kalerkantho

শনিবার । ৯ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৭ জমাদিউস সানি ১৪৪১

সংসদে সমাপনী ভাষণে বিরোধী দলীয় উপনেতা

আমরা উন্নয়ন চাই, তবে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে নয়

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ জুলাই, ২০১৯ ২০:৩৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আমরা উন্নয়ন চাই, তবে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে নয়

গ্যাসের দাম হঠাৎ করে বাড়ানোয় সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধী দলের উপ-নেতা ও জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান বেগম রওশন এরশাদ। তিনি বলেছেন, হঠাৎ করে গ্যাসের দাম কেন বাড়ানো হলো। আমরা উন্নয়ন চাই, কিন্তু গ্যাসের দাম বাড়িয়ে নয়। এটা আমার কথা না, জনগণের কথা। 

বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সমাপনী ভাষণে তিনি একথা বলেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে তিনি আরো বলেন, যেদিন বাজেট পাস হলো, সেদিন গ্যাসের দাম বাড়ানো হলো। গণশুনানীতে আপত্তি জানানোর পরও দেখা গেল গ্যাসের দাম বেড়ে গেলো। আমরা যখন গ্যাসের দাম বাড়িয়েদিলাম, তখন ভারতে গ্যাসের দাম কমিয়ে দিল। সেখানে ঘরে রান্নার গ্যাসের দাম ১০০ টাকা কমিয়েছে। 
তিনি আরো বলেন, আমাদের তো প্রাকৃতিক গ্যাস আছে। সেগুলো উত্তলণের ব্যবস্থা আমরা করতে পারি। আমাদের গ্যাস দাম না বাড়িয়ে জনগণকে একটু রেহাই দেন। 

অসহায় শিক্ষকদের প্রতি মানবিকতার হাত বাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে রওশন এরশাদ বলেন, এমপিওভুক্তি বঞ্চিত শিক্ষকরা আন্দোলন করছে। তারা বেতন পাচ্ছেন না। এই অসহায় শিক্ষকদের প্রতি মানবিকতার হাত বাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানাই। শিক্ষামন্ত্রী বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার অনুরোধ করছি। 

বিরোধী দলীয় উপ নেতা বলেন, দেশের উন্নয়নের সঙ্গে দিনরাত পরিশ্রম করে তথ্য সরবরাহ করেন গণমাধ্যমকর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের উন্নয়নে কোনো সরকার গুরুত্ব দেয় না। যদিও বর্তমান সরকারের সময় গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নবম ওয়েজ বোর্ড গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ড দ্রুত বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিবেন। ওয়েজবোর্ড যেন সাংবাদিকরা পায় সেটি বাস্তবায়নে তথ্যমন্ত্রীকে ভূমিকা পালন করার অনুরোধ জানান তিনি।

সংসদে রওশন এরশাদ বলেন, ছোট ছোট বাচ্চাদেরকে ধর্ষণ করা হচ্ছে। বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে। এই ধরণের শিশু নির্যাতন কেন গড়ে উঠেছে? বিশেষ করে স্কুলে-মাদ্রাসায় কোনো জায়গায় আমাদের বাচ্চারা সুরক্ষিত না, নিরাপদ না। যদি নিরাপদ না হয় তাহলে লেখাপড়া করবে কীভাবে? নুসরাতের মতো যদি জীবন দিতে হয় এটা দুঃখজনক। আমাদের দেশে আইন আছে। আমি সরাসরি বলতে চাই, এদের মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে। 

তিনি আরো বলেন, স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে আমাদের ছেলে-মেয়েরা অন্য রকম জগত তৈরি করছে। এটার হাত থেকে যদি তাদেরকে বাঁচানো না যায় তাহলে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ তারা কীভাবে নেতৃত্ব দেবে? এটা থেকে উত্তরণের জন্য আমাদের রাস্তা খুঁজতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা