• ই-পেপার

হজ শেষে দেশে ফিরলেন ৯৫ হাজার ১৫ হাজি

টেকনাফে ৮০ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক
টেকনাফে ৮০ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক

কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে ৮০ হাজার ইয়াবাসহ এক মাদককারবারি আটক করেছে কোস্ট গার্ড। জব্দ ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি টাকা।

সোমবার (৮ জুন) বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আরো পড়ুন
ফিলিপাইনে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত ১৯, আহত শতাধিক

ফিলিপাইনে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত ১৯, আহত শতাধিক

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার রাত ২টায় টেকনাফের কেরুনতলী এলাকায় কোস্ট গার্ড অভিযান চালায়। এ সময় একটি  প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৪ কোটি টাকা মূল্যের ৮০ হাজার ইয়াবা জব্দ করা হয়। সেই সঙ্গে পাচারকাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটিও জব্দসহ মাদক কারবারিকে আটক করা হয়।

আরো পড়ুন
চাটখিলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৪ নেতা গ্রেপ্তার

চাটখিলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৪ নেতা গ্রেপ্তার

 

জব্দ করা ইয়াবা, প্রাইভেটকার ও আটক মাদক কারবারির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।

১৪০টির বেশি দেশে ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
১৪০টির বেশি দেশে ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘১৪০টিরও বেশি দেশে ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। যা দেশের স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, অতীত সরকারের সময় স্বাস্থ্য সরঞ্জাম ও ভ্যাকসিন উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত অগ্রগতি হয়নি। এমনকি ভেন্টিলেটর ও সিরিঞ্জের মতো জরুরি চিকিৎসা উপকরণেরও ঘাটতি ছিল। তবে পরবর্তী সময়ে বেসরকারি খাতের সহযোগিতায় স্বাস্থ্যসংকট মোকাবেলা করা সম্ভব হয়েছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন জানান, রোগীর চিকিৎসাব্যবস্থাকে সহায়তা করতে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এক লাখ ইউনিট আইভি স্যালাইন অনুদান হিসেবে দিয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় স্টোরে এক লাখ স্যালাইন মজুদ রয়েছে। এ ছাড়া উপজেলা পর্যায়ে আরো ২০ থেকে ২৫ হাজার ইউনিট স্যালাইন মজুদ রয়েছে। তবে প্রয়োজন বাড়লে অতিরিক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।

আদ্-দ্বীন হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর ঘটনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে শোকজের জবাব দিতে আএরা ২ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ সময়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, ডেঙ্গুর মৌসুম সামনে রেখে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং আক্রান্তের হার কমাতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ডেঙ্গু  আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিতে স্বাস্থ্য খাত সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্যব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণসহ স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

বিয়েতে বাড়ছে বয়সের ব্যবধান, ২৪ শতাংশের স্বামী ১০ বছরের বড়

অনলাইন ডেস্ক
বিয়েতে বাড়ছে বয়সের ব্যবধান, ২৪ শতাংশের স্বামী ১০ বছরের বড়
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

বিয়েতে বাড়ছে বয়সের পার্থক্য। সাম্প্রতিক এক জরিপ বলছে, শুধু বয়সে বড় হওয়াই নয় অনেক ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বয়সের ব্যবধান ১০ বছর বা তারও বেশি দেখা যাচ্ছে। এ ধরনের বড় বয়সের ব্যবধান আগের তুলনায় ক্রমেই বাড়ছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফের বাংলাদেশ মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (মিকস) ২০২৫-এর প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী বিবাহিত মেয়েদের প্রায় ২৪ শতাংশের স্বামী তাদের চেয়ে ১০ বছর বা তার চেয়ে বেশি বড়। ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী বিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রেও এ হার প্রায় ২৬ শতাংশ।

আরো পড়ুন
নিজেকে কারিশমার ‘প্রথম মেয়ে’ বললেন কারিনা

নিজেকে কারিশমার ‘প্রথম মেয়ে’ বললেন কারিনা

 

মিকসের ২০১২-১৩, ২০১৯ ও ২০২৫ সালের তথ্য তুলনা করলে একটি পরিস্কার চিত্র দেখা যায়। ২০১২-১৩ সালে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী বিবাহিত মেয়েদের মধ্যে ২০ শতাংশের স্বামী তাদের চেয়ে ১০ বছর বা তার বেশি বড় ছিলেন। ২০২৫ সালে সে হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৪ শতাংশে। একইভাবে ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীদের ক্ষেত্রে ২০১২-১৩ সালে এই হার ছিল প্রায় ২২ শতাংশ, যা ২০২৫ সালে বেড়ে প্রায় ২৬ শতাংশ হয়েছে।

২০১৯ সালের মিকস জরিপে বয়সের ব্যবধান আরও বেশি দেখা গিয়েছিল। সে সময় ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী বিবাহিত মেয়েদের প্রায় ৩১ শতাংশ এবং ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীদের প্রায় ২৮ শতাংশের স্বামী তাদের চেয়ে ১০ বছর বা তার বেশি বড় ছিলেন। ফলে ২০১৯ সালের তুলনায় সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা কমলেও দীর্ঘমেয়াদে বয়সের বড় ব্যবধানের প্রবণতা এখনো এক যুগ আগের তুলনায় বেশি।

বয়সের পার্থক্য নিয়ে বিস্তারিত চিত্র পাওয়া যায় ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী বিবাহিত কিশোরীদের তথ্য থেকে। মিকস ২০২৫ অনুযায়ী, এ বয়সী বিবাহিত কিশোরীদের ৪৫ শতাংশের স্বামী তাদের চেয়ে ৫ থেকে ৯ বছর বড়। আরও প্রায় ২৪ শতাংশের স্বামী ১০ বছর বা তার বেশি বড়। অন্যদিকে ২০ শতাংশের স্বামী তাদের চেয়ে শূন্য থেকে ৪ বছর বড়। মাত্র ১ শতাংশ ক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রীর চেয়ে বয়সে ছোট।

বিবিএসের স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩ প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম বিয়ের ক্ষেত্রে পুরুষদের গড় বয়স ২৪ বছরের বেশি, আর নারীদের ১৮ বছরের বেশি। অর্থাৎ প্রথম বিয়ের সময় নারী ও পুরুষের গড় বয়সের পার্থক্য প্রায় ৬ বছর। অতিদরিদ্র পরিবারে পুরুষদের প্রথম বিয়ের গড় বয়স ২২ বছর, যেখানে নারীদের ১৭ বছর। অন্যদিকে ধনী পরিবারে পুরুষদের প্রথম বিয়ের গড় বয়স ২৭ বছর এবং নারীদের ২১ বছর। অর্থনৈতিক অবস্থান ভিন্ন হলেও দুই ক্ষেত্রে বয়সের ব্যবধান প্রায় একই রকম রয়ে গেছে।

আরো পড়ুন
শাবনূরকে নিয়ে পূর্ণিমার আবেগঘন বার্তা

শাবনূরকে নিয়ে পূর্ণিমার আবেগঘন বার্তা

 

বিবিএসের উপপরিচালক (জনমিতি ও স্বাস্থ্য শাখা) মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশে বিয়ের ক্ষেত্রে বয়সের পার্থক্যের পেছনে প্রধানত আর্থসামাজিক বাস্তবতা কাজ করে। অধিকাংশ পুরুষ উপার্জন শুরু করার পর বিয়ে করেন। ফলে তাদের বিয়ের বয়স তুলনামূলক বেশি হয়। অন্যদিকে দেশে এখনো মেয়েদের কম বয়সে বিয়ে দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে। অনেক পরিবারে মেয়েদের কর্মজীবনে প্রবেশ বা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার অপেক্ষা না করে অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান বড় হয়ে ওঠে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়সের বড় ব্যবধানের অন্যতম কারণ বাল্যবিবাহ। যখন কোনো মেয়ের বিয়ে ১৫, ১৬ বা ১৭ বছর বয়সে হয়, তখন তার সম্ভাব্য স্বামী সাধারণত কর্মজীবনে প্রবেশ করা একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ হন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দুজনের বয়সের মধ্যে বড় পার্থক্য তৈরি হয়। এ কারণে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী বিবাহিত মেয়েদের মধ্যে ১০ বছর বা তার বেশি বয়সী স্বামীর হার তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ক্ষতিপূরণ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়, সরকারের সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত

অনলাইন ডেস্ক
ক্ষতিপূরণ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়, সরকারের সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত
ফাইল ছবি

রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিপূরণ দেবে, কী পরিমাণ দেবে সেটি তাদের বিষয়। তবে সরকার তার অবস্থান অপরিবর্তিত রাখবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের আইনজীবী নিয়োগ করে শিশুদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেবে, সে ব্যাপারে সরকারের কিছু বলার নেই। তবে এর কারণে তাদের বিরুদ্ধে সরকারের সিদ্ধান্তের কোনো পরিবর্তন হবে না।

আজ সোমবার নিজ মন্ত্রণালয়ে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার সুবিধার্থে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ কর্তৃক অনুদান হিসেবে ১ লাখ ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড (আইভি স্যালাইন) হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

শিশুমৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে শোকজের জবাব দেওয়ার আরো দুদিন সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, জনস্বার্থ সংরক্ষণ থেকে সরকার এক বিন্দু পিছপা হবে না।

মন্ত্রীর দাবি, বাংলাদেশের ওষুধ ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। দেশীয় উৎপাদকরা ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারলে এই পরিসর আরো বাড়বে বলে আশাবাদী তিনি।

‘হামের এন্টিবডি তৈরি হতে ২০ জুন পর্যন্ত সময় লাগবে’, যোগ করেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

হজ শেষে দেশে ফিরলেন ৯৫ হাজার ১৫ হাজি | কালের কণ্ঠ