীনেশ ত্রিবেদী
সংগৃহীত ছবি

ভারত ও বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বের যেকোনো লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব বলে মনে করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। গতকাল বৃহস্পতিবার কলকাতায় নেতাজি ভবন পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন তিনি। সড়ক পথে বেনাপোল হয়ে আজ শুক্রবার ঢাকায় আসছেন দীনেশ ত্রিবেদী।

তিনি বলেন, ‘আমার একমাত্র অগ্রাধিকার হলো বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের সম্পর্ক। আমরা সবাই ভাই-বোন। আমি আগেই বলেছি, আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য সীমান্ত নয়, স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নও অভিন্ন। (বাংলায় তিনি বলেন) একই আকাশ, একই বাতাস, একই যন্ত্রণা। তাই আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। প্রয়োজন শুধু ভালোবাসা ও পারস্পরিক আন্তরিকতা। তাহলেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।’

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক শুধু সীমান্তের নয়। বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের সঙ্গেও আমরা যুক্ত। আমাদের স্বপ্ন অভিন্ন। গণতন্ত্রের স্বপ্ন আমাদের সবার। তাই আমি শুধু ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের কথা বলছি না; এর সঙ্গে বাংলাদেশের আরও ২০ কোটি মানুষকে যোগ করছি। এই ১৬০ কোটি মানুষ, যারা আমাদের ভাই-বোন ও মা—তাদের কল্যাণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিশ্চিত, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর আশীর্বাদ, ভারতের মানুষের শুভকামনা এবং বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন আমাকে সাহায্য করবে, যাতে আমরা একসঙ্গে এগিয়ে যেতে পারি এবং আমাদের লক্ষ্য অর্জনে সফল হতে পারি। একে অপরের মঙ্গল কামনা করার চেয়ে ভালো আর কিছু হতে পারে না।’

নেতাজি ভবন পরিদর্শনের সুযোগ পাওয়ায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিজেপি নেতা বলেন, ‘আসলে আমি নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে করি। আমি এই এলাকাতেই বড় হয়েছি। এখান থেকে প্রায় ৪০০ গজ দূরে আমার বাড়ি, যেখানে আমি শৈশব কাটিয়েছি। তাই নেতাজিকে ঘিরে যে আবেগ, তা নিয়ে আমরা বড় হয়েছি। আমরা যে মূল্যবোধগুলো ধারণ করেছি, তার জন্য নেতাজির প্রতি কৃতজ্ঞ। আমার জন্য এর চেয়ে ভালো আর কিছু হতে পারে না যে দায়িত্ব নেওয়ার আগে নেতাজি ভবনে এসে তার থেকে প্রেরণা গ্রহণ করছি এবং গণতন্ত্রের সেই মূল্যবোধগুলো ধারণ করছি, যার জন্য নেতাজি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আমি নেতাজির আশীর্বাদ নিয়ে এমন এক দায়িত্ব পালনে যাচ্ছি, যা ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং এ দেশের জনগণ আমাকে দিয়েছেন।’

ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীনেশ ত্রিবেদী একজন বিরল ব্যক্তিত্ব, যিনি একজন রাজনীতিক হয়েও হাইকমিশনার হিসেবে কূটনৈতিক দায়িত্ব পেয়েছেন। এর আগে তিনি ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে তিনি ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দেন। বিদায়ী হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মাকে বেলজিয়াম এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস আজ

অনলাইন ডেস্ক
আন্তর্জাতিক শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস আজ
প্রতীকী ছবি

আন্তর্জাতি শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস আজ (১২ জুন)। দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য, ‘শিশুশ্রমকে লাল কার্ড : শিশুদের জন্য ন্যায্যতা, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ কাজ’। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি নানা আনুষ্ঠানিকতায় পালিত হয়ে থাকে।  

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ৮ জুন প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের তথ্যমতে, বিশ্বজুড়ে বর্তমানে প্রায় ১৩ কোটি ৮০ লাখ অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুশ্রমের সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে প্রায় ৫ কোটি ৪০ লাখ শিশু ঝুঁকিপূর্ণ কাজের সঙ্গে যুক্ত।

বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এ বছরের প্রতিপাদ্য, ‘শিশুশ্রমকে না বলি, শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করি’।

সড়কপথে ঢাকায় আসছেন দীনেশ ত্রিবেদী

অনলাইন ডেস্ক
সড়কপথে ঢাকায় আসছেন দীনেশ ত্রিবেদী
দীনেশ ত্রিবেদী

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আজ শুক্রবার সড়কপথ দিয়ে ঢাকায় পৌঁছাবেন। কলকাতা থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত হয়ে তিনি ঢাকায় আসবেন বলে জানা গেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় বেনাপোল সীমান্তে পৌঁছাবেন। তার সঙ্গে থাকবেন স্ত্রী মিনাল ত্রিবেদী। তার আগমন উপলক্ষে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রোটোকল ব্যবস্থা ইতিমধ্যে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশে দীনেশ ত্রিবেদীর আগমনের আগেই দুই দেশের টানাপোড়েন কাটিয়ে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্কের বার্তা দেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার কলকাতায় নেতাজি ভবন পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত এই নতুন হাইকমিশনার। বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত যেমন অভিন্ন, তেমনি স্বপ্নও অভিন্ন—তাই ভালোবাসা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আমার একমাত্র অগ্রাধিকার হলো বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের সম্পর্ক। আমরা সবাই ভাই-বোন। আমি আগেই বলেছি, আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য সীমান্ত নয়, স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নও অভিন্ন। (বাংলায় তিনি বলেন) একই আকাশ, একই বাতাস, একই যন্ত্রণা। তাই আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। প্রয়োজন শুধু ভালোবাসা ও পারস্পরিক আন্তরিকতা। তাহলেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।’

গত ৫ জুন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে লেটার্স অব ক্রিডেনশিয়ালস (পত্রাধিকার) গ্রহণ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব পালনের আইনি ও কূটনৈতিক অনুমোদন লাভ করেন। এপ্রিল মাসে নিয়োগ ঘোষণার পর থেকে তিনি প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং এখন ঢাকায় এসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির কাছে ক্রিডেনশিয়ালস উপস্থাপন করে আনুষ্ঠানিকভাবে মিশন শুরু করবেন।

হজ শেষে ফিরলেন ৫২৪৯১ হাজি

অনলাইন ডেস্ক
হজ শেষে ফিরলেন ৫২৪৯১ হাজি

হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত ১২৩টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৫২ হাজার ৪৯১ জন বাংলাদেশি হাজি। দেশে প্রত্যাবর্তনকারী হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ২৮৯ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪৮ হাজার ২০২ জন।

এদিকে হজ পালনে সৌদিতে গিয়ে হজ সম্পন্ন হওয়ার আগে এবং পরে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৪৯ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ এবং ১৬ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় ৩৫ জন, মদিনায় ১৩ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা যান।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যে জানা যায়, ১২ জুন (সৌদি সময়) পর্যন্ত দেশে ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে শীর্ষে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

সংস্থাটি এখন পর্যন্ত ২১ হাজার ৯২০ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এ ছাড়া সৌদি এয়ারলাইনস পরিবহন করেছে ১৮ হাজার ৮৮০ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৮ হাজার ৩৮০ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ফিরেছেন ৩ হাজার ৩১১ জন হাজি।

হজযাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এখন পর্যন্ত মোট ১২৩টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করেছে ৫৫টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৪৭টি এবং ফ্লাইনাস ২১টি ফ্লাইট।

স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ৬২ হাজার ২৪৩টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৭ হাজার ৪১০টি সেবা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ৪১০ জন বাংলাদেশি হাজি। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২৪ জন। তাদের মধ্যে সৌদি ন্যাশনাল হাসপাতালে ৯ জন, কিং আব্দুল আজিজ হাসপাতালে ১ জন, কিং ফয়সাল হাসপাতালে ১, সৌদি জার্মান হাসপাতালে ১, কেয়ার মেডিক্যালে ৩, মক্কা মেডিক্যাল সেন্টারে ৪, হেরা জেনারেল হাসপাতালে ২, হায়াত ন্যাশনাল হাসপাতালে ১, কিং ফাহাদ জেনারেল হাসপাতালে ২ ভর্তি রয়েছেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যান। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে আগামী ৩০ জুন। হজযাত্রীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।