• ই-পেপার

নতুন বায়োপিকে কালজয়ী নৃত্যশিল্পীর চরিত্রে টম হল্যান্ড

সালমান খান কেন বললেন, ‘যে ভয় পায়, সে মরে যায়'

অনলাইন ডেস্ক
সালমান খান কেন বললেন, ‘যে ভয় পায়, সে মরে যায়'
সংগৃহীত ছবি

বলিউড অভিনেতা সালমান খান আবারও আলোচনায় এসেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি রহস্যময় পোস্ট ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের ধারণা, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে তার সাম্প্রতিক মন্তব্যের সমালোচনার জবাব হিসেবেই তিনি এই পোস্ট করেছেন।

তবে সালমান তার পোস্টে কারও নাম উল্লেখ করেননি। তারপরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের অনেকে মনে করছেন, গত কয়েকদিন ধরে যে সমালোচনার মুখে তিনি পড়েছেন, সেই বিষয়েই ইঙ্গিত দিয়েছেন এই পোস্টে। ব্যায়াম করার সময় তোলা কয়েকটি ছবি ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করেন সালমান। ছবির সঙ্গে তিনি লেখেন, 'সালমান খান ভয় পেয়েছে....হুমমম। যে ভয় পায়, সে মরে যায়...'। তার এই পোস্টের পর ভক্ত ও সমালোচকদের মধ্যে আবারও আলোচনা শুরু হয়।

এর আগে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে একটি বার্তা দেন সালমান খান। তিনি শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন। তার যুক্তি ছিল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। সালমান লিখেছিলেন, 'শিক্ষার্থীরাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাদের পড়াশোনা ও নিরাপত্তা—দুই বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাদের বা তাদের বাবা-মায়ের চিন্তার কোনো কারণ নেই।' তিনি আরো বলেন, 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী টুইট করেছেন। আমি নিশ্চিত, প্রশ্নপত্র ফাঁসের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর ব্যবস্থা নেবেন। তাই শিক্ষার্থীরা, তোমরা নিজেদের বাবা-মায়ের কাছে ফিরে যাও।'

সালমান তার ওই পোস্টে আন্দোলনকারী পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুককেও অনশন শেষ করার আহ্বান জানান। তিনি লেখেন, 'সোনম, হয়ে গেছে ভাই। আর এটা বাড়িয়ো না। যদি কখনো দরকার হয়, তখন আবার সেই শক্তি ধরে রেখো। যদিও আমার মনে হয়, তার দরকার হবে না। এখন কিছু খেয়ে নাও। চাইলে আমি আমার বাড়ি থেকে তোমার জন্য খাবার পাঠিয়ে দেব।' এর কয়েক ঘণ্টা পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোনম ওয়াংচুক তার অনশন শেষ করেন। তবে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে সিজেপির আন্দোলন এখনো চলছে। আন্দোলনকারীরা শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছেন।

সালমানের মন্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তার বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ তার বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন। আবার অনেকে তাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করেছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, 'আর যদি পড়ার জন্য কিছু বই দরকার হয়, আমাকে জানিও। আমি পাঠিয়ে দেব।' আরেকজন লিখেছেন, 'এমন মোড় আসবে, আমি ভাবিনি।' কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, 'আপনি ভয় পেয়েছেন। আরেকজন লিখেছেন, 'ক্যামেরার সামনে সিংহ, আর সরকারের সামনে...?'

এর দুই দিন আগে সালমান খান তার ছোটবেলার একটি ছবি প্রকাশ করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থন জানান। তিনি নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসকে 'খুবই গুরুতর বিষয়' বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রশংসা করেন। সালমান বলেন, শক্তিশালী শিক্ষা ব্যবস্থার দাবিতে তরুণদের এগিয়ে আসা দেখে তিনি গর্বিত। তবে তিনি শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেন, আন্দোলন যেন রাজনৈতিক রূপ না নেয়। তার মতে, বিষয়টি শিক্ষার্থী ও শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার শিক্ষার্থীদের উদ্বেগের সমাধান করবে এবং ভবিষ্যতে ভারত বিশ্বমানের শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। 

এদিকে দিল্লির জন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ এখনো চলছে। তবে বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকের পর ২৬ দিনের অনশন শেষ করেছেন সোনম ওয়াংচুক। নাড্ডা তাকে শিক্ষা সংস্কারসংক্রান্ত দাবিগুলো নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি ভিডিও বার্তায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রয়োজনে দ্রুত বিচার আদালতের মাধ্যমেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকার কোনোভাবেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা মেনে নিবে না বলেও জানান তিনি।


 

মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে বড় পর্দায় ‘রামায়ণ’ দেখতে চান রণবীর কাপুর

অনলাইন ডেস্ক
মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে বড় পর্দায় ‘রামায়ণ’ দেখতে চান রণবীর কাপুর

আসন্ন ‘রামায়ণ’ চলচ্চিত্রে ভগবান রামের ভূমিকায় দেখা যাবে রণবীর কাপুরকে। তবে পৌরাণিক এই কালজয়ী চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব যখন প্রথম তার কাছে আসে, তখন তিনি সংশয়ে ছিলেন। সম্প্রতি এক কমিক-কন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নিজের অনুভূতি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেতা।

রণবীর জানান, প্রস্তাব পাওয়ার পর তার মনে প্রথম প্রশ্ন জেগেছিল—তিনি এই চরিত্রের জন্য উপযুক্ত কি না। তবে সেই ভয় খুব দ্রুতই কৃতজ্ঞতায় রূপ নেয়। তিনি বিষয়টিকে একটি বিশেষ আশীর্বাদ, জীবনের সেরা সুযোগ এবং বড় এক নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে দেখছেন। রণবীরের ভাষায়, ‘রামায়ণ আমাদের অবচেতন মনে গেঁথে আছে। ৪০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভগবান রাম কোটি কোটি মানুষের বিবেক রক্ষক এবং প্রতিকূলতার মুখে মানব আত্মার বিজয়ের প্রতীক। এমন একজন সাহসী, দয়ালু ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিত্বকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার সুযোগ পাওয়াটা সত্যিই অনেক দায়িত্বের।’

ভক্তদের সঙ্গে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে রণবীর আরো উল্লেখ করেন, সিনেমাটি দেখার জন্য তার অধীর আগ্রহের অন্যতম প্রধান কারণ হলো তার মেয়ে রাহা কাপুর। বড় পর্দায় রামায়ণ-এর মাধ্যমে রাহাকে প্রথমবারের মতো ভারতীয় পৌরাণিক কাহিনীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এবং তাকে সঙ্গে নিয়ে হলে বসে ছবিটি দেখতে তিনি অত্যন্ত মুখিয়ে আছেন।

পৌরাণিক কাহিনীর অন্যতম শ্রদ্ধেয় চরিত্রটিতে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে অভিনেতা বলেন, খুব শুরুতেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে এই রূপায়ণের জন্য অটুট বিশ্বাস, সততা ও মহৎ উদ্দেশ্য প্রয়োজন। সিনেমাটির পুরো কলাকুশলী দল গল্পটিকে শতভাগ প্রামাণিকভাবে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বলে তিনি জানান।

সোয়াইন ফ্লু

সিজেপি আন্দোলনে থাকছেন না শাবানা আজমি

অনলাইন ডেস্ক
সিজেপি আন্দোলনে থাকছেন না শাবানা আজমি
সংগৃহীত ছবি

শিক্ষার্থীদের চলমান সিজেপি আন্দোলনে প্রকাশ্যে সমর্থন জানানো প্রবীণ অভিনেত্রী শাবানা আজমির সোয়াইন ফ্লু ধরা পড়েছে। ১০২ ডিগ্রি জ্বর হওয়ার পর চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলা হয়েছে।

শাবানা আজমির দলের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তার অসুস্থতার বিষয়টি জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘শাবানা জির আজ আন্দোলনে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার সোয়াইন ফ্লু হয়েছে। তার ১০২ ডিগ্রি জ্বর। চিকিৎসক তাকে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।’ সাম্প্রতিক সময়ে চলমান সিজেপি আন্দোলনে অংশ নিয়ে আলোচনায় আসেন শাবানা আজমি। চলচ্চিত্র জগতের পরিচিত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম দিকের একজন, যিনি প্রকাশ্যে এই আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানান। তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং বহুল আলোচিত ‘চলো সংসদ’ মিছিলে অংশ নেন। সংসদের দিকে এগিয়ে যাওয়া বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে তিনিও হাঁটেন। ওই সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনে তার অংশগ্রহণের জন্য অনেকে তাকে প্রশংসা করেন।

গত ২০ জুলাই সোমবার ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে হাজারো নাগরিকের সঙ্গে যোগ দেন শাবানা আজমি। পরে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করেন। একটি ছবিতে তাকে প্রবীণ অভিনেতা প্রকাশ রাজের সঙ্গে একটি ট্রাকের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। চারপাশে ছিলেন আন্দোলনকারীরা। সরকার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি হওয়ার খবরকে স্বাগত জানান শাবানা। তিনি বলেন, এই আন্দোলন একটি ‘শান্তিপূর্ণ আন্দোলন’। আন্দোলন নিয়ে যেসব নেতিবাচক অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেগুলোও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন।

বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে হেঁটে যাওয়ার একটি ভিডিও প্রকাশ করে শাবানা লেখেন, ‘তরুণ সহকর্মীদের সহায়তায় যন্তর মন্তরে আন্দোলনস্থলে উঠছি। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার এবং পুরো ব্যবস্থার পরিবর্তনের দাবিতে আমরা এখানে এসেছি।’ তিনি আরো বলেন, দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৬ শতাংশ শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য এবং নারীর ক্ষমতায়নে বরাদ্দ করা উচিত। তার মতে, দেশের উন্নতির মানদণ্ড হিসেবেও এসব বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া দরকার। এ ছাড়া তিনি তার বাবা, বিখ্যাত কবি কাইফি আজমির একটি কবিতা আবৃত্তির ভিডিওও শেয়ার করেন। শাবানা বলেন, সত্য কথা বলার কারণে মানুষকে যে মূল্য দিতে হয়, তার বাবার কবিতাগুলো সেই বাস্তবতা তুলে ধরে।

এর আগে এক সাক্ষাৎকারে শাবানা আজমি জানান, আন্দোলনের সময় কাঁদানে গ্যাসের কারণে তার হাঁপানির সমস্যা বেড়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন, ‘আমি হাঁপানির রোগী। কাঁদানে গ্যাসের কারণে আমার হাঁপানির আক্রমণ হয়েছিল। তবে আমার ইনহেলার সঙ্গে ছিল। তাই এখন আমি ভালো আছি।’ তিনি জানান, তাকে সম্মানের সঙ্গে কাছের একটি ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়ার পর শ্বাস স্বাভাবিক হলে তিনি আবার আন্দোলনস্থলে ফিরে যান। শাবানা বলেন, লাঠিচার্জের শিকার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। তাদের মনোবল দেখে তিনি মুগ্ধ হয়েছেন বলেও জানান। তিনি বলেন, ‘যেসব শিক্ষার্থীকে লাঠিচার্জ করা হয়েছিল, তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের মনোবল সত্যিই নজিরবিহীন। তাদের সবাইকে আমার সালাম।’

আন্দোলনে যোগ দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে শাবানা বলেন, তিনি যন্তর মন্তরে গিয়েছিলেন অনশনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানাতে। তিনি বলেন, ‘২০ দিনেরও বেশি সময় ধরে তারা অনশন করছে। তাদের শারীরিক অবস্থাও খারাপ হচ্ছে। তারা যে দাবি করছে, তা কোনো খারাপ দাবি নয়।’ শাবানার মতে, শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতে শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার এবং বড় ধরনের পরিবর্তনের দাবি জানাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘তাদের কথা শুনুন। তাদের দাবিকে গুরুত্ব দিন। তাদের আশা দিন।’

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে যন্তর মন্তরের এই আন্দোলন কয়েক সপ্তাহ ধরে চলছে। শিক্ষাবিদ ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করার পর আন্দোলন আরো জোরালো হয়। পরে বৃহস্পতিবার রাতে তিনি অনশন শেষ করেন। গত ২০ জুলাই সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর দিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা নয়াদিল্লিতে জড়ো হন। তারা ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির মাধ্যমে সংসদের দিকে মিছিল করেন। তবে দিল্লি পুলিশ সেই মিছিল আটকে দেয়। পরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনার পর ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তীব্র আলোচনা হয়। আন্দোলনকারীরা কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনার দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের অন্যতম দাবির মধ্যে রয়েছে কথিত নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ।
 

৪৭ বছর বয়সে মা হলেন অভিনেত্রী

বিনোদন ডেস্ক
৪৭ বছর বয়সে মা হলেন অভিনেত্রী
সংগৃহীত ছবি

৪৭ বছর বয়সে সন্তানের জন্ম দিলেন চীনা অভিনেত্রী তাং ওয়েই। তিনি একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রীর প্রতিনিধি।

জানা গেছে, মা ও নবজাতক দুজনেই সুস্থ আছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার নির্মাতা কিম তে-ইয়ংয়ের সঙ্গে সংসার করছেন তাং ওয়েই। এটি তাঁদের দ্বিতীয় সন্তান। এর আগে ২০১৬ সালে এই দম্পতির ঘরে জন্ম নেয় কন্যাসন্তান সামার।

সন্তানের জন্মের সুখবরটি বুধবার চীনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম উইচ্যাট মোমেন্টসে নিজেই শেয়ার করেন তাং ওয়েই। প্রকাশিত ছবিতে পরিবারের চার সদস্যকে হাত ধরে থাকতে দেখা যায়। ছবির সঙ্গে নবজাতককে স্বাগত জানিয়ে কিম তে-ইয়ংয়ের আঁকা একটি ঘোড়াশাবকের ছবিও যুক্ত ছিল।

প্রথম সন্তান সামারের অনুভূতি তুলে ধরে তাং ওয়েই লেখেন, ‘এখন আমাদের চার সদস্যের পরিবারের যাত্রা শুরু হলো।’

এর আগে কয়েক মাস ধরেই তাং ওয়েইয়ের গর্ভধারণ নিয়ে আলোচনা চলছিল। চলতি বছরের এপ্রিলে সাংহাইয়ে একটি বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের অনুষ্ঠানে তাঁকে বেবি বাম্পসহ দেখা যাওয়ার পর থেকেই গুঞ্জনের সূত্রপাত হয়।

পরে স্বামী কিম তে-ইয়ং ও মেয়ে সামারের সঙ্গে একটি ছবি প্রকাশ করে গর্ভধারণের খবর নিশ্চিত করেন অভিনেত্রী। সেই ছবিতে তাঁদের হাতে ছিল একটি ঘোড়ার খেলনা।

সেই সময় তাং ওয়েই লিখেছিলেন, ‘আমরা খুবই খুশি। আমাদের পরিবারে নতুন একজন সদস্য যোগ দিচ্ছে। সবাই শিশুটির সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় আছে।’

গত মাসে হংকং সফরেও একসঙ্গে দেখা যায় তাং ওয়েই ও কিম তে-ইয়ংকে। এরপর থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল, শিগগিরই দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

১৯৭৯ সালে জন্ম নেওয়া তাং ওয়েই ২০০৪ সালে অভিনয়জগতে পা রাখেন। ২০১০ সালে ‘লেট অটাম’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় পরিচালক কিম তে-ইয়ংয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। 

সেই পরিচয় থেকে প্রেম, পরে ২০১৪ সালে বিয়ে। দুই বছর পর তাঁদের প্রথম সন্তান সামারের জন্ম হয়। এবার দ্বিতীয় সন্তানের আগমনে পূর্ণতা পেল তাঁদের চার সদস্যের পরিবার।