• ই-পেপার

ফেক নিউজের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের আগে নীতিনির্ধারকদের সচেতন হতে হবে : তথ্যমন্ত্রী

বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের নতুন বার্তা

অনলাইন ডেস্ক
বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের নতুন বার্তা
সংগৃহীত ছবি

সারা দেশে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন বিভাগজুড়ে এই বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে এবং কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার (৬ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আরো পড়ুন
আমি ঢাকা শহরে থাকব না, এটা বাসযোগ্য মনে হয় না : মির্জা ফখরুল

আমি ঢাকা শহরে থাকব না, এটা বাসযোগ্য মনে হয় না : মির্জা ফখরুল

 

এতে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশটি পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিরাজমান রয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু কক্সবাজার উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হতে পারে।

শনিবার (৬ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

রবিবার (৭ জুন) ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

সোমবার (৮ জুন) খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

এ ছাড়া দেশের পূর্বাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং অন্যত্র তা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আরো পড়ুন
কমিশন না বাড়ালে বড় কর্মসূচির হুঁশিয়ারি সিএনজি স্টেশন মালিকদের

কমিশন না বাড়ালে বড় কর্মসূচির হুঁশিয়ারি সিএনজি স্টেশন মালিকদের

 

মঙ্গলবার (৯ জুন) ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

বুধবার (১০ জুন) রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে।

সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বর্ধিত ৫ (পাঁচ) দিনের আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

আমি ঢাকা শহরে থাকব না, এটা বাসযোগ্য মনে হয় না : মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক
আমি ঢাকা শহরে থাকব না, এটা বাসযোগ্য মনে হয় না : মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজকাল আমার নিজেরই মনে হয়, আমি ঢাকা শহরে থাকব না। শহরের বাইরে গিয়ে থাকব। কারণ, এটা বাসযোগ্য মনে হয় না।

তিনি বলেন, ঢাকা শহরের জন্য একটা ভয়াবহ বিপদ নিয়ে আসছে যে কোনোদিন যদি ভূমিকম্প কিছু হয়, তাহলে শহর তলিয়ে যাবে। এখানকার পানি খুব ভয়াবহ।

শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর পুরানা পল্টনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আয়োজিত ‘দক্ষিণের জানালা’ শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধনী শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ঘর থেকে বেরোলে নিঃশ্বাস নেওয়ার অক্সিজেনটা পর্যন্ত দূষিত। পাবলিক হাসপাতালের মধ্যে ঢোকাই যাবে না। প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান এখানে ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে। 

কলেজে থাকতে বুড়িগঙ্গাতে নৌকায় চড়ে ঘুরে বেড়াতেন উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, এখন সেই বুড়িগঙ্গার কাছেও যাওয়া যায় না। এত দূষিত, দুর্গন্ধ। আমার কাছে মনে হয় ঢাকা শহরের সব রোগগুলোর মূলে বোধহয় এই বুড়িগঙ্গা, বুড়িগঙ্গার পানি। শীতলক্ষ্যার প্রায় একই অবস্থা শুরু হয়েছে।

শহরের কাঠামোগত পরিবর্তনগুলোকে আরো পরিকল্পনামাফিক হতে হবে বলে জানান মির্জা ফখরুল। 

তিনি বলেন, পরিকল্পনাটা সঠিক নিতে হবে। নদীগুলোকে বিশুদ্ধ করার চেষ্টা করতে হবে। অথচ তাদের এত প্রজেক্ট হয়। এই বুড়িগঙ্গাকে পলিউশন মুক্ত করার কোনো প্রজেক্ট তৈরি হয় না।
 

কমিশন না বাড়ালে বড় কর্মসূচির হুঁশিয়ারি সিএনজি স্টেশন মালিকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
কমিশন না বাড়ালে বড় কর্মসূচির হুঁশিয়ারি সিএনজি স্টেশন মালিকদের

দেশের সিএনজি ফিলিং স্টেশন মালিকদের কমিশন প্রতি ঘনমিটারে বর্তমান ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ ও অন্যান্য ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই কমিশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয়ের ব্যবস্থাও চেয়েছে সংগঠনটি। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে এই দাবি বাস্তবায়িত না হলে ১ জুলাই থেকে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা।

আজ শনিবার রাজধানীর বিজয়নগরের আকরাম টাওয়ারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এসব তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নেতারা বলেন, ২০১৫ সালের পর থেকে সরকার সাত দফা বিদ্যুতের দাম বাড়ালেও সিএনজি স্টেশন মালিকদের কমিশন সেই অনুপাতে সমন্বয় করেনি। ফলে স্টেশনগুলোর উৎপাদন ও পরিচালন ব্যয় ক্রমাগত বেড়েছে। তবে সরকার নির্ধারিত বিক্রয়মূল্য নির্দিষ্ট থাকায় সেই অতিরিক্ত ব্যয় গ্রাহকদের ওপর আরোপ করা মালিকদের পক্ষে সম্ভব হয়নি। এর ফলে সিএনজি স্টেশন পরিচালনা করা দিন দিন অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

নেতৃবৃন্দ আরো উল্লেখ করেন, এর আগে ২০১৩ সালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সিএনজি স্টেশন মালিকদের কমিশন ২ টাকা ৯৮ পয়সা বাড়ানোর এবং ভবিষ্যতে বিদ্যুতের যেকোনো মূল্যবৃদ্ধি কমিশনের সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয়ের সুপারিশ করেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে মাত্র ১ টাকা কমিশন বাড়ানো হলেও বাকি ১ টাকা ৯৮ পয়সা দীর্ঘ এক দশকেও বাস্তবায়ন করা হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের বর্তমান ও দাবি করা হারের একটি যৌক্তিক হিসাব তুলে ধরা হয়। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিজনিত ব্যয় সমন্বয়ের জন্য বর্তমান কমিশনের সঙ্গে আরো ২ টাকা ৪৬ পয়সা যোগ করা প্রয়োজন। এর পাশাপাশি দেশব্যাপী চলমান মূল্যস্ফীতি, শ্রমিক-কর্মচারীদের ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বৃদ্ধি এবং যন্ত্রাংশ ও পরিচালন ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতির কারণে অতিরিক্ত আরো ৩ টাকা ৫০ পয়সা সমন্বয় করা জরুরি। সব মিলিয়ে বর্তমান কমিশন ৫ টাকা ৯৬ পয়সা বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা নির্ধারণ করা না হলে এই খাতটিকে আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না বলে তারা সাফ জানিয়ে দেন।

স্টেশন মালিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমি ও সংযোগ সড়কের ইজারা ফি, বিভিন্ন লাইসেন্স নবায়ন ব্যয়, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, ব্যাংক গ্যারান্টির কমিশন ও সুদ, মূল্যস্ফীতি এবং ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বর্তমানে পরিচালন ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। ফলে সরকার নির্ধারিত দামে গ্যাস বিক্রি করে বর্তমানে দেশের অনেক সিএনজি স্টেশন চরম লোকসানের মুখে পড়েছে এবং বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

তারা অভিযোগ করেন, গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন সরকারি কমিটি ও মন্ত্রণালয় সিএনজি খাতের এসব দাবির যৌক্তিকতা স্বীকার করে একাধিক সুপারিশ দিলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় সেগুলোর বেশিরভাগই আলোর মুখ দেখেনি। এমনকি সাম্প্রতিক সরকার পরিবর্তনের পরও বিষয়গুলো সমাধানের লক্ষ্যে জ্বালানি বিভাগ ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্তু বারবার আশ্বাসের পরও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়নি।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা আশা প্রকাশ করে বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সরকার তাদের এই ন্যায্য দাবিগুলো মেনে নেবে। অন্যথায়, আগামী ১ জুলাই থেকে সিএনজি খাতের অস্তিত্ব ও স্বার্থ রক্ষায় তারা দেশজুড়ে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন।

পরিবেশবান্ধব জ্বালানি হিসেবে সিএনজি দেশের বায়ুদূষণ কমাতে, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং গণপরিবহন ব্যবস্থাকে সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী রাখতে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে উল্লেখ করে মালিকরা বলেন, এই সম্ভাবনাময় খাতটির টেকসই পরিচালনার স্বার্থে কমিশন কাঠামো পুনর্বিবেচনা করা এখন সময়ের দাবি।
 

উপকূলের সংকট নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
উপকূলের সংকট নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের দাবি
ছবি: কালের কণ্ঠ

উপকূলের সংকট নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ ও নাগরিক আন্দোলনের নেতারা। তারা বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় জনপদের মানুষের জীবন-জীবিকা এবং প্রাণ-প্রকৃতি চরম ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এই ঝুঁকি মোকাবেলায় দীর্ঘ মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ দিতে হবে।

শনিবার (৬ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ইয়ুথ ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম ও লিডার্স আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশে এসব কথা বলেন তারা।

আরো পড়ুন
বিশ্বকাপের আগে ‘বিস্ময়বালক’ হারিয়ে বড় ধাক্কা খেল জার্মানি

বিশ্বকাপের আগে ‘বিস্ময়বালক’ হারিয়ে বড় ধাক্কা খেল জার্মানি

 

ফোরামের সদস্য যুধিষ্ঠির চন্দ্র বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তৃতা করেন ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের আহ্বায়ক আমিনুর রসুল বাবুল, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক মিহির বিশ্বাস, গ্রীণ ভয়েসের সমন্বয়কারি হুমায়ুন কবির সুমন, লিডার্সের ন্যাশনাল অ্যাডভোকেসি কো-অর্ডিনেটর শাকিল আহমেদ, ইয়ুথ ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের আহ্বায়ক সাদিয়া সুলতান শাপলা ও যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ জিয়া রানা প্রমুখ।

সমাবেশে আমিনুর রসুল বলেন, উপকূলীয় অঞ্চল বাংলাদেশের অর্থনীতি, খাদ্য নিরাপত্তা, মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুন্দরবন দেশের প্রাকৃতিক সুরক্ষাবলয় হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি কার্বন শোষণের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া চিংড়ি, কাঁকড়া ও সামুদ্রিক মৎস্য রপ্তানি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। কিন্তু জাতীয় বাজেটে জলবায়ু খাতে বরাদ্দ প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। এ সকল বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকা সুরক্ষায় সরকার, স্থানীয় প্রশাসন, নাগরিক সমাজ ও উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান নিখিল চন্দ্র ভদ্র। তিনি বলেন, উপকূলের পরিবেশগত সংকট মোকাবিলায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ, জলবায়ু সহনশীল কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়ন, সুন্দরবন সংরক্ষণ এবং দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি। 

আরো পড়ুন
সেই ছয় শিশুর পরিবারকে চাকরি-আজীবন ফ্রি চিকিৎসার প্রস্তাব আদ্-দ্বীনের

সেই ছয় শিশুর পরিবারকে চাকরি-আজীবন ফ্রি চিকিৎসার প্রস্তাব আদ্-দ্বীনের

 

মানববন্ধনে ২১দফা দাবি তুলে ধরে বলা হয়, দেশের ১৯টি উপকূলীয় জেলার সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের জন্য উপকূল উন্নয়ন বোর্ড গঠন করতে হবে। সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরগুনা ও পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় অঞ্চলকে দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা করতে হবে। টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও বাঁধে প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিটি উপকূলীয় পরিবারকে দুর্যোগ সহনশীল আবাসনের আওতায় আনতে হবে।