• ই-পেপার

সংকট থেকেই নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে : পলক

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে অর্থনীতি, পোশাকশিল্প হবে সহযাত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে অর্থনীতি, পোশাকশিল্প হবে সহযাত্রী

দেশের অর্থনীতি নানা সংকটের মধ্য দিয়ে গেলেও তা ঘুরে দাঁড়াবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, অর্থনীতি পুনর্গঠনের পথে পোশাক শিল্প গুরুত্বপূর্ণ সহযাত্রী হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ অ্যাপারেল জেনারেল ম্যানেজারস অ্যাসোসিয়েশন (BAGMA) আয়োজিত বার্ষিক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি এখন পোশাকশিল্প। এই শিল্পের সূচনা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে হয়েছিল। তার হাত ধরে শুরু হওয়া এই শিল্প আজ দেশের অর্থনীতির অন্যতম বড় শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, পোশাকশিল্পের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ সামনে এগিয়ে যেতে পারে। তবে বিগত সময়ে দেশের বিপুল সম্পদ পাচারসহ নানা কারণে অর্থনীতি বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। একটি দুর্বল অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়া কঠিন কাজ, তবে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তা সম্ভব।

মন্ত্রী বলেন, দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যেতে পারে। পোশাকশিল্পে দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও প্রশিক্ষিত জনবল তৈরির উদ্যোগ এ খাতের সক্ষমতা আরো বাড়াবে।

তিনি বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন ও বেসরকারি খাতের বিকাশে সরকার সহযোগী ভূমিকা পালন করবে। উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ, উৎপাদন ও উদ্ভাবনের সুযোগ তৈরি করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পোশাকশিল্পের বিভিন্ন সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট এবং উচ্চ সুদের হার উদ্যোক্তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এসব সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে পোশাক শিল্পের সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

চীনের বিশ্ব এআই সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
চীনের বিশ্ব এআই সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

চীনের সাংহাইয়ে শুরু হওয়া চার দিনব্যাপী ‘ওয়ার্ল্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কনফারেন্স’-এ অংশ নিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। ১৭ থেকে ২০ জুলাই অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তি খাতের নেতা, গবেষক, উদ্ভাবক এবং শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চীনের রাষ্ট্রপতি শি চিনপিং। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কাজাখস্তানের রাষ্ট্রপতি, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের মহাসচিব বক্তব্য দেন। 

সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ, উদীয়মান প্রযুক্তি, এআই গভর্ন্যান্স, উদ্ভাবন, ডিজিটাল রূপান্তর এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন অধিবেশনে আলোচনা হচ্ছে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, সম্মেলন চলাকালে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম একাধিক উচ্চপর্যায়ের অধিবেশন ও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন।

পাশাপাশি বৈশ্বিক প্রযুক্তি নেতা ও নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর, এআইভিত্তিক উদ্ভাবন, স্মার্ট গভর্ন্যান্স এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে অগ্রগতির বিষয় তুলে ধরবেন। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উন্নত প্রযুক্তি, গবেষণা, বিনিয়োগ এবং সক্ষমতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করবেন।
 

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন : তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, একজন রাষ্ট্রনায়কের প্রকৃত শক্তি হলো তাঁর সুস্পষ্ট পরিকল্পনায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের আগে ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ এর মাধ্যমে জাতির সামনে যে রাষ্ট্র পরিচালনার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন, সম্প্রতি ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীও তাঁর বক্তব্যের সূচনায় আই হ্যাভ আ প্ল্যান বলে পরিকল্পনাভিত্তিক নেতৃত্বের সঙ্গে মিলিয়ে একই ভাষায় কথা বলেছেন।

আজ শুক্রবার রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ভবনের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে আপন, ঢাকা’র উদ্যোগে মহাত্মা ভেগাই হালদারের আবির্ভাব ও তিরোধান উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘একটু আগে দেখলাম ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ বলেছেন। শুনে মনে হয়েছে, পরিকল্পনাভিত্তিক নেতৃত্বের যে দর্শন তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের সামনে উপস্থাপন করেছিলেন, সেই একই ভাষায় জনগণের কাছে ভবিষ্যতের রূপরেখা তুলে ধরা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, একজন রাষ্ট্রনায়ক যখন জাতির সামনে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরেন, তখন জনগণ সেই পরিকল্পনার মধ্যেই দেশের ভবিষ্যৎ দেখতে পায় এবং সেই নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখে। বাংলাদেশের মানুষও তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’-এ ঘোষিত রাষ্ট্রচিন্তা ও কর্মপরিকল্পনার প্রতি বিশ্বাস রেখেই তাঁকে এবং তাঁর দলকে বিপুল সমর্থন দিয়েছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, তারেক রহমানের পরিকল্পনার অন্যতম ভিত্তি হলো ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, জাতিসত্তা ও সংস্কৃতি নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা। 

মাহাত্মা ভেগাই হালদারও অনুরূপ মানবিক মূল্যবোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা প্রচার করে গিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সব বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ হিসেবে এগিয়ে যাবে এবং বিভাজনের রাজনীতির কোনো স্থান এখানে হবে না।

তিনি বলেন, যারা একক ধর্ম, একক সংস্কৃতি বা একদলীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তারা প্রকৃতির নিয়ম, মানবতা ও সভ্যতার বিরোধী। বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। 

অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থী ও গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আপন, ঢাকার সভাপতি শচীন্দ্র নাথ হালদার।

আইনি প্রক্রিয়ায় শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয় পর্যালোচনা করছে ভারত : জয়সওয়াল

অনলাইন ডেস্ক
আইনি প্রক্রিয়ায় শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয় পর্যালোচনা করছে ভারত : জয়সওয়াল
রণধীর জয়সোয়াল। সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে বলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন জয়সোয়াল।

সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আমরা জানতে পারছি, শেখ হাসিনা ও অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের প্রত্যর্পণের জন্য বাংলাদেশ আবারও ভারতকে অনুরোধ করেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কোনো যোগাযোগ হয়েছে কি না। তা ছাড়া শেখ হাসিনা নিজেই ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন। তাই বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কোনো যোগাযোগ হয়েছে কি না।

এ প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, আমরা প্রত্যর্পণের জন্য একটা অনুরোধ পেয়েছি। যেমনটি আমরা আগে বলেছিলাম, অনুরোধটি পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট আইনগত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার আলোকে অনুরোধটি বিবেচনা করা হবে।

আরেক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন বাংলাদেশের করা আরেকটি প্রত্যর্পণের অনুরোধ নিয়ে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তাঁরা এক ব্যক্তিকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে সব কাগজপত্র পাঠিয়েছেন। ওই ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়ে ভারতীয় পুলিশের হেফাজতে আছে। তাঁর বিরুদ্ধে বাংলাদেশে নির্বাচনের প্রাক্কালে একজন রাজনীতিবিদকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে আপনাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়েছে কি না এবং হয়ে থাকলে সেটার বর্তমান অবস্থা কী?

এ প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, এ বিষয়ে তার কিছু জানা নেই। এই প্রশ্নের উত্তরেও তিনি জানান, প্রত্যর্পণের যেকোনো অনুরোধ আইনগত বিষয় ও বিচারপ্রক্রিয়া খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে।

সংকট থেকেই নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে : পলক | কালের কণ্ঠ