• ই-পেপার

বাজেট

বেতন-ভাতায় বরাদ্দ ৮৯ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা

বিশ বছর পর বাজেট প্রণয়নে বিএনপি

অনলাইন ডেস্ক
বিশ বছর পর বাজেট প্রণয়নে বিএনপি

বাজেট প্রণয়নে সফল অর্থমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছেন বিএনপির নেতা মরহুম এম সাইফুর রহমান। অর্থনৈতিক সংস্কার, বিশ্বায়নের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনীতির সংযোগ স্থাপন এবং মুক্তবাজার অর্থনীতি চালুর অন্যতম রূপকার হিসেবে তাকে বিবেচনা করা হয়।

জাতীয় সংসদে সর্বোচ্চ ১২ বার বাজেট উপস্থাপনের অনন্য রেকর্ডও রয়েছে তার দখলে। ২০০৬ সালের ৬ জুন বিএনপি সরকারের শেষ বাজেট উপস্থাপন করেছিলেন এম সাইফুর রহমান।

এরপর তত্ত্বাবধায়ক সরকার, আওয়ামী লীগ সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অতিক্রম করে প্রায় দুই দশক পর আবারও বিএনপি সরকারের বাজেট আসতে যাচ্ছে। এবার অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী তার প্রথম বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন তিনি। বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।

ফলে প্রায় ২০ বছর পর বাজেট প্রণয়নের সঙ্গে বিএনপির যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, তার অবসান ঘটতে যাচ্ছে।

জিয়ার হাত ধরে সূচনা

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালের ২৬ জুন প্রথম বাজেট উপস্থাপন করেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তিনি টানা তিনটি বাজেট ঘোষণা করেন।

১৯৭৬-৭৭ অর্থবছরে ১ হাজার ৯৮৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, ১৯৭৭-৭৮ অর্থবছরে ২ হাজার ১৮৪ কোটি টাকা এবং ১৯৭৮-৭৯ অর্থবছরে ২ হাজার ৪৯৯ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন তিনি।

১৯৭৯ সালের শেষ দিকে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মির্জা নূরুল হুদাকে অর্থমন্ত্রী নিয়োগ দেন। তিনি ১৯৭৯-৮০ অর্থবছরের জন্য ৩ হাজার ৩১৭ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেন।

সাইফুর রহমানের উত্থান

জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর বিচারপতি আবদুস সাত্তারের আমলে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পান এম সাইফুর রহমান। ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো ৩ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন তিনি। পরবর্তী ১৯৮১-৮২ অর্থবছরে তার উপস্থাপিত বাজেটের আকার ছিল ৪ হাজার ৭৮৮ কোটি টাকা।

এরপর দীর্ঘ বিরতির পর ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এলে আবারও অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি। ১৯৯১-৯২ অর্থবছরে ১৬ হাজার ৩৭৩ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপনের মাধ্যমে নতুন যুগের সূচনা করেন।

তার উল্লেখযোগ্য কৃতিত্বগুলোর মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক সংস্কার, বাণিজ্য উদারীকরণ এবং করব্যবস্থার আধুনিকীকরণ। নব্বইয়ের দশকে দাতানির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসার লক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়ন করেন।

বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রবর্তন তার অন্যতম বড় অবদান হিসেবে বিবেচিত হয়। সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং কর ব্যবস্থাকে আধুনিক করার লক্ষ্যে তিনি দেশে প্রথমবারের মতো ভ্যাট চালু করেন।

এ ছাড়া ২০০৩ সালে টাকা ও মার্কিন ডলারের বিনিময় হার পুরোপুরি বাজারভিত্তিক করে দেন, যা সে সময় একটি সাহসী ও সফল অর্থনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে প্রশংসিত হয়।

রেকর্ড গড়া ১২তম বাজেট

২০০৬ সালের ৬ জুন ২০০৬-০৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন এম সাইফুর রহমান। এটি ছিল তার উপস্থাপিত ১২তম এবং শেষ বাজেট। ওই বাজেটের আকার ছিল ৬৯ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা। এর মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদে সর্বোচ্চ ১২ বার বাজেট উপস্থাপনের রেকর্ড গড়েন তিনি।

পরবর্তীতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুটি বাজেট উপস্থাপন করেন এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর একই বছরের সেপ্টেম্বরে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান এম সাইফুর রহমান।

২০০৯-১০ থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছর পর্যন্ত টানা ১০টি বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এর আগে ১৯৮২-৮৩ ও ১৯৮৩-৮৪ অর্থবছরেও তিনি বাজেট দিয়েছিলেন। ফলে তার মোট বাজেটের সংখ্যা ১২ হলেও এম সাইফুর রহমানই প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ১২ বার বাজেট উপস্থাপনের রেকর্ড গড়েন।

নতুন প্রেক্ষাপটে বিএনপির প্রত্যাবর্তন

২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় পরিবর্তন আসে। এরপর প্রায় ১৮ মাস দায়িত্ব পালন করে অন্তর্বর্তী সরকার।

এই সময়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন তৎকালীন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তার উপস্থাপিত বাজেটের আকার ছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এম সাইফুর রহমান অর্থমন্ত্রী থাকাকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ছিলেন সালেহউদ্দিন আহমেদ।

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসে বিএনপি। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

দায়িত্ব গ্রহণের চার মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই তাকে একটি বিশাল বাজেট উপস্থাপন করতে হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে তিনি প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করবেন বলে জানা গেছে।

এর মাধ্যমে দুই দশক পর আবারও বিএনপি সরকারের সরাসরি বাজেট প্রণয়ন ও উপস্থাপনা প্রত্যক্ষ করবে দেশ।

বিএনপির ১৭তম বাজেট

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এর আগে ২০০১ সালে বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০০৪ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত সে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটসহ স্বাধীনতার পর থেকে দেশের মোট ৫৫টি বাজেটের মধ্যে বিএনপির উপস্থাপিত বাজেটের সংখ্যা দাঁড়াবে ১৭টি। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে উপস্থাপিত বাজেটের সংখ্যা ২৫টি।

সংখ্যার বিচারে আওয়ামী লীগ এগিয়ে থাকলেও বাজেট প্রণয়ন ও অর্থনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রে এম সাইফুর রহমানের অবদান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে রয়েছে বলে মনে করেন খাতসংশ্লিষ্টরা। তার প্রবর্তিত বহু নীতি আজও দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সূত্র : বাংলানিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

বাজেট

স্বাস্থ্য খাতে ৬২ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

অনলাইন ডেস্ক
স্বাস্থ্য খাতে ৬২ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

স্বাস্থ্য খাতে ৬২ হাজার ৮৫২ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। যা প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় ২০ হাজার ৯৪৪ কোটি টাকা বেশি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ৩৪ হাজার ৭৯৮ কোটি বারাদ্দ ছিল। 

প্রস্তাবিত বাজেটে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জন্য বরাদ্দ নির্ধারণ করা হচ্ছে ৪৯ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকা, যা আগের বছরের সংশোধিত বাজেট ২১ হাজার ৯৩৩ কোটি টাকা এবং মূল বাজেট ১৪ হাজার ৭৬৩ কোটি টাকার তুলনায় বেশি। এর মধ্যে উন্নয়ন খাতে ২৬ হাজার ৮০৫ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। 

স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের বরাদ্দ ১৩ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা ধরা হচ্ছে, যা আগের বছরের সংশোধিত বাজেট ৬ হাজার ১২১ কোটি টাকা এবং মূল বাজেট ৪ হাজার ২৬৮ কোটি টাকার তুলনায় বেশি। এ বিভাগের উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ ৮ হাজার ২২১ কোটি টাকা।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বরাদ্দ ধরা হচ্ছে ২৬ হাজার ৮০৬ কোটি টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রকৃত ব্যয় ছিল ২ হাজার ১ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল বাজেটে বরাদ্দ ১১ হাজার ৬১৭কোটি টাকা থাকলেও সংশোধিত বাজেটে তা ৩ হাজার ১১৮ কোটি টাকায় নেমে আসে।

স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগে এডিপি বরাদ্দ ৮ হাজার ২২১ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রকৃত ব্যয় ছিল ৪১২ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল বাজেট ৫ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা থেকে সংশোধিত বাজেটে ১ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকায় কমে আসে। দুই বিভাগের সম্মিলিত এডিপি বরাদ্দ ধরা হচ্ছে ৩৫ হাজার ২৬ কোটি টাকা।

প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের বিশাল এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক-দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।

বাজেট পেশ করতে সংসদে পৌঁছেছেন অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বাজেট পেশ করতে সংসদে পৌঁছেছেন অর্থমন্ত্রী

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করতে জাতীয় সংসদে পৌঁছেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে পৌঁছান তিনি। সকাল ১০টায় বাজেট উপলক্ষে বিশেষ মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। 

আরো পড়ুন
কুয়েতের আকাশসীমা সাময়িক বন্ধ ঘোষণা

কুয়েতের আকাশসীমা সাময়িক বন্ধ ঘোষণা

 

সংসদে পৌঁছে অর্থমন্ত্রী বলেন, সীমিত সম্পদের মধ্যেও দেশের সব মানুষের জন্য স্বস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে এবারের বাজেট প্রণয়ন করেছে সরকার।

এর আগে বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমানের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটের সব বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপটও কিছুটা ভিন্ন। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে। ফলে জাতির প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষাও অনেক বেশি। সেই প্রত্যাশা, চিন্তা-ভাবনা ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বাজেট প্রণয়নের চেষ্টা করা হয়েছে।’
  
 

হজ শেষে ফিরলেন ৪৯৯৮২ হাজি

অনলাইন ডেস্ক
হজ শেষে ফিরলেন ৪৯৯৮২ হাজি

হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত ১১৬টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৪৯ হাজার ৯৮২ জন বাংলাদেশি হাজি। দেশে প্রত্যাবর্তনকারী হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ২৮৯ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪৫ হাজার ৬৯৩ জন।

এদিকে হজ পালনে সৌদিতে গিয়ে হজ সম্পন্ন হওয়ার আগে এবং পরে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৪৯ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ এবং ১৬ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় ৩৫ জন, মদিনায় ১৩ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা যান।

আরো পড়ুন
নতুন পে-স্কেলে আলাদা বরাদ্দ থাকছে না

নতুন পে-স্কেলে আলাদা বরাদ্দ থাকছে না

 

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যে জানা যায়, ১১ জুন (সৌদি সময়) পর্যন্ত দেশে ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে শীর্ষে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

সংস্থাটি এখন পর্যন্ত ২০ হাজার ৩৫৫ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এ ছাড়া সৌদি এয়ারলাইনস পরিবহন করেছে ১৮ হাজার ৪৯৭ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৮ হাজার ৩৯ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ফিরেছেন ৩ হাজার ৯১ জন হাজি।

হজযাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এখন পর্যন্ত মোট ১১৬টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করেছে ৫০টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৪৬টি এবং ফ্লাইনাস ২০টি ফ্লাইট।

আরো পড়ুন
বায়ুদূষণের শীর্ষে জাকার্তা, ঢাকার বায়ুমান ‘অস্বাস্থ্যকর’

বায়ুদূষণের শীর্ষে জাকার্তা, ঢাকার বায়ুমান ‘অস্বাস্থ্যকর’

 

স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ৬১ হাজার ৪৭৩টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৭ হাজার ৩১৫টি সেবা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ৪১০ জন বাংলাদেশি হাজি। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২৫ জন। তাদের মধ্যে সৌদি ন্যাশনাল হাসপাতালে ১০ জন, কিং আব্দুল আজিজ হাসপাতালে ১ জন, কিং ফয়সাল হাসপাতালে ১, সৌদি জার্মান হাসপাতালে ১, কেয়ার মেডিক্যালে ৩, মক্কা মেডিক্যাল সেন্টারে ৪, হেরা জেনারেল হাসপাতালে ২, হায়াত ন্যাশনাল হাসপাতালে ১, কিং ফাহাদ জেনারেল হাসপাতালে ২ ভর্তি রয়েছেন।

আরো পড়ুন
মধ্যপ্রাচ্যে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের ঝুঁকি, কুয়েত-বাহরাইনে আকাশ প্রতিরক্ষা সক্রিয়

মধ্যপ্রাচ্যে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের ঝুঁকি, কুয়েত-বাহরাইনে আকাশ প্রতিরক্ষা সক্রিয়

 

উল্লেখ্য, চলতি বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যান। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে আগামী ৩০ জুন। হজযাত্রীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।