• ই-পেপার

বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে দেয়ালধসে মাছ ব্যবসায়ীর মৃত্যু

জয়পুরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪

জয়পুরহাট প্রতিনিধি
জয়পুরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪
সংগৃহীত ছবি

জয়পুরহাটে ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরো চার নারী যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে জয়পুরহাট-হিলি সড়কের সদর উপজেলার বনখুর ওয়াপদা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন পাঁচবিবি পৌরসভার কাদেরপাড়া মহল্লার অটোরিকশাচালক তৌহিদ হোসেন (৩২) এবং পাঁচবিবি উপজেলার বীরনগর গ্রামের আদিবাসী নারী অঞ্জনা রাণী (৪৫)।

আহতরা হলেন বাসন্তী রাণী (৪৫), কেশোমনি রাণী (৪২), শেফালী রাণী (৩৫) ও ফুলমনি রাণী (৫৫)। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানান, অঞ্জনা রাণী চার স্বজনকে নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে অটোরিকশায় করে জয়পুরহাট শহরের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বনখুর ওয়াপদা এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দিলে সেটি উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশাচালক তৌহিদ হোসেন ও অঞ্জনা রাণীর মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত চার নারীকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিক বলেন, ‘নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা চলছে। এ ঘটনায় মামলা হলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আটোয়ারী

খাল খনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
খাল খনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বাকডোকরা খাল খনন প্রকল্পের অধীনে কালভার্ট নির্মাণের কাজ চলছে। সম্প্রতি তোলা। কালের কণ্ঠ

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বাকডোকরা খাল খনন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দায়সারা খনন, কালভার্ট নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার এবং শ্রমিকের পরিবর্তে এক্সকাভেটর দিয়ে বেশির ভাগ কাজ করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। 

এদিকে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় কাজ বন্ধ রেখে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমান সরকারের বিশেষ উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে নদী-খালসহ জলাশয় খননের কাজ চলছে। এর অংশ হিসেবে পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার আলোয়াখোয়া ইউনিয়নের বাকডোকরা খাল খননের উদ্যোগ নেয় উপজেলা প্রশাসন। কাজ শুরু হয় চলতি বছরের এপ্রিল মাসের শেষ দিকে। বাকডোকরা কুলাডাঙ্গী পুল থেকে পশ্চিমে আব্বাস আলীর জমি পর্যন্ত ৬০৫ মিটার দীর্ঘ খাল খনন, দুটি কালভার্ট নির্মাণ, পাইপ স্থাপন ও বৃক্ষরোপণে মোট বরাদ্দ দেওয়া হয় ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা। 

আটোয়ারী প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য মতে, এর মধ্যে শ্রমিকদের মাধ্যমে খননে ২৫ লাখ ৬২ হাজার ৮০০ টাকা, এক্সকাভেটর দিয়ে তিন লাখ ৫৬ হাজার টাকা, আরসিসি পাইপ বসাতে ছয় লাখ ৪৭ হাজার টাকা, কালভার্ট নির্মাণে ১০ লাখ ৫০ হাজার ৮৫০ টাকা, ঘাস লাগানো বাবদ ৭৬ হাজার ৩৮১ টাকা এবং বৃক্ষরোপণের জন্য চার লাখ ৬১ হাজার ৬০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে প্রকল্পের তথ্যের সঙ্গে এই তথ্যেও গরমিল দেখা যায়। প্রকল্পের বরাদ্দে দুটি কালভার্ট বাবদ বরাদ্দ দেখানো হয়েছে ১৬ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পে উল্লেখিত স্থানে কোনো খাল না থাকলেও কাগজে-কলমে সেখানে খাল দেখানো হয়েছে। এমনকি খাল খননে বেশির ভাগ কাজ শ্রমিক দিয়ে করানোর কথা থাকলেও শুরুতেই এক্সকাভেটর (খনন যন্ত্র) দিয়ে করা হয় বেশির ভাগ কাজ। পরে চালানো হয় শ্রমিক দিয়ে লোক দেখানো দায়সারা খনন। 

এদিকে প্রকল্পের শুরুতে একটি কালভার্ট নির্মাণের কথা থাকলেও তা সংশোধন করে জুড়ে দেওয়া হয় আরেকটি কালভার্ট। এই কালভার্ট নির্মাণে ইট রডসহ নিম্নমানের সামগ্রী  ব্যবহার করায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। তারা উপজেলা প্রশাসন বরাবর অভিযোগ জানালে কাজ বন্ধ রেখে তদন্তের নির্দেশ দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপামনি দেবী। 

বিষয়টি তদন্তে উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফয়সালকে প্রধান করে কমিটি গঠন করা হয়।

অন্যদিকে খাল খনন প্রকল্পের সাত সদস্যের কমিটিতে যাদের রাখা হয়েছে, তাদের বেশির ভাগই বিএনপি নেতা ও সমর্থক। তবে তারাও জানেন না কী প্রক্রিয়ায় কাজ করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘এই খাল খননে শুরু থেকেই অনিয়ম হয়ে আসছে। ঠিকমতো কাজ হয়নি। কালভার্টের কাজ হচ্ছে ইটের গুঁড়ো দিয়ে। এভাবে কাজ হওয়ায় কিছু মানুষের পকেটে টাকা ঢুকলেও সরকারের মহৎ উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’

কাজল নামের আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘এখানে কোনো খাল ছিল না। ফলে প্রয়োজন নেই এমন জায়গায় খাল খনন করায় আমাদের ৯০ শতাংশ মানুষের ক্ষতি হয়েছে। খননের মাটি আমাদের জমির ওপর ফেলা হয়েছে।’

কমিটির সদস্য ময়না বেগম বলেন, ‘আমাকে না জানিয়ে কমিটিতে রাখা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘কাজ করার কথা ছিল শ্রমিক দিয়ে, কিন্তু করা হচ্ছে ভেকু মেশিন দিয়ে। শুনেছি ১১৯ জন শ্রমিকের তালিকা করা হয়েছে, যারা চেয়ারম্যান ও দলীয় লোকজন।’

প্রকল্পের সভাপতি ও আলোয়াখোয়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত ইউপি সদস্য করুনা রানী পাল বলেন, ‘আমার মা অসুস্থ। আমি বগুড়ায় আছি। আমি যেসব জায়গায় প্রয়োজন স্বাক্ষর দিয়ে আসছি। বাকি সব কিছু করছেন চেয়ারম্যান। কোথায় কী  কাজ হয়েছে, ভালো না মন্দ আমি কিছুই জানি না।’ 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফজলুল হক বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ীই কাজ করছিলাম। কালভার্ট নির্মাণে এক ট্রলি নিম্নমানের ইটের খোয়া আনা হয়েছিল, পরে তা সরিয়ে নেওয়া  হয়েছে। শ্রমিকদের ৪৩ দিনের কাজ শেষ হয়েছে। তারা মজুরি পেয়ে গেছে। তদন্তের কারণে এখন কাজ বন্ধ রয়েছে।’

আলোয়াখোয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোজাক্কারুল আলম অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘স্থানীয়দের সঙ্গে  পরামর্শ করেই খাল খনন কাজ করা হয়েছে।‘

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিপামনি দেবী বলেন, ‘অনিয়মের অভিযোগ মেলায় আমরা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি। তদন্ত প্রতিবেদন পেলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ

নওগাঁয় আদালতের রায় নিয়েও মাদরাসায় ঢুকতে পারেননি অধ্যক্ষ

বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি
নওগাঁয় আদালতের রায় নিয়েও মাদরাসায় ঢুকতে পারেননি অধ্যক্ষ
ছবি : কালের কণ্ঠ

আদালতের রায় হাতে নিয়েও নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ধর্মপুর গোয়ালভিটা হোসেনিয়া আলিম মাদরাসায় যোগদান ও দায়িত্ব পালন করতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসেন। তিনি দাবি করেছেন, মাদরাসায় প্রবেশ করতে গেলে পরিচালনা কমিটির কয়েকজন সদস্য তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর করে প্রতিষ্ঠানে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ডাকবাংলো মোড় এলাকার একটি রিসোর্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ও মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আমানুল্লাহ তাকে মাদরাসা থেকে বের করে দেন। পরে তার বিরুদ্ধে অনৈতিক অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করা হলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

তিনি বলেন, বরখাস্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তিনি হাইকোর্টে রিট করলে আদালত তাকে স্বপদে বহাল রেখে যোগদান এবং বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের নির্দেশ দেন। পরে প্রতিপক্ষ ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেও আপিল খারিজ হয় এবং হাইকোর্টের রায় বহাল থাকে।

অধ্যক্ষের দাবি, আদালতের রায়ের কপি নিয়ে প্রতিষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে পরিচালনা কমিটির কয়েকজন সদস্য তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় তিনি নওগাঁর আমলি আদালতে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছেন। একটি মামলায় কয়েকজন আসামি কারাগারেও গেছেন বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, ২০২৫ সালের ১৯ আগস্ট মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অডিট ও আইন শাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে অনৈতিক অভিযোগ ছয় মাসের মধ্যে প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মচারীকে স্বপদে পুনর্বহাল ও বেতন-ভাতা প্রদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর পরও তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি এবং বেতন-ভাতাও পরিশোধ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নে প্রশাসনের সহযোগিতা এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ধর্মপুর গোয়ালভিটা হোসেনিয়া আলিম মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আমানুল্লাহ আমান। তিনি বলেন, ‘চাঁদা দাবির অভিযোগ সঠিক নয়। বর্তমান কমিটি তার কাছে মাদরাসার আয়-ব্যয়ের হিসাব চেয়েছিল। পরে তিনি আদালতে মামলা করেন। তিনি আজ মাদরাসায় এলে আজ থেকেই আমরা তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে প্রস্তুত।’

এ বিষয়ে পরিচালনা কমিটির সদস্য আব্দুল করিমের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনো কেউ আমার কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আসেননি। কাগজপত্র পেলে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।’

পানির নিচে রেললাইন, চট্টগ্রামে আটকে আছে পর্যটক এক্সপ্রেস

অনলাইন ডেস্ক
পানির নিচে রেললাইন, চট্টগ্রামে আটকে আছে পর্যটক এক্সপ্রেস
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামে টানা বর্ষণ ও জলাবদ্ধতার কারণে রেললাইনের ওপর পানি জমে থাকায় কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে নগরীর ষোলশহরে ট্রেনটি আটকে পড়ে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৬টায় ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ট্রেনটি। দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে চট্টগ্রামের ষোলশহর স্টেশন অতিক্রম করে। এ সময় ভারি বৃষ্টির ফলে রেললাইনের ওপর পানি জমে যায়। ইঞ্জিনে পানি প্রবেশ করে বড় ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটি বা দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে চালক ট্রেনটি থামিয়ে দেন। এর পর থেকে ট্রেনটি ওই এলাকায় আটকা পড়ে আছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রেলওয়ের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই ট্রেনটি বর্তমানে থামিয়ে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। রেলওয়ে কন্ট্রোল রুম থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ট্রেন চলাচল আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।

যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আরেকটি ইঞ্জিন এনে ট্রেনটিকে পুনরায় পেছনে টেনে চট্টগ্রামে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

হঠাৎ ট্রেন থামিয়ে দেওয়ার ফলে কক্সবাজারগামী যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিয়ে অনেকে আতঙ্কে রয়েছেন। 

তবে রেলওয়ে জানায়, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।