• ই-পেপার

বঙ্গবন্ধু রচিত প্রযুক্তি ভিতের ওপর এবার স্মার্ট বাংলাদেশ

বন্যা : পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে কন্ট্রোল রুম স্থাপন

অনলাইন ডেস্ক
বন্যা : পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে কন্ট্রোল রুম স্থাপন
সংগৃহীত ছবি

তিন পার্বত্য জেলায় ভারী বর্ষণ, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. রেজওয়ান খান এ তথ্য জানান।

জরুরি প্রয়োজনে উপসচিব মোঙ্গল চন্দ্র পাল, (মোবাইল: ০১৭১২-৮৪০৮৩৭) এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আজিজুল ইসলাম (মোবাইল: ০১৭২৬-০০৭৬৯৩)-এর যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

টানা কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিতে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে চট্টগ্রামসহ তিন পার্বত্য অঞ্চলে। ৩০ হাজারের মতো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ঘটে ভূমিধসের ঘটনাও। পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাঠে কাজ করছে সেনাবাহিনী, জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টরা।

সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

অনলাইন ডেস্ক
সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় দেশের সব সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) সংস্থাটির সর্বশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতির বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে বর্তমানে লঘুচাপ আকারে মধ্য উত্তরপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। সমুদ্রবন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

দুপুরের মধ্যে ১৪ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
দুপুরের মধ্যে ১৪ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

দেশের ১৪ জেলায় দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্কবার্তা দিয়েছে সংস্থাটি। 

শুক্রবার ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। 

‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন

বাসস
‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন
সংগৃহীত ছবি

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্পায়ন এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা সহজ ও সমন্বিত করতে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। 

নতুন এ আইনের আওতায় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষের (পিপিপিএ) কার্যক্রম সমন্বিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ১২তম বৈঠকে গতকাল বৃহস্পতিবার এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উত্থাপিত এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রস্তাবিত আইনের মাধ্যমে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন, নিবন্ধন, আমদানি-রপ্তানি, প্রণোদনা, শিল্পাঞ্চল উন্নয়ন এবং সরকারি সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও সমন্বিত হবে।

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে সিঙ্গেল উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস, অনুমোদন ও লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ার ডিজিটালাইজেশন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।

সরকারের মতে, নতুন আইন কার্যকর হলে বিনিয়োগ উন্নয়ন কার্যক্রমে বিদ্যমান নীতিগত অসামঞ্জস্যতা কমবে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের দ্বৈততা দূর হবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা আরো শক্তিশালী হবে। 

পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সমন্বিত বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে উঠবে।

আইনটির উল্লেখযোগ্য দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক অঞ্চল, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলসহ ঘোষিত শিল্পাঞ্চলকে সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার সুযোগ, লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রদানের পদ্ধতি এবং সময়সীমা নির্ধারণ, ক্ষুদ্র পিপিপি প্রকল্পে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মাধ্যমে সহজ অনুমোদনের ব্যবস্থা এবং অব্যবহৃত সরকারি জমি, স্থাপনা, শেয়ার ও স্বত্ব উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহারের সুযোগ।

এ ছাড়াও, বিনিয়োগ ও ব্যবসা-সংক্রান্ত সব ধরনের সেবা একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনার বিধান রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ ছাড়াও ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০)’ এবং ‘আমদানি নীতি আদেশ, ২০২৬-২০২৯’-এর খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। 

নতুন জ্বালানি কৌশলপত্রে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ২০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে নতুন আমদানি নীতি আদেশে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আধুনিক পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমদানি প্রক্রিয়া সহজীকরণ, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল, সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস, অনলাইন অনুমোদন ব্যবস্থা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগে নতুন সুবিধার বিধান রাখা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু রচিত প্রযুক্তি ভিতের ওপর এবার স্মার্ট বাংলাদেশ | কালের কণ্ঠ