• ই-পেপার

১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার কথা ভাবছে ইইউ

ধোঁয়া বুঝতে পারে না জুক্সের গাড়ি, ফিরছে ১০৫টি গাড়ি

অনলাইন ডেস্ক
ধোঁয়া বুঝতে পারে না জুক্সের গাড়ি, ফিরছে ১০৫টি গাড়ি
ছবিঃ রয়টার্স

ধোঁয়া ঠিকভাবে শনাক্ত করতে না পারায় ১০৫টি চালকবিহীন গাড়ি ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জুক্স। শুক্রবার (১৭ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

জুক্স হলো অ্যামাজনের স্বচালিত গাড়ি ইউনিট।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তাদের কিছু স্বচালিত গাড়ি অতিরিক্ত ধোঁয়া শনাক্ত করতে নাও পারে।

এতে জরুরি পরিস্থিতিতে সমস্যা তৈরি হতে পারে। এমনকি জরুরি সেবার কর্মীদের কাজেও বাধা সৃষ্টি হতে পারে।

জুক্সের গাড়িগুলো চালক ছাড়াই চলাচল করে। এগুলোকে রোবোট্যাক্সি বলা হয়।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গাড়ি নিরাপত্তা কর্মকর্তা স্বচালিত গাড়ি নিয়ে সতর্ক করেছিলেন।

তিনি বলেন, চালকবিহীন গাড়ি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জরুরি সেবার কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার একটি স্পষ্ট প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

ভুয়া ভিডিও বানিয়ে শাস্তি, চীনা ব্লগারের ২০ মাসের জেল

অনলাইন ডেস্ক
ভুয়া ভিডিও বানিয়ে শাস্তি, চীনা ব্লগারের ২০ মাসের জেল
ছবিঃ রয়টার্স

চীনে শাওমির বৈদ্যুতিক গাড়ি নিয়ে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে এক ব্লগারকে ২০ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।


শুক্রবার (১৭ জুলাই) চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ওই ব্লগারের নাম গাও। তিনি শাওমির জনপ্রিয় এসইউ৭ ইলেকট্রিক সেডান গাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে মিথ্যা দাবি করেছিলেন।

বেইজিংয়ের হাইদিয়ান জেলা আদালত তাকে পণ্যের সুনাম নষ্ট করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছে।

এ ছাড়া তাকে ১ লাখ ইউয়ান জরিমানাও করা হয়েছে।

ঘটনাটি ২০২৪ সালের আগস্টের। গাও ও তার দল একটি দুর্ঘটনা পরীক্ষার ভিডিও প্রকাশ করেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, দুর্ঘটনার পর শাওমির এসইউ৭ গাড়ির দরজা খুলছে না।

গাড়িটির জরুরি কল সিস্টেমও কাজ করছে না বলে দেখানো হয়। এমনকি গাড়ির কেন্দ্রীয় স্ক্রিনও জ্বলছিল না।

ভিডিওটি গাওয়ের ভিডিও শেয়ারিং অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা হয়। ওই অ্যাকাউন্টের প্রায় ১০ লাখ অনুসারী ছিল।

ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। প্রায় ৩০ লাখ মানুষ এটি দেখেন।

তবে আদালত জানায়, ভিডিওটি সাজানো ছিল।

আদালতের মতে, ভিডিও ধারণের আগে গাও ও তার দল গাড়ির সহায়ক ব্যাটারিতে গোপনে কারসাজি করেন।

এ ছাড়া ফর্কলিফটে ক্ষতিগ্রস্ত একটি ব্যাটারির ভিডিও ব্যবহার করে দর্শকদের বিভ্রান্ত করা হয়।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বেইজিং ডেইলির প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে শাওমি জানিয়েছিল, প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা প্রচার চালানো এক ব্লগার ও তার সহযোগীদের আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য চীনে গাড়ি শিল্পে ভুয়া বিজ্ঞাপন ও অনলাইনে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে সম্প্রতি কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এআই কনটেন্টে কড়া নিয়মে ইন্দোনেশিয়া, বিপাকে গুগল?

অনলাইন ডেস্ক
এআই কনটেন্টে কড়া নিয়মে ইন্দোনেশিয়া, বিপাকে গুগল?
ছবিঃ রয়টার্স

এআই ব্যবহার করে তৈরি কনটেন্ট নিয়ে কড়া নিয়ম করতে যাচ্ছে ইন্দোনেশিয়া। নতুন কপিরাইট আইনে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও বাড়তি দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন খসড়া আইনে এআই ব্যবহার করে তৈরি কনটেন্ট নিয়ে স্পষ্ট নিয়ম রাখা হয়েছে। এআই দিয়ে কোনো কনটেন্ট তৈরি করলে তা জানানো বাধ্যতামূলক হতে পারে।

তবে শুধু এআই দিয়ে তৈরি কোনো কাজ কপিরাইট সুরক্ষা পাবে না।

কপিরাইট পেতে হলে মানুষের সৃজনশীল অবদান থাকতে হবে। অর্থাৎ, কনটেন্ট তৈরিতে মানুষের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকতে হবে।

এআই দিয়ে কোনো স্রষ্টার আলাদা বা বিশেষ সৃষ্টিশৈলী নকল করাও নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

নতুন নিয়মে গুগলের মতো বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানও চাপে পড়তে পারে।

খসড়া আইনে বলা হয়েছে, সংবাদ কনটেন্ট সংগ্রহ, আবার প্রকাশ বা লিংকের প্রিভিউ দেখালে প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মকে অর্থ দিতে হতে পারে।

এআই প্রশিক্ষণে সংবাদ কনটেন্ট ব্যবহার করলেও অর্থ দেওয়ার নিয়ম করা হচ্ছে।

এই অর্থ সংবাদ প্রকাশকদের দেওয়া হবে। তবে তা রাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে থাকা সংগঠনের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।

নিয়ম না মানলে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমনকি ইন্দোনেশিয়ায় তাদের ব্যবসার অনুমতিও বাতিল হতে পারে।

গুগল এরই মধ্যে প্রস্তাবিত নিয়ম নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, অতিরিক্ত কঠোর নিয়ম স্থানীয় কনটেন্ট নির্মাতাদের ক্ষতি করতে পারে।

এ ছাড়া নতুন প্রযুক্তির উন্নয়নও ধীর হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে গুগল।

ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এআইয়ের দ্রুত বিকাশ কপিরাইট ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এনেছে। মানুষের সৃষ্টিশীল কাজ রক্ষায় নতুন নিয়ম প্রয়োজন।

আইনটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। খসড়া নিয়ে আরো মতামত নেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য আইনটি পাস হলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এআইকে সরাসরি কপিরাইট আইনে অন্তর্ভুক্ত করা প্রথম দেশ হতে পারে ইন্দোনেশিয়া।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ওপেনএআই মডেল আনল চীনের মুনশট

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ওপেনএআই মডেল আনল চীনের মুনশট
ছবি: কালের কণ্ঠ

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ওপেনএআই মডেল তৈরি করেছে চীনের এআই স্টার্টআপ মুনশট। শুক্রবার (১৭ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন এই এআই মডেলের নাম কিমি কে৩। এতে রয়েছে ২ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন প্যারামিটার।

সহজভাবে বললে, প্যারামিটার হলো এআইয়ের শেখার ক্ষমতার একটি মাপ। প্যারামিটার যত বেশি, এআই তত বেশি তথ্য নিয়ে কাজ করতে পারে—যদিও শুধু প্যারামিটার বেশি হলেই এআই সবচেয়ে ভালো হয় না।

মুনশটের দাবি, কিমি কে৩ বিশ্বের সবচেয়ে বড় ওপেন-ওয়েট এআই মডেল।

ওপেন-ওয়েট মডেলের বিশেষ সুবিধা হলো, ব্যবহারকারীরা এটি ডাউনলোড করে চালাতে পারেন। নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী মডেলটি পরিবর্তনও করা যায়।

কিমি কে৩ জটিল চিন্তা, কোড লেখা এবং বড় ধরনের জ্ঞানভিত্তিক কাজের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

মডেলটির কনটেক্সট উইন্ডো ১০ লাখ টোকেন। এর ফলে একটি নির্দেশনায় এটি অনেক বেশি তথ্য একসঙ্গে বুঝে কাজ করতে পারে।

মুনশট জানিয়েছে, কিছু পরীক্ষায় কিমি কে৩ যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি বড় এআই মডেলের সঙ্গে ভালো ফল করেছে। কিছু ক্ষেত্রে অন্য মডেলকে ছাড়িয়ে যাওয়ার দাবিও করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

স্বাধীন কিছু পরীক্ষাতেও কিমি কে৩ ভালো ফল করেছে। একটি পরীক্ষায় ওয়েবসাইট তৈরির সক্ষমতায় এটি প্রথম হয়েছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, চীনের এআই প্রতিষ্ঠানগুলো এখন খুব দ্রুত নতুন মডেল তৈরি করছে। একই সঙ্গে কম খরচে শক্তিশালী এআই তৈরি করছে তারা।

এতে যুক্তরাষ্ট্রের এআই প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চীনের ব্যবধান কমে আসছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তবে বিশ্লেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, এআই মডেলে প্যারামিটার বেশি থাকলেই সেটি সবচেয়ে ভালো হবে—এমন নয়।

উল্লেখ্য মুনশটের এই মডেল চালাতে বিপুল কম্পিউটার শক্তির প্রয়োজন হতে পারে। তাই সাধারণ ব্যবহারকারীর পক্ষে এটি নিজস্ব কম্পিউটারে চালানো কঠিন হতে পারে।