• ই-পেপার

স্বপ্ন এবার সত্যি, জাপানে মানুষ নিয়ে আকাশে উড়ল গাড়ি!

বিনা মূল্যে ভেরিফায়েড ব্যাজ চালু করছে ফেসবুক, যেভাবে পাবেন

অনলাইন ডেস্ক
বিনা মূল্যে ভেরিফায়েড ব্যাজ চালু করছে ফেসবুক, যেভাবে পাবেন
সংগৃহীত ছবি

এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া প্রোফাইল, ছবি ও কথোপকথন বেড়ে যাওয়ায় আসল ব্যবহারকারী শনাক্ত করতে বিনা মূল্যের ভেরিফায়েড ব্যাজ চালু করছে ফেসবুক।

‘ফেসবুক ভেরিফায়েড’ নামের এই ব্যাজ পেতে ব্যবহারকারীকে সেলফি ভিডিও যাচাই সম্পন্ন করতে হবে। মেটা জানিয়েছে, এই ব্যাজ দেখাবে যে সংশ্লিষ্ট প্রোফাইলের পেছনে সত্যি একজন আছেন, যিনি যাচাইপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। এটি মেটার পেইড সাবস্ক্রিপশন সার্ভিস ‘মেটা ভেরিফায়েড’ থেকে আলাদা।

নতুন ফেসবুক ভেরিফায়েড ব্যাজটি বিনা মূল্যে দেওয়া হবে এবং এটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য চালু করা হচ্ছে।

কী এই নতুন ‘ফেসবুক ভেরিফায়েড’?
নতুন ‘ফেসবুক ভেরিফায়েড’ হলো এমন একটি পরিচয় যাচাই ব্যবস্থা, যেখানে ব্যবহারকারীকে একটি ছোট ভিডিও সেলফি ধারণ করতে হবে। মেটা সেই ভিডিওটি অ্যাকাউন্টে থাকা বিদ্যমান প্রোফাইল ছবির সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় যাচাই করবে। পুরো প্রক্রিয়াটি সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যেই সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছে মেটা।

কারা এই ব্যাজ পাবেন?
এই ফিচার ব্যবহার করতে হলে কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে হবে।

ব্যবহারকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে, অ্যাকাউন্টটি ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ভালো অবস্থায় থাকতে হবে; প্রতারণা, ভুয়া পরিচয় বা সন্দেহজনক কার্যকলাপের ইতিহাস থাকা যাবে না, পরিচয় যাচাই সফল হতে হবে এবং পরিচয় যাচাই সম্পন্ন হলে ব্যাজটি ফেসবুকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দেখা যাবে। যেমন - প্রোফাইল, মার্কেটপ্লেস, গ্রুপ ও ফেসবুক ডেটিং।

পরবর্তী সময়ে নিউজ ফিডেও এই ব্যাজ দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

কেন এই উদ্যোগ?
মেটা বলছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের মাধ্যমে এখন খুব সহজেই ভুয়া ছবি, ভুয়া পরিচয় এবং বিশ্বাসযোগ্য প্রোফাইল তৈরি করা যাচ্ছে। এসব ব্যবহার করে প্রতারণা, জালিয়াতি এবং ভুয়া অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বাড়ছে।

নতুন ‘ফেসবুক ভেরিফায়েড’ ব্যাজের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা অন্তত বুঝতে পারবেন, যার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন তিনি একজন বাস্তব ব্যক্তি কি না। তবে মেটা স্পষ্ট করেছে, এই ব্যাজ কোনো ব্যক্তির সততা বা বিশ্বাসযোগ্যতার নিশ্চয়তা দেয় না। এটি শুধু পরিচয় যাচাইয়ের প্রমাণ।

মেটা জানিয়েছে, ‘ফেসবুক ভেরিফায়েড’ ধাপে ধাপে চালু করা হবে। শুরুতে নির্বাচিত কয়েকটি দেশে এটি চালু হবে। পরে পর্যায়ক্রমে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও ফিচারটি সম্প্রসারণ করা হবে। কোন কোন দেশে প্রথমে চালু হবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানানো হয়নি।

এআই প্রযুক্তির প্রসারের সঙ্গে অনলাইনে ভুয়া পরিচয়ের ঝুঁকিও বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য বিনা মূল্যের পরিচয় যাচাই ব্যবস্থা চালু করা ফেসবুকের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে। তবে এই ব্যাজ কোনো ব্যক্তির চরিত্র বা বিশ্বাসযোগ্যতার নিশ্চয়তা দেয় না। তাই অনলাইনে লেনদেন বা ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার আগে সব সময় সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

সূত্র : এনগ্যাজেট

এআই দিয়ে তৈরি মানুষের ছবি ব্যবহারে নতুন নিয়ম অ্যামাজনের

অনলাইন ডেস্ক
এআই দিয়ে তৈরি মানুষের ছবি ব্যবহারে নতুন নিয়ম অ্যামাজনের
ছবি: রয়টার্স

অনলাইন মার্কেটপ্লেস অ্যামাজন তাদের তৃতীয় পক্ষের বিক্রেতাদের জন্য নতুন নিয়ম চালু করেছে। এখন থেকে পণ্যের প্রচারে এআই দিয়ে তৈরি মানুষের ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করলে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

 বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়।

নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে নতুন একটি আইন কার্যকর হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে অ্যামাজন। আইনে বলা হয়েছে, বিজ্ঞাপনে সত্যিকারের মানুষের পরিবর্তে এআই দিয়ে তৈরি মানুষের ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করলে সেটি অবশ্যই জানাতে হবে।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, বিক্রেতাদের পণ্যের ছবি, ভিডিও বা অন্যান্য প্রচারমূলক কনটেন্ট আপলোডের আগে সেগুলোতে বিশেষ পরিচয়চিহ্ন যুক্ত করতে হবে। এরপর প্রয়োজন হলে অ্যামাজন ক্রেতাদের জানাবে, ওই কনটেন্টে এআই দিয়ে তৈরি মানুষ ব্যবহার করা হয়েছে।

তবে সিনেমা, টেলিভিশন অনুষ্ঠান বা ভিডিও গেমের কাল্পনিক চরিত্রের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। আবার বাস্তব মানুষের ছবি এআই দিয়ে সম্পাদনা করা হলেও সেটি এই নিয়মের আওতায় পড়বে না।

সাম্প্রতিক সময়ে অনেক বিক্রেতাই পণ্যের বিবরণ, ছবি ও ভিডিও তৈরিতে এআই ব্যবহার করছেন। এ জন্য অ্যামাজন নিজেও বিভিন্ন এআইভিত্তিক টুল চালু করেছে।

বর্তমানে অ্যামাজনের মোট বিক্রির ৬০ শতাংশের বেশি আসে তৃতীয় পক্ষের বিক্রেতাদের কাছ থেকে। তাই নতুন এই নিয়মের প্রভাব বিপুলসংখ্যক বিক্রেতার ওপর পড়বে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে এআই দিয়ে তৈরি বিজ্ঞাপনের বিষয়ে কোনো কেন্দ্রীয় আইন নেই। তবে নিউইয়র্কের পাশাপাশি ক্যালিফোর্নিয়াসহ কয়েকটি অঙ্গরাজ্য এআই কনটেন্ট ব্যবহারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন নিয়ম চালু করছে।

একই কারণে মেটা, টিকটক, পিন্টারেস্ট ও ইউটিউবও এআই দিয়ে তৈরি ছবি ও ভিডিওতে আলাদা পরিচয়চিহ্ন দেখানোর ব্যবস্থা করেছে।

এআই নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র-চীন দ্বন্দ্ব, বাড়ছে নতুন শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
এআই নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র-চীন দ্বন্দ্ব, বাড়ছে নতুন শঙ্কা
ছবি: রয়টার্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি দ্রুত শক্তিশালী হয়ে উঠছে। এমন সময়ে এআই নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাড়তে থাকা বিরোধ নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই দ্বন্দ্ব দুই দেশের মধ্যে এআই নিরাপত্তা নিয়ে যৌথ কাজের উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি চীনের এআই প্রতিষ্ঠান মুনশট–এর বিরুদ্ধে মেধাস্বত্ব চুরি এবং রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ারও সতর্কবার্তা দিয়েছে ওয়াশিংটন।

এ ছাড়া মার্কিন কর্মকর্তারা খতিয়ে দেখছেন, চীনের কিছু প্রতিষ্ঠান উন্নত মার্কিন চিপ অবৈধভাবে ব্যবহার করে এআই মডেল প্রশিক্ষণ দিচ্ছে কি না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই যত উন্নত হচ্ছে, ততই এটি সাইবার হামলাসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর কাজে ব্যবহারের ঝুঁকি বাড়ছে। তাই এআই নিরাপত্তার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে অভিন্ন নীতিমালা তৈরি করা এখন আগের চেয়ে বেশি জরুরি।

এমন পরিস্থিতিতে দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনাকেও ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। আগামী সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে এআই নিরাপত্তা নিয়ে যে বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে, সেটিও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

সম্প্রতি ওপেনএআইয়ের একটি পরীক্ষামূলক এআই মডেল অন্য প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষামূলক সিস্টেমে প্রবেশের ঘটনাও এআই নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী এআই মডেলের ঝুঁকি মোকাবেলায় দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন।

তবে চীনের অনেক এআই প্রতিষ্ঠান এখনো নিরাপত্তার চেয়ে মডেলের সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রেও উন্নত এআই মডেল বাজারে আনার আগে আরো কঠোর নিরাপত্তা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি উঠছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই প্রযুক্তি নিরাপদ রাখতে প্রতিযোগিতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

চালকবিহীন খনির যান বিদেশে বিক্রি বাড়াতে চায় চীনের সিডি

অনলাইন ডেস্ক
চালকবিহীন খনির যান বিদেশে বিক্রি বাড়াতে চায় চীনের সিডি
ছবিঃ রয়টার্স

চীনের স্বয়ংচালিত খনির যন্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সিডি চলতি বছর বিদেশে তাদের ব্যবসা আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। প্রতিষ্ঠানটি অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ আমেরিকা ও ইউরোপের বাজারেও নতুন চুক্তির চেষ্টা করছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

এক সাক্ষাৎকারে সিডির প্রধান নির্বাহী অ্যালবার্ট হু বলেন, আগামী বছর প্রতিষ্ঠানটির মোট আয়ের উল্লেখযোগ্য অংশ বিদেশি বাজার থেকে আসবে বলে তারা আশা করছেন।

খনিশিল্পে শ্রমিকের প্রয়োজন কমানো, জ্বালানি খরচ হ্রাস এবং নিরাপত্তা বাড়াতে সিডি চালকবিহীন ট্রাক ও অন্যান্য স্বয়ংচালিত যন্ত্র তৈরি করছে। শুধু ট্রাক নয়, বিস্ফোরক বহন এবং ড্রিলিংয়ের মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজের জন্য রোবটও তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের কিছু ট্রাকে ইতিমধ্যে রোবোটিক বাহুও যুক্ত করা হয়েছে।

সিডি নিজে ট্রাক তৈরি করে না। তারা খনির মালিকদের কাছে সফটওয়্যার ও প্রযুক্তি বিক্রি করে। আর ট্রাক ও অন্যান্য যন্ত্র তৈরি করে তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো।

২০২৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া সিডির আয় গত বছর দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে ৮৮৪ কোটি ৮০ লাখ ইউয়ানে পৌঁছেছে।

বর্তমানে চালকবিহীন খনির ট্রাক ব্যবহারে বিশ্বের শীর্ষে রয়েছে চীন। দেশটির প্রায় ১০ শতাংশ খনির ট্রাক এখন চালক ছাড়াই চলাচল করে। সিডির প্রযুক্তিতে পরিচালিত ১ হাজার ৭০০টির বেশি যানবাহন বর্তমানে চীনের ৩০টি খনি ও পাথর উত্তোলন কেন্দ্রে কাজ করছে। একজন অপারেটর দূর থেকে প্রায় ১০০টি ট্রাক একসঙ্গে পর্যবেক্ষণ করতে পারেন।

এদিকে বিস্ফোরক বহনকারী রোবট চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে এবং ড্রিলিং রোবট আগামী বছরের শুরুতে চালুর পরিকল্পনা করেছে সিডি। প্রথমে এগুলো চীনের শানসি ও ইনার মঙ্গোলিয়া অঞ্চলের খনিতে ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি বিদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণে নতুন অংশীদারও খুঁজছে প্রতিষ্ঠানটি।

সর্বশেষ সংবাদ
স্বপ্ন এবার সত্যি, জাপানে মানুষ নিয়ে আকাশে উড়ল গাড়ি! | কালের কণ্ঠ