• ই-পেপার

বিকেলে আসছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার চতুর্থ চালান

কমিশন না বাড়ালে বড় কর্মসূচির হুঁশিয়ারি সিএনজি স্টেশন মালিকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
কমিশন না বাড়ালে বড় কর্মসূচির হুঁশিয়ারি সিএনজি স্টেশন মালিকদের

দেশের সিএনজি ফিলিং স্টেশন মালিকদের কমিশন প্রতি ঘনমিটারে বর্তমান ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ ও অন্যান্য ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই কমিশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয়ের ব্যবস্থাও চেয়েছে সংগঠনটি। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে এই দাবি বাস্তবায়িত না হলে ১ জুলাই থেকে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা।

আজ শনিবার রাজধানীর বিজয়নগরের আকরাম টাওয়ারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এসব তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নেতারা বলেন, ২০১৫ সালের পর থেকে সরকার সাত দফা বিদ্যুতের দাম বাড়ালেও সিএনজি স্টেশন মালিকদের কমিশন সেই অনুপাতে সমন্বয় করেনি। ফলে স্টেশনগুলোর উৎপাদন ও পরিচালন ব্যয় ক্রমাগত বেড়েছে। তবে সরকার নির্ধারিত বিক্রয়মূল্য নির্দিষ্ট থাকায় সেই অতিরিক্ত ব্যয় গ্রাহকদের ওপর আরোপ করা মালিকদের পক্ষে সম্ভব হয়নি। এর ফলে সিএনজি স্টেশন পরিচালনা করা দিন দিন অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

নেতৃবৃন্দ আরো উল্লেখ করেন, এর আগে ২০১৩ সালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সিএনজি স্টেশন মালিকদের কমিশন ২ টাকা ৯৮ পয়সা বাড়ানোর এবং ভবিষ্যতে বিদ্যুতের যেকোনো মূল্যবৃদ্ধি কমিশনের সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয়ের সুপারিশ করেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে মাত্র ১ টাকা কমিশন বাড়ানো হলেও বাকি ১ টাকা ৯৮ পয়সা দীর্ঘ এক দশকেও বাস্তবায়ন করা হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের বর্তমান ও দাবি করা হারের একটি যৌক্তিক হিসাব তুলে ধরা হয়। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিজনিত ব্যয় সমন্বয়ের জন্য বর্তমান কমিশনের সঙ্গে আরো ২ টাকা ৪৬ পয়সা যোগ করা প্রয়োজন। এর পাশাপাশি দেশব্যাপী চলমান মূল্যস্ফীতি, শ্রমিক-কর্মচারীদের ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বৃদ্ধি এবং যন্ত্রাংশ ও পরিচালন ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতির কারণে অতিরিক্ত আরো ৩ টাকা ৫০ পয়সা সমন্বয় করা জরুরি। সব মিলিয়ে বর্তমান কমিশন ৫ টাকা ৯৬ পয়সা বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা নির্ধারণ করা না হলে এই খাতটিকে আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না বলে তারা সাফ জানিয়ে দেন।

স্টেশন মালিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমি ও সংযোগ সড়কের ইজারা ফি, বিভিন্ন লাইসেন্স নবায়ন ব্যয়, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, ব্যাংক গ্যারান্টির কমিশন ও সুদ, মূল্যস্ফীতি এবং ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বর্তমানে পরিচালন ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। ফলে সরকার নির্ধারিত দামে গ্যাস বিক্রি করে বর্তমানে দেশের অনেক সিএনজি স্টেশন চরম লোকসানের মুখে পড়েছে এবং বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

তারা অভিযোগ করেন, গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন সরকারি কমিটি ও মন্ত্রণালয় সিএনজি খাতের এসব দাবির যৌক্তিকতা স্বীকার করে একাধিক সুপারিশ দিলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় সেগুলোর বেশিরভাগই আলোর মুখ দেখেনি। এমনকি সাম্প্রতিক সরকার পরিবর্তনের পরও বিষয়গুলো সমাধানের লক্ষ্যে জ্বালানি বিভাগ ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্তু বারবার আশ্বাসের পরও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়নি।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা আশা প্রকাশ করে বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সরকার তাদের এই ন্যায্য দাবিগুলো মেনে নেবে। অন্যথায়, আগামী ১ জুলাই থেকে সিএনজি খাতের অস্তিত্ব ও স্বার্থ রক্ষায় তারা দেশজুড়ে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন।

পরিবেশবান্ধব জ্বালানি হিসেবে সিএনজি দেশের বায়ুদূষণ কমাতে, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং গণপরিবহন ব্যবস্থাকে সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী রাখতে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে উল্লেখ করে মালিকরা বলেন, এই সম্ভাবনাময় খাতটির টেকসই পরিচালনার স্বার্থে কমিশন কাঠামো পুনর্বিবেচনা করা এখন সময়ের দাবি।
 

উপকূলের সংকট নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
উপকূলের সংকট নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের দাবি
ছবি: কালের কণ্ঠ

উপকূলের সংকট নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ ও নাগরিক আন্দোলনের নেতারা। তারা বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় জনপদের মানুষের জীবন-জীবিকা এবং প্রাণ-প্রকৃতি চরম ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এই ঝুঁকি মোকাবেলায় দীর্ঘ মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ দিতে হবে।

শনিবার (৬ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ইয়ুথ ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম ও লিডার্স আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশে এসব কথা বলেন তারা।

আরো পড়ুন
বিশ্বকাপের আগে ‘বিস্ময়বালক’ হারিয়ে বড় ধাক্কা খেল জার্মানি

বিশ্বকাপের আগে ‘বিস্ময়বালক’ হারিয়ে বড় ধাক্কা খেল জার্মানি

 

ফোরামের সদস্য যুধিষ্ঠির চন্দ্র বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তৃতা করেন ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের আহ্বায়ক আমিনুর রসুল বাবুল, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক মিহির বিশ্বাস, গ্রীণ ভয়েসের সমন্বয়কারি হুমায়ুন কবির সুমন, লিডার্সের ন্যাশনাল অ্যাডভোকেসি কো-অর্ডিনেটর শাকিল আহমেদ, ইয়ুথ ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের আহ্বায়ক সাদিয়া সুলতান শাপলা ও যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ জিয়া রানা প্রমুখ।

সমাবেশে আমিনুর রসুল বলেন, উপকূলীয় অঞ্চল বাংলাদেশের অর্থনীতি, খাদ্য নিরাপত্তা, মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুন্দরবন দেশের প্রাকৃতিক সুরক্ষাবলয় হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি কার্বন শোষণের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া চিংড়ি, কাঁকড়া ও সামুদ্রিক মৎস্য রপ্তানি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। কিন্তু জাতীয় বাজেটে জলবায়ু খাতে বরাদ্দ প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। এ সকল বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকা সুরক্ষায় সরকার, স্থানীয় প্রশাসন, নাগরিক সমাজ ও উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান নিখিল চন্দ্র ভদ্র। তিনি বলেন, উপকূলের পরিবেশগত সংকট মোকাবিলায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ, জলবায়ু সহনশীল কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়ন, সুন্দরবন সংরক্ষণ এবং দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি। 

আরো পড়ুন
সেই ছয় শিশুর পরিবারকে চাকরি-আজীবন ফ্রি চিকিৎসার প্রস্তাব আদ্-দ্বীনের

সেই ছয় শিশুর পরিবারকে চাকরি-আজীবন ফ্রি চিকিৎসার প্রস্তাব আদ্-দ্বীনের

 

মানববন্ধনে ২১দফা দাবি তুলে ধরে বলা হয়, দেশের ১৯টি উপকূলীয় জেলার সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের জন্য উপকূল উন্নয়ন বোর্ড গঠন করতে হবে। সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরগুনা ও পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় অঞ্চলকে দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা করতে হবে। টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও বাঁধে প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিটি উপকূলীয় পরিবারকে দুর্যোগ সহনশীল আবাসনের আওতায় আনতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

শনিবার (৬ জুন) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানান।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

ফেক নিউজের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের আগে নীতিনির্ধারকদের সচেতন হতে হবে : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ফেক নিউজের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের আগে নীতিনির্ধারকদের সচেতন হতে হবে : তথ্যমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। ছবি : সংগৃহীত

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ফেক নিউজের সমাধান করতে চাইলে, সাধারণ মানুষের আগে নীতিনির্ধারকদের সচেতন হতে হবে।

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরাম আয়োজিত ‘ফেক নিউজ’ বিষয়ক এক গোলটেবিল বৈঠকে এই পরামর্শ দেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘সীমান্তে নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও ডিজিটাল অ্যাক্সেস এর মধ্যে লুকিয়ে আছে। একদিকে এআইর দিকে যেমন ঝুঁকতে হবে, তেমনই ঝুঁকিকেও প্রাধান্য দিতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের সব কার্যক্রমে বিশেষজ্ঞদের বেশি বেশি অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে জানিয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘তবুও কিছু গোষ্ঠী সরকারের সমালোচনা করেই চলেছে।’

সমস্যার ভয়াবহতা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে, এখন সমাধানের সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী। স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য কমিশন গঠনের কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিকেলে আসছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার চতুর্থ চালান | কালের কণ্ঠ