• ই-পেপার

সাদ্দামকে প্যারোলে মুক্তি না দেওয়া মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: আসক

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে চীন-বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনা

অনলাইন ডেস্ক
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে চীন-বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনা

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ক‌রে‌ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, পরিবহন করিডোর, বিনিয়োগ, জ্বালানি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বুধবার ফি‌লিপাই‌নের রাজধানী ম্যানিলায় আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের (এআরএফ) মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের সাইডলাইনে দ্বিপক্ষীয় নানা বিষ‌য়ে আলোচনা ক‌রে‌ন তারা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী চীন-বাংলাদেশ অভিন্ন ভবিষ্যৎভিত্তিক কমিউনিটি (চায়না-বাংলাদেশ কমিউনিটি উইথ অ্যা শেয়ার্ড ফিউচার) গঠনের লক্ষ্যে দুই দেশের সার্বিক সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব আরো এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনা করেন।

তারা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, পরিবহন করিডোর, বিনিয়োগ ও জ্বালানি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা ক‌রে‌ন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপ‌দেষ্টা হুমায়ুন ক‌বির উপ‌স্থিত ছি‌লেন।

কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষা নিশ্চিতে শ্রম বিশেষজ্ঞদের আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষা নিশ্চিতে শ্রম বিশেষজ্ঞদের আহ্বান

কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য, সহিংসতা ও হয়রানি থেকে সুরক্ষায় বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এ সম্প্রতি যুক্ত নতুন অধিকারসমূহের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছেন শ্রম অধিকার বিশেষজ্ঞরা।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে সলিডারিটি সেন্টার আয়োজিত ‘বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫-এর আওতায় কর্মক্ষেত্রে অভিযোগ ও সুরক্ষা ব্যবস্থার পর্যালোচনা এবাং বাাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে সুপারিশমালা’ শীর্ষক অংশীজন সভায় এ আহ্বান জানানো হয়।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সলিডারিটি সেন্টারের কান্ট্রি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর একেএম নাসিম।

তিনি বলেন, “বিধিমালা থেকে পাওয়া প্রতিকার নিশ্ছিদ্র হওয়া জরুরি। সহিংসতা ও হয়রানির সংজ্ঞায়নে ‘কর্মক্ষেত্রে যেকোনো অগ্রহণযোগ্য আচরণ’ বলে এক ধরনের অস্পষ্টতা তৈরি করা হয়েছে। শ্রম বিধিমালাকে অবশ্যই সুস্পষ্ট প্রক্রিয়াগত নির্দেশনার মাধ্যমে শ্রম আইনে প্রদত্ত অধিকার কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সহায়তা করতে হবে।”

মূল প্রবন্ধে নবগঠিত অভিযোগ নিষ্পত্তি কমিটির (সিআরসি) আইনগত কাঠামো পর্যালোচনা করে এর স্বাধীনতা, প্রক্রিয়াগত ন্যায়বিচার এবং কার্যকারিতা জোরদারে প্রয়োজনীয় সংশোধনের সুপারিশ করা হয়।

এতে বলা হয়, সংশোধিত শ্রম আইন নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব শ্রমিককে কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য, সহিংসতা ও হয়রানি থেকে সুরক্ষা দিলেও সিআরসির বর্তমান কাঠামো মূলত যৌন হয়রানি প্রতিরোধে প্রণীত উচ্চ আদালতের পূর্ববর্তী নির্দেশিকার ওপর ভিত্তি করে গঠিত।

এ ব্যাপারে শ্রম আদালতের জেষ্ঠ্য আইনজীবী সেলিম আহসান খান বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানগুলোতে যৌন হয়রানি রোধে আমাদের জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এ ব্যাপারে আমাদের দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী আইন প্রণয়ন করা জরুরি। অভন্তরীণ অনুসন্ধানের মাধ্যমে এই অপরাধের বিচার হলে অপরাধের শাস্তি লঘু হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অভিযোগ নিষ্পত্তিতে আইনি প্রক্রিয়া দ্রুততার মাধ্যমে সম্পন্ন করা জরুরি।”

প্রবন্ধে সিআরসির বহিরাগত সদস্যদের যোগ্যতা, নির্বাচন ও নিয়োগের সুস্পষ্ট বিধান, শ্রম আইনের ২৩ ও ২৪ ধারার বিভাগীয় কার্যধারার সঙ্গে সিআরসির সিদ্ধান্তের সম্পর্ক নির্ধারণ এবং অভিযোগ গ্রহণ, তদন্ত, সাক্ষ্য-প্রমাণ, শুনানি, গোপনীয়তা, আপিল ও প্রতিশোধমূলক আচরণ থেকে সুরক্ষাসহ অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য বিস্তারিত প্রক্রিয়াগত বিধান প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়।

এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার জামিল আনসার বলেন, ‘আইএলও কনভেনশন ১৯০-এ স্বাধীন অভিযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা আবশ্যক। কিন্তু এই সংশোধনে এ ব্যাপারে সঠিক দিকনির্দেশনা নেই।’

তিনি বলেন, অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত উভয়ের জন্য ন্যায়সঙ্গত প্রক্রিয়াগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা বাঞ্ছনীয়।

প্রবন্ধে আরো উল্লেখ করা হয়, নিয়োগকর্তা বা ব্যবস্থাপনা পর্যায়ের কর্মকর্তা—যারা শ্রম আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী ‘শ্রমিক’ নন—তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য পৃথক প্রক্রিয়া প্রণয়ন এবং কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য, সহিংসতা ও হয়রানির ঘটনায় শাস্তি-সংক্রান্ত শ্রম আইনের নতুন ৩০৭ক ধারার প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন আরো সুস্পষ্ট করার সুপারিশ করা হয়।

বস্ত্র খাতের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
বস্ত্র খাতের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
সংগৃহীত ছবি

বস্ত্র খাতের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা করবে সরকার— এমন আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে বস্ত্রশিল্পের অসামান্য অবদান রয়েছে। এ খাতের উন্নয়নে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে। 

বুধবার (২২ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এ আশ্বাস দেন সরকারপ্রধান। বৈঠকে বস্ত্রশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, রপ্তানি সম্ভাবনা এবং এ খাতের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা দেশের অর্থনীতিতে বস্ত্রশিল্পের অবদানের কথা তুলে ধরেন। তারা এ খাতের টেকসই উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। 

এ সময় বস্ত্রশিল্পের বিদ্যমান সমস্যাগুলো পর্যালোচনা ও সমাধানে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করে দেন প্রধানমন্ত্রী। 

বৈঠকে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল, সহ-সভাপতি শামীম ইসলাম, সাবেক সভাপতি এ মতিন চৌধুরী, সাবেক পরিচালক সৈয়দ এনায়েত কবির, ইঞ্জিনিয়ার রাজীব হায়দার, বর্তমান পরিচালক চৌধুরী মোহাম্মদ হানিফ সোয়েব, বাদশা মিয়া ছাড়াও আমানত শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান হেলাল মিয়া, মুন্নু ফেব্রিক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামিউল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত ইসির

অনলাইন ডেস্ক
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত ইসির
সংগৃহীত ছবি

১৫ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রত্যেক নাগরিকের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নবায়ন বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে নবায়ন ও এনআইডি স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য, আবেদন প্রক্রিয়া এবং ফিও নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের ১২তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এনআইডি নবায়নের ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে পরিবারের সদস্যদের এনআইডির তথ্যও দিতে হবে। এ ছাড়া এনআইডি স্থানান্তরের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত তথ্য দিতে হবে। উভয় সেবার জন্য আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

আখতার আহমেদ জানান, এনআইডির ১৫ বছর পরপর নবায়ন বাধ্যতামূলক করার জন্য আইন সংশোধনের প্রস্তাব স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে বিষয়টি কার্যকর হবে।

সভায় প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে। বর্তমানে অনলাইনে আবেদন করার পর তদন্ত শেষে প্রবাসীদের বায়োমেট্রিক নেওয়া হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আবেদনকারীর তথ্য ও বায়োমেট্রিক একসঙ্গে গ্রহণ করা হবে। এরপর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে নির্বাচন কমিশন।

এ ছাড়া এনআইডি ও ভোটার তালিকার জন্য তথ্য সংগ্রহের বয়সসীমা কমানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সীদের তথ্য সংগ্রহ করা হয় এবং ১৮ বছর পূর্ণ হলে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন।

ইসি সচিব বলেন, তথ্য সংগ্রহের বয়স আরো কমানো যায় কি না, সে বিষয়ে পর্যালোচনা চলছে। এসএসসি, অষ্টম শ্রেণি বা প্রাথমিক স্তর—কোন পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ শুরু করা হবে, তা তুলনামূলক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সাদ্দামকে প্যারোলে মুক্তি না দেওয়া মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: আসক | কালের কণ্ঠ