• ই-পেপার

পটাশিয়ামে ভরপুর সাত খাবার

প্রচলিত রীতি পেছনে ফেলে গয়না ছাড়াই বিয়ে

জীবনযাপন ডেস্ক
প্রচলিত রীতি পেছনে ফেলে গয়না ছাড়াই বিয়ে
গয়না ছাড়াই বিয়ের পিঁড়িতে কনে। ছবি: সংগৃহীত।

সোনার দাম যতই বাড়ুক, বিয়ের সাজে সোনা, হীরা কিংবা দামি গয়নার কদর এখনো কমেনি। অনেকের কাছেই বিয়ের কনের সাজ মানেই জমকালো অলঙ্কার। তবে সেই প্রচলিত ধারণাকে পাশ কাটিয়ে ভারতের কেরালার ডিজিটাল কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, ইলাস্ট্রেটর এবং ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট হর্ষা পাঠু দেখালেন ভিন্ন এক দৃষ্টান্ত। সোনা-হীরা কিংবা কোনো ধরনের গয়না ছাড়াই বিয়ের কনে সেজে নজর কেড়েছেন তিনি।

সম্প্রতি নাজিম মহম্মদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন হর্ষা। বিয়ের পর নিজের সাজের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন তিনি। সেখানে দেখা যায়, তার কনের সাজে ছিল না কোনো সোনার গয়না। এমনকি কানের দুলও পরেননি তিনি।

সাধারণত মিনিমাল সাজেও কনেরা ছোট ঝুমকা, চোকার, মাংটিকা কিংবা অন্য কোনো অলঙ্কার ব্যবহার করেন। কিন্তু হর্ষা এসবের কোনোটিই বেছে নেননি। সম্পূর্ণ গয়নাবিহীন থেকেই নিজের বিয়ের সাজ সম্পন্ন করেছেন তিনি।

শুধু গয়নাই নয়, মেকআপের ক্ষেত্রেও হর্ষা রেখেছেন সরলতার ছোঁয়া। ভারী মেকআপের পরিবর্তে ন্যাচারাল বা নো-মেকআপ লুককে প্রাধান্য দিয়েছেন তিনি। তার সাজে ফুটে উঠেছে স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও আত্মবিশ্বাস।

KKK
গয়না ছাড়াই বিয়ের পিঁড়িতে কনে। ছবি: সংগৃহীত।

বিয়ের দিনে হর্ষা পরেছিলেন মেরুন ভেলভেটের শাড়ি। এর সঙ্গে ছিল একই রঙের ফুলহাতা ব্লাউজ ও মেরুন নেটের ওড়না। পুরো সাজে ছিল মোনোক্রম লুকের ছোঁয়া, যা তাকে দিয়েছে এক ভিন্নধর্মী উপস্থিতি।

হর্ষার এই ব্যতিক্রমী বিয়ের সাজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা কুড়িয়েছে। তার এই লুক আবারো দেখিয়েছে, কনের সৌন্দর্য শুধু গয়নার ওপর নির্ভর করে না; নিজের পছন্দ, আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিত্ব দিয়েও বিয়ের দিনে আলাদা করে নজর কাড়া যায়।

মেঘলা দিনেও কেন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি?

জীবনযাপন ডেস্ক
মেঘলা দিনেও কেন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি?
সংগৃহীত ছবি

অনেকেই মনে করেন, রোদ না থাকলে বা আকাশ মেঘে ঢাকা থাকলে সানস্ক্রিন ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই। তবে ত্বক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বর্ষাকাল বা মেঘলা দিনেও সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি মেঘ ভেদ করে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। তাই সুস্থ ও সুন্দর ত্বকের জন্য তীব্র রোদের মতো বর্ষা বা মেঘলা দিনেও প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মেঘ সূর্যের আলো কিছুটা আটকাতে পারলেও অতিবেগুনি রশ্মির প্রায় বড় একটি অংশ সহজেই পৃথিবীতে পৌঁছে যায়। এই রশ্মি ত্বকের গভীরে ঢুকে অকালবার্ধক্য, বলিরেখা, পিগমেন্টেশন ও কোলাজেন নষ্টের জন্য দায়ী। অন্যদিকে ত্বক পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য দায়ী এ রশ্মি মেঘলা দিনে কিছুটা কমলেও তা পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যায় না। বর্ষাকালে বাইরে কম বের হলেও জানালা দিয়ে ঘরে ঢোকা আলো কিংবা গাড়িতে যাতায়াতের সময়ও ত্বক অতিবেগুনি রশ্মির সংস্পর্শে আসে। এই ক্ষতি প্রতিদিন খালি চোখে ধরা না পড়লেও দীর্ঘ মেয়াদে ত্বকের বড় ক্ষতি করে। তাই মেঘলা দিনেও অবহেলা না করে সানস্ক্রিন লাগানো উচিত।

অনেকে মনে করেন, মেকআপ বা ময়েশ্চারাইজারে এসপিএফ থাকলেই ত্বক সুরক্ষিত থাকে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব প্রসাধনী ত্বককে সম্পূর্ণ সুরক্ষা দিতে পারে না। ভালো ফলের জন্য আলাদা করে পর্যাপ্ত পরিমাণে সানস্ক্রিন ব্যবহার করাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। ত্বক সুরক্ষিত রাখতে কমপক্ষে ‘এসপিএফ ৩০’ ও ‘ব্রড স্পেকট্রাম’ সানস্ক্রিন বেছে নিন। বাইরে থাকলে প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর সানস্ক্রিন পুনরায় লাগাতে হবে। বর্ষায় বৃষ্টিতে ভেজা বা অতিরিক্ত ঘামের ঝুঁকি থাকে, তাই এই সময়ে পানিরোধী সানস্ক্রিন ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো।

সানস্ক্রিন শুধু তাৎক্ষণিক রোদে পোড়া থেকেই ত্বককে রক্ষা করে না; এটি নিয়মিত ব্যবহারের ফলে দীর্ঘ মেয়াদে ত্বকের পিগমেন্টেশন, কালচে দাগ, অকালবার্ধক্য এমনকি ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকিও অনেক কমে যায়।

সূত্র : এই সময়

রাতে ভাত খাওয়া ভালো না ক্ষতি, কী বললেন পুষ্টিবিদ

অনলাইন ডেস্ক
রাতে ভাত খাওয়া ভালো না ক্ষতি, কী বললেন পুষ্টিবিদ
সংগৃহীত ছবি

‘মাছে-ভাতে বাঙালি’―কথাটি প্রচলিত হলেও শতভাগ সত্যি বলা যায়। বাঙালি বিশ্বের যে প্রান্তেই থাকুক না কেন, তাদের ভাত ছাড়া চলে না। যত সুস্বাদু খাবার খাওয়াই হোক, শেষ পর্যন্ত অল্প কিছু ভাত খাওয়া ছাড়া উঠে না তারা। ভাত অবশ্য শরীরের জন্য উপকারী। এ কারণে সকাল, দুপুর ও রাতে ভাত খাওয়া হয়। অনেকের রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভাত খাওয়ার অভ্যাস। তা ছাড়া নাকি ঘুমই আসে না।

ভাত উপকারী হলেও সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু স্বঘোষিত বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, রাতে ভাত খাওয়া নাকি ভালো নয়। এ নিয়ে নানা মত। কেউ পক্ষে কথা বলছেন, কেউ আবার বিপক্ষে যুক্তি প্রদর্শন করেন। কিন্তু প্রকৃত সত্যটা কী? সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিষয়টি সম্পর্কে কলকাতা শহরের বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ মীনাক্ষী মজুমদার কথা বলেছেন।

ভাতের পুষ্টিগুণ

এ পুষ্টিবিদ জানিয়েছেন, দিনভর কাজ করার পর শরীরের শক্তির প্রয়োজন হয়। ভাতে বিদ্যমান কার্বোহাইড্রেট শরীরে শক্তির ঘাটতি দূর করে। এতে ক্লান্তিহীন দিন কাটানো যায়। ভাতে আয়রন, ভিটামিন বি৬, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়ামসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে। এ জন্য নিয়মিত ভাত খাওয়া হলে পুষ্টির ঘাটতি কিছুটা পূরণ করা যায়।

রাতে ভাত খাওয়া কি ঠিক

পুষ্টিবিদ মীনাক্ষী বলেন, রাতে অবশ্যই ভাত খাওয়া যায়। এতে সমস্যার কিছু নেই। রাতে ভাত খেলে পেটের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। কেননা, ভাত সহজপাচ্য খাবার। পাশাপাশি ভাত খেলে ঘুমও ভালো হয়। এ জন্য রাতে যারা কার্বসমৃদ্ধ খাবার খেতে চান, তারা পরিমিত পরিমাণ ভাত খেতে পারেন।

কী পরিমাণ খাওয়া উচিত

একজন সুস্থ মানুষ, অর্থাৎ যার উচ্চতা ৫ ফুট ৭ ইঞ্চির মতো, তিনি দিনে ১৫০ গ্রাম চালের ভাত খেতে পারেন। এ ক্ষেত্রে এক বেলা ৭৫ গ্রাম এবং আরেক বেলা ৭৫ গ্রাম করে খাবেন। এতে শরীর সুস্থ থাকবে। এই পরিমাণ মূলত ব্যক্তির উচ্চতা ও ওজন অনুযায়ী ভিন্ন হয়ে থাকে। এ জন্য কে কী পরিমাণ চালের ভাত খাবেন, তা একজন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করে নেয়া উত্তম।

ডায়াবেটিস থাকলে ভাত খাওয়া যাবে

ব্লাড সুগার হাই থাকলে অনেকেই ভাত খেতে চান না। বিশেষ করে রাতে ভাত খেতে ভয় পান। এতে সুগার বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে সুখবর হচ্ছে, নিয়মিত ভাত খেলে কোনো সমস্যা হয় না। এ ক্ষেত্রে পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী ভাতের পরিমাণ নির্ধারণ করে নিতে হবে। তা না হলে ডায়াবেটিসের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।

আজ বিশ্ব ফ্রেঞ্চ ফ্রাই দিবস

জীবনযাপন ডেস্ক
আজ বিশ্ব ফ্রেঞ্চ ফ্রাই দিবস
ছবি : ফ্রেঞ্চ ফ্রাই

আলু দিয়ে তৈরি খাবারের জনপ্রিয়তা বিশ্বজুড়ে। ভর্তা, ভাজি, রোস্ট কিংবা ফ্রাই—যেভাবেই তৈরি করা হোক, আলুর স্বাদ বরাবরই মানুষের পছন্দের তালিকায়। তবে মুচমুচে, সোনালি রঙের এক প্লেট ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের আবেদন যেন আলাদা। ছোট-বড় সবার পছন্দের এই খাবার এখন শুধু ফাস্ট ফুড নয়, বরং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খাবার সংস্কৃতির অংশ হয়ে উঠেছে।

আজ ১০ জুলাই বিশ্ব ফ্রেঞ্চ ফ্রাই দিবস। যদিও এটি মূলত ন্যাশনাল ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ডে নামে পরিচিত একটি উদযাপন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও দিনটি ফ্রেঞ্চ ফ্রাইপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে পালিত হয়। বর্তমানে দিবসটি প্রতিবছরের জুলাই মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার পালন করা হয়। এর আগে ১৩ জুলাই পালন করা হলেও ২০২৩ সাল থেকে দিনটি দ্বিতীয় শুক্রবারে নির্ধারণ করা হয়। তবে দিবসটির সূচনা ঠিক কবে বা কে করেছিলেন, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায় না।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের ইতিহাস

ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের উৎপত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। নামের সঙ্গে ফ্রান্সের সম্পর্ক থাকলেও বেলজিয়ামও এই খাবারের উদ্ভাবক হিসেবে দাবি করে।

একটি প্রচলিত মত অনুযায়ী, ১৭০০ শতকে বেলজিয়ামের মিউজ নদী এলাকার মানুষ ছোট মাছের বিকল্প হিসেবে আলু লম্বা করে কেটে তেলে ভাজতেন। অন্যদিকে অনেক খাদ্য ইতিহাসবিদের মতে, ১৮০০ শতকের শেষ দিকে ফ্রান্সে ‘পম ফ্রিত’ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং সেখান থেকেই আধুনিক ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের বিস্তার ঘটে। ফলে এর প্রকৃত উৎপত্তি নিয়ে এখনো ইতিহাসবিদদের মধ্যে ঐকমত্য হয়নি।

বিশ্ব ফ্রেঞ্চ ফ্রাই দিবসে সাধারণ ফ্রাইয়ের বদলে চেষ্টা করতে পারেন ভিন্ন স্বাদের কিছু আয়োজন—

দদদ
ছবি: চিলি চিজ ফ্রাই

চিলি চিজ ফ্রাই

ঝালপ্রেমীদের জন্য চিলি চিজ ফ্রাই হতে পারে দারুণ এক পছন্দ। মচমচে ফ্রাইয়ের ওপর দেওয়া হয় মসলাদার চিলি, কিমা মাংস বা বিনসের তৈরি সস এবং প্রচুর গলানো চিজ। চিলির ঝাল, চিজের ক্রিমি স্বাদ ও ফ্রাইয়ের ক্রাঞ্চ—সব মিলিয়ে তৈরি হয় লোভনীয় এক খাবার। চাইলে এর সঙ্গে যোগ করা যায় জালাপেনো, স্প্রিং অনিয়ন বা সাওয়ার ক্রিম।

দদ
ছবি: ক্রিসপি সেসামি হানি চিলি ফ্রাই

ক্রিসপি সেসামি হানি চিলি ফ্রাই

মিষ্টি, ঝাল ও নোনতা স্বাদের দারুণ সমন্বয় এই ফ্রাই। মচমচে ফ্রাইয়ের সঙ্গে মেশানো হয় হানি চিলি সস এবং ওপরে ছড়িয়ে দেওয়া হয় ভাজা তিল। যারা একটু ভিন্ন ধরনের ঝাঁঝালো স্বাদ পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি হতে পারে আদর্শ।

দদ
ছবি: লোডেড ফ্রাই

লোডেড ফ্রাই

সাধারণ ফ্রাইকে পূর্ণাঙ্গ খাবারে পরিণত করে লোডেড ফ্রাই। এতে ফ্রাইয়ের ওপর যোগ করা হয় চিজ, সাওয়ার ক্রিম, সালসা, গুয়াকামোল, বিনস, বেকন কিংবা বিভিন্ন হার্বস। ক্রিসপি, ক্রিমি ও চিজি স্বাদের এই ফ্রাই পার্টি বা আড্ডার জন্য বেশ জনপ্রিয়।

দদ
ছবি: সুইট পাপরিকা ফ্রাই

যারা কম মশলায় ভিন্ন স্বাদ চান, তাদের জন্য সুইট পাপরিকা ফ্রাই হতে পারে ভালো বিকল্প। পাপরিকার হালকা ধোঁয়াটে স্বাদ ও মৃদু ঝাঁজ ফ্রাইকে দেয় আলাদা আকর্ষণ। সহজ হলেও স্বাদে এটি বেশ স্মরণীয়।

দদ
ছবি: লেমন পেপার ফ্রাই

লেমন পেপার ফ্রাই

লেবুর সতেজতা ও গোলমরিচের ঝাঁজের মিশেলে তৈরি লেমন পেপার ফ্রাই ক্লাসিক ফ্রাইয়ের একটি নতুন রূপ। কেচাপের সঙ্গে পরিবেশন করলে এর স্বাদ আরো বাড়ে। যারা হালকা কিন্তু ফ্লেভারফুল খাবার পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি হতে পারে চমৎকার পছন্দ।

বিশ্ব ফ্রেঞ্চ ফ্রাই দিবসে তাই চাইলে একঘেয়ে স্বাদের বাইরে গিয়ে নতুন কোনো ফ্লেভারের ফ্রেঞ্চ ফ্রাই উপভোগ করতে পারেন। পরিবার কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে ছোট্ট এই আয়োজনও দিনটিকে করে তুলতে পারে আরো আনন্দময়।

পটাশিয়ামে ভরপুর সাত খাবার | কালের কণ্ঠ