• ই-পেপার

আবরার হত্যা : শিক্ষার্থীদের ১০ দফা দাবি

সরাসরি তহবিল পাবেন না এমপিরা

অনলাইন ডেস্ক
সরাসরি তহবিল পাবেন না এমপিরা

এমপিদের নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের জন্য সরাসরি থোক বরাদ্দ দেওয়ার আগের পদ্ধতি বাতিল করার পরিকল্পনা করছে সরকার। এর পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) অধীনে একটি কেন্দ্রীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন এ নিয়মে সংসদ সদস্যরা কেবল তাদের এলাকার জন্য উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাব দিতে পারবেন, তবে তহবিলের ওপর তাদের সরাসরি কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিপ্রায় ও নির্দেশনার প্রেক্ষিতে, এজন্য ইতোমধ্যে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে। যার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তার অনুপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এ সেলের প্রধান হিসেবে কাজ করবেন বলে টিবিএসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

পিএমও'র কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংসদ সদস্যরা তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বা নিজ এলাকার প্রয়োজনীয়তার ওপর ভিত্তি করে লিখিত প্রকল্প প্রস্তাব জমা দেবেন। তবে এ প্রস্তাবগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমোদিত হবে না; বরং সরকারের সার্বিক উন্নয়ন অগ্রাধিকার ও নীতিগত উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে কেবল তা বিবেচনার সুযোগ থাকবে।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এমপিরা তাদের নির্বাচনী এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়ন ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে বার্ষিক বড় অংকের থোক বরাদ্দ পেতেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর মাধ্যমে এ অর্থ ব্যয় হতো এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে এমপিদের পছন্দানুযায়ী প্রকল্প নির্বাচিত হতো। এ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে স্থানীয় পর্যায়ে প্রায় ব্যাপক দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠত। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে একেক জন এমপির জন্য বার্ষিক ৫ কোটি টাকা করে বরাদ্দ ছিল।

এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে, এমপি ও তার ঘনিষ্ঠ স্থানীয় নেতাকর্মীদের দুর্নীতি দূর হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এজন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় এমপিসহ স্থানীয় দলীয় নেতা-কর্মীদের কর্মীদের সংশ্লিষ্টতা ও প্রভাব প্রতিরোধ করা জরুরি হবে বলে মত দেন তারা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ইতিমধ্যে প্রকল্প মূল্যায়ন ও নির্বাচনের জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) তৈরি করেছে। পিএমও'র কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এমপিদের কাছ থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পর বিশেষ এ সেল নির্দিষ্ট কাঠামোর অধীনে তা যাচাই-বাছাই ও মূল্যায়ন করবে।

এমপিদের প্রস্তাবগুলোর মধ্য থেকে সেলের বাছাই করা প্রস্তাবগুলো মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পর–সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় তার অধীনস্থ সংস্থার মাধ্যমে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করবে। প্রতি মাসের ৫ তারিখের মধ্যে প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন এ সেলকে জানাবে। বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোন মন্ত্রণালয় বা বিভাগ কোন ধরণের জটিলতার মুখে পড়লে সেটি এ সেলকে জানাবে এবং সেল তা সমাধান করবে।

সেল থেকে প্রকল্পের প্রস্তাব পাওয়ার পর, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে সাতদিনের মধ্যে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে সেলকে জানাতে হবে। কোনো প্রস্তাব বাস্তবায়নযোগ্য বলে মনে হয়, তবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে তার যৌক্তিক কারণ ব্যাখ্যা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেলকে তা জানাতে হবে।

এর আগে সরকার গঠনের পরপরই এমপিদের জন্য শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানি সুবিধা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপির সংসদীয় কমিটি। আগামী বাজেটে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সুবিধা বাতিল করতে যাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

'সংসদ সদস্যদের প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন সেল' নামে গঠিত এ সেল কার্যকর করতে সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের অনুপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এই সেলের প্রধানের দায়িত্ব পালন করবেন।

১৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকে এপর্যন্ত বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরে এমপিদের কাছ থেকে যেসব উন্নয়ন চাহিদা জমা পড়েছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই করে— যোগ্য প্রস্তাবগুলো এই সেলে পাঠাতে বলেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

এ সেলের কার্যক্রম নিয়ে গত ২৩ মে অনুষ্ঠিত এক সভার কার্যবিবরণী অনুযায়ী রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের প্রতিশ্রুত ও জনগণের প্রত্যাশিত উন্নয়ন কর্মসূচিসমূহ দ্রুত, কার্যকর ও সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়নে—প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে এই সমন্বয় সেল গঠন করা হয়েছে। উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করা ও মাঠ পর্যায়ের সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য এ সেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’

এ বিষয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে এ সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত গঠনমূলক হবে এবং বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হবে। এতদিন ধরে নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের জন্য এমপিদের সরাসরি তহবিল বরাদ্দের যে চর্চা চলেছে, তা উন্নয়নের নামে আইনপ্রণেতা এবং তাদের স্থানীয় ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সুযোগ করে দিয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে গঠিত সেলের মাধ্যমে এমপিদের প্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাইয়ের পর – প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন যাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমেই হয় এবং বাস্তবায়ন পর্বে যাতে এমপিদের কোন সম্পৃক্ততা না থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে কেনাকাটার ক্ষেত্রে  সরকারি ক্রয় আইন (পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট) ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুসরণ করতে হবে।’

যাত্রীকল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন

ঈদযাত্রায় সড়কে নিহত ৪০২, আহত ১২৯৪

অনলাইন ডেস্ক
ঈদযাত্রায় সড়কে নিহত ৪০২, আহত ১২৯৪

ঈদুল আজহার সময় সারা দেশে ৩৯৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪০২ জন নিহত ও ১২৯৪ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে রেলপথে ৩১টি দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত এবং ৩০ জন আহত হয়েছেন। তা ছাড়া নৌপথে ১৭টি দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত যথাক্রমে ১৩ ও ১৬ জন। মোট ৪৪২টি দুর্ঘটনায় ৪৩৮ জন নিহত ও ১৩৪০ জন আহত হয়েছেন।

রবিবার (৭ জুন) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এসব তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছর দুই ঈদে বিপুলসংখ্যক মানুষ রাজধানী থেকে সারা দেশে যাতায়াত করে। ঈদকে কেন্দ্র করে সরকারের ১০-১২ দিনের তৎপরতা নয়, বরং ঈদযাত্রায় এত বিপুলসংখ্যক মানুষের জীবন বাঁচাতে, যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।

যাত্রীকল্যাণ সমিতির দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ঈদযাত্রা শুরুর দিন ২১ মে থেকে ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা ৪ জুন পর্যন্ত ৩৯৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪০২ জন নিহত ও ১২৯৪ জন আহত হয়েছেন।

২০২৫ সালের ঈদুল আজহায় ৩৭৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৯০ জন নিহত ও ১১৮২ জন আহত হয়েছিলেন। দুই ঈদুল আজহায় তুলনা করলে সড়ক দুর্ঘটনা ৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ, প্রাণহানি ৩ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ ও আহত ৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ বেড়েছে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, বরাবরের মতো এবারও দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল। ১৫৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৫৯ জন নিহত ও ১৮০ জন আহত হয়েছেন। যা মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৩৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

সংঘটিত দুর্ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট যানবাহনের ২৮ দশমিক ৯০ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান, ১৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ বাস, ১২ দশমিক ৩৪ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা, ৭ দশমিক ৮১ শতাংশ কার-মাইক্রো, ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ নছিমন-করিমন ও ৬ দশমিক ৪০ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা এসব দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল। দুর্ঘটনার ৪৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২৯ দশমিক ১৮ শতাংশ গাড়িচাপা বা ধাক্কা দেওয়ার ঘটনা, ১৭ দশমিক ২৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ১ দশমিক ৫২ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনে ও ৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ অন্যান্য অজ্ঞাত কারণে সংঘটিত হয়েছে।

বিশ্লেষণে আরো দেখা গেছে, মোট সংঘটিত দুর্ঘটনার ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৩০ দশমিক ৭১ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে ও ১৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়।

এ ছাড়া সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, দশমিক ২৫ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ১ দশমিক ৫২ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংঘটিত হয়েছে।

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধিতে বাজেটে বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি!

অনলাইন ডেস্ক
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধিতে বাজেটে বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি!

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন (৯ম) পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের একটি বড় পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে এই নতুন বেতন কাঠামো আংশিকভাবে কার্যকর হতে যাচ্ছে, যার জন্য বাজেটে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈশ্বিক ঝুঁকি মোকাবেলা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে সরকারের কাছে। যার প্রভাব বাজেটে পড়ছে। এ ছাড়া ভর্তুকি ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ব্যয় বৃদ্ধি, সুদ পরিশোধের চাপ আছেই। এদিকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি করে নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ আংশিক বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করেছে সরকার। যার ফলে বড় হচ্ছে বাজেট।

প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কর্মচারীদের মূল বেতনের একটি বড় অংশ, যা সম্ভাব্য ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে, বৃদ্ধি করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাকি মূল বেতন সমন্বয় করা হবে। আর তৃতীয় ও শেষ ধাপে ২০২৮-২৯ অর্থবছরে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াতসহ অন্য সব ধরনের ভাতা নতুন কাঠামোর আওতায় এনে বাস্তবায়ন সম্পন্ন করা হবে।

নতুন পে স্কেলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, বর্তমানের ২০টি গ্রেড বহাল রেখেই বেতনবৈষম্য কমানোর উদ্যোগ। প্রস্তাব অনুযায়ী, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের ব্যবধান বর্তমানের ১:৯.৪ থেকে কমিয়ে ১:৮-এ নামিয়ে আনার সুপারিশ করা হয়েছে।

এতে ২০তম গ্রেডের সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে। অন্যদিকে ১ম গ্রেডের সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। এ ছাড়া গ্রেডভেদে কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানা গেছে।

বিশেষ করে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য নতুন করে যাতায়াতভাতা চালুর বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।

নতুন পে স্কেলের সুবিধা শুধু কর্মরত চাকরিজীবীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। দেশের প্রায় ৯ লাখ পেনশনভোগীও এর আওতায় আসতে পারেন। এর ফলে বিশেষ করে স্বল্প পেনশনপ্রাপ্ত প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা আরো শক্তিশালী হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে বর্তমানে চালু থাকা ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে কিভাবে সমন্বয় করা হবে, তা নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যায়ের একটি বিশেষ উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি কাজ করছে।

সরকারের ১০০ দিনে ৬০৫ খুন : টিআইবি

অনলাইন ডেস্ক
সরকারের ১০০ দিনে ৬০৫ খুন : টিআইবি

সরকারের প্রথম ১০০ দিনে দেশে হত্যা-অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধ উদ্বেগজনক হারে ঘটেছে বলে দাবি করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এ সময়ে দেশে ৬০৫টি খুন এবং ১৯৬টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

রবিবার (৭ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে দেওয়া পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মার্চ ও এপ্রিল মাসে মোট ৬০৫টি খুন, ২৯৪টি ছিনতাই, ৯০টি ডাকাতি এবং ১৯৬টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে ১২৯টি এবং চুরির ঘটনা ঘটেছে ২ হাজার ২১৪টি। এ ছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ছিল ৩ হাজার ৪৯৬টি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আলোচিত সময়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৭৮ থেকে ১০২ জন, গণধর্ষণের শিকার ৩০ থেকে ৩৬ জন এবং ধর্ষণের শিকার শিশু ৪৯ থেকে ৭১ জন।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বর্তমান সরকারের ১০০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটা নাজুক ছিল। খুন, ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই, ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন, লুটপাট ও অরাজকতার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবরার হত্যা : শিক্ষার্থীদের ১০ দফা দাবি | কালের কণ্ঠ