• ই-পেপার

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টদের জরুরি নির্দেশনা

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎ

সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার বিকালে অধিবেশনের বিরতির ফাঁকে শিক্ষার্থীদের সাথে সাক্ষাৎ করেন তিনি।

এসময় প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন এবং তাদের লেখাপড়ার খোঁজ-খবর নেন। সেইসঙ্গে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে নিজেদের দক্ষ করে তোলারও আহ্বান জানান। এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

বিএনপি সরকারের সংসদ অধিবেশন দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সংসদ অধিবেশন দেখার সুযোগ পান চারজন বিদেশি শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

আজ দুপুরে তারা জাতীয় সংসদে আসেন। এসে তারা সংসদের নির্মাণশৈলী প্রত্যক্ষ করেন। ঘুরে দেখেন লাইব্রেরি। বিভিন্ন স্থানে ফটোসেশনও করেন তারা। পরে সংসদ অধিবেশন প্রত্যক্ষ করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর দেওয়া হয় নামাজের বিরতি। আর সেই বিরতিতে তারা সাক্ষাৎ পান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।

নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ মোট ৬৯ জন, নটর ডেম কলেজের মাধ্যমে ৪৩ জন শিক্ষার্থী ও ১০ জন শিক্ষকসহ ৫৩ জন, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে ৪ জন ইউনিভার্সিটি অফ অক্সফোর্ডের বিদেশি শিক্ষার্থীসহ ৮ জন এবং সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজের মাধ্যমে ১৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল সংসদ ভবন পরিদর্শন ও অধিবেশন প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পান।

বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রযুক্তি দিতে চায় ইতালি

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রযুক্তি দিতে চায় ইতালি

ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আলেসান্দ্রো বলেছেন, ইতালীয় কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পের সূচনা ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। এখন তারা বাংলাদেশের অংশীদারদের এমন প্রযুক্তি দিতে চায়, যা টেকসই উৎপাদন, সরবরাহব্যবস্থা (লজিস্টিকস) এবং বৈশ্বিক বাজারের পরিবর্তিত চাহিদার মতো নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহায়ক হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাজধানীর গুলশানের ক্রাউন প্লাজা হোটেলে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশের বস্ত্র ও পোশাকশিল্পে আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে ইতালির ১১টি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের একটি ব্যবসায়িক প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফরে এসেছে। প্রতিনিধি দলটি মঙ্গলবার থেকে ঢাকায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে। সফরে রয়েছেন ইতালির আঞ্চলিক ট্রেড কমিশনার আন্তোনিয়েত্তা বাক্কানারি, ইতালিয়ান ট্রেড এজেন্সি এবং ইতালির টেক্সটাইল যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারকদের সংগঠন এসিআইএমআইটির কর্মকর্তারা।

ইতালির আঞ্চলিক ট্রেড কমিশনার আন্তোনিয়েত্তা বাক্কানারি বলেন, টেক্সটাইল যন্ত্রপাতি উৎপাদনে উৎকর্ষতার জন্য ইতালি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। নিখুঁত প্রকৌশল দক্ষতা ও আধুনিক শিল্প নকশার সমন্বয়ে তৈরি ইতালীয় যন্ত্রপাতি বিশ্বজুড়ে নির্ভরযোগ্যতা ও উচ্চমানের কর্মক্ষমতার জন্য সমাদৃত। আমরা শুধু যন্ত্র তৈরি করি না, বরং বৈশ্বিক টেক্সটাইল শিল্পের ভবিষ্যৎ নির্মাণ করি।

তিনি জানান, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে ইতালির টেক্সটাইল যন্ত্রপাতি রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় ৭ কোটি ১০ লাখ ইউরো।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ইতালির টেক্সটাইল যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারকদের সংগঠন ACIMIT-এর অধীনে ৩০০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যারা বছরে প্রায় ১৭০ কোটি ইউরো মূল্যের টেক্সটাইল যন্ত্রপাতি রপ্তানি করে।

এ সময় আরো বক্তব্য দেন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বিটিএমএর পরিচালক চৌধুরী হানিফ শোয়েব এবং বিজিএমইএর পরিচালক শাহ রায়ীদ চৌধুরী।

সফরসূচির অংশ হিসেবে ঢাকাসহ চট্টগ্রামে ব্যবসায়িক উপস্থাপনা, বিজনেস-টু-বিজনেস (বি-টু-বি) বৈঠক এবং বিভিন্ন কারখানা পরিদর্শনের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ), বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ), বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) এবং চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহযোগিতায় এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে সহায়তা করছে বাংলাদেশে ইতালির অনারারি কনসাল সালমান ইস্পাহানি।

বাংলাদেশ সফরে অংশ নেওয়া ইতালীয় প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- কালার সার্ভিসেস, কোরিনো ম্যাকিনে, দান্তি পাওলো, ডার্স্ট, এল.এ.আই.পি., লাওয়ার, পিন্টার কাইপো, রেজিয়ানি ম্যাকিনে, সালভাদে, টেকনোরামা এবং উগোলিনি।

বীমা খাতকে শক্ত আইনি কাঠামোয় আনা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
বীমা খাতকে শক্ত আইনি কাঠামোয় আনা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী
ফাইল ছবি

আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার গতি বাড়াতে বীমা খাতকে একটি শক্ত ও সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামোর মধ্যে এনে জনগণের আস্থা ফেরানো জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি বলেছেন, কোনো আধুনিক অর্থনৈতিক লেনদেন কেবল বিশ্বাস বা অবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে চলতে পারে না। নাগরিকদের আশ্বস্ত করতে এবং এ খাতের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াতে একটি যুগোপযোগী আইনি কাঠামো তৈরি করতে হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে ‘ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি’ এর ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘বীমা কেবল একটি সেবামূলক কাজই নয়, এটি দেশের অর্থনীতিকে বেগবান করার অন্যতম উপাদান। যখন একজন সাধারণ নাগরিক বা উদ্যোক্তা জীবনের নিরাপত্তা ও বীমার নিশ্চয়তা পান, তখন তিনি ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিরাপদ বোধ করেন। একই সঙ্গে সুচিন্তিতভাবে তার প্রতিভা ও উদ্যোগকে কাজে লাগাতে পারেন। আর এভাবেই সমষ্টিগত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে একটি বড় ধরনের উল্লম্পন ও গতি তৈরি হয়।’

বর্তমান সরকারের সংস্কার ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কেবল গতানুগতিকভাবে দেশ পরিচালনার জন্য ক্ষমতা গ্রহণ করেনি। আমরা একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি উত্তরাধিকার হিসেবে পেয়েছি। কী পরিমাণ টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, কত টাকা কর ব্যবস্থার বাইরে পড়ে আছে, রাজস্বের আওতায় আনা যায়নি তা আমাদের চিহ্নিত করতে হচ্ছে।

ক্ষমতায় আসার আগেই রাষ্ট্রের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এখন এই সমস্যাগুলো সংস্কার ও মেরামত করা না হলে সমাধানের মূল লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা সহজ হবে না।

ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদ (এমপি) এবং ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের সিইও মো. কাজিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে বীমা খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আমার কাছে পুলিশ নেই, মুরগি আছে : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
আমার কাছে পুলিশ নেই, মুরগি আছে : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন নৌ পুলিশের ফাঁড়ি বা থানা স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর কাছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংসদে হাস্যরস সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সংসদ অধিবেশনে স্পিকারের মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কুষ্টিয়ার ভৌগোলিক অবস্থান এবং নদীপথের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কথা তুলে ধরেন তিনি। তবে প্রশ্নোত্তরের এক পর্যায়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন নৌ পুলিশের বিষয়ে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর কাছে দাবি তোলায় স্পিকার ও মন্ত্রীর মন্তব্যে পুরো সংসদ কক্ষে হাসির রোল পড়ে।

ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চিলমারীর প্রত্যন্ত চর এলাকা থেকে ভেড়ামারা উপজেলার রাইটাঘাট, মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া ঘাট, কুমারখালীর কয়া ও শিলাইদহ ঘাট হয়ে খোকসা পর্যন্ত নদী তীরবর্তী এলাকার বিস্তৃতি প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ কিলোমিটার। বর্তমানে এই রুটটি রাজশাহী রিজিয়নের নৌ পুলিশের তত্ত্বাবধানে পাবনার ঈশ্বরদীর লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌ ফাঁড়ির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু স্থানীয়ভাবে কোনো নৌ থানা বা নৌ পুলিশের ফাঁড়ি না থাকায় নদীপথে সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য এবং গোলাগুলির ঘটনা বেড়েছে।

এ সময় স্পিকার তাকে থামিয়ে জানতে চান, তিনি এই প্রশ্নটি প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীকে করছেন কি না এবং প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী কিভাবে নৌ পুলিশের থানা স্থাপন করবেন।

জবাবে ফরিদা ইয়াসমিন আবারও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কাছেই নৌ পুলিশের থানা স্থাপনের আবেদন জানান। তখন স্পিকার রসিকতা করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনার আন্ডারে থানা-পুলিশ কিছু আছে কি না, উত্তর দিন।

জবাবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ হেসে বলেন, ‘পুলিশ তো আমার হাতে নেই। তবে আমার কাছে মুরগি আছে।’

রসিকতা করে তিনি আরো বলেন, ‘ওই এলাকায় যদি আমার মন্ত্রণালয়ের রিজার্ভের মাছ কেউ ধরে, তাহলে সেই উসিলায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কিছু পুলিশ পাঠানোর অনুরোধ করতে পারি। এর বাইরে এ বিষয়ে আমার আর কিছু করার নেই।’

পরে স্পিকার ফরিদা ইয়াসমিনকে বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে উত্থাপনের পরামর্শ দেন।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টদের জরুরি নির্দেশনা | কালের কণ্ঠ