• ই-পেপার

দুদকের মুখোমুখি হচ্ছেন না বেনজীর

বায়ুদূষণে ঢাকা আজ ষষ্ঠ, শীর্ষে জাকার্তা

অনলাইন ডেস্ক
বায়ুদূষণে ঢাকা আজ ষষ্ঠ, শীর্ষে জাকার্তা

বায়ুদূষণের তালিকায় রাজধানী ঢাকা আজ ষষ্ঠ। অন্যদিকে, দূষণের শীর্ষে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা। শুক্রবার ( ৫ জুন) সকালে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

বায়ুমান সূচক অনুযায়ী, দূষণমাত্রার তালিকায় জাকার্তার স্কোর হচ্ছে ১৭৫ অর্থাৎ সেখানকার বায়ু অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের রাজধানী কিনসাসা। কিনসাসার বায়ুমান স্কোর ১৫৮ অর্থাৎ সেখানকার বায়ুর মানও অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে।

আরো পড়ুন
‘আমি আওয়ামী দোসর—আওয়ামী মানে জনগণ, আমি জনগণের দোসর’

‘আমি আওয়ামী দোসর—আওয়ামী মানে জনগণ, আমি জনগণের দোসর’

 

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে চীনের চেংডু এবং এর স্কোর ১৪৭ অর্থাৎ সেখানকার বায়ুর মানও অস্বাস্থ্যকর। এছাড়া তালিকার ৪ নম্বরে রয়েছে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু। যার বায়ুমান স্কোর ১৩৭। এরপরের অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের শহর লাহোর। যার বায়ুমান স্কোর ১৩১।

অপরদিকে স্কোর ১১৫ নিয়ে তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা।

আরো পড়ুন
সিরাজগঞ্জে বাসচাপায় অটোভ্যানের ৩ যাত্রী নিহত

সিরাজগঞ্জে বাসচাপায় অটোভ্যানের ৩ যাত্রী নিহত

 

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়। এ ছাড়া ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়।

আরো পড়ুন
ভেঙে গেল জার্মান তারকার দুই দশকের সংসার

ভেঙে গেল জার্মান তারকার দুই দশকের সংসার

 

এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।

ঢাকাসহ ৮ জেলার জন্য সতর্কবার্তা, বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকাসহ ৮ জেলার জন্য সতর্কবার্তা, বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

ঢাকাসহ দেশের আট জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য জারি করা আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

দুদক পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু

আইন সংস্কারের খসড়া প্রস্তুত সার্চ কমিটি গঠনের উদ্যোগ

অনলাইন ডেস্ক
দুদক পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পুনর্গঠন ও নতুন কমিশন গঠনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে কমিশনের ক্ষমতা, কাঠামো ও কার্যপরিধি ঢেলে সাজাতে একটি নতুন আইনের খসড়াও প্রস্তুত করেছে দুদক। বাংলাদেশ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ‘দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪’ অনুযায়ী নতুন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে বাছাই কমিটি (সার্চ কমিটি) গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এজন্য প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাই কোর্ট বিভাগের দুজন বিচারপতি মনোনীত করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আইন অনুযায়ী, সার্চ কমিটিতে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি, হাই কোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি), মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সদ্য বিদায়ি সচিব এবং সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, এই কমিটি কমিশনের জন্য যোগ্য ছয়জন প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাবে। পরে রাষ্ট্রপতি তাদের মধ্য থেকে তিনজনকে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেবেন এবং তাদের মধ্য থেকে একজনকে চেয়ারম্যান করা হবে।

সূত্র বলছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠি গত ২৪ মে সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো হয়। এদিকে ঈদুল আজহার সরকারি ছুটি শুরু হয় ২৫ মে। ছুটির পর ১ জুন প্রথম কর্মদিবস পর্যন্ত বিচারপতিদের নাম মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়নি। দুই এক দিনের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট থেকে বিচারপতি দুজনের নাম পাঠানো হতে পারে। তিন সদস্যের নতুন কমিশন গঠনের সুপারিশ তৈরি করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে শিগগির পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে। গত ৩ মার্চ দুদকের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার পদত্যাগের পর থেকে কমিশন কার্যত পূর্ণাঙ্গ নেতৃত্ববিহীন অবস্থায় রয়েছে। এদিকে সরকারের উদ্যোগের অংশ হিসেবে ‘দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০২৪’-এর একটি খসড়াও প্রস্তুত করেছে দুদক। খসড়ায় কমিশনের কাঠামো, তদন্ত ক্ষমতা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে। দুদক সূত্র জানায়, খসড়ায় দুদকের তদন্ত ক্ষমতা বাড়িয়ে ছদ্মবেশে অনুসন্ধান (আন্ডারকভার ইনকুয়ারি), সম্পদ জব্দ ও ব্যাংক লেনদেন স্থগিতের মতো বিশেষ ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে দণ্ডবিধির জালিয়াতি, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংসহ বিভিন্ন অপরাধকে দুদকের আওতাভুক্ত করার কথাও বলা হয়েছে। এ ছাড়া মামলার অনুমোদন প্রক্রিয়া, প্রশাসনিক কাঠামো, জনবল নিয়োগ, আচরণবিধি এবং মিথ্যা তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে খসড়ায়।

সূত্র জানায়, সার্চ কমিটি গঠনের পাশাপাশি খসড়াটি পর্যালোচনার শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে এটি জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হতে পারে। সংশোধনগুলো নিচে পৃথকভাবে তুলে ধরা হলো :

ধারা ১ (সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন) : এই আইনের নাম হবে ‘দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০২৪’। এটি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত তারিখে কার্যকর হবে। ধারা ২ (সংজ্ঞা) : নতুন সংশোধনীতে ‘আন্ডারকভার ইনকুয়ারি’ বা ছদ্মবেশে অনুসন্ধানের সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কমিশন বা তার প্রতিনিধি পরিচয় গোপন রেখে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।

ধারা ৪ (কমিশনের কার্যালয়) : কমিশনের প্রধান কার্যালয় ঢাকাতেই থাকবে, তবে কমিশন প্রয়োজনে বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে শাখা কার্যালয় স্থাপন করতে পারবে। ধারা ১৬ (কমিশনের সচিব) : কমিশনের প্রশাসনিক কাজ পরিচালনার জন্য একজন সচিব থাকবেন, যার নিয়োগ ও চাকরির শর্তাবলি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হবে। ধারা ২৮ক : এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য, আপস অযোগ্য এবং অজামিনযোগ্য হবে। তফসিল : দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ এবং ৪৭৭এ ধারার অধীন অপরাধসমূহ (যদি তা সরকারি কর্মচারী বা ব্যাংক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে হয়) এবং শেয়ার বাজার বা সিকিউরিটিজ সংক্রান্ত জালিয়াতি ও কারসাজির অপরাধগুলো নতুনভাবে দুদকের তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

পদত্যাগ করলেন সিআইডি প্রধান

অনলাইন ডেস্ক
পদত্যাগ করলেন সিআইডি প্রধান

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ভারপ্রাপ্ত প্রধান ও ডিআইজি (অর্গানাইজড ক্রাইম) আলী আকবর খান পতদ্যাগ করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর তিনি এ আবেদনপত্র দাখিল করেন।

পদোন্নতি বঞ্চিত এবং বৈষম্যের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে অবসরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি বলে জানা গেছে।

পদত্যাগপত্রে আলী আকবর খান উল্লেখ করেন, ১৯৯৫ সালের ১৫ নভেম্বর পুলিশ বাহিনীতে যোগদানের পর থেকে তিনি অত্যন্ত সততা, দক্ষতা ও সম্মানের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে কর্মজীবনে তিনি দীর্ঘ সময় বঞ্চনার শিকার হয়েছেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর তাকে ওএসডি করা হয় এবং ২০২২ সালের এপ্রিলে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল। দীর্ঘ বঞ্চনার পর ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর তিনি চাকরিতে পুনর্বহাল হন।

আবেদনে তিনি জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানান, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের কারণেই তিনি পুনরায় কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা পদোন্নতির তালিকায় তার নাম না থাকায় তিনি পুনরায় বৈষম্যের শিকার হয়েছেন বলে মনে করছেন। তাই নিজের অযোগ্যতা নিয়ে সরকারের বোঝা হওয়ার পরিবর্তে তিনি সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ এর ৪৪ ধারা অনুযায়ী স্বেচ্ছায় অবসর নিতে ইচ্ছে প্রকাশ করেন তিনি।

আবেদন অনুযায়ী, আগামী ২ জুলাই ২০২৬ থেকে তার এ অবসর কার্যকর করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ওই তারিখ থেকে এক বছরের পিআরএল (অবসরোত্তর ছুটি) মঞ্জুরের জন্যও আবেদন করেছেন এই কর্মকর্তা।

অন্যদিকে বৃহস্পতিবার পুলিশ হেডকোয়ার্টারের বিশেষ পুলিশ সুপার (প্রশাসন) এ এ এম হুমায়ুন কবীর স্বাক্ষরিত এক পত্রে আলী আকবর খানের আবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

পত্রে বলা হয়, আলী আকবর খান স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ এবং ২ জুলাই ২০২৬ থেকে এক বছরের পিআরএল মঞ্জুরের জন্য আবেদন করেছেন। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৪ ধারা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।