• ই-পেপার

রণধীর জয়সওয়াল

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে হাইকমিশনের সঙ্গে কাজ করবে ভারত

যৌন অসদাচরণের অভিযোগে আইসিসির প্রসিকিউটর বরখাস্ত

অনলাইন ডেস্ক
যৌন অসদাচরণের অভিযোগে আইসিসির প্রসিকিউটর বরখাস্ত
ছবি : রয়টার্স

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সদস্য রাষ্ট্রগুলো গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে প্রধান প্রসিকিউটর করিম খানকে বরখাস্ত করার পক্ষে ভোট দিয়েছে। শুক্রবার আইসিসি এ তথ্য জানায়।

রয়টার্সের দেখা নথি অনুযায়ী, গত মাসে আইসিসির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী ব্যুরোর কূটনীতিকরা অভিযোগ করেন, ব্রিটিশ ব্যারিস্টার করিম খান আদালতের এক জুনিয়র আইনজীবীর সঙ্গে অনুচিত যৌন সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে অপসারণের সুপারিশ করা হয়। পরে আইসিসির ১২৫টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ৮২টি দেশ সেই সুপারিশের পক্ষে ভোট দেয়।

আইসিসির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি পাইভি কাউকোরান্টা বলেন, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ভোটে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে করিম খান গুরুতর অসদাচরণ ও দায়িত্ব পালনে গুরুতর বিধি লঙ্ঘন করেছেন। তাই তাকে পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। তবে ৫৬ বছর বয়সী করিম খান তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার আইনজীবী তাইয়্যাব আলী বলেন, এই সিদ্ধান্তের বৈধতা ও ন্যায্যতা চ্যালেঞ্জ করতে করিম খান আইনে থাকা সব ধরনের সুযোগ ব্যবহার করবেন।

করিম খানকে অপসারণের ফলে আইসিসির নতুন প্রধান প্রসিকিউটর নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে আগামী বছরের আগে নতুন প্রসিকিউটর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আইনের অধ্যাপক লায়লা সাদাত বলেন, আদালত দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সংকটে থাকা একজন কর্মকর্তাকে সরিয়েছে, যাতে আইসিসি তার গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক কাজ চালিয়ে যেতে পারে।

এদিকে করিম খানকে অপসারণের সিদ্ধান্ত এমন সময় এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র আবারও আইসিসির বিরুদ্ধে কূটনৈতিক প্রচারণা শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, আইসিসি তাদের জাতীয় সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি। ফিলিপাইন সফরে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আইসিসির সমালোচনা করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক কর্মকর্তার বিচার এই আদালতে হবে না।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট করিম খানের অপসারণকে স্বাগত জানালেও বলেন, এতে আইসিসির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান বদলাবে না। যুক্তরাষ্ট্র আইসিসির সদস্য নয়। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এবং আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের নিয়ে তদন্তের জেরে যুক্তরাষ্ট্র করিম খানসহ আইসিসির ১১ জন বিচারক ও প্রসিকিউটরের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

নেদারল্যান্ডসের ইউট্রেখট বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাইরা উইগার্ড বলেন, করিম খানকে অপসারণের মাধ্যমে আইসিসি দেখিয়েছে, তারা নিজেদের কর্মকর্তাদেরও জবাবদিহির আওতায় আনতে পারে। তবে আদালতের সামনে এখনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, ভূরাজনৈতিক চাপের মধ্যেও আইসিসি তার স্বাধীনতা বজায় রেখে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারবে কি না। এদিকে করিম খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা নারী গত সপ্তাহে প্রথমবারের মতো সিএনএনকে প্রকাশ্যে সাক্ষাৎকার দিয়ে আবারও দাবি করেন, করিম খান তার সঙ্গে সম্মতি ছাড়া যৌন সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন।

অন্যদিকে, করিম খানের আইনজীবীরা বলেছেন, তিনি ওই জুনিয়র আইনজীবীর সঙ্গে কোনো ধরনের যৌন সম্পর্ক ছিল, এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। তবে করিম খানকে বরখাস্ত করা হলেও তার সময়ে আইসিসি যেসব গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে, সেগুলো বহাল থাকবে। কারণ, এসব পরোয়ানা বাতিল বা প্রত্যাহারের ক্ষমতা শুধু আইসিসির বিচারকদের রয়েছে।

রেকর্ড ভাঙা ভিডিও নিয়ে মোদির প্রতিক্রিয়া

অনলাইন ডেস্ক
রেকর্ড ভাঙা ভিডিও নিয়ে মোদির প্রতিক্রিয়া
ছবি : ইনস্টাগ্রাম ভিডিও থেকে নেওয়া।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছেন। ভিডিওটি ব্যাপক সাড়া পাওয়ার পর তিনি আরেকটি ভিডিওতে তরুণদের ধন্যবাদ জানান। সেখানে তিনি তার বার্তায় ইতিবাচক সাড়া দেওয়া এবং গঠনমূলক পরামর্শ দেওয়ার জন্য তরুণদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বরা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও বার্তার একটি  ইনস্টাগ্রাম রিল ২৪ ঘণ্টায় ৩০৩ মিলিয়নের বেশি ভিউ পেয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। দাবি অনুযায়ী, এটি আগের ৩০০ মিলিয়ন ভিউয়ের রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেছে। এই দাবি এমন সময় সামনে এসেছে, যখন নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে পরীক্ষার অনিয়মের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দেশজুড়ে আলোচনায় রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পাওয়ার পর মোদি একটি নতুন ভিডিও প্রকাশ করেন। ভিডিওর শুরুতে তিনি বলেন, ‘ধন্যবাদ বন্ধুরা’। তিনি তরুণদের সমর্থন ও গঠনমূলক পরামর্শের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। এর আগে গভীর রাতে প্রকাশ করা একটি সেলফি ভিডিওতে মোদি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন। 

তিনি বলেন, এ ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে এবং বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সম্প্রতি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও তরুণ বিক্ষোভ করছেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের শাস্তি এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবি জানাচ্ছেন।

মোদি জানান, গত আড়াই মাসে সরকার পরীক্ষার অনিয়ম মোকাবিলায় বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকারের প্রধান লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করা এবং দ্রুত পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা। তিনি আরোঘোষণা করেন, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির বিধান রেখে নতুন আইনি ব্যবস্থা আনা হবে।

পরবর্তী ভিডিও বার্তায় মোদি বলেন, তরুণদের সঙ্গে এই সংলাপ তাকে উৎসাহিত করেছে। তিনি বলেন, জনগণের মতামত সরকার ও নাগরিকদের মধ্যে সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করে। সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনাদের এই ভালোবাসা ও সমর্থন আমাদের বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করবে।’

পাকিস্তান ছড়াচ্ছে মোদির ফেক ভিডিও

অনলাইন ডেস্ক
পাকিস্তান ছড়াচ্ছে মোদির ফেক ভিডিও
ছবি : রয়টার্স।

দিল্লিতে চলমান আন্দোলনকে বিভ্রান্ত করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফেক ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পাকিস্তানি নেটওয়ার্ক থেকে এই অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো-পিআইবি।

আন্দোলনকে বিভ্রান্তি করতে একাধিক ফেক ভিডিও পড়েছে ইন্টারনেটে। এসব ফেক ভিডিওতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হুমকি দিচ্ছেন এবং আন্দোলনের পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করে দিচ্ছেন। তবে বাস্তবে তাদের কেউ এ ধরনের কোনো কথা বলেননি। 

গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রথানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এক ভিডিও বার্তায় প্রশ্ন ফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার অঙ্গীকার করেন। তিনি প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে কঠোর আইন প্রণয়নের কথাও জানান। 

প্রধানমন্ত্রীর সেই ভিডিওতেই এআই দিয়ে তার বক্তব্য বিকৃত করে হুমকিমূলক বার্তা ছড়ানো হয়। একইভাবে, সংসদের বাইরে পীযূষ গোয়েলের দেওয়া একটি বক্তব্যকেও ডিজিটালি বিকৃত করা হয়েছে, যাতে এটিকে আন্দোলনকারীদের প্রতি এক ধরণের হুমকি বলে মনে হয়।

পিআইবির ফাক্ট চেকিং ইউনিট যাচাই করে দেখেছে, এই ভিডিওগুল এআই দিয়ে বানানো। ইউনিটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কেউ এ ধরনের কোনো হুমকি দেননি বা এ ধরনের কোনো বক্তব্য রাখেননি। পিআইবি দাবি করেছে, বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্যই পাকিস্তানি প্রোপাগান্ডা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এই ভিডিওগুলো শেয়ার করা হচ্ছে। পিআইবি যে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর ভিডিওর ব্যাপারে তাদের অবহিত করতে অনুরোধ করেছে।
 

ওয়াংচুকের অনশন ভাঙা নিয়ে নানা প্রশ্ন

অনলাইন ডেস্ক
ওয়াংচুকের অনশন ভাঙা নিয়ে নানা প্রশ্ন
ছবি : রয়টার্স

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আন্দোলনের সমর্থনে অনশনে বসেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। তার অনশন ভাঙার সিদ্ধান্তকে সংগঠনটির নেতারা স্বাগত জানালেও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এ নিয়ে সমালোচনা করছেন।

তবে সোনম ওয়াংচুক অনশন ভাঙলেও ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) তাদের দাবিতে এখনও অনড় রয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে সংগঠনটির অবস্থান-বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।

টানা ২৬ দিন অনশনের পর বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাসপাতালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংহের উপস্থিতিতে তিনি অনশন ভঙ্গ করেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। ভারতে নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনশনে বসেছিলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। তবে তাকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি পূরণ হওয়ার আগেই কেন তিনি অনশন প্রত্যাহার করলেন। 

এমনকি কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে ‘সমঝোতা’ হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই বিতর্কের মধ্যেই হাসপাতাল থেকে সমালোচকদের জবাব দিতে শুক্রবার রাতে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন সোনম। 

তিনি বলেন, ‘টানা ২৬ দিন অনশনের পরও কি আমাকে আমার আন্তরিকতার প্রমাণ দিতে হবে? গভীর দুঃখ, বিস্ময়, ক্ষোভ ও শোক নিয়েই এই ভিডিও করছি।’ তিনি আরো জানান, দীর্ঘ অনশন, শারীরিক ধকল, আন্দোলন ও নানা চাপের কারণে তার শরীর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সোনমের দাবি, তার পেশি ক্ষয়ে গেছে, অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও মস্তিষ্কেও অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া তার ওজনও ১১ কেজি কমেছে। এ অবস্থায়ও তার অনশনের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।

সোনম ওয়াংচুক জানান, শুক্রবার সকাল থেকেই অনেক মানুষ তাকে ফোন করে এবং সরাসরি দেখা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্ট দেখিয়েছেন। হাসপাতালেই তিনি জানতে পারেন, তার অনশন ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

সোনমের অনশন ভাঙার বিষয়ে সিজেপির মুখপাত্র রাঙ্কা বলেন, এই সিদ্ধান্তে তারা সন্তুষ্ট। কারণ, দীর্ঘ অনশনের কারণে সোনমের শারীরিক অবস্থা নিয়ে তারাও উদ্বিগ্ন ছিলেন। তাই সংগঠনের পক্ষ থেকে একাধিকবার তাকে অনশন শেষ করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সোনমের অনশন ভাঙার সিদ্ধান্তের সঙ্গে আন্দোলনের মূল দাবির কোনো সম্পর্ক নেই।

তবে অনেকের প্রশ্ন, কেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংহের উপস্থিতিতে অনশন ভাঙা হলো? কেন শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় থাকলেন না? কেউ কেউ আবার অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে তার কোনো ধরনের সমঝোতা হয়েছে। এসব সমালোচনার জবাব দিতেই ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন সোনম। 

তিনি বলেন, ‘যদি সত্যিই সরকারের সঙ্গে কোনো সমঝোতা করতে হতো, তাহলে কি আমি ২৬ দিন অনশনে থাকতাম? অন্যরা কীভাবে সমঝোতা করে, সেটাও তো সবাই দেখেছেন। আমি চাইলে আরামদায়ক শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসেই তা করতে পারতাম। দিল্লির প্রচণ্ড গরমে রাস্তায় অনাহারে বসে থাকার প্রয়োজন হতো না।’ এ সময় কঠিন পরিস্থিতিতে যারা তার পাশে ছিলেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন সোনম ওয়াংচুক। 

সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সংগঠনের প্রতিনিধিদের বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।