• ই-পেপার

জলবায়ু পরিবর্তনে ধনী দেশগুলো দায়ী, আমরা এর শিকার : অর্থমন্ত্রী

নির্বাচন কমিশনার মাছউদ

জুলাইয়ের মধ্যে স্থানীয় নির্বাচনের বিধিমালা চূড়ান্ত হতে পারে

অনলাইন ডেস্ক
জুলাইয়ের মধ্যে স্থানীয় নির্বাচনের বিধিমালা চূড়ান্ত হতে পারে

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে চলতি জুলাই মাসের মধ্যে নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ও নির্বাচন বিধিমালা চূড়ান্ত হতে পারে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘নির্বাচনী আচরণ বিধিমালার খসড়া আমরা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে মতামত চেয়েছি। এ ছাড়া দলগুলোকে মতামত দেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছি। কয়েকটি দল মতামত জানিয়েছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে চূড়ান্ত করে ফেলব। এ ছাড়া নির্বাচন বিধিমালা নিয়েও কাজ হচ্ছে। এটাও জুলাইয়ের মধ্যেই চূড়ান্ত করা হতে পারে।’

ইসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরের আগে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে ২৮৯টি ইউনিয়ন পরিষদের। ২০২১-২২ অর্থবছরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৩ হাজার ৯৮১টি, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১১০টি এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৯২টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। মামলা, সীমানা জটিলতাসহ নানা কারণে দীর্ঘদিন নির্বাচন হয়নি ১০৮টি ইউনিয়ন পরিষদের। দেশে মোট ইউনিয়ন পরিষদ ৪ হাজার ৫৮০টি। এর মধ্যে চলতি বছরেই নির্বাচন উপযোগী হবে ৩ হাজার ৯৮১টি। বাকিগুলো ২০২৭ ও ২০২৮ সালের দিকে নির্বাচন উপযোগী হবে।

দেশের মোট ৩৩০টি পৌরসভার মধ্যে নির্বাচন উপযোগী ৩২০টি। আইনি জটিলতার কারণে ১০টি পৌরসভা নির্বাচন উপযোগী নয়।

উপজেলা পরিষদের রোডম্যাপ থেকে জানা যায়, নতুন ৫টি উপজেলাসহ দেশে মোট উপজেলা ৫০০টি। কোনো উপজেলাতেই নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকায় সবগুলো নির্বাচন উপযোগী। নতুন উপজেলাগুলো হলো বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা ভাগ করে ‘মোকামতলা’, কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা ভাগ করে ‘মাতামুহুরী’, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা ভাগ করে ‘রুহিয়া’ ও ‘ভুল্লী’ এবং লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা ভাগ করে ‘চন্দ্রগঞ্জ’ উপজেলা।

নতুন সিটি করপোরেশন বগুড়াসহ ১৩টি সিটি করপোরেশনের কোনোটিতেই নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকায় সবগুলো নির্বাচন উপযোগী।

টেলিটক বিক্রির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই : তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
টেলিটক বিক্রির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই : তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

 

রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক বিক্রির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁও আইসিটি টাওয়ারে সেন্টার ফর টেকনোলজি জার্নালিজমের (সিটিজে) সদস্য এবং গণমাধ্যমের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান টেলিটক কিনতে বা অংশীদার হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলেও সরকার প্রতিষ্ঠানটিকে বিক্রি না করে আধুনিকায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিযোগিতামূলক অপারেটর হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান টেলিটক কিনতে আগ্রহ দেখিয়েছে। কিন্তু আমরা বিক্রি করব না। আমরা টেলিটককে আপগ্রেড করব। প্রতিযোগিতামূলক এ বাজারে রাষ্ট্রীয় অপারেটরের উপস্থিতি প্রয়োজন।

মতবিনিময় সভায় নগদের ভবিষ্যৎ নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। নগদ বিক্রির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নগদ নিয়ে মামলা রয়েছে। মামলার নিষ্পত্তির পর সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

নগদ থেকে বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের তদন্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করছে।

তিনি বলেন, ‘একবার মানুষের পকেটের টাকা চলে গেলে তা উদ্ধার করা খুবই কঠিন।’

সরকারের অবস্থান তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, টেলিটককে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় রেখেই একটি আধুনিক, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক মোবাইল অপারেটরে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, নগদের ভবিষ্যৎ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত আদালতে চলমান মামলার নিষ্পত্তির পরই নেওয়া হবে।

সংসদে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ে সতর্ক করলেন স্পিকার

অনলাইন ডেস্ক
সংসদে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ে সতর্ক করলেন স্পিকার

সংসদ অধিবেশন চলাকালে মোবাইল ফোন ব্যবহার করায় সংসদ সদস্যদের সতর্ক করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি রুলিং দিয়ে বলেন, ‘অনুগ্রহ করে সংসদে ফোন ব্যবহার করবেন না। এটি রীতি বিরুদ্ধ। এটি সবার জন্য প্রযোজ্য। সংসদের মর্যাদা সমুন্নত রাখবেন, এটাই আমি আশা করি।’

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস অফেন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ নিয়ে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবের ওপর আলোচনার সময় তিনি এ কথা বলেন।

স্পিকার একজন সংসদ সদস্যকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখে বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য, সংসদে কেউ কেউ টেলিফোন ব্যবহার করেন একটা আড়াল রেখে। আপনি তো খুল্লাম খুল্লা ইউজ করছেন।’

সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ উত্থাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক
সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ উত্থাপন
সংগৃহীত ছবি

বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনের মাধ্যমে ২০০১ সালের ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন’-এর পরিবর্তে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ-সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, ২০০১ সালের ১৫ জুলাই ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন’ গেজেট আকারে প্রকাশিত হলেও সেটি কখনো কার্যকর করা হয়নি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রশাসনিক ও একাডেমিক প্রস্তুতি চলমান থাকায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞান, জীবনবিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় প্রশাসন, আইন, কৃষি, চিকিৎসাবিজ্ঞানসহ জ্ঞানের বিভিন্ন উদীয়মান ক্ষেত্রে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ রাখার বিধান করা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সরকারি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং এ অঞ্চলে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যেই নতুন আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। বিদ্যমান ২০০১ সালের আইনের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিধান সংশোধনের প্রয়োজন হওয়ায় সংশোধনের পরিবর্তে নতুন আইন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বৃহত্তর উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি গবেষণা, উদ্ভাবন ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, কৃষি উন্নয়নে সহায়তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতেও বিশ্ববিদ্যালয়টি ভূমিকা রাখবে।

উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সহায়তার জন্য বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সময়োপযোগী, প্রয়োজনীয় ও যৌক্তিক বলে বিলে উল্লেখ করা হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনে ধনী দেশগুলো দায়ী, আমরা এর শিকার : অর্থমন্ত্রী | কালের কণ্ঠ