• ই-পেপার

খাদ্য ব্যবসায় কড়া নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ শুরু

বাংলাদেশ জুট করপোরেশনের চেয়ারম্যান হলেন মামুন হাসান

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশ জুট করপোরেশনের চেয়ারম্যান হলেন মামুন হাসান
সংগৃহীত ছবি

সরকারের ১২টি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে নতুন করে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিবের পদ ছাড়া বাকি ১১টি সংস্থায় গ্রেড-২ পদমর্যাদায় এক বছরের জন্য এ নিয়োগ দেওয়া হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ জুট করপোরেশনের চেয়ারম্যান পদে মো. মামুন হাসান নিয়োগ পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে উপসচিব মো. গোলাম রব্বানীর স্বাক্ষর করা আলাদা ১২টি প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

 
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক পদে গ্রেড-২ পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন মো. সালাহ্উদ্দিন সরকার।

এ ছাড়া গ্রেড-২ পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া অন্য কর্মকর্তারা হলেন : বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে মোহাম্মদ রাশেদুল হক, বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান পদে মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান পদে এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী এবং বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের নির্বাহী সচিব পদে মো. কামরুজ্জামান (কামরুজ্জামান দুলাল)।
 
একই পদমর্যাদায় বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশনের চেয়ারম্যান পদে আবদুল খালেক, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান পদে মো. শামসুজ্জামান (সুরুজ), বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে কাজী রওনাকুল ইসলাম (টিপু), বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে মো. জাকির সিদ্দিকি এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান পদে বেনজীর আহমেদ।
 
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন মো. সামসুল আলম।
 
নিয়োগের শর্ত হিসেবে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তা ছিন্ন করার শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছরের জন্য তাদের এই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

বায়ুদূষণে শীর্ষে কাম্পালা, ঢাকার বাতাসের খবর কী

অনলাইন ডেস্ক
বায়ুদূষণে শীর্ষে কাম্পালা, ঢাকার বাতাসের খবর কী

জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলায় বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা দিন দিন বাড়ছেই। এমন অবস্থায় বাংলাদেশের মেগাসিটি ঢাকার অবস্থান তালিকার ১৭ নম্বরে রয়েছে। যার বায়ুমান স্কোর ৯১। এই অবস্থার বায়ুমানকে মাঝারিমানের বলে বিবেচিত হয়। এছাড়া বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা। যার বায়ুমান স্কোর ১৭৪। এই অবস্থাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে বিবেচনা করা হয়।

শনিবার (২৫ জুলাই) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা। যার বায়ুমান স্কোর ১৭৪। এছাড়া তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। যার বায়ুমান স্কোর ১৫২। এই অবস্থাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে চিলির সান্তিয়াগো। যার বায়ুমান স্কোর ১৫১। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ইসরায়েলের অন্যতম প্রধান নগরী তেল আবিব। যার বায়ুমান স্কোর ১২৯। পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে ইসরায়েলের জেরুজালেম। যার বায়ুমান স্কোর ১১৯।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

এ ছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

গেজেট বাতিলের পর আপিলে ফিরছেন ৩৪ জুলাইযোদ্ধা

অনলাইন ডেস্ক
গেজেট বাতিলের পর আপিলে ফিরছেন ৩৪ জুলাইযোদ্ধা

প্রতারণার অভিযোগে গেজেট থেকে বাদ পড়া ৩৪ জুলাইযোদ্ধাকে পুনর্বহালের সুপারিশ করেছে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় পর্যালোচনা কমিটি। এর আগে সরকারি তদন্তে ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় ১৩ জন শহিদসহ ২২১ জনের গেজেট বাতিল করা হয়েছিল। পরে বাদ পড়াদের মধ্যে আপিল করা ৪৬ জনের আবেদন পুনঃযাচাই করে আহত ৩৪ জনকে প্রকৃত জুলাইযোদ্ধা হিসেবে পুনরায় গেজেটভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তর জানিয়েছে, আপিলে সুপারিশপ্রাপ্ত জুলাইযোদ্ধাদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকারের উচ্চপর্যায়ের কমিটি।

একই সময়ে শহিদ ও আহতদের স্বীকৃতি প্রক্রিয়ায় প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে আরও ১২৮ জনের মাসিক ভাতা ও অন্যান্য সরকারি সুবিধা স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন আবেদন যাচাইয়ে প্রায় ২০০টি আবেদন সম্পূর্ণ ভুয়া এবং আরও ৬০০টি আবেদন তথ্যগত অসংগতিপূর্ণ হিসেবে শনাক্ত হওয়ায় পুরো যাচাই কার্যক্রম নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আনোয়ারুল নাসের বলেন, গেজেট বাতিল হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৪৬ জন আপিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে ১২ জন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে না পারলেও ৩৪ জন আন্দোলনে আহত হওয়া এবং বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার প্রমাণ দাখিল করতে সক্ষম হয়েছেন।

তিনি জানান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বাধীন স্থানীয় পর্যালোচনা কমিটি এসব তথ্য যাচাই করে তাদের পুনরায় জুলাইযোদ্ধা হিসেবে গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছে। অধিদপ্তর সেই সুপারিশ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। এখন বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ের কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১ জানুয়ারি থেকে বিভিন্ন ধাপে পরিচালিত তদন্তে মিথ্যা তথ্য, ভুয়া নথি, দ্বৈত নিবন্ধন ও অসত্য দাবির প্রমাণ পাওয়ায় ১৩ জন শহিদসহ মোট ২২১ জনের গেজেট বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত ১২৮ জনের মাসিক ভাতা, এককালীন অনুদানসহ সব ধরনের সরকারি সুযোগ-সুবিধা স্থগিত করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১০৫ জনের ক্ষেত্রে আন্দোলনে আহত বা সম্পৃক্ত না থাকার প্রমাণ মিলেছে। আর ২৩ জনের নাম একাধিক গেজেটে অন্তর্ভুক্ত ছিল।

নতুন আবেদন যাচাইয়েও বড় ধরনের অনিয়ম ধরা পড়েছে। অধিদপ্তরের হিসাবে, প্রায় ২০০টি আবেদন সম্পূর্ণ ভুয়া বলে শনাক্ত হয়েছে। আরও প্রায় ৬০০টি আবেদনে তথ্যগত অসংগতি, একই ব্যক্তির একাধিক আবেদন, শহিদের পরিচয়ে আহত হিসেবে আবেদন কিংবা প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রের ঘাটতি পাওয়া গেছে। এসব আবেদন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের তদন্ত কমিটির মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে শতাধিক সন্দেহজনক গেজেট ও আবেদন এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।

আনোয়ারুল নাসের বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য কাউকে হয়রানি করা নয়; বরং প্রকৃত জুলাইযোদ্ধাদের অধিকার নিশ্চিত করা। অভিযোগ পাওয়া প্রতিটি ঘটনা স্থানীয় পর্যায়ে তদন্ত করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। যাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, তাদের গেজেট বাতিলের পাশাপাশি সরকারি সুবিধা স্থগিত করা হয়েছে। আবার যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ টেকেনি এবং গ্রহণযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে, তাদের ক্ষেত্রেও ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। আপিলে সুপারিশ পাওয়া ৩৪ জন তারই উদাহরণ।

তিনি আরও জানান, প্রতারণার মাধ্যমে সরকারি সুবিধা গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে শুধু গেজেট বাতিলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না সরকার। যারা ইতোমধ্যে ভাতা বা অন্য আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন, তাদের কাছ থেকে অর্থ পুনরুদ্ধারে জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগের ধরন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে। তবে যেসব আপিলকারীর পুনঃগেজেটের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তাদের ক্ষেত্রে উচ্চপর্যায়ের কমিটির সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত পৃথক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, এত বড় কল্যাণ কর্মসূচির বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখতে কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের কোনো বিকল্প নেই। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সাধারণ সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, প্রকৃত শহিদ পরিবার ও আহতদের অধিকার রক্ষায় যেমন প্রতারণাকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা জরুরি, তেমনি ভুলবশত বাদ পড়া প্রকৃত যোদ্ধাদেরও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আপিলের মাধ্যমে ৩৪ জনের পুনঃগেজেটের সুপারিশ দেখাচ্ছে, যাচাই প্রক্রিয়া কেবল শাস্তিমূলক নয়, সংশোধনমূলকও।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ৮৪৩ জন শহিদ এবং ১৪ হাজার ৩৭০ জন আহত জুলাইযোদ্ধার গেজেট কার্যকর রয়েছে। শহিদ পরিবার ও আহত জুলাইযোদ্ধাদের কল্যাণে এ পর্যন্ত প্রায় ৯৭৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শহিদ পরিবারের জন্য সঞ্চয়পত্র, আহতদের এককালীন অনুদান, মাসিক ভাতা এবং বিদেশে উন্নত চিকিৎসার ব্যয়। সরকার ইতোমধ্যে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার কল্যাণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।

এদিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আগামী ৫ আগস্ট থেকে তিন দিনব্যাপী জাতীয় কর্মসূচির প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম জানিয়েছেন, জুলাই মাসজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হলেও মূল আয়োজন শুরু হবে ৫ আগস্ট। ওই দিন তিন দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, কর্মসূচির প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয় করে অনুষ্ঠানসূচি চূড়ান্ত করা হচ্ছে। আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই কোথায়, কখন এবং কী ধরনের কর্মসূচি হবে, তার পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করা হবে।

আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হতে ফিলিপাইনের সমর্থন চাইল বাংলাদেশ

বাসস
আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হতে ফিলিপাইনের সমর্থন চাইল বাংলাদেশ
ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মা. থেরেসা পি. লাজারোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। ছবি : মন্ত্রণালয়

দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় জোট আসিয়ানের (আসিয়ান) বর্তমান চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার প্রচেষ্টায় ফিলিপাইনের সমর্থন চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ট্রিটি অব অ্যামিটি অ্যান্ড কো-অপারেশন (টিএসি)-এর ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের ফাঁকে আজ ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মা. থেরেসা পি. লাজারোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি এ অনুরোধ জানান।

বৈঠকে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী নার্সিং, চিকিৎসা পর্যটনের জন্য ভিসা সহজীকরণ, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং পরিবার পুনর্মিলনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

ড. খলিলুর রহমান দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে বের করার প্রচেষ্টায়ও ফিলিপাইনের সমর্থন কামনা করেন।

দুই মন্ত্রী বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা আরও বাড়ানোর গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন।

দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় আঞ্চলিক জোটের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা গভীর করা এবং সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার মর্যাদা অর্জের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।