• ই-পেপার

মৃদু দাবদাহ বইছে ঢাকাসহ দেশের ২২ অঞ্চলে

সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত : আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত : আইনমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

জনদাবিকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি কেউ অন্যায়ের শিকার হোক সেটা সরকার চাইবে না বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, ‘সদ্যোবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সরকার সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে। এতটুকু ভরসা সরকার প্রধান ও আমাদের ওপর রাখতে হবে।’

রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নবাগত আইনজীবীর ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘সরকার একদিকে যেমন জনদাবিকে গুরুত্ব দেব, আবার কেউ অন্যায়ের শিকার হোক, তাও চাইব না। সুতরাং বিষয়টি আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কী করণীয় আছে, সেটা সরকার যথাসময়ে সিদ্ধান্ত নেবে।’

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি নিয়োগ সংবিধানের ১২৩-এর ২ অনুচ্ছেদ অনুসারে পদত্যাগের দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে হওয়ার কথা। সংবিধানের বিধান অনুযায়ীই পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।’
 
পদত্যাগী রাষ্ট্রপতির চিকিৎসার জন্য বিদেশযাত্রায় কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আইনগত বাধা আছে কী না তা জানতে চান সাংবাদিক। এর জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ওটা হোম মিনিস্ট্রি জানবে। এগুলো কনফিডেনশিয়াল বিষয়, এটা পাবলিকলি এভাবে আমরা বলতে পারব না। কার নিষেধাজ্ঞা আছে, সেটা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে।’

পিরোজপুরের একটি প্রকল্পের উদাহরণ টেনে আইনমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, ‘সেখানে একজন এমপি ছিলেন, নাম ছিল মহারাজ। বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে শুধুমাত্র স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার কাজ কাগজে-কলমে দেখানো হলেও বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি। এক ইঞ্চি রাস্তা নির্মাণ হয়নি, এক বিন্দু বালু পড়েনি, এক ছটাক সিমেন্ট পড়েনি, এক কেজি রড পড়েনি। মহারাজসহ সেখানকার কর্মকর্তারা যোগসাজশ করে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার কাজ দেখিয়ে সেই অর্থ লুটপাট করেছেন।’ 

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আর কত কোটি টাকার কাজ যে বেগমপাড়ায় গেছে, তার কোনো হিসাব নেই। বিশ্ববিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন তাদের একটি প্রতিবেদনে বলেছে, গত ১৬ বছরে বাংলাদেশ থেকে ডকুমেন্টেড উপায়ে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার অর্থ পাচার হয়েছে। এমন একটি চোরাবালির পথ পেরিয়ে আমরা এখন গণতন্ত্রের মহাসড়কের দিকে প্রবেশ করেছি।’

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজিত এ কর্মশালায় প্রায় এক হাজার ৫৪ জন নবীন আইনজীবী অংশ নেন। অনুষ্ঠানে আইনজীবীদের পেশাগত নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও সামাজিক মর্যাদা রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। 

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি তারিক আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান প্রমুখ।

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন মেনে চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন মেনে চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান
ছবি : কালের কণ্ঠ

সংশোধিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০০৫’ মেনে চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রচারের আহ্বান জানিয়েছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।

তারা বলেছেন, চলচ্চিত্রে তামাক ও মাদকের নেতিবাচক উপস্থাপন তরুণ সমাজের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে চলচ্চিত্রে তামাকের ব্যবহার পরিহার এবং আইন বাস্তবায়নে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

রবিবার (২৬ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ‘চলচ্চিত্রে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বাস্তবায়ন: পরিচালক ও সংশ্লিষ্টদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনাসভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) জহির রায়হান অডিটরিয়ামে এ সভার আয়োজন করে মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা (মানস) এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি।

চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহিন সুমনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল, বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি, মানসের সভাপতি অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরীসহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সভায় অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরী বলেন, তামাকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে মানুষ সচেতন হলেও তামাক কম্পানিগুলোর বিভিন্ন প্রচারণা তামাক নিয়ন্ত্রণে বাধা সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে কিশোর ও তরুণদের আকৃষ্ট করতে নানা কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা, শিল্পীসহ সমাজের সবাইকে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তামাকবিরোধী সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে শাহীন সুমন বলেন, অনেক চলচ্চিত্রে নেতিবাচক চরিত্র দেখানোর ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ধূমপান ও মাদক সেবনের দৃশ্য রাখা হয়, যা তরুণদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে পরিচালক সমিতির সদস্যদের সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বক্তারা জানান, সংশোধিত আইনে সিনেমা, নাটক ও প্রামাণ্যচিত্রে তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের দৃশ্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। চলচ্চিত্রে সুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে তামাকের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরতে হবে।

তারা আরো বলেন, নায়ক বা কেন্দ্রীয় চরিত্রের আচরণ দর্শকদের, বিশেষ করে তরুণদের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই ধূমপান ও মাদকের দৃশ্য পরিহার করে মানসম্মত চলচ্চিত্র নির্মাণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির ৩০ জনের বেশি পরিচালক এবং বিভিন্ন তামাক নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

১৫ বছরের কমবয়সী ও দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবেন না

অনলাইন ডেস্ক
১৫ বছরের কমবয়সী ও দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবেন না
সংগৃহীত ছবি

১৫ বছরের কমবয়সী ও দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তদের হজে না যেতে নির্দেশনা জারি করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। আজ রবিবার (২৬ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, ২৭ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু হচ্ছে। এ বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এ নিবন্ধন কার্যক্রম। এ সময়ের মধ্যেই হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তিদের প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঘোষিত হজ কার্যক্রমের রোডম্যাপ অনুযায়ী এই সময়সূচি ঘোষণা করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, সাড়ে তিন লাখ টাকা জমা দিয়ে সরকারি ও বেসরকারি যেকোনো মাধ্যমে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে। প্রাথমিক নিবন্ধিত ব্যক্তিদেরকে চলতি বছরের ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্যাকেজ মূল্যের বাকি টাকা পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন করতে হবে।

প্রাথমিক নিবন্ধনের পূর্বে হজযাত্রীদের আবশ্যিকভাবে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন করতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

সরকারি মাধ্যমে ই-হজ সিস্টেমে (hajj.gov.bd) ইউজার তৈরি করে যেকেউ নিজেই নিবন্ধন করতে পারবেন। এ ছাড়া ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা মডেল মসজিদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম অফিস ও ঢাকা হজ অফিসে হজের নিবন্ধন করা যাবে।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তিদের সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ভাউচারের মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন করতে হবে। তবে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদেরকে হজ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে এজেন্সির নির্ধারিত হিসাবে টাকা জমা দিতে হবে। এজেন্সির ব্যাংক হিসাবের তথ্য হজ পোর্টালে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির প্রোফাইলে পাওয়া যাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৫ বছরের কম বয়সী কেউ হজে যেতে পারবে না। এ ছাড়া দুরারোগ্য ব্যাধি যেমন—হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, লিভার বা কিডনি রোগ, স্নায়ুবিক বা মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ও ডিমেনশিয়া রোগী, কেমোথেরাপি বা বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি নিচ্ছেন—এমন ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী হজে যেতে পারবে না।

এ ছাড়া জনস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে এমন সক্রিয় সংক্রামক রোগ যেমন—যক্ষ্মা ও হেমোরেজিক ফিভারে আক্রান্ত ব্যক্তি হজে যেতে পারবে না। গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাস ও ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় কোনো মহিলা হজযাত্রী ফিটনেস সনদ পাবে না।

প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় হজযাত্রীদেরকে আবশ্যিকভাবে প্রশিক্ষণ ও টিকা গ্রহণের জেলা, হজের ধরন ও হজ প্যাকেজ নির্বাচন করতে হবে। এ ছাড়া ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ সম্বলিত পাসপোর্ট প্রয়োজন হবে।

কোথায় আটকে আছে পে স্কেল? বাস্তবায়নের আশ্বাস অর্থমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
কোথায় আটকে আছে পে স্কেল? বাস্তবায়নের আশ্বাস অর্থমন্ত্রীর
সংগৃহীত ছবি

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো জুলাই থেকে কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। তবে এখন পর্যন্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের রূপরেখা কেমন হবে, তা নিয়ে চলছে পর্যালোচনা। প্রজ্ঞাপন না হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীরা পে স্কেল নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো সচিব কমিটির পর্যালোচনা ও সুপারিশ চূড়ান্ত করা।

তবে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় এটি একবারে নয়, বরং ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এটি ধাপে ধাপে বা ক্রমান্বয়ে বাস্তবায়ন করা হবে।’

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশের অর্থনীতি, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা এবং নতুন পে স্কেল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘পে স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি। এটি অবশ্যই বাস্তবায়ন করা হবে। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং দেশের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় আমরা এটি ক্রমান্বয়ে বাস্তবায়ন করব।’

তিনি বলেন, ‘দেশ বর্তমানে একটি চ্যালেঞ্জিং অর্থনৈতিক সময় অতিক্রম করছে। তাই নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এমন একটি পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে, যাতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সুবিধা পান, আবার একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপও সৃষ্টি না হয়।’

অর্থমন্ত্রী জানান, সরকার নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে টেকসই আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ধাপে ধাপে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

এদিকে সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল জুলাই থেকে কার্যকরের ঘোষণা থাকলেও কীভাবে এটি বাস্তবায়ন হবে সে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত করতে পারেনি এ বিষয়ে গঠিত উচ্চপর্যায়ের সচিব কমিটি। মূল বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা কত ধাপে বাস্তবায়ন হবে ও সফটওয়্যার ইস্যুসহ প্রশাসনিক পর্যালোচনার বৃত্তেই আটকে আছে পে স্কেল চূড়ান্তকরণ প্রক্রিয়া। বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনায় গঠিত সচিব কমিটি আরো দুই থেকে তিনটি সভা শেষে চূড়ান্ত সুপারিশ সরকারের কাছে জমা দিতে পারে বলে জানা গেছে। এরপর মন্ত্রিসভার অনুমোদন মিললে নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ হতে পারে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে ১৪ লাখ। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তাদের বেতন ও ভাতা বাবদ প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আর পেনশন ও গ্রাচুইটিসহ এর পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। নতুন পে স্কেল ও আনুষঙ্গিক খরচ মেটাতে গেলে আরো প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। এই বিপুল অর্থ জোগাড় করা বর্তমান রাজস্ব আয়ের প্রেক্ষাপটে কঠিন। এটি করতে গেলে তা বর্তমান ঘাটতি বাজেটে বিশাল চাপ তৈরি করবে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) মনে করে, বড় অঙ্কের বেতন বৃদ্ধি বাজারে অতিরিক্ত অর্থ প্রবাহ তৈরি করবে এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দেবে। রাজস্ব আদায় প্রত্যাশা অনুযায়ী না বাড়ায় দেশি বা বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরতার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

মৃদু দাবদাহ বইছে ঢাকাসহ দেশের ২২ অঞ্চলে | কালের কণ্ঠ