• ই-পেপার

সবজি মাছ মুরগির পর কমল ডিমের দামও

  • পেঁয়াজ, রসুন, চাল এখনো চড়া * রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলো চাঁদাবাজমুক্ত করছেন শিক্ষার্থীরা

মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তার জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা

বাসস
মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তার জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা

ভূমি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন মাঠ প্রশাসনে কর্মরত সার্ভেয়ার ও কানুনগোদের ঘন ঘন বদলি বা পদায়ন নিরুৎসাহিত করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার।

জনসেবার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রশাসনিক প্রয়োজন ছাড়া এসব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কমপক্ষে দুই বছর একই কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-১ শাখা থেকে সম্প্রতি জারি করা এক আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আদেশে বলা হয়, মাঠ প্রশাসনে রাজস্ব ব্যবস্থাপনার দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদ হলো সার্ভেয়ার ও কানুনগো। ভূমি জরিপ, রেকর্ড সংরক্ষণ, নামজারি, ভূমিসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ত্রণালয় জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে সার্ভেয়ার ও কানুনগোদের ঘন ঘন বদলি বা পদায়নের কারণে অনেক এলাকায় ভূমি সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষ সময়মতো কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমে বিলম্ব হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে বিশেষ প্রশাসনিক প্রয়োজন ছাড়া সার্ভেয়ার ও কানুনগোদের নিজ নিজ কর্মস্থল বা পদায়নকৃত স্থান থেকে অন্যত্র বদলি বা পদায়ন না করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কমপক্ষে দুই বছর একই কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান স্বাক্ষরিত এ আদেশ ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান, দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

আদেশে আরো বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের পক্ষ থেকে বদলির জন্য তদবির করা সরকারি চাকরির বিধিবিধানের পরিপন্থী। তাই এ ধরনের অনৈতিক তদবির থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, নতুন এ নির্দেশনা কার্যকর হলে মাঠ পর্যায়ের ভূমি প্রশাসনে দক্ষতা ও স্থিতিশীলতা বাড়বে। একই সঙ্গে ভূমিসংক্রান্ত সেবার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে, প্রশাসনিক জটিলতা কমবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

১ মাসে যোগ বিয়োগ শেখাতে না পারলে শিক্ষক বরখাস্ত হবেন : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
১ মাসে যোগ বিয়োগ শেখাতে না পারলে শিক্ষক বরখাস্ত হবেন : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শিক্ষার্থীদের এক মাসের মধ্যে যোগ ও বিয়োগ শেখাতে না পারলে সংশ্লিষ্ট গণিত শিক্ষক ও দায়িত্বরত শিক্ষা কর্মকর্তারা বরখাস্ত বা সাসপেন্ড হবেন।

সম্প্রতি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ নির্দেশ দিয়েছেন।

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের যোগ-বিয়োগ পারার কথা, যদি না পারে সবাইকে একসঙ্গে এক ক্লাসে যোগ বিয়োগ শিখাবেন। এক মাসে আগে যোগ বিয়োগ, অন্য সব ভুলে যান। ক্যালকুলেশন, ফ্র্যাকশন-ট্র্যাকশন সব ভুলে যান, আগে যোগ বিয়োগ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, একই সঙ্গে বাংলা রিডিং যারা পারে না, সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে আসবেন। এখানে কার বয়স কত, সেটি ইম্পর্টেন্ট না। এটা আপনি চিন্তা করবেন রেমিডিয়াল ক্লাস, মানে ওই রেগুলার ক্লাস করব, ঘুমাবো, তারপর আবার রেডি করব, তা না। আমি এক্সট্রা টাইমের কথা বলছি না। ওই টাইমের ভেতরে রেডি হবে।

শিক্ষককে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘কালকে এসে আপনি রিভিউ করবেন, রিভিউ করে টিও সাহেবকে জানাবেন, টিও সাহেব রিপোর্ট করবেন। ডিপিও সাহেব এটা কিন্তু শক্তভাবে দেখবেন। সেপ্টেম্বরের এক তারিখে আমি ডিপিওর কাছ থেকে রিপোর্ট দিব আপনার স্কুলের কি হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি এক মাস পর রিপোর্ট চাই, ওই টিচার যদি শিখাইতে না পারে তাহলে সাসপেন্ডেড হবে। সেপ্টেম্বরের এক তারিখে আমি ডিপিওর কাছ থেকে রিপোর্ট নেব আপনার স্কুলের কি হয়েছে এবং যদি তার ভিতরে এইটুকু আপস্কেলিং করতে না পারেন তিনি সাসপেন্ডেড হবেন।’

 

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঠিক হয়নি : সিইসি

অনলাইন ডেস্ক
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঠিক হয়নি : সিইসি
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে বৈঠক করেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে ইসির একটি প্রতিনিধিদল। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে সিইসি জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত। তবে চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। পরবর্তী সময়ে দিনক্ষণের বিষয়টি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। এখন শুধু প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। 

সিইসি আরো বলেন, ‘নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক হলে একধরনের ব্যবস্থা, আবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হলে আরেক ধরনের ব্যবস্থা। অধিবেশনে থাকলে একধরনের ব্যবস্থা, না থাকলে আরেক ব্যবস্থা।’

এসব বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিইসি।

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্যের সাম্প্রতিক ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, সংসদ সচিবালয় থেকে বিষয়টি রেফার করা হলে নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নেবে।

 

দায়িত্ব শেষে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
দায়িত্ব শেষে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক আইনি সুরক্ষা শুধু তিনি দায়িত্বে থাকা পর্যন্ত কার্যকর থাকে। দায়িত্ব শেষ হলে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।’

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে কোনো আইনি কার্যক্রম শুরু করা যায় না। তবে এ সুরক্ষা শুধু তার দায়িত্ব থাকা সময়ের জন্য প্রযোজ্য। তিনি দায়িত্ব ছাড়ার পর, দায়িত্ব গ্রহণের আগে বা পরে সংঘটিত কোনো অভিযোগ বা আইনগত বিষয়ে প্রয়োজন হলে তার বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তিনি বর্তমান বিদায়ি রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করে এ মন্তব্য করছেন না, বরং এটি একটি সাধারণ সাংবিধানিক ব্যাখ্যা। এ বিষয়ে যে বিভ্রান্তি ছিল, তা দূর হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা বলেন, আদালত সরকার নয়, আদালত একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ সব আদালতেই জনগণ ন্যায়বিচারের জন্য যেতে পারেন।

তিনি বলেন, কোনো কোনো মামলায় সরকার একটি পক্ষ হতে পারে, তবে আদালত স্বাধীনভাবেই সিদ্ধান্ত দেয়। আবার অনেক ক্ষেত্রেই সরকার কোনো মামলার পক্ষও থাকে না।

তিনি আরো বলেন, সরকারের বিরুদ্ধেও অসংখ্য রিট হয় এবং উচ্চ আদালতে বহু মামলায় সরকার পরাজিত হয়। তাই সরকার বিচার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করছে—এমন অভিযোগের ভিত্তি নেই। 

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আমি আপনাকে নিশ্চিত করতে পারি, এখন আদালতে সব কিছুই যাচ্ছে এবং আদালত স্বাধীনভাবে তার কাজ করছে। 

সবজি মাছ মুরগির পর কমল ডিমের দামও | কালের কণ্ঠ