• ই-পেপার

বেগম রোকেয়া দিবস আজ

জাতিসংঘে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু সহনশীল নগর উন্নয়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু সহনশীল নগর উন্নয়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার

অন্তর্ভুক্তিমূলক, সাশ্রয়ী, জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তুলতে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহাম্মদ সোহেল মনজুর। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে নিউ আরবান এজেন্ডার মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণ, সাশ্রয়ী আবাসন এবং সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। দেশের নগরায়ণকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

আহাম্মদ সোহেল মনজুর জানান, প্রধানমন্ত্রীর ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আওতায় সরকার সাশ্রয়ী আবাসন সম্প্রসারণ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালীকরণ এবং টেকসই নগর অবকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এসব উদ্যোগ নিউ আরবান এজেন্ডা ও টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ভবিষ্যৎমুখী নগর উন্নয়ন কৌশলের অংশ হিসেবে সমন্বিত স্থানীয় পরিকল্পনা, ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা, উদ্ভাবনী নগর অর্থায়ন, সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং জলবায়ু সহনশীল নগর অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের গুরুত্বারোপের কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার, প্রযুক্তি হস্তান্তর, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, টেকসই নগর উন্নয়নের মাধ্যমে এমন একটি ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে কোনো মানুষ বা কোনো অঞ্চল পিছিয়ে থাকবে না।

মহাসড়কে বর্জ্য ফেলতে গিয়ে ধরা পরিচ্ছন্নতাকর্মী, সাময়িক বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
মহাসড়কে বর্জ্য ফেলতে গিয়ে ধরা পরিচ্ছন্নতাকর্মী, সাময়িক বরখাস্ত

ঢাকার আমিনবাজার-হেমায়েতপুর মহাসড়কের পাশে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বর্জ্য ফেলতে গিয়ে কয়েকজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী জেলা প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শনে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন। ঘটনাস্থলেই তাদের সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে মহাসড়কের পাশে বর্জ্য ফেলা সম্পূর্ণ বন্ধ করে সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম আমিনবাজার-হেমায়েতপুর মহাসড়কসংলগ্ন পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম পরিদর্শনে গেলে এ ঘটনা ধরা পড়ে।

এর আগে মহাসড়কের পাশে কোনো অবস্থাতেই বর্জ্য না ফেলার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের একাধিকবার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা অমান্য করে বর্জ্য ফেলতে দেখা যায় কয়েকজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে।

ঘটনাস্থলেই জেলা প্রশাসক অভিযুক্তদের তীব্র ভর্ৎসনা করেন এবং তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেন।

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, ‘মহাসড়কের পাশে কোনোভাবেই বর্জ্য ফেলা যাবে না। এ বিষয়ে আগেই স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারপরও যারা নির্দেশ অমান্য করেছে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও জনস্বার্থের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।’

জেলা প্রশাসন জানায়, পরিবেশ দূষণ রোধ, দুর্গন্ধমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে মহাসড়ক ও জনবহুল এলাকায় অবৈধভাবে বর্জ্য ফেলা বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই দশক ধরে অব্যবস্থাপনা, দুর্গন্ধ ও পরিবেশ দূষণের কারণে ভোগান্তিতে থাকা আমিনবাজার থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত মহাসড়ককে পরিচ্ছন্ন, দুর্গন্ধমুক্ত ও দৃষ্টিনন্দন করতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

এই কর্মসূচির আওতায় মহাসড়কের দুই পাশে বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা ও অবৈধভাবে ফেলা বর্জ্য অপসারণ করে নির্ধারিত ল্যান্ডফিলে স্থানান্তর করা হচ্ছে। পাশাপাশি রাস্তার দুই পাশে বালি ও মাটি দিয়ে ভরাট করে স্লোপ নির্মাণ করা হচ্ছে, যাতে বর্ষায় মাটি ক্ষয় রোধ করা যায়। সবুজায়নের অংশ হিসেবে রাস্তার দুই পাশে নিম, সুপারি ও নারিকেল গাছ রোপণ করা হবে। এছাড়া ভবিষ্যতে যাতে কেউ মহাসড়কের পাশে বর্জ্য ফেলতে না পারে, সে জন্য দুই পাশে উঁচু সুরক্ষা বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, মহাসড়ককে স্থায়ীভাবে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব রাখতে নজরদারি আরো জোরদার করা হবে। এ ধরনের অনিয়মে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ধান বীজ দেবে সরকার

বাসস
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ধান বীজ দেবে সরকার
সংগৃহীত ছবি

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ধান বীজ ও চারা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি জানান, ১৫ দিনের মধ্যে শতভাগ গবাদি পশুকে টিকা দেওয়া হবে।

আজ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারীতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষি ও খামারিদের মাঝে ধান বীজ ও উপকরণ বিতরণ এবং গবাদি পশুকে টিকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচ জেলার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত চাষাবাদে ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে বলেও জানান মন্ত্রী।

চলমান বন্যায় আমন ধানের বীজতলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি মোকাবেলায় ইউনিয়ন ও ব্লক পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজন অনুযায়ী বীজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যেসব কৃষকের বীজতলা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে, তাদের হাতে দ্রুত বীজ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আর যাদের জমি এখনো পানির নিচে রয়েছে এবং এখনই বীজ বোনার সুযোগ নেই, তাদের জন্য সরকারি উদ্যোগে কৃষকদের কাছ থেকে জমি ভাড়া নিয়ে বিকল্প বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। সেখানে উৎপাদিত চারা ১৫ থেকে ২০ দিন পর ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে, যাতে পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা রোপণ করতে পারেন।

গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বন্যার পর সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি হয় খুরারোগ ও অন্যান্য সংক্রামক রোগের। তাই আজ থেকেই বন্যাকবলিত পাঁচ জেলায় ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে এবং আগামী ১৫ দিনের মধ্যে শতভাগ গবাদিপশুকে টিকার আওতায় আনা হবে।

পাশাপাশি বন্যার কারণে সৃষ্ট গোখাদ্যের সংকট মোকাবেলায় প্রথম ধাপে ৩৫ লাখ টাকার গোখাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তীতেও সহায়তা বাড়ানো হবে বলে মন্ত্রী জানান।

আগামী সপ্তাহে ৭ জেলায় বন্যার শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী সপ্তাহে ৭ জেলায় বন্যার শঙ্কা
ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশে টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও মারাত্মক পাহাড়ধসে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাত জেলা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত তিন দিন বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও আগামী সপ্তাহে উত্তরাঞ্চলে বন্যার শঙ্কার কথা জানিয়েছে বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

আজ শুক্রবার দেওয়া সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, আগামী সপ্তাহে সাত জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান কালের কণ্ঠকে বলেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যবর্তী সময়ে (১৯-২৩ জুলাই) উজানের ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাতে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বাড়তে পারে। এতে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা রয়েছে।

বন্যার পূর্বাভাস

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী তিন দিন তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে এবং কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর প্রবাহিত হবে। এ কারণে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদী কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র। এ কারণে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও প্লাবিত হতে পারে।

এদিকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির স্থিতিশীল থাকতে পারে।

বৃষ্টির পূর্বাভাস

শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২২ জুলাই সকাল ৯টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে জানানো হয়েছে, এ সময়ের মধ্যে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

ক্ষতিগ্রস্ত ১২ লাখ মানুষ

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাত জেলায় বন্যা, ঢল ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১২ লাখ ১৬ হাজার ৮০৫ মানুষ। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের গতকাল বুধবার বিকেল পর্যন্ত হালনাগাদ করা তথ্যে দেখা যায়, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জসহ সাতটি জেলার ৫৭টি উপজেলার ৩৬২টি ইউনিয়ন ও আটটি পৌর এলাকায় দুর্যোগ আঘাত হেনেছে। এসব এলাকায় ৫২ হাজার ৪৯৩টি পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।

মৃত্যু ও নিখোঁজ

দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পর্যটন শহর কক্সবাজারে। সেখানে পাহাড়ধসে ও ঢলের পানিতে ভেসে ৩২ জন মারা গেছেন। এ ছাড়া কক্সবাজারে ২৫ জন আহত ও একজন নিখোঁজ রয়েছেন। চট্টগ্রাম জেলায় আংশিক জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ি ঢলে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১২ জন আহত হয়েছেন। বান্দরবানে সাতজন এবং রাঙামাটিতে তিনজন নিহত হন। মৌলভীবাজারে ঢলের পানিতে ভেসে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোয় ৮৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, এগুলোয় আশ্রয় নিয়েছেন ৮৪৯ জন। ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, উপদ্রুত সাতটি জেলায় চাল, নগদ টাকা, শুকনা খাবার, শিশুখাদ্য ও গো-খাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা ও এক হাজার ২০০ মেট্রিক টন চাল, কক্সবাজারে ৪০ লাখ টাকা ও ৪৫০ মেট্রিক টন চাল ও রাঙামাটিতে ৩০ লাখ টাকা ও ৫০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন সব জেলায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। তবে অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলবে। বৃহস্পতিবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষা স্থগিতের কথা জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলোর মোর্চা আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

বেগম রোকেয়া দিবস আজ | কালের কণ্ঠ