• ই-পেপার

এসএসসি ও এইচএসসিতে বিষয় ও দিন কমানোর পরিকল্পনা সরকারের

দীর্ঘ ১১ বছরের অপেক্ষা, নবম পে স্কেলের সিদ্ধান্ত কোন দিকে?

অনলাইন ডেস্ক
দীর্ঘ ১১ বছরের অপেক্ষা, নবম পে স্কেলের সিদ্ধান্ত কোন দিকে?
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ ১১ বছর ধরে নতুন বেতন কাঠামোর আশায় প্রহর গুনছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আগামী ১ জুলাই থেকে ‘নবম পে স্কেল’ কার্যকরের জোরালো প্রত্যাশা থাকলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে, চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে আগামী ১১ জুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের দিনই এই ধোঁয়াশা কাটবে বলে মনে করা হচ্ছে।

নতুন পে স্কেল নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে যেসব তথ্য গণমাধ্যমে এসেছে, তার সবই বিভিন্ন সূত্রনির্ভর। কোনো মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা বা পে-কমিশনের সদস্যরা এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য দেননি। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকে শুরু হওয়া এই অস্পষ্টতা বর্তমান সরকারের আমলেও বজায় রয়েছে। ফলে ১ জুলাই থেকে পে স্কেল আদৌ কার্যকর হবে কি না, তা নিয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মচারীদের মনে বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক আবদুল মালেক বলেন, ‘মনের ভেতরে একটা ভয় থেকেই যাচ্ছে যে সরকার তো কিছুই বলেনি। সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত ব্রিফিং দেওয়া হলেও, আসন্ন পে স্কেল নিয়ে আজ পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট ঘোষণা আমরা পাইনি। অর্থ মন্ত্রণালয় বা অর্থ-সচিবের নীরবতার কারণেই কর্মচারীদের মধ্যে এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।’

কর্মচারী নেতারা মনে করিয়ে দেন, দীর্ঘ ১১ বছর নতুন পে স্কেল না পাওয়ায় সাধারণ কর্মচারীরা চরম সংকটে আছেন। তা ছাড়া নির্বাচনী ইশতেহারেও প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় এলে পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছিলেন। আগামী ১১ জুন সরকারের প্রথম বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে, যার সম্ভাব্য আকার প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। চাকরিজীবীদের প্রত্যাশা, বিশাল এই বাজেটে তাদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা হবে।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সরকার তিন বছরে মোট তিন ধাপে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে। দায়িত্বশীল সূত্রের আভাস, এই খসড়া পরিকল্পনা অনুযায়ী, এ বছরের ১ জুলাই নতুন মূল বেতনের ৫০ শতাংশ সুবিধা দেওয়া হতে পারে। ২০২৭-২৮ অর্থবছরে মূল বেতনের বাকি ৫০ শতাংশ কার্যকর হতে পারে। এ ছাড়া ২০২৮-২৯ অর্থবছরে নতুন পে স্কেলের আওতাধীন বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা চালু হতে পারে।

সরকারের এই ধীরগতির বাস্তবায়ন পরিকল্পনার খবর ছড়িয়ে পড়ায় কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে ‘ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের’ এই খবরের তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে। সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্যসচিব আশিকুল ইসলাম এক যৌথ বিবৃতিতে প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।

তারা উল্লেখ করেন, গত ১১ বছরে জীবনযাত্রার ব্যয় ও নিত্যপণ্যের দাম আকাশচুম্বী হলেও সরকারি কর্মচারীদের বেতনে কোনো মৌলিক পরিবর্তন আসেনি। ফলে অনেক নিম্নপদস্থ কর্মচারী বাধ্য হয়ে চাকরির পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজ করছেন। অতীতে পে স্কেল কার্যকরের আগে ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হতো এবং প্রথম ধাপে শতভাগ মূল বেতন ও দ্বিতীয় ধাপে ভাতা চালু করা হতো। এবারও সেই পদ্ধতি অনুসরণের দাবি জানান নেতারা।

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটতে যাচ্ছে আগামী সপ্তাহেই। রাষ্ট্রপতির আহ্বানে আগামী ৭ জুন বিকেল ৩টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। এরপর ১১ জুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সংসদে উপস্থাপন করবেন। সেদিনের বাজেট ঘোষণাতেই চূড়ান্তভাবে স্পষ্ট হবে—সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার নতুন পে স্কেল নিয়ে সরকার কী ভাবছে এবং চাকরিজীবীদের বিদ্যমান শঙ্কা কাটবে নাকি আরো ঘনীভূত হবে।

দীর্ঘ ছুটি শেষে স্কুল-কলেজ খুলছে রবিবার

অনলাইন ডেস্ক
দীর্ঘ ছুটি শেষে স্কুল-কলেজ খুলছে রবিবার

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশে টানা ছুটি শেষ হচ্ছে। দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে রবিবার (৭ জুন) দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আবার পাঠদান শুরু হবে। দুই সপ্তাহের বেশি সময় পর শ্রেণিকক্ষে ফিরবে লাখো শিক্ষার্থী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে গত ২৪ মে (২১ মে, বৃহস্পতিবারের ক্লাস শেষে শুরু হয় এ ছুটি, এরপর ২২ ও ২৩ মে সাপ্তাহিক ছুটি ছিল) থেকে ছুটি শুরু হয় এসব প্রতিষ্ঠানে। নির্ধারিত ছুটি শেষ হয় গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন)। এরপর ৫ ও ৬ জুন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলো খুলছে ৭ জুন ২০২৬ অর্থাৎ, রবিবার। এতে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ১৬ দিনের ছুটি পেয়েছে।

অপর দিকে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা আরো দীর্ঘ ছুটি পেয়েছে। আলিয়া, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল স্তরের মাদরাসাগুলোয় ২৪ মে শুরু হওয়া এ ছুটি চলবে ১১ জুন পর্যন্ত। পরে ১২ ও ১৩ জুন সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ১৪ জুন রবিবার ক্লাস শুরু হবে। ফলে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা প্রায় ২৩ দিনের ছুটি পেয়েছে।

বেসরকারি কলেজের অনার্স কোর্স বন্ধ হয়ে যেতে পারে : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য

অনলাইন ডেস্ক
বেসরকারি কলেজের অনার্স কোর্স বন্ধ হয়ে যেতে পারে : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আমানুল্লাহ বলেছেন, যেসব কলেজ অনার্স কোর্স চালানোর মতো উপযুক্ত না, সেসব বেসরকারি কলেজের ব্যাপারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে। যদি কলেজগুলো কোয়ালিটি এডুকেশন দিতে না পারে, তাহলে সেসব কলেজের অনার্স কোর্স হয়তো বন্ধ হয়ে যেতে।

শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ে ‘কারিকুলামে দক্ষতাভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষা অন্তর্ভুক্তকরণ বিষয়ে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

অধ্যাপক ড. এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘অনার্স অধিভুক্তি এই মুহূর্তে বন্ধ আছে, ২০১৬ সালে পার্লামেন্টের একটা পার্লামেন্টারি কমিটির সংসদীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তা বন্ধ রয়েছে। আমরা সেটা এখনো চালু করিনি। অনার্স-মাস্টার্স খোলা থাকা সরকারি কলেজগুলার এক ধরনের বাস্তবতা, আর বেসরকারি কলেজগুলার এক ধরনের বাস্তবতা। জেলা ও ঢাকা শহরে অবস্থিত কলেজগুলোতে আরেক ধরনের বাস্তবতা রয়েছে।
 
উপজেলা অথবা আরো প্রত্যন্ত অঞ্চলের যেসব এলাকায় অনার্স কোর্স খোলা হয়েছে, সেখানে আরেক ধরনের বাস্তবতা। এই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা কলেজগুলার র‌্যাংকিংয়ে  হাত দিয়েছি এবং কলেজগুলো কিভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং অনার্স কোর্সগুলার আমরা একটা ইভালুয়েশন চলছে।’ 

তিনি বলেন, ‘আমরা আগেও বলেছি মাঠ পর্যায়ের সমস্ত তথ্য আমাদের হাতে এসে পৌঁছে গেছে। প্রায় ৯০ শতাংশ তথ্য আমাদের হাতে এসে পৌঁছে গেছে। সেসব তথ্য আমরা ইভালুয়েট করছি। আমরা ইনসপেকশন করছি, যেসব কলেজ অনার্স কোর্স চালানোর মত উপযুক্ত না, বিশেষত বেসরকারি কলেজগুলোতে সেগুলার ব্যাপারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে। যদি তারা সেটাকে কোয়ালিটি এডুকেশন না দিতে পারে। তাহলে সেই সমস্ত কলেজগুলোতে অনার্স কোর্স হয়তো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।’

১২ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

অনলাইন ডেস্ক
১২ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দক্ষতাভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষায় যুক্ত করতে সারা দেশের ১২ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। 

আগামী ৭ জুন (রবিবার) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ে ‘কারিকুলামে দক্ষতাভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষা অন্তর্ভুক্তিকরণ বিষয়ে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

উপাচার্য বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন প্রায় আড়াই হাজার কলেজে প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, উচ্চশিক্ষা শেষ করার পর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী শ্রমবাজারের প্রয়োজনীয় দক্ষতার অভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার, আইসিটি বিভাগ, এটুআই ও ইউনিসেফের সহযোগিতায় দক্ষতাভিত্তিক পাঠ্যক্রম চালু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন পাঠ্যক্রমে শিক্ষার্থীরা ফ্রিল্যান্সিং, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ডিজিটাল মার্কেটিং, সাইবার নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং ও ডাটা সায়েন্স বিষয়ে প্রশিক্ষণ পাবে। এসব বিষয়ে পাঠদান নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে ৯০০ মাস্টার ট্রেইনার তৈরি করা হয়েছে। তাদের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে ১২ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

ড. আমানুল্লাহ বলেন, উচ্চশিক্ষাকে শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ উপযোগী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি, উদ্যোক্তা তৈরি এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের মানবসম্পদের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংস্কার পরিকল্পনার বিভিন্ন দিকও তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষার্থীদের জন্য তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু, শিল্প-একাডেমি সংযোগ বৃদ্ধি, নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ এবং পরিবেশ সুরক্ষায় ‘ওয়ান স্টুডেন্ট, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন।

উপাচার্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি ভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর আওতায় কলেজগুলোতে ভাষা ক্লাব গড়ে তুলে শিক্ষার্থীদের চীনা, জাপানি, কোরীয়, স্প্যানিশ, ইতালীয় ও আরবি ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। আমাদের আশা, এ কর্মসূচির মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে দুই কোটির বেশি গাছ রোপণ সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিল্প-একাডেমি সংযোগের হার বর্তমানে ১০ শতাংশেরও কম। ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৫০ থেকে ৬০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, খেলাধুলা, বিতর্ক ও নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রম জোরদার করে শিক্ষার্থীদের মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এসময় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নূরুল ইসলামসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।