• ই-পেপার

বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চ মাতাবেন টম ক্রুজ

কপিল শর্মা শোয়ের ৭০ ভাগই স্ক্রিপ্টেড

বিনোদন ডেস্ক
কপিল শর্মা শোয়ের ৭০ ভাগই স্ক্রিপ্টেড
সংগৃহীত ছবি

ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় কমেডি অনুষ্ঠান ‘দ্য কপিল শর্মা শো’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহের শেষ নেই। কপিল শর্মা ও তাঁর টিমের তাৎক্ষণিক কৌতুক, সেলিব্রিটিদের সঙ্গে প্রাণবন্ত কথোপকথন এবং মঞ্চের হাস্যরসকে অনেকেই সম্পূর্ণ স্বতঃস্ফূর্ত বলে মনে করেন। তবে পর্দার আড়ালের বাস্তবতা কিছুটা ভিন্ন। 

সেই শোয়ের দীর্ঘদিনের সদস্য কিকু শারদা জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানটির প্রায় ৭০ শতাংশই আগে থেকে লেখা স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী পরিচালিত হয়।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কিকু শারদা বলেন, পুরো অনুষ্ঠানের একটি নির্দিষ্ট কাঠামো থাকলেও সবকিছু শতভাগ পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোয় না। বিশেষ করে সেলিব্রিটি অতিথিদের সঙ্গে কথোপকথনের সময় প্রায়ই তাৎক্ষণিকভাবে নতুন কৌতুক তৈরি করতে হয়।

অতিথিদের প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতেই অনেক বিষয় গোপন রাখা হয় বলে জানান কিকু। তিনি বলেন, ‘সত্যি করে বলতে, আমরা একদম আসল প্রতিক্রিয়া চাই। আমরা চাই না অতিথিরা পাঞ্চলাইন, কৌতুক বা চরিত্রগুলো সম্পর্কে আগেভাগে জেনে যাক। আমরা চাই তারা মঞ্চে প্রথমবার সেই চরিত্রগুলোর মুখোমুখি হোক, কারণ তখনই আমরা সবচেয়ে খাঁটি প্রতিক্রিয়া পাই।’

Kiku Sharda

তিনি আরো জানান, স্ক্রিপ্ট থাকলেও তা সবসময় হুবহু অনুসরণ করা সম্ভব হয় না। কিকুর কথায়, ‘মোটামুটিভাবে বলতে গেলে, একটি স্ক্রিপ্ট থাকে এবং আমরা তা অনুসরণও করি, তবে একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত। মাঝে মাঝে স্ক্রিপ্ট ধরে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ে, কারণ কোনো তারকা হয়তো আলোচনাটিকে সম্পূর্ণ নতুন একটি দিকে নিয়ে যান। আবার কখনো কখনো সেই মুহূর্তে মাথায় অন্য কোনো চিন্তা চলে আসে এবং আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সংলাপ বানিয়ে বলি। আমি বলব এটি মূলত ৭০-৩০ শতাংশের একটি ভাগ: প্রায় ৭০ ভাগ স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী চলে, আর ৩০ ভাগ সম্পূর্ণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসে।’

সুপারস্টার সালমান খানের সঙ্গে শুটিংয়ের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন কিকু। তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে সালমান খানের ক্ষেত্রে, আপনি কখনোই জানতে পারবেন না কোন জিনিসে তিনি হেসে উঠবেন। মাঝে মাঝে আপনি হয়তো ভাবলেন, এই লাইনটা দারুণ মজার হবে, কিন্তু তিনি হয়তো তেমন কোনো প্রতিক্রিয়াই দেখালেন না। আবার মাঝখানে কেউ একজন সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত কিছু একটা বলে ফেলল, আর তাতেই তিনি হেসে খুন। একবার তিনি হাসা শুরু করলে আর থামতেই পারেন না। চোখ দিয়ে পানি চলে আসে এবং তিনি হাসতেই থাকেন।’

The Kapil Sharma Show' team poses with 'Mahabharat' actor in backdrop;  comedian asks fans 'guess who?'

মঞ্চে কোনো কৌতুক প্রত্যাশামতো কাজ না করলে সেটি সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে কপিল শর্মার দক্ষতারও প্রশংসা করেন কিকু। 

তিনি বলেন, ‘কপিল শর্মা এই পরিস্থিতিগুলো সামলানোর ক্ষেত্রে একজন ওস্তাদ। কোনো জিনিস কাজ করছে না, তা বুঝতে পারার এক অদ্ভুত সহজাত ক্ষমতা তার আছে। আমি সবসময়ই বলি যে, মাঝে মাঝে কোনো কৌতুক দারুণ জমে ওঠে, আবার মাঝে মাঝে তা একেবারেই জমে না। যখন কোনো কৌতুক কাজ করে না, তখন আপনি সেখানে কেবল দাঁড়িয়ে থেকে এমন ভান করতে পারেন না যে সবকিছু ঠিকঠাক চলছে।’

তিনি আরো যোগ করেন, ‘তোমাকে আগেই বলেছিলাম এটা কাজ করবে না,’ অথবা কপিল এমন একটি লাইন বলে দেন যা অভিনেতাকে স্বাভাবিকভাবে মঞ্চ থেকে বিদায় নেওয়ার সুযোগ করে দেয়। শো-টিকে কোনো রকম অস্বস্তি ছাড়াই তিনি সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজে বের করেন। তিনি এই পরিস্থিতিগুলো খুব সুন্দরভাবে সামলান।’

দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করার ফলে দলের সদস্যদের মধ্যে বোঝাপড়াও অনেক বেড়েছে বলে জানান কিকু। বললেন, ‘দীর্ঘদিন একসাথে কাজ করার পর, আমরা এখন এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছেছি, যেখানে আমরা প্রায় একে অপরের ভাবনায় কী চলছে তা বুঝতে পারি।’

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে সনি টেলিভিশনে যাত্রা শুরু করে ‘দ্য কপিল শর্মা শো’। পরবর্তীতে অনুষ্ঠানটি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে স্থানান্তরিত হয় এবং এখনও ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দর্শকদের মধ্যে সমান জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে।

ভিন্ন ধর্মে বিয়ে ও ‘লাভ জিহাদ’ বিতর্কে মুখ খুললেন আমির খান

বিনোদন ডেস্ক
ভিন্ন ধর্মে বিয়ে ও ‘লাভ জিহাদ’ বিতর্কে মুখ খুললেন আমির খান
সংগৃহীত ছবি

তৃতীয়বারের মতো বিয়ের পর থেকেই নানা বিতর্কের মুখে পড়েছেন বলিউড সুপারস্টার আমির খান। ৫ জুলাই দীর্ঘদিনের সঙ্গী গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে শুরু হয় সমালোচনা। 

কেউ কেউ এই বিয়েকে ‘লাভ জিহাদ’ বলে আখ্যা দেন। এমনকি এ নিয়ে ফতোয়াও জারি করা হয়েছে। অবশেষে পুরো বিতর্ক নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন আমির খান।

সম্প্রতি মুসলিম পারসোনাল দারুল ইফতার শাহির প্রধান মুফতি মাওলানা ইব্রাহিম হুসাইন এ বিয়েতে আপত্তি জানিয়ে বলেন, কোনো মুসলিম পুরুষ অমুসলিম নারীকে বিয়ে করতে পারেন না, যদি না তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এ বক্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হলে বিষয়টি নিয়ে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে কথা বলেন অভিনেতা।

রেডিফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ‘লাভ জিহাদ’-এর অভিযোগের জবাবে আমির বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমাদের পরিবার খুবই উদার এবং সবাইকে আপন করে নেয়। আমার দুই বোনেরই বিয়ে হিন্দু পরিবারে হয়েছে। আমার মেয়েও একজন হিন্দুকে বিয়ে করেছে। আমার চাচাতো ভাই মনসুর একজন খ্রিষ্টান নারীকে বিয়ে করেছে।’

ধর্ম পরিবর্তনের প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘গৌরী স্প্র্যাট, কিরণ রাও কিংবা রীনা দত্ত—কেউই তাঁদের ধর্ম পরিবর্তন করেননি। কারণ, আমাদের সব বিয়েই সিভিল ম্যারেজ ছিল। গৌরী হিন্দুও নন, তিনি একজন খ্রিষ্টান। তবে তিনি নিয়মিত ধর্মচর্চাকারী খ্রিষ্টানও নন। সময়ের সঙ্গে জীবন আরও বেশি উপভোগ্য হয়ে উঠছে।’

আমিরের বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁদের পরিবারে বহুদিন ধরেই ভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে বিয়ের নজির রয়েছে। তবে কোনো ক্ষেত্রেই ধর্ম পরিবর্তনের শর্ত ছিল না। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতেই সম্পর্কগুলো গড়ে উঠেছে।

ব্যক্তিগত জীবনে এটি আমির খানের তৃতীয় বিয়ে। ১৯৮৬ সালে তিনি প্রথম বিয়ে করেন রীনা দত্তকে। প্রায় ১৬ বছরের সংসারের পর ২০০২ সালে বিচ্ছেদ হয় তাঁদের। এরপর ২০০৫ সালে চলচ্চিত্র নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন। সেই সম্পর্কেরও ইতি ঘটে ২০২১ সালে।

সর্বশেষ ৫ জুলাই মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজ বাসভবনে একান্ত ঘরোয়া আয়োজনে ৪৭ বছর বয়সী গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করেন ৬১ বছর বয়সী এই অভিনেতা। 

জানা গেছে, প্রায় ২৫ বছর আগে প্রথম পরিচয় হলেও দুই বছরের কিছু বেশি আগে আমিরের চাচাতো বোন নুজহাত খানের মাধ্যমে তাঁদের আবার যোগাযোগ হয়। পরে সেই বন্ধুত্ব গড়ায় সম্পর্কে।

এর আগে গত মার্চে নিজের ৬১তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমের সামনে গৌরী স্প্র্যাটকে পরিচয় করিয়ে দেন আমির।

প্রেমের গল্পে ফিরলেন জাহিদ হাসান, সঙ্গে বাসার ও তটিনী

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রেমের গল্পে ফিরলেন জাহিদ হাসান, সঙ্গে বাসার ও তটিনী
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের পরিচালনায় অভিনয় করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান। 

প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং মানবিক আবেগকে কেন্দ্র করে নির্মিত ‘পথহারা মন’ শিরোনামের এই নাটকে জাহিদ হাসানের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন খায়রুল বাসার, তানজিম সাইয়ারা তটিনী ও দীপা খন্দকার। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন ডা. এজাজুল ইসলাম ও মনিরা আক্তার মিঠু।

নির্মাতা মুহাম্মদ জানান, ‘পথহারা মন’ এমন একটি গল্প, যেখানে ভালোবাসা, সম্পর্কের জটিলতা এবং মানুষের অনুভূতির নানা দিক উঠে এসেছে। 

তার কথায়, ‘পথহারা মন’ মূলত ভালোবাসা, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং মানুষের আবেগের গল্প। দর্শক যেন নিজেদের জীবনের কিছু মুহূর্ত এই নাটকে খুঁজে পান, সেভাবেই গল্পটি লেখা।’

জাহিদ হাসান ও রাজের শেষ কাজ ছিল ২০১৮ সালে। সে সময় বৈশাখী টেলিভিশনে প্রচারিত সাত পর্বের ধারাবাহিক নাটক ‘ছেলেমানুষি’তে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন তারা। প্রায় আট বছর পর এই জুটির পুনর্মিলন ঘটছে ‘পথহারা মন’-এর মাধ্যমে।

দীর্ঘদিন পর প্রিয় অভিনেতাকে নিয়ে কাজ করার অনুভূতি জানিয়ে রাজ বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর জাহিদ ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। তার অভিনয় দক্ষতা নাটকটিকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। একই সঙ্গে অভিজ্ঞ ও তরুণ শিল্পীদের সমন্বয়ে দারুণ একটি টিম পেয়েছি।’

অন্যদিকে জাহিদ হাসানও নতুন এই কাজ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘রাজের সঙ্গে আমার কাজের অভিজ্ঞতা সবসময়ই ভালো। অনেকদিন পর আবারও তার পরিচালনায় কাজ করছি, এটা আমার জন্য আনন্দের। গল্পটি খুব আন্তরিক। আমার অভিনীত চরিত্রটিও বেশ চ্যালেঞ্জিং। শুটিংয়ের পরিবেশও দারুণ।’

নাটকটির গল্প লিখেছেন জাকিয়া হোসেন তৃষা। চিত্রনাট্য করেছেন আসাদ জামান ও নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। সবকিছু ঠিক থাকলে শিগগিরই ইউটিউবের ‘সিনেমাওয়ালা’ চ্যানেলে মুক্তি পাবে নাটকটি।

প্রথমবার জুটি বাঁধলেন আরিফিন শুভ ও পায়েল

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রথমবার জুটি বাঁধলেন আরিফিন শুভ ও পায়েল
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘদিন পর ওটিটিতে ফিরছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ। এই প্রত্যাবর্তনে প্রথমবারের মতো তার বিপরীতে দেখা যাবে অভিনেত্রী কেয়া পায়েলকে। নির্মাতা জাহিদ প্রীতম পরিচালিত অরিজিনাল ফিল্ম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এর মাধ্যমে নতুন এই জুটিকে পর্দায় দেখতে পাবেন দর্শক।

নির্মাতা জানান, সমকালীন জীবনের নানা জটিলতা, পারিবারিক সম্পর্কের চিরন্তন বন্ধন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাব—এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করেই নির্মিত হয়েছে ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’। 

রোমান্টিক-কমেডি ঘরানার এই চলচ্চিত্রে সম্পর্ক, আবেগ এবং বর্তমান প্রজন্মের মানসিক বাস্তবতাকে তুলে ধরা হয়েছে ভিন্ন আঙ্গিকে।

ফিল্মটিতে আরিফিন শুভ অভিনয় করেছেন আনিস চরিত্রে। সাধারণত অ্যাকশনধর্মী কিংবা দৃঢ় ব্যক্তিত্বসম্পন্ন চরিত্রে দেখা গেলেও এবার তিনি হাজির হচ্ছেন একেবারেই ভিন্ন রূপে। স্বাধীনচেতা, আত্মনির্ভরশীল এবং একাকী জীবনযাপনে অভ্যস্ত এক তরুণের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।

নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে আরিফিন শুভ বলেন, ‘রম-কম ঘরানার কাজ এটা। শুধু বলার জন্য বলা না, এ রকম চরিত্রে কাজ করিনি। দর্শকরা সাধারণত আমাকে যেভাবে দেখে অভ্যস্ত এখানে আমাকে সেভাবে দেখা যাবে না। অর্থাৎ কনভেনশনাল স্ট্রং মেইল ক্যারেক্টারাইজেশন না এটা।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমার চরিত্রটি মফস্বলের অত্যন্ত দায়িত্বশীল এক যুবকের, যার পুরো পৃথিবী জুড়েই রয়েছে পরিবার, ছোট ভাইবোন ও প্রিয় মানুষেরা।’

অন্যদিকে, কেয়া পায়েলকে দেখা যাবে অনামিকা চরিত্রে। উচ্চবিত্ত শহুরে জীবনের আবহে বেড়ে ওঠা এই তরুণীর জীবন ঘিরে রয়েছে সামাজিক যোগাযো গমাধ্যম, সেলিব্রিটি ফ্যান্টাসি এবং ভার্চুয়াল দুনিয়ার মোহ। গল্পে আনিস ও অনামিকার দুই ভিন্ন জগতের সংঘাত এবং সম্পর্কের বিকাশই মূল আকর্ষণ হয়ে উঠবে।

নিজের চরিত্র সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমার চরিত্রটা প্রেমে পড়ার মতো। আর আমার অভিনয়ের অনেকগুলো লেয়ার আছে। সবকিছু মিলিয়ে আমার মনে হয় যে, দর্শক আমাকে অনেকভাবেই দেখেছেন, আবারও একটু ভিন্নভাবে দেখবেন।’

জানা গেছে, এই ওয়েব ফিল্মটি খুব শিগগিরই দেশের একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে।